ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে বঙ্গভবনমুখী সড়কে বিধিনিষেধ


রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে বঙ্গভবনমুখী সড়কে বিধিনিষেধ

রাষ্ট্রপতির শপথ ঘিরে বঙ্গভবনমুখী সড়কে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। 

বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আগামীকাল শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে বঙ্গভবন ও আশপাশের এলাকায় আমন্ত্রিত অতিথিদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই সময় বহু সড়কে সাধারণ ও বাণিজ্যিক যানবাহনের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে এবং কিছু রুটের বাস ও অন্যান্য যানবাহনকে বিভিন্ন বিকল্প পথে চলাচল করতে হবে।

ডিএমপির ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামীকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনীতিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

ডিএমপির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত নির্ধারিত সড়ক ও এলাকায় যান চলাচলে সাময়িক নিয়ন্ত্রণ থাকবে। তবে বঙ্গভবনে আমন্ত্রিত অতিথিদের গাড়ির ক্ষেত্রে এসব নির্দেশনা প্রযোজ্য নয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী, শাপলা চত্বর থেকে আলিকো গ্যাপ হয়ে দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা (বঙ্গভবন রোড) ও রাজউক ক্রসিং (ডিআইটি রোড) পর্যন্ত সড়কে সব ধরনের গাড়ির প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। ফলে ওই এলাকায় চলাচলকারী সাধারণ যাত্রী ও চালকদের অনুরোধ করা হয়েছে যাতে তারা আগে থেকেই বিকল্প পথ বেছে নেন।

এছাড়া, শাপলা চত্বর ও দৈনিক বাংলা থেকে রাজউক-গুলিস্তানমুখী সমস্ত বাসকে নির্ধারিত বিকল্প রুট ব্যবহার করতে অনুরোধ করা হয়েছে। এসব বাস দৈনিক বাংলা থেকে ইউবিএল হয়ে প্রেস ক্লাবের দিকে চলাচল করবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে সুবিধাজনক অন্য বিকল্প সড়কও ব্যবহার করা যাবে।

ডিএমপির নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে যে, দৈনিক বাংলা থেকে রাজউকের দিকে কোন বাণিজ্যিক যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। তাই ওই সময় পণ্যবাহীসহ সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক যানবাহনের চালকদের বিকল্প রুট ব্যবহার করতে হবে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

হানিফ ফ্লাইওভার থেকে আসা যানবাহনের জন্যও বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এসব গাড়িকে জিরো পয়েন্টে ইউটার্ন না করে বামে ফুলবাড়িয়া অথবা ডান দিকে ইউবিএল ক্রসিংয়ের দিকে যেতে হবে।

বিকল্প চলাচলের জন্য ডিএমপি কয়েকটি রুটও নির্ধারণ করেছে। এদের মধ্যে রয়েছে—দৈনিক বাংলা থেকে শাপলা চত্বর অথবা জিরো পয়েন্ট থেকে ইউবিএল ক্রসিং হয়ে নাইটিঙ্গেল ক্রসিং, ফকিরাপুল ক্রসিং, শাপলা চত্বর ও ইত্তেফাকের দিকের সড়ক ব্যবহার করে গন্তব্যে যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও আমন্ত্রিত অতিথিদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সাময়িকভাবে এ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবং এর ফলে নির্ধারিত সড়ক ও আশপাশের এলাকায় যানবাহনের স্বাভাবিক গতি কিছুটা ব্যাহত হতে পারে।

এ কারণে সাধারণ চালকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব সড়ক থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে ডিএমপি। একই সাথে যাত্রীরা যাতে ভোগান্তিতে না পড়েন, সে জন্য প্রয়োজন হলে আগে থেকেই বিকল্প রুট ঠিক করে বের হওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

এদিকে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ আগামীকাল বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হবে।

রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আগেই বিভিন্ন দায়িত্বে ছয়টি কমিটি গঠন করেছে। অনুষ্ঠানটির সমন্বয়, অতিথি তালিকা ও আমন্ত্রণ, আসন ব্যবস্থাপনা, অভ্যর্থনা এবং প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় এসব কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, সাময়িক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কারণে নগরবাসীর সামান্য অসুবিধা হতে পারে। এজন্য দুঃখ প্রকাশ করে নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়েছে পুলিশ। সেই সঙ্গে নির্ধারিত সড়ক এড়িয়ে সুবিধাজনক বিকল্প পথে চলাচলের জন্য চালকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়তে ডাকসুর সভায় একাধিক সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৫ এম


শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়তে ডাকসুর সভায় একাধিক সিদ্ধান্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর ৫ম কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় ডাকসুর সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ডাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সভাটি সঞ্চালনা করেন ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ। এতে বক্তব্য রাখেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, এজিএস মহিউদ্দিন খান এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এইচ এম মোশারফ হোসেন। সভাপতি সহ ডাকসুর নির্বাচিত সম্পাদকমণ্ডলী ও কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক অধিকার, ছাত্রকল্যাণ, ক্যাম্পাস অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

৫ম কার্যনির্বাহী সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ:

১. ১২ সেপ্টেম্বর পরবর্তী ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য উপাচার্যকে জোর দাবি জানানো হয়। উপাচার্য জানান, ডাকসু নির্বাচন বিষয়ে প্রাথমিক একটি সেল গঠন করা হয়েছে। দ্রুত তফসিল ঘোষণা করা হবে।

২. শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর অগ্রগতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করার জন্য জোর দাবি জানায় ডাকসু নেতৃবৃন্দ। দাবির প্রেক্ষিতে শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর অগ্রগতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিস্তারিত তথ্য নোটিশ আকারে প্রকাশ করবে বলে উপাচার্য আশ্বাস দেন।

৩. শাহবাগ থানায় ছাত্রদল কর্তৃক ডাকসু নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে আগামী সোমবারের মধ্যে সন্তোষজনক অগ্রগতি পরিলক্ষিত না হলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে করণীয় ও কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

৪. জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য ভিসিকে জোর তাগিদ দেয় ডাকসু। ভিসি জানান, ইতোমধ্যে কয়েকজনের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, বাকিদের ব্যাপারেও ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

৫. ডাকসুর আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এইচ এম মোশারফ হোসেনকে প্রধান করে একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং কমিটিকে এই ইন্টার্নাল অডিটের দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

৬. ডাকসুর নেতৃবৃন্দের দাবির প্রেক্ষিতে কার্জন হলে ক্যান্টিন চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান ভিসি মহোদয়। পাশাপাশি দ্রুত ক্যান্টিন স্থাপনের লক্ষ্যে মোকাররম ভবন ও অ্যানেক্স ভবনের স্পেস বরাদ্দের বিষয়ে স্পেস কমিটির সভা আহ্বানের প্রস্তাব দেয় ডাকসু। ভিসি মহোদয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবগত করেন এবং দ্রুত স্পেস কমিটির মিটিং আহ্বানের জন্য নির্দেশ দেন।

৭. শিক্ষার্থীদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফুড সেফটি কমিটি গঠনের জন্য ভিসি মহোদয়কে দাবি জানান ডাকসু নেতৃবৃন্দ। সেই সঙ্গে কমিটিতে পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষক, ফুড সেফটি অথরিটির একজন প্রতিনিধি এবং ডাকসুর দুজন প্রতিনিধি রাখার প্রস্তাব দেওয়া হলে ভিসি মহোদয় কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার নীতিগত সম্মতি জানান।

৮. নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি কমাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কমিটিকে সক্রিয় করার জন্য এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ভিসি মহোদয়কে আহ্বান জানায় ডাকসু। ভিসি মহোদয় কমিটি কার্যকর করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান এবং খুব দ্রুত এটি কাজ করবে বলেও আশ্বাস দেন।

৯. উপাচার্যের সঙ্গে ডাকসু ও হল সংসদের মতবিনিময় সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১০. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে পরমাণু শক্তি কমিশন সরিয়ে অন্যত্র নেওয়ার বিষয়ে জোরালো মতামত প্রদান করা হয় এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে ভিসি মহোদয়কে আহ্বান জানানো হয়।

১১. বিশ্ববিদ্যালয়ের উপযুক্ত সকল ভবনের ছাদে হাইব্রিড মডেলের সোলার প্যানেল সিস্টেম স্থাপনের প্রস্তাব প্রদান করলে ভিসি মহোদয় এতে ইতিবাচক রেসপন্স করেন।

১২. কলা ভবন ও বিজনেস ফ্যাকাল্টির লিফট সংস্কারের ব্যাপারে জোর আলোচনা করা হয়। এতে বিজনেস ফ্যাকাল্টির লিফটের ব্যবস্থা ডাকসু করবে বলে ভিসিকে অবহিত করেন এবং কলা ভবনের লিফট সংস্কারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানায় ডাকসু। ভিসি মহোদয় ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন।

১৩. ডাকসুর জোর দাবির মুখে ক্যাম্পাসে কার্যকর পুলিশিং ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিষয়ে ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে ভিসি মহোদয় আলোচনা করবেন বলে সভায় জানান এবং করণীয় সম্পর্কে আরও বিস্তারিত অবগত হবেন বলে জানান তিনি।

১৪. শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ONE DU APP তৈরির প্রস্তাব সবার সম্মতিক্রমে গৃহীত হয় এবং ভিসি মহোদয় এতে ইতিবাচক ব্ক্তব্য প্রদান করেন। উক্ত অ্যাপে হল (সিট বণ্টন, পেমেন্ট,হলের রেগুলার কাজ), ডিপার্টমেন্ট (কমপ্লিট একাডেমিক প্রোফাইল, কোর্স, টিচার ইভালুয়েসনসহ সকল রেগুলার কাজ) এবং সকল প্রশাসনিক কাজ (সকল স্টুডেন্ট সার্ভিস, ই-নথিসহ রেগুলার কাজ) ইনক্লুড থাকবে।

১৫. টিচার হু ইন্সপায়ার্ড মি থিমে শিক্ষার্থীদের ভোটিংয়ের মাধ্যমে বেস্ট টিচার অ্যাওয়ার্ডে চালুর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

১৬. প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে একটি ডিসএবিলিটি সাপোর্ট সেল কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় ডাকসুর নেতৃবৃন্দ ভিসি মহোদয়কে এর কাছে গুরুত্ব তুলে ধরেন। এতে ভিসি মহোদয় নীতিগত সম্মতি জানান।

১৭. ডাকসু সংগ্রহশালার দ্রুত সংস্কার সম্পন্ন করে চলতি মাসের মধ্য উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১৮. ডাকসুর উদ্যোগে পাওয়া বরাদ্দের দুই কোটি টাকা দিয়ে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য জোর দাবি জানানো হয়।

১৯. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেটে সুনির্দিষ্টভাবে পাসের তারিখ ও প্রদানের তারিখ উল্লেখ না থাকায় উচ্চশিক্ষায় যেতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেটে তথ্যগুলোর (তারিখ) কারণে বারবার হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। হয়রানি রোধে সার্টিফিকেটে পাসের তারিখ এবং প্রদানের তারিখ আলাদা আলাদা যুক্ত করার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয় এবং ভিসি মহোদয়কে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

২০. আবাসিক হলগুলোতে সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ নীতিমালা প্রণয়নের অগ্রগতি তদারকির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং দ্রুত তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে ভিসিকে জোর দাবি জানায় ডাকসু। ভিসি মহোদয়ও এতে ইতিবাচক সম্মতি দেন।

২১. শিক্ষার্থীদের উন্নত ক্যারিয়ার ও গবেষণার পরিবেশ তৈরির লক্ষে প্রতিটি হলে আইটি এন্ড ক্যারিয়ার সেন্টার স্থাপন এবং একজন করে অপারেটর নিয়োগের প্রস্তাবের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে উপাচার্য ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন।

২২. শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও গবেষণামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ ও রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ চালুর অগ্রগতি নিয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষয়ে উপাচার্য ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন।

২৩. নিরাপত্তা জোরদারে ক্যাম্পাসে রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশদ্বারে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, ডিজিটাল গেট স্থাপন এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে ডাকসু। এ ব্যাপারে ভিসি মহোদয় ইতিবাচক আশ্বাস দেন।

২৪. শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে হলপাড়ায় ফার্মেসি ও সাইকেল গ্যারেজ স্থাপনের প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়। ভিসি মহোদয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা আশ্বাস দেন।

২৫. নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত জিমনেসিয়াম চলতি মাসে উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২৬. অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে অনাবাসিক নারী শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশাধিকার, আন্তঃহল যাতায়াতের সুযোগ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমুন্নত রাখতে ডিজিটাল এন্ট্রি ও এক্সিট ব্যবস্থা চালুর জন্য বিগত সিদ্ধান্তের আলোকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনের জোরালো সহযোগিতা কামনা করা হয়। এ ব্যাপারেও ভিসি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

২৭. দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ই-লাইব্রেরির ডিটেইলস ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসেসমেন্ট পরবর্তী সুপারিশের আলোকে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নিতে প্রশাসনের নিকট জোরালো দাবি জানানো হয় এবং ভিসি স্যার নিপা ভবনের সংস্কারের উদ্যোগ নেবেন বলে আশ্বাস দেন।

২৮. বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকার বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর প্রথম ধাপে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে বলে আলোচনা করেন ডাকসু নেতৃবৃন্দ। আলোচনায় প্রথম ধাপে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে ডাকসু ভিসি মহোদয়কে আহ্বান জানায়। ভিসি মহোদয় এতে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন।

২৯. শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য বীমা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায় ডাকসু নেতৃবৃন্দ। ভিসি মহোদয় দাবির প্রেক্ষিতে এটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় করণীয় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জনান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৫ এম


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

 বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রেও তথ্যের গোপনীয়তা, ব্যক্তিগত তথ্যের সম্মতি জোরদার করা এবং সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

আজ রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) অডিটোরিয়ামে ‘এআই এন্ড গর্ভনেন্স: গ্লোবাল টেকনোলজি আর্কিটেকচার, ন্যাশনাল ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাসটাকচার এন্ড পলিসি ডিরেকটিভস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখন আর কেবল প্রযুক্তির বিষয় নয়, এটি জাতীয় সক্ষমতা, সুশাসন, অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত হয়েছে। জনগণের সম্মতি, সচেতনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ধীরে ধীরে এআই গ্রহণের মাধ্যমে সরকারি সেবাকে আরও দ্রুত, সহজ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে হবে।

তিনি বললেন, বাংলাদেশে মেধাবী ও দক্ষ মানুষের পাশাপাশি রয়েছে বিশাল জনসংখ্যা এবং অপার সম্ভাবনা।

তবে শুধু মেধা থাকলেই জাতীয় সক্ষমতা তৈরি হয় না। মেধাকে প্রযুক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে, প্রযুক্তিকে দিতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে জাতীয় শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন একটি শক্তিশালী ও সমন্বিত আই ইকোসিস্টেম।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ, তবুও মেধা, গবেষণা, পুঁজি, বিশ্ববিদ্যালয় ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমকে সমন্বিত করে এর আকারের তুলনায় অনেক বেশি প্রযুক্তিগত প্রভাব তৈরি করতে পারে।

জনপ্রশাসনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশের এআই রূপান্তরের প্রথম বড় ক্ষেত্র হওয়া উচিত জনপ্রশাসন। তিনি দাবি করেন, এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব যাতে একজন কর্মকর্তাকে তথ্যের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফাইল খুঁজতে কিংবা অন্য দপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে না।

তিনি বলেন, অনুমোদিত সরকারি তথ্যভান্ডারের ওপর ভিত্তি করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহকারী প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করতে পারে যেমন সংশ্লিষ্ট বিধি, পরিপত্র, পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত এবং উৎস সংক্রান্ত তথ্য। এর মাধ্যমে কর্মকর্তাদের সময় সাশ্রয়, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সরকারি সেবার দক্ষতা বৃদ্ধি সম্ভব।

যুক্তরাজ্য সরকার সরকারি কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশও এ সম্পর্কে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।

ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, সরকারি ব্যয়, ক্রয়, নিয়োগ, স্বাস্থ্যসেবা, করব্যবস্থা, সামাজিক সুরক্ষা ও ফাইল ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পরিকল্পনা কমিশন ও অর্থ বিভাগ যদি প্রকল্প প্রণয়ন, ব্যয়ের যৌক্তিকতা যাচাই ও প্রকল্প পর্যবেক্ষণে এআই ব্যবহার করে, তাহলে তা সময় ও সরকারি অর্থের অপচয় কমাতে সাহায্য করবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিভিন্ন নাগরিক ও জেলা পর্যায়ের সেবাকে আরও দ্রুত, সহজ ও স্বয়ংক্রিয় করতেও এআই ব্যবহার করা যেতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে তথ্যের গোপনীয়তা ও সাইবার নিরাপত্তার গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এআই-এর জন্য কোন তথ্য কতটুকু এবং কোন স্তরে ব্যবহার বা শেয়ার করা যাবে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন। প্রতারণার ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা, শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা, তথ্য শ্রেণিবিন্যাস এবং সুস্পষ্ট আইনগত কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে।

এআই’র প্রভাব জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত ক্ষেত্রেও দ্রুত বিস্তৃতি পাচ্ছে বলেও তিনি জানান। আধুনিক সামরিক ব্যবস্থায় গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ এবং নির্ভুল অভিযানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। উন্নত কম্পিউটিং সক্ষমতা, তথ্য এবং অ্যালগরিদম যেসব দেশ নিয়ন্ত্রণ করবে, ভবিষ্যতে তারাই কৌশলগত ভারসাম্যে অধিক প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হবে।

ভারত-চীন সীমান্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সৈন্যের পরিবর্তে রোবট ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি নজরদারিতে ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে এবং এআই, রোবোটিক্স ও অপটিক্যাল প্রযুক্তি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার গুরুত্বপুর্ণ কৌশলগত উপাদানে পরিণত হয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনা ও ঝুঁকির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একটি দিয়াশলাইয়ের কাঠি দিয়ে যেমন রান্না করা যায়, তেমনি একটি ঘরও পুড়িয়ে দেওয়া যায়- এআই ঠিক তেমনই। এআই সরকারি সেবার মান বাড়াতে পারে, আবার নতুন ঝুঁকি ও বৈষম্যও তৈরি করতে পারে। তাই প্রযুক্তির ব্যবহার হতে হবে নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও জনকল্যাণমুখী।’

তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে কর্মসংস্থানে পরিবর্তন আসতে পারে, তবে অদক্ষতা শুধু কর্মসংস্থান রক্ষার জন্য ধরে রাখা উচিত নয়। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এআই-সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করা, মানুষবিহীন সরকার নয়। প্রযুক্তির সঙ্গে কর্মসংস্থানের ভারসাম্য বজায় রেখে একটি গ্রহণযোগ্য ও জনকল্যাণমুখী সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি বলেন, এআই’র অগ্রযাত্রা থামিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তবে আইন, নীতিমালা, নিরাপত্তা ও জনসচেতনতার মাধ্যমে এআই’র ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করে জনগণের কল্যাণে এর সুফল নিশ্চিত করা সম্ভব। তাই জনগণের সম্মতি ও সচেতনতা নিশ্চিত করে ধাপে ধাপে এআই গ্রহণে প্রস্তুতি নিতে হবে।

সেমিনারে বিআইআইএসএসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসম রিদওয়ানুর রহমান স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

এতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি এবং আইসিটি অনুবিভাগের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভের চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট আশফাক জামান একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

উপস্থাপনার পর একটি উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে অংশগ্রহণকারীরা এআই-এর সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ, এআই-সংক্রান্ত নীতিমালা এবং মানদণ্ড প্রণয়নে স্থানীয় চাহিদার ভূমিকা এবং সাইবার কার্যক্রম ও আধুনিক যুদ্ধে এআই-এর ক্রমবর্ধমান ভূমিকার ওপর বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি ও আর্থিক খাতের প্রতিনিধিবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ এম


নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অভিনন্দন জানিয়েছেন।

আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়।

এতে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও রাষ্ট্র পরিচালনায় একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং যুগান্তকারী ঘটনা।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন এ দেশের আপামর জনসাধারণের অধিকার আদায় এবং স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের একটি উজ্জ্বল দলিল।

দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তিনি সুদীর্ঘ কয়েক দশক ধরে যে ত্যাগ-তিতিক্ষা, সাহসিকতা ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো একজন অভিজ্ঞ, দূরদর্শী এবং দেশপ্রেমিক নেতা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে আসীন হওয়া আপামর জনতার গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষারই একটি গৌরবময় স্বীকৃতি।

তিনি রাষ্ট্রপতির দক্ষ, সুযোগ্য ও সঠিক দিকনির্দেশনায় দেশে আইনের শাসন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারা আরও সুসংহত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকৃবির হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকৃবি প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ এম


বাকৃবির হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
বাকৃবির হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত /
 
বাকৃবিতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা: ৭২ শিক্ষার্থী পেলেন সংবর্ধনা ও পুরস্কার
 
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, নবীণ বরণ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
 
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় হল মিলনায়তনে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নবাগত ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের (লেভেল ১, সেমিস্টার ১) শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং মেধা তালিকায় শীর্ষে থাকা হলের বিভিন্ন বর্ষের ২৮ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন সরকারি চাকুরিতে কৃতিত্বপূর্ণ অবস্থানের জন্য ১৪ জন আবাসিক শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয় এবং খেলাধূলায় কৃতিত্ব রাখার জন্য ৩০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।
 
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, সোনালী দলের নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, সোনালী দলের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ কে এম আদহাম, বাকৃবির উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের হাউজ টিউটর আবু হানিফ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এ এম সোয়াইব, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহীন আলম, মো. নুরনবী হোসেন, মো. তায়েফ মাহমুদ, মো. মিজবাউল হক মিজুসহ শাখা ছাত্রদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং হলের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ। 
 
সভাপতিত্বের বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা তার দীর্ঘ দুই বছরের কর্ম পরিধি সম্পর্কে জানান এবং হলের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, নবাগত শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে স্বাগত জানিয়ে তিনি নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকা এবং পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। 
 
তিনি বলেন, একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম ও সামাজিক দায়বদ্ধতার চর্চাও একজন শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই হলের শিক্ষার্থীরা নিয়মিতভাবে মেধা তালিকায় স্থান করে নিচ্ছে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করছে যা হল প্রশাসনের যথাযথ তত্ত্বাবধানেরই প্রতিফলন। শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা ও একাডেমিক পরিবেশ আরও উন্নত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের যেকোনো সমস্যা সমাধানে প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%