বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪০ পি.এম
ইসরায়েল ও মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার বিষয়ে একমত হয়েছেন। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দুই দেশে দূতাবাস প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বুধবার, ইসরায়েল সরকারের আরবি ভাষার সরকারি অ্যাকাউন্ট থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
আরো পড়ুন
সুইডেনের নির্বাচনে বামপন্থীদের জয়
রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ গ্রহণকারী চারটি আরব দেশের মধ্যে মরক্কো ছিল একটি। অন্যান্য তিনটি দেশ হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও সুদান। মিসর এবং জর্দানের সঙ্গে ইসরায়েলের আলাদা শান্তিচুক্তি বিদ্যমান। এই চুক্তিগুলোর পর ফিলিস্তিনিদের মধ্যে দীর্ঘদিনের একটি আরব অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। ওই অবস্থানে উল্লেখ করা হয়েছিল, ইসরায়েলকে দখলকৃত ভূখণ্ড থেকে সরে যেতে হবে এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে হবে। এর বিনিময়ে আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিল।
আরো পড়ুন
পাকিস্তান ও ভারতীয় নৌযানের সংঘর্ষ, পাক রাষ্ট্রদূতকে তলব করল নয়াদিল্লি
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, নিউইয়র্কে তিন পক্ষের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার, মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা এবং জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ। বিবৃতিতে জানানো হয়, ইসরায়েল ও মরক্কোর সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য কর্মকর্তারা একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে দুই দেশের কূটনৈতিক মিশনের মর্যাদা দূতাবাস পর্যায়ে উন্নীত করা এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা।
এছাড়া, ইসরায়েল ও মরক্কোর মধ্যে বিমান চলাচল বৃদ্ধি করার বিষয়েও তারা একমত হয়েছেন। পারস্পরিক বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে সহজতর করার জন্য প্রয়োজনীয় চুক্তিগুলো চূড়ান্ত করার কাজও তারা করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি নিয়ে ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সিগারেটের নিম্ন মূল্যস্তরে সরবরাহের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই ধরনের সিগারেট এখন থেকে মধ্যম মূল্যস্তরের নিচে বাজারে সরবরাহ করা যাবে না।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিভাগ ১৫ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এই প্রজ্ঞাপনটি বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য, সিগারেটের সংখ্যা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট তথ্য সুস্পষ্ট, লক্ষণীয় ও অনপনীয়ভাবে মুদ্রিত থাকতে হবে।
এছাড়া, ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সংবলিত সিগারেটের নিম্ন মূল্যস্তরে সরবরাহের ফলে ধূমপায়ীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে, যা জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই বিবেচনায় এ ধরনের সিগারেট মধ্যম মূল্যস্তরের নিচে সরবরাহ না করার শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।
গেজেটে সিগারেটের মূল্যস্তরও নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে নিম্ন মূল্যস্তরে প্রতি ১০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব, মধ্যম মূল্যস্তরে ৯২ টাকা ও তদূর্ধ্ব, উচ্চ মূল্যস্তরে ১৬০ টাকা ও তদূর্ধ্ব এবং অতি উচ্চ মূল্যস্তরে ২১০ টাকা ও তদূর্ধ্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন বিধানের ফলে ফ্লেভারিং ক্যাপসুলযুক্ত সিগারেট ৬৫ টাকা থেকে শুরু হওয়া নিম্ন মূল্যস্তরে সরবরাহ করা যাবে না। এসব সিগারেটের ক্ষেত্রে অন্তত মধ্যম মূল্যস্তরের অর্থাৎ প্রতি ১০ শলাকার ৯২ টাকা বা তার বেশি সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রযোজ্য হবে।
এনবিআর জানিয়েছে, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ১৩৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এবং একই আইনের ৫৮ ধারার উপধারা (২)-এর সঙ্গে পঠিতব্য বিধান অনুযায়ী ৮ জুন ২০২৬ জারি করা সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনটি অধিকতর সংশোধন করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানির বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে।
তিনি বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে ইউএস কনস্টিটিউশন ডে সেলিব্রেশন অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন।
আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে এই আইন খসড়া পর্যায়ে রয়েছে এবং সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের জন্য সকল অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ যে ধরনের আইন চায়, সে ধরনের আইনই আনবে সরকার।’ আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এর আগে গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়া হয়েছে আইনটির বিষয়ে।’
তিনি জানান, নতুন সাইবার সুরক্ষা আইনে এটি নিশ্চিত করা হবে যে, অনলাইনে কেউ সাংবাদিকতার নামে অপতথ্য ছড়াতে না পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শৈশবের স্মৃতিতে কাগজের উড়োজাহাজ তৈরি করে খেলার অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সেই আনন্দের মুহূর্তগুলো হারিয়ে যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিড রাশ সেই শৈশবের খেলাকে নতুন করে বিশ্ব রেকর্ডে পরিণত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহো অঙ্গরাজ্যের বোইজিতে, ডেভিড রাশ এক ঘণ্টায় ৪১৫টি কাগজের উড়োজাহাজ তৈরি করেছেন। এই কৃতিত্বের মাধ্যমে তিনি আবারও গিনেস বিশ্ব রেকর্ডসে নিজের নাম লেখালেন। প্রতিটি উড়োজাহাজ তৈরিতে তার গড়ে সময় লেগেছে মাত্র ৮ দশমিক ৬৭ সেকেন্ড।
ডেভিড রাশ এর আগে ২০০টিরও বেশি বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করেছেন। তিনি ধারাবাহিকভাবে সবচেয়ে বেশি গিনেস বিশ্ব রেকর্ড গড়ার অধিকারী।
নতুন রেকর্ড গড়ার জন্য বোইজির ওয়াইএমসিএর র্যাকেটবল কোর্টে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন ডেভিড রাশ। তার লক্ষ্য ছিল এক ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি কাগজের উড়োজাহাজ বানানোর রেকর্ডটি নিজের করে নেওয়া। তবে এই কাজটি মোটেও সহজ ছিল না।
ডেভিড রাশ জানান, গিনেস বিশ্ব রেকর্ডসের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি কাগজের উড়োজাহাজ তৈরির জন্য সাত ধাপের নির্দিষ্ট ভাঁজ অনুসরণ করতে হয়েছে। শুধু উড়োজাহাজ তৈরি করলেই হবে না, সেগুলো নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করেছে কিনা, সেটিও নিশ্চিত করতে হয়েছে।
এ কারণে পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে দ্রুততার পাশাপাশি নির্ভুলতা ও সমন্বয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
একটি অনলাইন পোস্টে, ডেভিড রাশ জানান, তার সহকারীদের একটি দল কাগজ সরবরাহ, তৈরি করা উড়োজাহাজ নির্ধারিত বিচারকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সেগুলো ছুড়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করেছে কিনা, তা নিশ্চিত করার কাজ করেছে।
গত ৩০ মে, এক ঘণ্টায় সর্বোচ্চসংখ্যক কাগজের উড়োজাহাজ তৈরির রেকর্ড গড়ার উদ্যোগ নেন ডেভিড রাশ। এক ঘণ্টায় ৪১৫টি উড়োজাহাজ বানিয়ে তিনি সফল হন।
তবে ডেভিড রাশ এখানেই থামতে চান না। এখন তার লক্ষ্য আরও দ্রুত কাগজের উড়োজাহাজ বানানো ও ছোড়ার রেকর্ড ভাঙা। বর্তমানে এই রেকর্ড ৪ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, টিসিবি থেকে ৫৯ লাখ সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে টিসিবির ভর্তুকি শূন্যে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী এ সময় বলেন, “সরবরাহ ও সাপ্লাই চেইনের মধ্য একটা বৈষম্য লক্ষ করা যায়। যে কারণে বাজারে এখনো স্থিতিশীলতা নেই।” ভর্তুকির মাধ্যমে টিসিবি যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তা দেশের মানুষের জন্য উপকারী হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও জানান, টিসিবির কার্ড ডিজিটাল রূপান্তর করার ফলে ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ