ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘জুলাই অভ্যুত্থান কারও একার নয়, এটি দেশের সব মানুষের অর্জন’


‘জুলাই অভ্যুত্থান কারও একার নয়, এটি দেশের সব মানুষের অর্জন’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষ দল ও মত ভুলে রাস্তায় নেমে এসেছে। তাদের সম্মান করা প্রয়োজন। জুলাই অভ্যুত্থান এককভাবে কোনো দল বা ব্যক্তির নয়। এটি দেশের সব মানুষের একসাথে অর্জন।

শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত জুলাই জাতীয় সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন, যেটি জুলাই আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী এইভাবেও মন্তব্য করেছেন, জুলাইতে এত মানুষ জীবন দিয়েছেন এবং তাদের লক্ষ্য ছিল এই দেশের পরিবর্তন। যারা মানুষ হত্যা করেছে, তাদের বিচার হবে দেশের আইন অনুযায়ী। যেমনটি স্বৈরাচার বিচারের নামে অবিচার করেছে, আমাদের উচিত যেন বিচারের নামে কোনো অন্যায় না করা হয়। সেজন্য লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রয়োজনে সময় লাগবে, তবে আইন অনুযায়ী সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আমরা এমনভাবে দেশ গড়তে চাই, যেখানে মানুষের অধিকার ও সম্মান থাকবে, এবং সবার জন্য নিরাপদ রাষ্ট্র হবে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করে দেশকে এগিয়ে নেওয়া যায় না— এই কথাটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে, তাদের উচিত দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এগিয়ে আসা।

তারেক রহমান বক্তব্যের মধ্যে উল্লেখ করেন, যদি আমি মাকে জিজ্ঞাসা করতে পারতাম— মা, আপনার ওপর ১৭ বছর যে অন্যায়-জুলুম ও মানসিক নির্যাতন হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ আছে? মা বলতেন, প্রতিহিংসা নয়, তোমার দায়িত্ব হলো সকলকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়া। একই প্রশ্ন করলে, আমার ভাইও একই কথা বলতো। ১৭ বছর আগে যাদের সাথে আমি কাজ করেছিলাম, তাদের মধ্যে অনেককেই হারিয়েছি এবং কিছু মানুষের অঙ্গহানি হয়েছে। শারীরিক কষ্ট ও মানসিক যন্ত্রণা আমি নিজেও অনুভব করি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের জুলাই শহীদ পরিবার ও প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের বাদ দিয়ে জুলাই জাতীয় সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


দেশের জুলাই শহীদ পরিবার ও প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের বাদ দিয়ে জুলাই জাতীয় সম্মেলন

ঢাকায় জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। এছাড়া সরকারের মন্ত্রী, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য, চিকিৎসক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ করেন বলে জানা যায়।

আয়োজকদের তথ্যমতে, জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি ও জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এর যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল ২০২৪শে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং তাদের স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন।

তবে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানের জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সমালোচনা ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জুলাই জাতীয় সম্মেলন হিসেবে প্রচার করা হলেও দেশের বহু জুলাই শহীদ পরিবার, আন্দোলনে আহত প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বরং সীমিত তথাকথিত কয়েকটি সংগঠনকে নিয়েই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

সমালোচকদের দাবি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি বা সংগঠনের অর্জন নয়; এটি ছিল দেশের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সংঘটিত একটি গণআন্দোলন। তাই জাতীয় পর্যায়ের এমন কর্মসূচিতে জুলাই শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনের প্রকৃত অংশগ্রহণকারীদের বাদ দেওয়া হলে তার গ্রহণযোগ্যতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানো তাদের আত্মত্যাগের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের পরিপন্থী। একইভাবে আন্দোলনে আহত এবং সরাসরি অংশ নেওয়া দেশের অনেক জুলাই যোদ্ধাও অনুষ্ঠানে স্থান পাননি বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সরকারের গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধারা।

দেশের জুলাই যোদ্ধারা বলেন, যাদের রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজকের এই আয়োজন সম্ভব হয়েছে, তাদেরই যদি আমন্ত্রণ জানানো না হয়, তাহলে এমন সম্মেলনের নৈতিক ভিত্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

সমালোচকদের মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল সাম্য, বৈষম্যহীন সমাজ, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা। তাই রাষ্ট্রীয় বা জাতীয় পর্যায়ের যেকোনো কর্মসূচিতে জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনের প্রকৃত অংশগ্রহণকারীদের যথাযথ মর্যাদা ও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিলো।

এ বিষয়ে আয়োজকদের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে সমালোচকরা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে আয়োজন এবং দেশের সব শহীদ পরিবার ও প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে ৬২ কোটি টাকার আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণে ৩ একর জমি চূড়ান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


মাদারীপুরে ৬২ কোটি টাকার আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণে ৩ একর জমি চূড়ান্ত

মাদারীপুর শহরের দীর্ঘদিনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংকট নিরসনে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট (ডাম্পিং স্টেশন) নির্মাণের জন্য সদর উপজেলার চর ব্রাহ্মমদী মৌজায় প্রায় ৩ একর জমি চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার উপস্থিতিতে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন, জমি পরিমাপ এবং প্রকল্পের সীমানা চিহ্নিতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো মাদারীপুর পৌরসভার নিজস্ব কোনো ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে ও খোলা জায়গায় বর্জ্য ফেলা হতো। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল।

এই সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের লক্ষ্যে সরকারি খাসজমিতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে পৌরসভা। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন প্রায় সাড়ে ৫ একর সরকারি জমি পৌরসভার অনুকূলে হস্তান্তর করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৩ একর জমিতে ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২ কোটি টাকা।

শনিবার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের সময় সার্ভেয়াররা জমি পরিমাপ করেন এবং সীমানা নির্ধারণের জন্য লাল নিশানা স্থাপন করেন। সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণ কমবে এবং স্থানীয় মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, "ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের কাজ শেষ হলে চর ব্রাহ্মমদীর আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে একটি দৃষ্টিনন্দন ইকোপার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে একদিকে যেমন মানুষ বিনোদনের সুযোগ পাবে, অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।"

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর পৌরসভার প্রশাসক জেসমিন আক্তার বানু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আবু আহম্মদ ফিরোজ ইলিয়াস, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪২ পি.এম


কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার জানাজানির পর অভিযুক্তকে শনাক্ত করে গ্রেফতারে অভিযানে নেমেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোররাতে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজার এলাকায় একটি কনফেকশনারি দোকানের সামনের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে। তবে শনিবার (৪ জুলাই) সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ভোর ৪টা ৮ মিনিটের দিকে ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা এক মাঝবয়সী নারীর কাছে সাদা শার্ট ও লুঙ্গি পরিহিত এক ব্যক্তি এসে তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে। কিছুক্ষণ পর বাজারের এক পাহারাদার ঘটনাস্থলে এসে ওই নারীকে দেখতে পান।

পুলিশ জানায়, ভিডিও বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত হিসেবে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজারসংলগ্ন দুর্গাপুর এলাকার দুলা মিয়ার ছেলে খোকনকে (৫০) শনাক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, খোকন এলাকায় জুয়া পরিচালনার সঙ্গে জড়িত এবং একজন চিহ্নিত জুয়াড়ি হিসেবে পরিচিত।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সূত্র ধরেই পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছে। ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।’

এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, ‘ভিডিওটি পুলিশের নজরে আসার পরপরই অভিযুক্তকে আটকের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার পরিচয় শনাক্ত, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠান ইরানের রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার বার্তা দিচ্ছে: বিশ্লেষকদের মত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৫ পি.এম


খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠান ইরানের রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার বার্তা দিচ্ছে: বিশ্লেষকদের মত

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শোক প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং, এর মাধ্যমে দেশের নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রীয় নীতির ধারাবাহিকতা বিশ্বকে প্রবাহিত করছে তেহরান। এমন মন্তব্য করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ফেলো মোহাম্মদ এসলামি। আজ শনিবার (৪ জুলাই) আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসলামি বলেন, ইরানের ইতিহাসে খামেনি এমন এক leaders শ্রেণীর মধ্যে আছেন, যিনি যুদ্ধ চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন। তার ভাষায়, ‘খামেনি এমন নেতা ছিলেন না, যিনি শুধু নির্দেশ দিতেন। তিনি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সামনের সারিতে ছিলেন। তাই তার মৃত্যু ইরানের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।’ এসলামি বলেন, শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানি সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই বার্তা দিতে চায় যে, খামেনির আঞ্চলিক নীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার পথ মৃতের পরও অব্যাহত থাকবে। খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে ছেলে এবং নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া মুজতবা খামেনির প্রকাশ্যে অনুপস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেন এই গবেষক। তার মতে, গত কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ধারাবাহিক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এটি মূলত একটি নিরাপত্তাজনিত সিদ্ধান্ত। এসলামি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নতুন নেতৃত্বকে নিরাপদ রাখা এবং রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বকে স্থিতিশীল করা। এই সংকটময় সময়ে মুজতবা খামেনির প্রধান দায়িত্ব হলো তার নেতৃত্বকে সুসংহত করা।’ তিনি আরও বলেন, ইরানের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নতুন নেতৃত্বের অধীনে রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দেশের রাজনৈতিক কাঠামোকে দৃঢ়ভাবে পরিচালনা করা। এসলামি আরও বলেছেন, খামেনির শেষকৃত্যের সময়টি শিয়া মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। তিনি বলেন, ‘খামেনির শেষকৃত্য এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন মহররম মাসের প্রথম ১০ দিন শেষ হয়েছে। এই সময় শিয়ারা তৃতীয় ইমাম ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শাহাদাত স্মরণ করেন।’ এসলামি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় না ইরানিরা যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস নিয়ে ভাবছে। বরং তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা নিজেদের অনুসারীদের উদ্দেশে এই বার্তা দিতে চায় যে, আলি খামেনির শাহাদাৎ ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শাহাদাতের ধারাবাহিকতারই অংশ।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%