মো: তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৩:১১ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে ১৩০ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করা হয়েছে।
আজ রোববার (২৩ আগস্ট ২০২৬) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ মনাকষা বিওপির একটি বিশেষ টহলদল এই অভিযান পরিচালনা করে।
শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের চালকিপাড়া গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে
১৩০ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করা হয়। যার (আনুমানিক বাজারমূল্য ৫২,০০০ টাকা)।
জব্দকৃত মাদকদ্রব্য শিবগঞ্জ থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।
মাদকবিরোধী এই সফল অভিযান সম্পর্কে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সবসময় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, চলতি আগস্ট মাসেই ৫৩ বিজিবি কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে মোট ৫২২ বোতল এস্কাফ সিরাপ এবং ১১৫ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ জব্দ করা হয়েছে। সীমান্তে এ ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে অত্যন্ত জাঁকঝমকপূর্ণ পরিবেশে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের ‘ক্যাম্পেইন-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে কুলিয়ারচর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশন কুলিয়ারচর উপজেলা শাখা এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভ উদ্বোধনের ঘোষণা দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি মো. ইয়াসিন খন্দকার বলেন, "মেয়েদের আত্মনির্ভরশীল, চরিত্রবান ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গার্ল গাইডস আন্দোলনের ভূমিকা অপরিসীম। বাল্যবিবাহ রোধ, মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরি এবং ইভটিজিং প্রতিরোধে গার্ল গাইডসের সদস্যরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। আশা করি, ২০২৬ সালের এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে কুলিয়ারচরের নারী শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব ও সামাজিক দায়িত্ববোধের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন। তিনি বলেন, "মেয়েদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় পুলিশ প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত। গার্ল গাইডসের এই সুশৃঙ্খল প্রশিক্ষণ ছাত্রীদের কেবল অনুশাসনে বাঁধবে না, বরং তাদের সাহসী ও সচেতন হতে শেখাবে। যেকোনো সামাজিক ব্যাধি ও অপরাধের বিরুদ্ধে এই তরুণীরাই হবে আমাদের প্রথম প্রতিরোধ।"
বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশন কুলিয়ারচরের সভাপতি ও স্থানীয় কমিশনার এবং আবুল কাসেম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, কুলিয়ারচর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ্ মো. ফজলুল হক।
এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গার্ল গাইডসের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী ইপিজেডে ইউনিভার্সেল মেনসওয়্যার লিমিটেডে রবিবার আবারও শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, অসুস্থ হওয়ার পরে কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এই ঘটনার মধ্যে রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে একাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়লে, কর্তৃপক্ষ দিনের জন্য কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। তথ্য অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবিবার প্রায় ৯০ শতাংশ শ্রমিক কাজে যোগ দেন। ঘণ্টা সাতটার পর তাদের মধ্যে কিছু শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যেতে থাকে, তাই চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরে ১৫ থেকে ২০ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ায় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কারখানা ছুটি ঘোষণা করে দেওয়া হয়।
এদিকে, শ্রমিকদের দাবি, অসুস্থ হয়ে পড়া শ্রমিকের সংখ্যা আসলে আরো বেশি। চিকিৎসা প্রাপ্ত কয়েকজনকে বেপজা হাসপাতাল, আলিফ ও সুগন্ধা হাসপাতাল এবং নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
শ্রমিকরা জানায়, সকাল ৬টার দিকে কাজে যোগ দেওয়ার পর মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে বেশ কয়েকজন নারী শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং এরপর অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঘটনায় অন্যদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত অসুস্থ শ্রমিকদের হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এর আগে, শনিবার একই কারখানার নতুন ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় কর্মরত শতাধিক নারী শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পাওয়া যায়। দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত একের পর এক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় নির্ধারিত সময়ের আগেই কারখানায় ছুটি দেওয়া হয়। পরে অসুস্থ শ্রমিকদের বেপজা মেডিক্যাল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
অসুস্থতার কারণ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে বিভিন্ন রকমের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। কয়েকজন দাবি করেছেন, শনিবার এক নারী শ্রমিক কারখানায় ‘ভূত দেখেছেন’ বলার পরে তার অস্বাভাবিক আচরণ শুরু হয়ে যায় এবং তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন, এটি দেখে অন্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে কারখানা কর্তৃপক্ষ ও বেপজা কর্মকর্তারা এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন।
ইউনিভার্সেল মেনসওয়্যার লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) বিল্লাল হোসেন জানিয়েছেন, রবিবার প্রায় ৯০ শতাংশ শ্রমিক কাজে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ জন অসুস্থ হয়ে পড়ায় অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে কারখানায় ছুটি দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘শ্রমিকদের মধ্যে কেউ কেউ ভূত দেখার কথা বললেও আমরা সচেতন মানুষ হিসেবে এ বিষয়ে বিশ্বাস করিনা।’ তিনি জানান, ‘কারখানার বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকরা অসুস্থ হয়েছেন এবং এর কারণ কী, তা এখনো শনাক্ত করা যায়নি।’
নারায়ণগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৪-এর ওসি (ইন্টেলিজেন্স) মো. আনোয়ারুল হক জানান, প্রচণ্ড গরমের কারণে কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ায় পরিস্থিতি বিবেচনাধীন কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। অসুস্থ ২০ জন শ্রমিককে খানপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আদমজী ইপিজেডের বেপজার অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক নাসরিন বলেন, পাঁচ থেকে সাতজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি ইডি স্যারসহ কারখানাটি সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন এবং সেখানে দমবন্ধ বা শ্বাসরোধ হওয়ার মতো কোনো বিষয় পায়নি।
অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক আরো বলেন, শ্রমিকদের মধ্যে ‘ভূত দেখার’ কথা শোনা গেলেও প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করার জন্য কাজ চলছে। পরিস্থিতি বিবেচনাধীন কারখানাটি আজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল বাশার বলেন, ‘অসুস্থ শ্রমিকরা যে ধরনের গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল এসে পৌঁছেছেন, তা ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী ধরনের গ্যাস তা শনাক্ত করা যায়নি। আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের মধ্যে বড় ধরনের কোনো সমস্যা দেখা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরে এক পরিবারের চারজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনাটি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ও তীব্র নিন্দা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী এবং মেয়ে আগামী চক্রবর্তী। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান একটি পুরো পরিবারের যেভাবে নির্মূল করা হয়েছে, তাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও লোমহর্ষক বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে দেশে সামাজিক অপরাধ, খুন-খারাবি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।’ তিনি ঢাকায় এক চিকিৎসকের কাছে ডলারে চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনাসহ ময়মনসিংহে এক পশুচিকিৎসকের কাছে চাঁদা দাবি করা নিয়ে হামলার ঘটনার উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এসব ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হয় যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে এবং জনগণ চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্লিপ্ত ভূমিকা মানুষকে শঙ্কিত করে তুলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এর দায় নিতে হবে এবং রংপুরের এই ভয়ঙ্কর ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের দ্রুত খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’ একের পর এক অপরাধ সংঘটিত হলেও ভুক্তভোগীরা সঠিক বিচার পাচ্ছেন না এবং আদালতের দীর্ঘসূত্রতা জনগণকে দারুণভাবে হতাশ করছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
এই হতাশা থেকে জনগণকে রক্ষা করার জন্য সরকারের ব্যর্থতার দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজেদের মধ্যে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করার ওপর গুরুত্ব দেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি সকলকে আহ্বান জানান, সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে যেন তারা সকলে মিলে কাজ করেন, যাতে জনগণ এ ধরনের অপরাধের হাত থেকে রক্ষা পায় এবং দেশবাসীর সুরক্ষায় মহান আল্লাহর সাহায্য কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইলে চালবোঝাই একটি ট্রাকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে সেতুর রেলিং ভেঙে ট্রাকচালক মো. হুমায়ুন (২৫) নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ট্রাকের মধ্যে থাকা তার ছোট ভাই মামুন গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৩ আগস্ট) ভোর রাতে নান্দাইলের আমলিতলা জোরপুকুরপাড় নামক স্থানে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত হুমায়ুন ফুলপুর উপজেলার সরচাপুর গ্রামের মো. সুরুজ আলী শেখের ছেলে ছিলেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলা সদর থেকে ৪০০ বস্তা চালবোঝাই ট্রাকটি নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে রবিবার ভোর আনুমানিক চারটার দিকে নান্দাইলের আমলিতলা এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি সেতুর রেলিং ভেঙে আটকে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী তাবারক আলী জানান, এদিন ভোর চারটার দিকে যখন তিনি বাড়ির সামনে বের হন, তখন প্রচণ্ড শব্দ শুনতে পান। কিছু দূরে গিয়ে তিনি দেখতে পান চালবোঝাই ট্রাকটি সেতুর রেলিংয়ে আটকে আছে। সামনে গিয়ে তিনি দেখেন, ট্রাকের সম্মুখভাগ দুমড়েমুচড়ে গেছে এবং চালক রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় ভেতরে আটকে রয়েছেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এই চালককে মৃত ঘোষণা করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে দুই ভাই মিলে যৌথভাবে এই মিনি ট্রাকটি ক্রয় করেছিলেন। ট্রাক ভাড়ার আয়েই তাঁদের পুরো সংসার চলতো। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বড় ভাইকে হারানোর কারণে পরিবারটি সম্পূর্ণ নিস্ব হয়ে পড়েছে এবং তারা দিশেহারা হয়ে গেছে।
নান্দাইল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জীবন কুমার রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু ঘটে।
প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিহত হুমায়ুনের মরদেহ তার ছোট ভাই মামুনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ