ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নোয়াখালীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৬


নোয়াখালীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৬

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ছয় ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে তালা ভাঙার কাটার ও কয়েকটি গামছা উদ্ধার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বহনকারী একটি প্রোবক্স গাড়িও জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে পাঠানো হবে। এর আগে, রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের চরকলমী বাজারের চৌরাস্তা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।  

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার সোনাইছড়ি এলাকার রফিকুল ইসলাম (৫৭), কুমিল্লার কোতোয়ালি থানার রাজগঞ্জ এলাকার মইনুল ইসলাম (২৮), সীতাকুণ্ডের জাহানাবাদ এলাকার মিজানুর রহমান (২৫), কোম্পানীগঞ্জের চর এলাহী ইউনিয়নের চরকলমী এলাকার নুর নবী (৩৯), একই এলাকার নুর মোহাম্মদ (৩২) এবং গাড়িচালক সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি এলাকার আজিজুল মোস্তফা (৩৫)।

পুলিশ জানায়, রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চর কলমী বাজার চৌরাস্তা এলাকায় রাত্রিকালীন টহল দিচ্ছিল পুলিশ। এ সময় এসআই সুমন চন্দ্র দাসের সন্দেহ হলে একটি সিলভার রঙের প্রোবক্স গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। গাড়িটিতে চালকসহ ছয়জন ছিলেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে তালা ভাঙার কাটার ও কয়েকটি গামছা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে রফিকুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদ ও আজিজুল মোস্তফার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নুরুল হাকিম বলেন, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা হয়েছে। জব্দ করা সিলভার রঙের প্রোবক্স গাড়িটি থানায় রাখা হয়েছে। ওই মামলায় আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা, একজনের যাবজ্জীবন, একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা, একজনের যাবজ্জীবন, একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আলোচিত সাইদুল ইসলাম শাহীন হত্যা মামলার রায়ে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নোয়াখালী বিশেষ জজ আদালতের জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত আলী এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার ছয় আসামিই এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। হাজতি আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে জেল হাজত থেকে আদালতে হাজির করা হয়। অপর পাঁচ আসামি নূরউদ্দিন ওরফে সমীর, সিরাজ আলম ওরফে সিরাজুল ইসলাম, কাজুলী বেগম, রোকসানা বেগম ও আফরোজা বেগম হাজিরা দাখিল করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজ আলমের ছেলে। পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূর উদ্দিন ওরফে শমীর একই ওয়ার্ডের নূর নবীর ছেলে।

রায়ে সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩০৭ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সিরাজ আলম ওরফে সিরাজুল ইসলাম, কাজুলী বেগম, রোকসানা বেগম ও আফরোজা বেগমের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩২৩/৩০৭/৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৬ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের সলিম উল্লাহর বসতবাড়ির সামনে সীমানার করই গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের বিষয়ে সালিশি বৈঠক চলাকালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে মামলার বাদীর ছেলে সাইদুল ইসলাম শাহিনকে গলায় লোহার রড ঢুকিয়ে এবং এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই সাইদুল ইসলাম শাহিনের মৃত্যু হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোবিন্দাকে নিয়ে অভিনেত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৭ পি.এম


গোবিন্দাকে নিয়ে অভিনেত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য

গোবিন্দাকে নিয়ে বহুবার আলোচনা হয়েছে, সুনীতা আহুজাকে বিয়ের পরও সেই খবর দীর্ঘদিন গোপন রেখেছিলেন তিনি—এমন দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে, বলিউডের অন্দরমহলে অভিনেতার একাধিক নায়িকার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে।

তাদের মধ্যে নীলম কোঠারির নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়ে উঠেছে। পর্দায় তাঁদের জুটি যেমন জনপ্রিয় ছিল, তেমনি তাঁদের প্রেমের গুঞ্জনও জোরালোভাবে ছড়িয়েছে। তবে এবার সেই পুরোনো অধ্যায় নিয়ে মুখ খুলেছেন নীলম।

অভিনেত্রী জানান, গোবিন্দা যে বিবাহিত, সেটি নাকি তিনি জানতেন না। সম্প্রতি ‘টাইমস নাউ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি সেই গুঞ্জন নিয়ে কথা বলেন। নীলম বলেন, গোবিন্দার বিপরীতে অভিনয় করার সময় তাঁর বয়স ছিল অনেক কম। পরিবারও ছিল অত্যন্ত কড়া। ফলে কোনো সম্পর্কের মধ্যে জড়িয়ে পড়ার সুযোগই ছিল না তাঁর।

নীলম বলেন, ‘তখন আমার বয়স ভীষণ কম। আমি পরে জানতে পারি গোবিন্দা বিবাহিত ছিলেন। আর সেই সময় আমার বয়স অনেকটাই কম ছিল, সব থেকে বড় কথা আমার বাবা মা এই বিষয় নিয়ে অত্যাধিক কড়া ছিলেন। তাই কোনও সম্পর্কে জড়ানোর সুযোগ ছিল না। আমি যেহেতু তখন খুব ছোট ছিলাম তাই শুটিং ফ্লোরে আমার সঙ্গে কেউ না কেউ আসছেন আমার পরিবার থেকে।’

পুরোনো সেই গুঞ্জন নিয়ে বর্তমানে নীলম কিংবা তাঁর স্বামী অভিনেতা সমীর সোনির কোনো অস্বস্তি নেই বলেও জানান অভিনেত্রী। সমীরের বক্তব্য, দুই দশক আগে আদৌ কিছু ঘটে থাকলেও সে বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই। আর যে বিষয় সম্পর্কে তিনি জানেনই না, সেটিকে আঁকড়ে থাকার কোনো অর্থ নেই।

তবে গোবিন্দার পুরোনো বক্তব্যে উঠে এসেছিল নীলমকে ঘিরে তাঁর তীব্র আকর্ষণের কথা। ১৯৯০ সালের একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানিয়েছিলেন, নীলমকে বিয়ে করার জন্য তিনি সুনীতার সঙ্গে বাগদান পর্যন্ত ভেঙে দিয়েছিলেন। নীলমের প্রতি তাঁর আকর্ষণ এতটাই বেশি ছিল যে নিজেকে সামলাতে পারতেন না বলেও স্বীকার করেছিলেন তিনি।

এমনকি সেই সময় সুনীতাকে বারবার নীলমের মতো হতে বলতেন গোবিন্দা। দু’জনের মধ্যে তুলনাও করতেন বলে জানিয়েছিলেন অভিনেতা। তাঁর দাবি ছিল, সুনীতা বিয়ের জন্য চাপ না দিলে হয়তো তিনি নীলমকেই বিয়ে করতেন।

তবে গোবিন্দার সেই অনুভূতির বিপরীতে নীলমের বক্তব্য বরাবরই আলাদা। অভিনেত্রী একাধিকবার জানিয়েছেন, গোবিন্দার প্রতি তাঁর কখনোই কোনো আকর্ষণ ছিল না। ফলে পর্দার জনপ্রিয় জুটিকে ঘিরে বছরের পর বছর ধরে চলা প্রেমের গুঞ্জনের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের বিজ্ঞানীরা প্রশান্ত মহাসাগরে বিশাল স্বর্ণ ও রূপার মজুতের সন্ধান পেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৭ পি.এম


চীনের বিজ্ঞানীরা প্রশান্ত মহাসাগরে বিশাল স্বর্ণ ও রূপার মজুতের সন্ধান পেলেন

চীনা বিজ্ঞানীরা প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও রুপার মজুতের সন্ধান করেছেন। গবেষকদের মতে, সমুদ্রের তলদেশে একসঙ্গে এত বেশি পরিমাণে স্বর্ণ ও রুপা পাওয়া অত্যন্ত বিরল ঘটনা। এই অনুসন্ধানটি চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়, চিংদাও ইনস্টিটিউট অব মেরিন জিওলজি এবং সাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের যৌথ প্রচেষ্টায় সম্পন্ন হয়েছে। তারা সমুদ্রতলের একটি হাইড্রোথার্মাল এলাকায় স্বর্ণ ও রুপার মজুতের সন্ধান পান।

হাইড্রোথার্মাল এলাকায় ভূগর্ভ থেকে অত্যন্ত গরম ও খনিজসমৃদ্ধ তরল সমুদ্রতলের ফাটল দিয়ে বের হয়ে আসে। দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেখানে বিভিন্ন খনিজ জমা হয়। গবেষকরা সমুদ্রের তলদেশে শঙ্কুর মতো আকৃতির তিনটি বড় খনিজ স্তর খুঁজে পেয়েছেন, যেগুলোকে হাইড্রোথার্মাল সালফাইড স্তর বলা হয়। সাধারণত এসব স্তরে তামা, দস্তা ও সিসার পাশাপাশি সামান্য পরিমাণ স্বর্ণ ও রুপা থাকে।

তবে এবারের পাওয়া নমুনায় স্বর্ণ ও রুপার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। গবেষকদের কয়েকটি নমুনায় স্থলভাগের স্বর্ণ ও রুপার আকরিকের চেয়েও বেশি ঘনত্ব পাওয়া গেছে। গবেষকদের ধারণা, ওই এলাকায় থাকা খনিজ সম্পদের অর্থনৈতিক মূল্য অনেক বেশি হতে পারে। ভবিষ্যতে এসব সম্পদ উত্তোলনের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে সমুদ্রের গভীর তলদেশ থেকে খনিজ উত্তোলন নিয়ে পরিবেশগত নানা উদ্বেগ ও বিতর্ক রয়েছে।

প্রাথমিক গবেষণায় সমুদ্রতলের একটি বিশাল খনিজ এলাকায় স্বর্ণ ও রুপার উল্লেখযোগ্য মজুতের সন্ধান পাওয়া গেছে। গবেষকদের মতে, ওই এলাকায় থাকা খনিজের অর্থনৈতিক মূল্য অত্যন্ত বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি মার্কিন শর্ট টন আকরিতে সর্বোচ্চ ০.৪৫ ট্রয় আউন্স স্বর্ণ এবং ৩৬.৩ ট্রয় আউন্স রুপা রয়েছে। কিছু নমুনায় প্রতি টন আকরিতে স্বর্ণের পরিমাণ ১৫.৪ গ্রাম এবং রুপা ১ হাজার ২৭১ গ্রাম পর্যন্ত পাওয়া গেছে।

গবেষণা দলের অন্যতম প্রধান বিজ্ঞানী সং শিজি বলেন, বিশাল এই সমুদ্রতলীয় খনিজ এলাকায় ‘অত্যন্ত উচ্চ অর্থনৈতিক মূল্য’ রয়েছে। গবেষকদের ধারণা, ওই অঞ্চলে থাকা বহু ধাতব সালফাইডের সম্ভাব্য মজুত বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রতলীয় খনিজ মজুতগুলোর সমপর্যায়ের হতে পারে।

গত ১০ আগস্ট চীনের শেনজেন থেকে গবেষণা জাহাজ ‘শিয়াং ইয়াং হং ১০’-এ করে ১৮ দিনের অভিযান শুরু করেন গবেষকরা। অভিযানের সময় সাবমার্সিবল ব্যবহার করে তারা সাতবার সমুদ্রতলে ডুব দেন। পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি ব্যাক-আর্ক বেসিনে পরিচালিত এই অভিযানে গবেষকরা বিশাল হাইড্রোথার্মাল খনিজ এলাকার সন্ধান পান।

সামুদ্রিক চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় গবেষণা জাহাজটি তাইওয়ানের উত্তর ও পূর্বাঞ্চল এবং ফিলিপাইনের উত্তরের জলসীমা দিয়ে চলাচল করে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, খনিজের সন্ধান পাওয়া বেসিনটি চীনের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত। তবে ওই এলাকার সুনির্দিষ্ট স্থানাঙ্ক এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টঙ্গীর মাদক সম্রাজ্ঞী রুনা আক্তার গ্রেপ্তার, ২১টি মামলা রয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


টঙ্গীর মাদক সম্রাজ্ঞী রুনা আক্তার গ্রেপ্তার, ২১টি মামলা রয়েছে

পুলিশ টঙ্গীর শীর্ষ মাদক সম্রাজ্ঞী ও ২১ মামলার আসামি রুনা আক্তার (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ এই তথ্য প্রকাশ করে।

রুনা আক্তার টঙ্গীর কেরানীরটেক বস্তির সুমন মিয়ার স্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

পুলিশ জানায়, টঙ্গীর কেরানীরটেক এলাকায় কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞী রুনা আক্তারের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পেয়ে, একদল পুলিশ রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে তিন শ গ্রাম গাঁজাও উদ্ধার করা হয়। রুনার বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত ২১টি মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থেকে মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। গাজীপুর ও কক্সবাজারের মাদক রুটের কার্যক্রমও তিনি পরিচালনা করতেন।

টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম কালের কণ্ঠকে জানান, রুনার বিরুদ্ধে ২১টি মামলা রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%