মোঃ শাহিন ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৫:৩৬ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে পুলিশের এক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পুরাতন চোরাই মোবাইল ফোনসহ মোছাঃ জেসমিন খাতুন (২৫) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ শনিবার (১৫ আগস্ট, ২০২৬) রাত আনুমানিক ৩:০০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলাহাট থানা পুলিশের একটি দল জাদুনগর গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জাদুনগর গ্রামের মোঃ মঞ্জুর হোসেনের বসতবাড়ির দক্ষিণ দুয়ারী মাটির শয়নকক্ষে অভিযান চালিয়ে একটি নীল রঙের বড় প্লাস্টিকের ড্রামে সুকৌশলে রাখা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট ৩১০টি চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মোবাইলগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ১৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
উদ্ধারকৃত মোবাইলের মধ্যে রয়েছে:
Vivo: ১১০টি
Oppo: ৭০টি
Realme: ৩৬টি
Samsung: ২৫টি
Motorola: ১৫টি
Redmi: ১০টি
Poco: ১০টি
iQOO: ০৯টি
OnePlus (1+): ০৮টি
Narzo: ০৪টি
Poco (Coco): ০৩টি
অন্যান্য ব্র্যান্ড: ১০টি
অভিযানের সময় ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোঃ মঞ্জুর হোসেনের স্ত্রী মোছাঃ জেসমিন খাতুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই ঘটনায় ভোলাহাট থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ, ১৫ আগস্ট ২০২৬ : আজ সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন ময়মনসিংহ মহানগর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি, পাশাপাশি অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনসমূহের উদ্যোগে করা হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুর ২ টায় ময়মনসিংহ নগরীর হরিকিশোর রায় রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের পর প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাতে দলীয় নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (বিভাগীয়) ও ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন, মহানগর বিএনপির আহবায়ক অধ্যপক একেএম শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম-আহবায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, কাজী রানা, এডভোকেট এম.এ হান্নান খান, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক টুটু ও সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের হোসেন শাকিল, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ফয়সাল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব একেএম মাহাবুবুল আলম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজিজুল হাকিম আজিজ, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি গোবিন্দ রায়, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন প্রমুখ সহ অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
দোয়া মাহফিল শেষে মহানগরী এবং সদর উপজেলার প্রতিটি মসজিদে দিবসটি উপলক্ষে দোয়া মাহফিল আয়োজন করতে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন মসিক প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন।
এ সময় আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে সুখী ও সমৃদ্ধশালী হিসাবে গড়ে তুলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চাই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ে কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের ঘটনায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তৎকালীন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমামের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক সত্যতা তদন্ত কমিটি পেয়েছে। এই কারণে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের শৃঙ্খলা-১ শাখার সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিভাগীয় মামলার নম্বর ১০/২০২৬।
এ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ডা. হোসেন ইমামের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, কুষ্টিয়া সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের ১১-২০ গ্রেডের শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অন্যায়ভাবে ফাঁস করা হয়েছে এবং অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতাও পাওয়া গেছে।
এ কারণে চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী কেন ডা. হোসেন ইমামকে চাকরি থেকে বরখাস্ত বা অন্য কোনো উপযুক্ত দণ্ড দেওয়া হবে না—সে বিষয়ে নোটিশ পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গভীর রাতে পরীক্ষার্থীদের বাসা থেকে বের হওয়ার অভিযোগ
জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৪ অক্টোবর কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর গভীর রাত, ভোর এবং সকালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তৎকালীন আরএমও ডা. হোসেন ইমামের নিজ বাসা থেকে বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থীকে বের হতে দেখা যায়।
এই ঘটনার অভিযোগ ওঠে, অর্থের বিনিময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে তার বাসায় কিছু পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। বিষয়টি তখন ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন মহল থেকে ঘটনার তদন্তের দাবি ওঠে। পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে আরএমও হিসেবে ডা. হোসেন ইমামের সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা না থাকার কথা থাকলেও অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় তৎকালীন জেলা প্রশাসক বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।
পরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে কমিটি জানায়, তৎকালীন আরএমও ডা. হোসেন ইমামের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয় সাতটি পদে মোট ১১৫ জন নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয় ২০২৫ সালের ৪ মার্চ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত।
পদগুলোর মধ্যে ছিল—
স্বাস্থ্য সহকারী — ৯৭ জন, পরিসংখ্যানবিদ — ৩ জন, কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ান — ১ জন, স্টোর কিপার — ৪ জন, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর — ১ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক — ৫ জন, ড্রাইভার — ৪ জন।
আরও কেউ জড়িত কী না, জানা নেই: সিভিল সার্জন
এ ঘটনায় ডা. হোসেন ইমাম ছাড়া অন্য কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. এসএম কামাল হোসেন বলেন, এ ধরনের তথ্য তার জানা নেই। বিষয়টি তদন্ত কমিটি জানাতে পারবে।
এদিকে, বিভাগীয় মামলার পর ডা. হোসেন ইমামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত কী হয়, তা এখন দেখার বিষয়। কারণ দর্শানোর জবাব এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া শেষে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি করলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। তিনি এ কথা বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যদি অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়, তবে ডিএসসিসি প্রশাসককে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং সিটি করপোরেশন আইনের আওতায় তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর সবুজবাগে বরদ্দেশরী কালীমাতা মন্দিরে বৃক্ষরোপণ ও মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্যটি করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অপরাধীদের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। তিনি বলেন, মানুষের বা এলাকার ক্ষতি হয়—এমন কোনো কর্মকাণ্ড তিনি মেনে নিতে রাজি নন।
তিনি আরো বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নিয়ে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় চিন্তা করা যাবে না, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। বিএনপির কেউ যদি এই সকল অপরাধে জড়িত থাকে, তাও তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের আশ্রয় বা প্রশ্রয় দেওয়া দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে যাকে ধরতে হয়, তার রাজনৈতিক পরিচয় কিছুই হবে না। সে যেই হোক, তাকে ধরবেন এবং চালান দিয়ে দেবেন। আমরা তার শাস্তি চাই।’
হাবিবুর রশিদ জানালেন, শুধু প্রশাসনকেই দোষারোপ করলে হবে না। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিএনপির অঙ্গসংঠনের সদস্যদেরও এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে। দলের মধ্যে গ্রুপিংয়ের কারণে যারা নিজেদের স্বার্থে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন, তাদের চিহ্নিত করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
এলাকার উন্নয়নের প্রসঙ্গে বললেন, জনগণ ভোট দিয়ে বর্তমান সরকারকে নির্বাচিত করেছে। তাই তারা মানুষের কাছে তাদের প্রত্যাশা ও দাবিও বেশি। এসব দাবিগুলো স্বাভাবিক। মানুষের দাবিগুলো পূরণে উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।
ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালামের উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি উল্লেখ করেন, সিটি করপোরেশনের বাজেটের অভাব আছে। তবুও সালাম ভাই এলাকার উন্নয়নে যথেষ্ট চেষ্টা করছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে এবং জনগণের কাছে সরকারের জবাবদিহি রয়েছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির ও শ্মশান পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাবু পবন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক বাবু গুরু দাস সহ বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ আগস্ট, ২০২৬ : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্মৃতিস্মারক হিসেবে খালেদা জিয়ার পছন্দের ফুল কাঁঠালিচাঁপার গাছ রোপণ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স।
আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে রাস্তার পাশে তিনি গাছটি রোপণ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন হল পর্যায়ের ছাত্রদলের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নেতাকর্মী এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, যে স্থানে কাঁঠালিচাঁপা গাছটি রোপণ করা হয়েছে, সেখানে আগে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিল। সম্প্রতি ঝড়ের কবলে পড়ে গাছটি উপড়ে যায়। পরে ওই স্থানে নতুন করে কাঁঠালিচাঁপা গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেন ছাত্রদল নেতা মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স।
বৃক্ষরোপণ শেষে মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কাঁঠালিচাঁপা ফুল পছন্দ করতেন। তিনি ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি কাঁঠালিচাঁপা ফুলের গাছ লাগিয়েছিলেন। আজ তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় উনার অবদানকে স্মরণ করে আমিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কাঁঠালিচাঁপা ফুলের গাছ রোপণ করলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই গাছটি শুধু একটি বৃক্ষ নয়, এটি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে বেড়ে উঠবে। আমি এবং আমাদের নেতাকর্মীরা গাছটি যেন নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে উঠতে পারে, সে দায়িত্ব নিচ্ছি।’
ছাত্রদল নেতা প্রিন্স আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবুজায়ন ও পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত প্রয়োজন। ক্যাম্পাসের যেসব স্থানে পুরোনো গাছ ঝড় বা অন্য কোনো কারণে নষ্ট হয়ে গেছে, সেসব স্থানে নতুন গাছ লাগানোর উদ্যোগ অব্যাহত রাখা উচিত।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জানান, এদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষার্থীদের প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার মমত্ববোধকে স্মরণ করে প্রতীকীভাবে তাঁর পছন্দের কাঁঠালিচাঁপা গাছ রোপণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে গাছটির নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, তিনি বৃক্ষরোপণের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সারা দেশের শিক্ষার্থীদেরকে বছরে অন্তত একটি বৃক্ষরোপণের উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ