১১:২২ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সান্ধ্য আইন’ বাতিলের দাবি এবং ২৪ ঘণ্টা হলে যাতায়াতের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য ক্যাম্পাসের পাঁচটি ছাত্রী হলের প্রধান ফটকে গ্রাফিতি এঁকেছেন একদল নারী শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত তারা গ্রাফিতিগুলো আঁকেন। ‘সময়ের শেকল ভাঙো’ স্লোগানের মাধ্যমে এই কর্মসূচি আয়োজন করে প্রগতিশীল নারী শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘অবরোধবাসিনী’।
এ কর্মসূচিতে হলগুলোর প্রবেশপথে ‘নিরাপত্তার অজুহাতে সংকুচিত স্বাধীনতা মানি না’, ‘সময়ের শেকল ভাঙো’-সহ বিভিন্ন স্লোগান এবং প্রতীকী চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। আন্দোলনের অংশ হিসেবে শুক্রবার বিকালেও গণস্বাক্ষর সংগ্রহ এবং শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করার কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনটি।
আরও পড়ুন: দেশের অর্থনীতি তিন কাঠামোগত ফাঁদে আটকে, দারিদ্র্য ও বিনিয়োগে স্থবিরতা
অবরোধবাসিনীর প্লাটফর্মের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন বিধিনিষেধ চালু রয়েছে, যা এক হলের শিক্ষার্থীর অন্য হলে প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে এবং নারী স্বজনদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই কারণে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য অসম বাস্তবতা তৈরি হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, নিরাপত্তার যুক্তিতে রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কার্যকর হতে থাকা ‘সান্ধ্য আইন’ বাস্তবে নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি বাড়িয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন কিছু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের ক্ষেত্রে এ ধরনের বিধিনিষেধ নেই। ঢাবির ছাত্রী হলগুলোতেও এ বৈষম্যমূলক নীতির অবসান হওয়া উচিত।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অবরোধবাসিনীর তিনটি দাবির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে- ২৪ ঘণ্টা নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা, বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শনের ভিত্তিতে সব নারী শিক্ষার্থীকে প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো হলে প্রবেশাধিকার দেওয়া। এছাড়া, অনুমতি সাপেক্ষে রাত্রিযাপন করার সুযোগ এবং মা-বোনসহ নারী স্বজনদের হলে প্রবেশাধিকার দেওয়ার দাবি।
আরও পড়ুন: আলীকদমের ৩৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন