মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৪ পি.এম
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদনের সময় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির একটি চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব শিক্ষার্থী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন না, তারা পরবর্তীতে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের পর ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এসব শিক্ষার্থীরাও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।
ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন করে আবেদনের সুযোগ সৃষ্টি হলো।
সংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্থানীয় টেক্সটাইল শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণ ও প্রকৃত রপ্তানিকারকদের কাঁচামাল প্রাপ্তি সহজ করার লক্ষ্যে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
তবে ব্যাংক গ্যারান্টি দাখিলের মাধ্যমে নির্দিষ্ট তিনটি শর্তে এ সুতা আমদানির সুযোগ পাবেন ওয়্যারহাউস লাইসেন্সধারী প্রকৃত রপ্তানিকারকরা।
সোমবার এনবিআরের কাস্টমস, রপ্তানি ও বন্ড শাখার দ্বিতীয় সচিব কাজী রায়হানুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কাস্টমস ট্যারিফের এইচএস হেডিং ৫২০৫, ৫২০৬ ও ৫২০৭-এর আওতাধীন ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানির ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। ওয়্যারহাউস লাইসেন্সধারী প্রকৃত রপ্তানিকারক আমদানিকারকরা এ সুবিধা পাবেন।
সুবিধা পেতে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রথমত, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ বা বিটিএমএর প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট কাস্টমস স্টেশনে দাখিল করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আমদানি পর্যায়ে প্রযোজ্য শুল্ক ও করের সমপরিমাণ অর্থের নিঃশর্ত ও অব্যাহত ব্যাংক গ্যারান্টি সংশ্লিষ্ট কাস্টমস স্টেশনে জমা দিতে হবে। তৃতীয়ত, খালাস করা কাঁচামাল দিয়ে প্রস্তুতকৃত পণ্য সম্পূর্ণরূপে রপ্তানি হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে দাখিল করা ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত করা হবে।
গত ২০ আগস্ট বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত টেক্সটাইল শিল্পের সমস্যা পর্যালোচনা কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে এনবিআর এ আদেশ জারি করে।
কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ২৬৬ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা এ নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে আদেশ জারির আগে জাহাজীকরণ করা পণ্যচালানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: দেশের খনিজ বালু শিল্পের গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্ভাবনাময় খনিজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি) এবং এভারলাস্ট মিনারেলস লিমিটেড(ইএমএল)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আজ সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম. মঈনুল ইসলাম এবং এভারলাস্ট মিনারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসাইন টিটু নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মো. আনোয়ার হোসেন।
এ সমঝোতা স্মারকের আওতায় দেশের খনিজ বালু শিল্পের উন্নয়নে শিল্পভিত্তিক গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে পারস্পরিক সহযোগিতা, তথ্য ও জ্ঞান বিনিময় এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
এ লক্ষ্যে উভয় প্রতিষ্ঠান নদী ও দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় দ্বীপাঞ্চল, বিশেষ করে ভোলা, পটুয়াখালী ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকায় খনিজ বালুর নমুনার ভৌত ও রাসায়নিক বিশ্লেষণসহ প্রয়োজনীয় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব বলেন, ‘দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবহার নিশ্চিতে সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা জরুরি। এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে খনিজ বালুর সম্ভাবনাময় সম্পদের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও শিল্পে ব্যবহারযোগ্যতা যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি হলো, যা ভবিষ্যতে দেশের শিল্পায়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।’
সমঝোতা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের পক্ষে ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার জিওলজিক্যাল সায়েন্সেস (আইএনজিএস) সংশ্লিষ্ট মাঠ ও পরীক্ষাগারভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। কমিশন নিজস্ব সুবিধায় সংগৃহীত বালুর নমুনা বিশ্লেষণ করবে।
মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী এভারলাস্ট তাদের আধুনিক হাইড্রলিক কোর ড্রিল রিগ ও নৌযান সরবরাহ করবে এবং উভয় পক্ষের মাঠপর্যায়ের টিমের প্রয়োজনীয় সফর ব্যয় বহন করবে।
এছাড়া খনিজ বালুর মিনারেলজি, জিওকেমিস্ট্রি ও মেটালার্জি বিষয়ে বিস্তারিত গবেষণা, নির্দিষ্ট খনিজের নমুনা সংগ্রহ, খনিজ পৃথকীকরণ, বালুর গুণগত মান ও গঠন বিশ্লেষণ, আপগ্রেডেশন প্রযুক্তি এবং দেশের শিল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী খনিজ বালুর ব্যবহারযোগ্যতা নিয়ে যৌথভাবে কাজ করা হবে। এসব কার্যক্রম দেশের শিল্প ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।
সমঝোতার আওতায় কমিশনের প্রতিনিধিরা এভারলাস্টের অনুসন্ধান ও খনন প্রকল্প ও খনিজ বালু প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যান্ট পরিদর্শন করতে পারবেন। পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে গবেষণাগার, গবেষণা সুবিধা ও অন্যান্য সহযোগিতামূলক কার্যক্রমও গ্রহণ করা যাবে।
এই সমঝোতা স্মারকের প্রাথমিক মেয়াদ তিন বছর। উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতির ভিত্তিতে পরবর্তী মেয়াদে এটি নবায়ন করা যাবে।
সমঝোতাটি কোনো ব্যবসায়িক চুক্তি নয় এবং এর মাধ্যমে কোনো পক্ষের সরাসরি আর্থিক সুবিধা অর্জনের উদ্দেশ্য নেই, বরং দেশের খনিজ বালু শিল্পের গবেষণা ও উন্নয়ন এবং এর মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নই এর মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব তৌহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার জিওলজিক্যাল সায়েন্সেসের পরিচালক ড. মো. গোলাম রাসুলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং এভারলাস্ট মিনারেলস লিমিটেডের সিনিয়র কনসালট্যান্ট মো. খায়রুল ইসলাম ও জেনারেল ম্যানেজার মো. বাহারুল আলম বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশের গণতন্ত্রকে টেকসই করতে হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী ও স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী না থাকলে গণতন্ত্র বারবার আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত ‘সাম্প্রতিক গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট: সরকার ও জনগণের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকারের নিজস্ব উদ্যোগ ও কার্যক্রমকে পাশ কাটিয়ে রাস্তায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার যে প্রচেষ্টা চলছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের সরকারের প্রতিটি কাজের সমালোচনা করার অধিকার রয়েছে। তবে সেই সমালোচনা দায়িত্বশীল হতে হবে।
তিনি বলেন, ‘লং মার্চ’সহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে রাজপথ দখলে রাখার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘদিনের সংগ্রাম ও রক্তদানের ধারাবাহিকতায় যে অর্জন এসেছে, তার প্রতি সম্মান দেখিয়ে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, স্বাধীনতার আগে থেকে এবং স্বাধীনতার পরেও দেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে। ১৭ বছর ধরে চলা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে একটি সত্যিকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সেখানে বিরোধী দল যেমন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে, সরকারকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, বিরোধী দলের সরকারের সমালোচনা করার অধিকার রয়েছে। সরকারের প্রতিটি কাজের সমালোচনা করা হলে সরকার নিজেদের ভুল-ভ্রান্তি বুঝতে পারবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে। এটিই গণতান্ত্রিক সরকার ও গণতান্ত্রিক সমাজের বৈশিষ্ট্য।
জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার এই সংকট তৈরি করেনি। বর্তমান সংকট মূলত বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সৃষ্টি হয়েছে। বৈশ্বিক যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী ও পারস্য উপসাগরকে ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব পড়ছে জ্বালানি সরবরাহের ওপর।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকার অতীতের ব্যর্থতার কথা বলে চুপ করে বসে নেই। বরং এ বিষয়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত বাজেটের বাইরে বরাদ্দ করা হয়েছে, যাতে দ্রুত গ্যাস আনার ব্যবস্থা করা যায়। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী ও নিকটবর্তী দেশ মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে গ্যাস আনার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
মহেশখালীর গ্যাস টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটির বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং তা মেরামত করতে সময় লাগছে। একদিকে বৈশ্বিক যুদ্ধ, অন্যদিকে দেশের গ্যাস টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, গত ১৭ বছরে বিদ্যুৎ খাতে যে কর্মকাণ্ড হয়েছে, তার অনেক কিছুই জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে বিদ্যুৎ দিতে না পারলেও কেন্দ্রগুলোকে ভাড়া দিতে হয়েছে। এতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ চলে গেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সংরক্ষণে সামাজিক দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সরকারের যা করার তা সরকারের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে। এর বাইরে জনগণকেও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীদের পরামর্শ অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিভিন্ন উপায় অনুসরণ করতে হবে।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের পটিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতির সময় মো. সোহাগ (২৪) নামের এক আন্ত জেলা ডাকাত দলের সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি রামদা, একটি ছুরি ও একটি লোহার শাবল, পাশাপাশি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া সোহাগ ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ এলাকার নুরুল ইসলাম মাঝির ছেলে। বর্তমানে তিনি পটিয়ার জিরি ইউনিয়নের ফকিরা মসজিদ এলাকার কবির সওদাগরের বাড়িতে বসবাস করছিলেন, এমন তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শান্তিরহাট বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের সময় সোহাগকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ আটক করা হয়। পরে সিএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি রামদা, একটি ছুরি ও একটি লোহার শাবল উদ্ধার করা হয়। এদিকে, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অজ্ঞাতপরিচয় চার-পাঁচজন পৃথক একটি সিএনজিতে পালিয়ে যায়।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক এ বিষয়ে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে একজনকে দেশীয় অস্ত্র ও সিএনজিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাঁর কাছ থেকে ডাকাতিতে ব্যবহারের জন্য রাখা রামদা, ছুরি ও লোহার সাবল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, পালিয়ে যাওয়া অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ