০৭:৫৭ পি.এম
সালমান শাহ হত্যার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। এতে খলনায়ক আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী। শুনানি শেষে আদালত ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে।
প্রসঙ্গত, ৯ আগস্ট ভোরে বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে আটক করে। পরে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। জামিন না হওয়া পর্যন্ত তদন্তের জন্য তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। আদালত তদন্ত শেষ না হওয়ার জন্য তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই মামলার বাদী হচ্ছেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। তিনি ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকায় সরকারি বাসা নেওয়া চাকরিজীবীদেরকে কড়া হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর
মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— সালমান শাহের স্ত্রী সামীরাহক, সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, ডেবিট, জাভেদ ও অন্যান্য। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
সালমান শাহের মৃত্যুর পর ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। তবে ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
মোহাম্মদ আলমগীর এজাহারে উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী, বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতেন যে সালমান ঘুমাচ্ছেন।
কিছুক্ষণের মধ্যে প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান সালমানের কিছু হয়েছে। তারা দ্রুত বাসায় ফিরে দেখে সালমান নিথর পড়ে আছেন। সালমানের মা চিৎকার করে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে গলায় দড়ির দাগ দেখা যায় এবং চিকিৎসক জানান সালমান আগেই মারা গেছেন।
আরও পড়ুন: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব, প্রজ্ঞাপন জারি
এছাড়া সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সন্দেহ এবং অভিযোগ বৃদ্ধি পাওয়ার পর, তদন্তের জন্য তার পিতাও মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন