মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২৬ পি.এম
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (পশ্চিম) জে-ক্রিয়েশন নামক অনলাইনভিত্তিক তৈরি পোশাক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করেছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানায়, কমিশনারের নির্দেশে গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুরের সেকশন-১২ এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে পাঞ্জাবি, শেরওয়ানি এবং বিভিন্ন ধরনের তৈরি পোশাক বিক্রি করে থাকে।
অভিযানের সময় মূসক ফাঁকির আলামত পাওয়ার পর, অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য মূসক-১২.৩ ফরমের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সিপিইউসহ বিভিন্ন দলিলপত্র জব্দ করা হয়।
পরে জব্দ করা নথি এবং প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করার পর, প্রাথমিকভাবে প্রায় ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি শনাক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সংগৃহীত দলিলপত্রের আরও যাচাই-বাছাই চলমান রয়েছে। রাজস্ব ফাঁকির ঘটনায় মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রমও চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও নির্বাচনি উত্তেজনার কারণে ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ বজায় রয়েছে। জুনের শুরু থেকে এই অঞ্চলে মোবাইল ডাটা ও ব্রডব্যান্ড সেবা আংশিক ও পূর্ণাঙ্গভাবে বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিক্ষোভের পর তিন ধাপে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যার শেষ ধাপটি সম্পন্ন হয় ১০ আগস্ট। নতুন সরকার গঠনের পরও ইন্টারনেট সেবা স্বাভাবিক না হওয়ায় সাধারণ জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অনলাইন ব্যাংকিং ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ব্যবহারে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় পুরো অঞ্চলে ডিজিটাল লেনদেন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির হয়ে গেছে। একই সঙ্গে, অনলাইনের অভাবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবর্ষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সরকার বাধ্য হয়ে ভর্তি পরীক্ষাও পিছিয়ে দিতে হয়েছে।
ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়টি পর্যবেক্ষণকারী বৈশ্বিক স্বাধীন সংস্থা 'নেটব্লকস' নিশ্চিত করেছে যে, গত ৫ জুন থেকে ওই অঞ্চলে আংশিক ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট বা সংযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনা ঘটছে।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ২৭ জুলাইয়ের নির্ধারিত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। ৫ জুন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তৃণমূলভিত্তিক সংগঠন ‘জম্মু কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’ (জেকেজেএএসি)-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এই সংগঠনটি আইনসভায় শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন বাতিলের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করে আসছিল। নিষেধাজ্ঞার পর কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান নেয় এবং ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়, যা পরবর্তীতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের প্রাণঘাতী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় অধিবাসী ও বিভিন্ন সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী, এসব রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাত সদস্যসহ নিহতের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। তবে মৃত্যুর এই সংখ্যা স্বাধীন কোনো মাধ্যম থেকে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
এতে উল্লেখযোগ্য যে, কাশ্মীর ভূখণ্ডটি ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই নিজেদের বলে দাবি করে। পাকিস্তান-শাসিত অংশটি একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হয়, যেখানে নিজস্ব প্রধানমন্ত্রী ও ৪৫ সদস্যের আইনসভা রয়েছে। এই আইনসভার ১২টি আসন পাকিস্তানের অন্যান্য অঞ্চলে বসবাসকারী কাশ্মীরের শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে কয়েকটি বিক্ষোভপ্রবণ ঘাঁটিতে ভোট গ্রহণ সম্ভব না হলেও বাকি অংশের নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে নতুন সরকার গঠন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক নির্মূল, অস্ত্র উদ্ধার, জঙ্গি দমন এবং তালিকাভুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতারে র্যাবের নিয়মিত অভিযান দেশব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল এর একটি আভিযানিক দল সফল অভিযান পরিচালনা করে নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্যসহ ০২ কারবারিকে গ্রেফতার করেছে।
*গ্রেফতারকৃত কারবারি হলোঃ*১। মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন খান ওরফে সজিব (৩৬)
২। মোঃ শহিদুল ইসলাম (৩৭), উভয় জেলা-টাঙ্গাইল।
অভিযানের বিবরণঃ অভিযানে সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. দুপুর অনুমান ১৫:৩০ ঘটিকায় টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার রতনপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদককারবারীদের আটক করে। উপস্থিত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের হেফাজতে অবৈধ মাদকদ্রব্য থাকার কথা স্বীকার করে। কারবারিদের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে, হাতে থাকা ব্যাগের ভিতর বিশেষ কায়দায় রক্ষিত ১৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য ফায়ারডিল এবং ৫৯ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য চকো (সিরাপ) উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০৩টি মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ জব্দ করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত কারবারিরা দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ মাদকদ্রব্য ফায়ারডিল ও চকো (সিরাপ) সংগ্রহ করে নিজ হেফাজতে রেখে টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী/খুচরা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।
ধৃত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানায় আলামতসহ তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজশাহী মহানগরীতে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন রেঞ্জ ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এ মতবিনিময় সভা।
সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা সমাজের বিভিন্ন সমস্যার উল্লেখ করে পুলিশিং সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন।
রেঞ্জ ডিআইজি তাদের বক্তব্য শোনার পর সেগুলো সমাধানের জন্য এবং আইনি সেবা পেতে যাতে কাউকে ভোগান্তির শিকার হতে না হয়, সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি বলেন, "মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুর্নীতি বা অনিয়মের ক্ষেত্রে কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।"
তিনি সাংবাদিকসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী আরআরএফ’র কমান্ডেন্ট অতিরিক্ত ডিআইজি দীন মোহাম্মদ, রাজশাহী পুলিশ সুপার মামুন অর রশিদসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রকাশিত হওয়ার পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের প্রবেশপথের সামনে এই বিস্ফোরণ ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সেখানে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রায় ঘোষণার পর প্রধান বিচারপতির প্রবেশপথের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। তবে ককটেলটি কে বা কারা ছুড়ে ফেলেছে, তা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।
এর আগে, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সাত আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে।
মামলাটির যুক্তিতর্ক ১৮ আগস্ট শেষ হয়। এরপর রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয় ট্রাইব্যুনাল। পরে ১৪ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করা হয়।
মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির প্রবেশপথের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ