ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বপরিসরে মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে: ভিসি


বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বপরিসরে মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে: ভিসি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেছেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে বিশ্বপরিসরে একটি মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৬১,৬৯৯ জন অ্যালামনাই দেশ-বিদেশে প্রশাসন, গবেষণা, শিক্ষা এবং শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রাখছেন।

আজ মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ৬৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আনন্দ র‌্যালি উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৫২, ১৯৬৯, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সংস্কারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

এ সময় তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা অ্যালামনাইদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে বিশ্ববিদ্যালয় শিগগিরই একটি অফিসিয়াল অ্যালামনাই পোর্টাল চালু করবে। এ সময় তিনি সততা, একাগ্রতা ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জনকে আরও সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান।

পরে আনন্দ र্যালিটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বোটানিক্যাল গার্ডেনের সামনে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলিপ্যাডে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।

র‌্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলিপ্যাডে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে দিবসটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় উদযাপন কমিটির উদ্যোগে হেলিপ্যাড সংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। আবাসিক হলগুলোতে বৃক্ষরোপণের জন্য হল প্রাধ্যক্ষদের হাতেও চারা গাছ তুলে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন: স্বাধীনতার পরও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ

এ কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাকৃবির ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, রেজিস্ট্রার ড. মো. হেলাল উদ্দীন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, বাকৃবি সোনালি দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভূঁঞাসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চালুর প্রথম দিনেই নারীদের পিংক বাসে বলাকা বাসের ধাক্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


চালুর প্রথম দিনেই নারীদের পিংক বাসে বলাকা বাসের ধাক্কা

যাত্রার প্রথম দিনে, রাজধানীতে নারীদের জন্য চালু হওয়া পিংক বাসটিকে ধাক্কা দিয়েছে বলাকা বাস।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গাজিপুর-গুলিস্থান রোডে একটি বলাকা বাস পিংক বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এই ঘটনার পর বলাকা বাসের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিয়ে জরিমানা করে।

জানা গেছে, পিংক বাসটি সড়কে যাত্রা শুরু করার কিছু পরই বলাকা পরিবহনের একটি বাসের সাথে ধাক্কার এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর, ট্রাফিক পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বলাকা বাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা হিসাবে জরিমানা করে দেয়।

নারীদের নিরাপদ এবং স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পিংক বাস সার্ভিসটি চালু করা হয়েছে। এই উদ্যোগের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল চালক ও কন্ডাক্টর হিসেবে নারী কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: সড়কমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: সড়কমন্ত্রী

 

তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘মহিলা বাস সার্ভিস (পিংক বাস)’ উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: কালের কণ্ঠ

নারীদের নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, শুধু বাসে ওঠার পর নয়, বাসের জন্য অপেক্ষার সময় এবং বাস থেকে নামার সময়ও নারীদের জন্য নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা উচিত।

বাসে ওঠা-নামার সময় যদি হয়রানি, অস্বস্তি কিংবা অনিরাপদ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তাহলে নারীদের গণপরিবহন ব্যবহারে আগ্রহ কমে যাবে। সেজন্য নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানী ঢাকায় তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘মহিলা বাস সার্ভিস (পিংক বাস)’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ গণপরিবহন নিশ্চিত করতে মহিলা চালক ও মহিলা কন্ডাক্টর দ্বারা পরিচালিত শুধুমাত্র নারী যাত্রীদের জন্য এ বিশেষ বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ রবিউল আলম বলেন, নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের পরিবহন ব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক করার কাজ করছে সরকার। ফসিল ফুয়েলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (ইভি) বাসের ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

ঢাকায় মাল্টিমোডাল যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও ইভি বাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি জানান, নারী যাত্রীদের জন্য ১০০টি পিংক রঙের ইলেকট্রিক বাস কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে ৫০টি এবং পর্যায়ক্রমে ১০০টি ইলেকট্রিক বাস চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নারী যাত্রীদের জন্য বিশেষ সেবা দ্রুত চালুর লক্ষ্যে বিদ্যমান সম্পদ ব্যবহার করে সরকারের ১৮০ দিনব্যাপী কর্মপরিকল্পনার মধ্যেই সীমিত পরিসরে নিরাপদ যাতায়াতের জন্য এ পিংক বাস সার্ভিসের সূচনা করেছে বিআরটিসি।

মন্ত্রী জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়া শহরের ১৩টি রুটে মোট ১৪টি বাস চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ১০টি, চট্টগ্রামে দুটি এবং বগুড়ায় দুটি বাস চলাচল করবে। ঢাকায় ১০টি রুটে পরিচালিত ১০টি বাসের মধ্যে একটি একতলা ও নয়টি দ্বিতল বাস থাকবে। চট্টগ্রামে একটি রুটে দুটি দ্বিতল বাস এবং বগুড়ায় দুটি রুটে দুটি দ্বিতল বাস পরিচালনা করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

এ বিশেষ বাস সার্ভিসের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীর ১০৬টি, চট্টগ্রামের ১২টি এবং বগুড়ার ১৬টি—মোট ১৩৪টি স্টপেজে নারী যাত্রীদের পরিবহন সেবা প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি বলেন, নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিআরটিসির বিশেষ ‘মহিলা বাস’ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এ সার্ভিসের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো—শুধুমাত্র নারী যাত্রীই নয়, বাসের চালক ও কন্ডাক্টরও নারী। আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এসব বাসে ই-টিকিটিং, সিসি ক্যামেরা ও ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেমের (ভিটিএস) সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, সময়োপযোগী এ উদ্যোগের আওতায় আগামী তিন মাসের মধ্যে ৫০টি এবং ছয় মাসের মধ্যে ১০০টি ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (ইভি) বাস নারী যাত্রীদের জন্য পরিচালিত বিশেষ পিংক বাস সার্ভিসে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এ উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা বলেন, দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা হিসেবে বিআরটিসিকে আরো আধুনিক, যাত্রীবান্ধব ও সেবামুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নারী যাত্রীদের জন্য বিশেষ বাস সার্ভিস ও ভবিষ্যতে সিটি সার্ভিসে ইলেকট্রিক বাস চালুর লক্ষ্যে অর্থায়ন ও ঋণসহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মহিলা বাস সার্ভিসে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা ডিপো, বাস ও কাউন্টারের দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শনের পাশাপাশি ই-টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করেছে বিআরটিসি। हाल ही में বিআরটিসি ও ‘সহজ ডটকম’-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় নির্ধারিত মহিলা বাস সার্ভিসে ডিজিটাল টিকিটিং ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে যাত্রীদের টিকিট সংগ্রহের প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে এবং অপেক্ষার সময় ও কাউন্টারনির্ভরতা কমবে।

এ ছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ে তিনটি বাসে ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা এবং একটি বাসে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালু করা হয়েছে। প্রতিটি বাসে ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম (ভিটিএস) সংযোজন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব প্রযুক্তি সব বাসে সম্প্রসারণ করা হবে।

শুধুমাত্র নারী যাত্রীদের জন্য ‘মহিলা বাস সার্ভিস (পিংক বাস)’ এর রুট গুলো হলো:

ঢাকা মহানগর

নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল : কোকাকোলা, নতুন বাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, আবুল হোটেল, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন, গুলিস্তান, মতিঝিল।

তালতলা-মতিঝিল : তালতলা, খিলগাঁও রেলগেট, বাসাবো, বৌদ্ধ মন্দির, মুগদা, কমলাপুর রেলস্টেশন, আরামবাগ, শাপলা চত্বর, সচিবালয়।

ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার-জিপিও : ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, বাঁশের পুল, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, জনপথ মোড় (সায়েদাবাদ), ওয়ারী (বলধা গার্ডেন), গুলিস্তান, পল্টন, সচিবালয়, মৎস্য ভবন।

মিরপুর-১০-মতিঝিল : মিরপুর-১০, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, কলাবাগান, শাহবাগ, পল্টন, মতিঝিল।

মিরপুর-মতিঝিল : মিরপুর-১২, মিরপুর-১০, মিরপুর-১, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, ফার্মগেট, শাহবাগ, গুলিস্তান, মতিঝিল।

মিরপুর-১২-মতিঝিল : মিরপুর-১২, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব, গুলিস্তান, মতিঝিল।

নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা : চাষাঢ়া, শিবু মার্কেট, স্টেডিয়াম, ঝালকুড়ি, ভূইগড়, সাইনবোর্ড, রায়েরবাগ, শনির আখড়া, টিকাটুলি, গুলিস্তান, মতিঝিল।

মোহাম্মদপুর-মতিঝিল : মোহাম্মদপুর, শংকর, ঝিগাতলা, ধানমন্ডি-১৫, সিটি কলেজ, নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ, পল্টন, মতিঝিল, কমলাপুর।

আব্দুল্লাহপুর-মতিঝিল : আব্দুল্লাহপুর, আজমপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, বিশ্বরোড, কুর্মিটোলা, বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, মৎস্য ভবন, প্রেস ক্লাব, গুলিস্তান, মতিঝিল।

গাজীপুর-বিমানবন্দর : গাজীপুর শিববাড়ী, গাজীপুর চৌরাস্তা, মালেকের বাড়ি, বোর্ডবাজার, গাজীপুরা, কলেজগেট, স্টেশন রোড, আব্দুল্লাহপুর, আজমপুর, বিমানবন্দর।

বগুড়া জেলা

শেরপুর-মাটিডালি : আরডিএ স্কুল, নয়মাইল মোড়, শাহ উপশহর গেট, বি-ব্লক-মাঝিরা, বনানী, সাতমাথা, মহিলা কলেজ, মাটিডালি।

বনানী-মোকামতলা স্ট্যান্ড: বনানী, সাতমাথা, মহিলা কলেজ, মাটিডালি মোড়, টিএমএসএস হাসপাতাল, মহাস্থান বাজার, মোকামতলা স্ট্যান্ড।

চট্টগ্রাম

কালুরঘাট-পতেঙ্গা : কালুরঘাট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি মোড়, লালখান বাজার, টাইগারপাস, দেওয়ানহাট, চৌমুহনী, আগ্রাবাদ, বারেক বিল্ডিং, ফ্রিপোর্ট, কাঠগড়, পতেঙ্গা।

বিআরটিসি সূত্রে জানা গেছে, নারীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি গণপরিবহনে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। ভবিষ্যতে বাসের সংখ্যা ও রুট ধীরে ধীরে আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন পারভীন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সংস্থার প্রধান, বিআরটিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, মহিলা বাস সার্ভিসের যাত্রী ও সেবাগ্রহীতা এবং পরিবহন খাতের বিভিন্ন অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধের অস্থিতিশীলতা পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁ-কিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৯ পি.এম


ইরান যুদ্ধের অস্থিতিশীলতা পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁ-কিতে

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বন্দ্ব ক্রমেই পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন ডিফেন্স এনালিস্ট ও রোমানিয়ার সাবেক নৌ কর্মকর্তা আলেক্সান্দ্রু হুদিস্তিয়ানু।

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধটি নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকলেও, মূল বিষয় হলো পুরো অঞ্চলটিই এখন এক ধরনের সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি ইয়েমেনের হুতি সদস্যরা তাদের তৎপরতা লোহিত সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত করেছে এবং সৌদি জাহাজ চলাচলে হুমকি সৃষ্টি করছে। এমনকি মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে কাস্পিয়ান সাগরেও হামলার ঘটনা দেখেছি, যা একপ্রকার এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলটিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সাথে যুক্ত করে।’

হুদিস্তিয়ানু জানান, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো যুদ্ধের ফলে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, তা অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে তীব্র আকার ধারণ করতে পারে, যা একটি ‘অস্পষ্টতা ও অস্থিতিশীলতার পরিবেশ’ তৈরি করছে।

তিনি যোগ করেন যে, এই পরিস্থিতিকে নতুন নিরাপত্তা বাস্তবতা হিসেবে অভিহিত করা ভুল হবে না।

‘যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত যে সামরিক পদক্ষেপগুলো ব্যবহার করেছে, সেগুলো অন্তত হরমুজ প্রণালি পরিস্থিতির জট ছাড়াতে সমর্থ হয়নি’ মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন এখন তাদের কৌশল পুনর্মূল্যায়ন করতে একটি ‘কৌশলগত বিরতি’ নিচ্ছে।

হুদিস্তিয়ানুর মতে, সক্রিয় হামলার পর থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া অবরোধই ছিল তাদের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। সমস্যা হলো, ইরানের অর্থনীতিকে অবরুদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র যে হাতিয়ার ব্যবহার করেছে, একই হাতিয়ার ইরানও এখন পুরো বিশ্বের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।

সূত্র: আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮০ দিনের কর্মসূচির অগ্রগতি সন্তোষজনক, ধীরে ধীরে কমবে আমদানি নির্ভরতা: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৯ পি.এম


১৮০ দিনের কর্মসূচির অগ্রগতি সন্তোষজনক, ধীরে ধীরে কমবে আমদানি নির্ভরতা: কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, সরকারের প্রথম ১৮০ দিনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও অগ্রগতি সন্তোষজনক। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে, সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ফলে দেশ ধাপে ধাপে কৃষিপণ্য আমদানি নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসবে।

আজ মঙ্গলবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে বর্তমানে সারের কোনো সংকট নেই; বরং চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত সার মজুত রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার সারের মজুতও বেশি। সারের কৃত্রিম সংকটের কথা বলে যারা বিভ্রান্তি তৈরি করছে, তা একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ।’

কৃষি খাতের উন্নয়ন ও সরকারের বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রার অগ্রগতি তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রতি মাসে সাড়ে ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ কৃষকের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হবে। ইতোমধ্যে পাইলট পর্যায়ে প্রায় ১৪ লাখ কৃষকের ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়েছে।

তিনি জানান, গত ছয় মাসে ২৫ লাখ গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ইতোমধ্যে ২৪ লাখ ১৮ হাজারের বেশি চারা রোপণ করা সম্ভব হয়েছে। একই সময়ে ৪৭৮ দশমিক ৯ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৭৫ দশমিক ৬১ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন হয়েছে।

পেঁয়াজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ক কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘এ বছর এখন পর্যন্ত কোনো পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি। আগে সংরক্ষণের অভাবে পেঁয়াজ পচে নষ্ট হতো। বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে ছয় মাস পর্যন্ত পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। আগামীতে ৩ লাখ টন পেঁয়াজ সংরক্ষণের অবকাঠামোগত সুবিধা তৈরি করা হবে।’

কৃষিভিত্তিক দেশ হিসেবে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে আমিন উর রশিদ বলেন, ‘সরকারের মূল লক্ষ্য হলো ভবিষ্যতে কোনো কৃষিপণ্য যেন বাইরে থেকে আমদানি করতে না হয়। সে লক্ষ্যে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, পাটবীজ, পেঁয়াজবীজ ও আদার ক্ষেত্রে আমদানি নির্ভরতা থেকে পর্যায়ক্রমে বের হয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী জানান, আগামী বছর থেকে ‘ব্রি ১১৮’ নামের নতুন একটি ধানের জাতের চাষ শুরু হবে। এটি হাওর অঞ্চলে প্রচলিত সময়ের ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই রোপণ করা সম্ভব হবে। ফলে আগাম বন্যার হাত থেকে ফসল রক্ষায় জাতটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানোর উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কৃষকদের সেচ খরচ একটি বড় চিন্তার বিষয়। সেচের জন্য ব্যবহৃত দেশের সব পাম্প সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে ইতোমধ্যে ৬০ থেকে ৬২ হাজার পাম্প সৌরবিদ্যুতে পরিচালনার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।’

এ সময় কৃষি সচিব মো. সেলিম খান উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%