বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:০০ পি.এম
কক্সবাজারের রামু উপজেলার ঈদগড়ে বন্যহাতির আক্রমণে ৫৫ বছর বয়সী কৃষক আব্দু রশিদ প্রকাশ খুইল্যা মিয়া মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঈদগড় ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মইত্যাতলি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের শ্যালক জানান, তারা প্রতিদিনের মতো কৃষিকাজ করতে জমিতে গিয়েছিলেন। এই সময় বন থেকে একটি দল বন্যহাতি ধানখেতে প্রবেশ করে। হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে আব্দু রশিদ হাতির আক্রমণের শিকার হন। যদিও তিনি পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হন, কিন্তু তার ভগ্নিপতি আব্দু রশিদ পালাতে পারেননি। পরে স্থানীয়রা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।
ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন সিকদার জানান, ফসলি জমির ধান রক্ষা করতে গিয়ে বন্যহাতির আক্রমণে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আব্দু রশিদের।
নিহতের মরদেহ তার বাড়িতে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে ঈদগড় রেঞ্জের বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
নিহত আব্দু রশিদ চার ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন। তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিধান কান্তি হালদার। সভায় আলোচনা করা হয় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জননিরাপত্তা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে।
উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফ উদ্দিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, উপজেলা প্রকৌশলী হোসেন আলী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কুদ্দুসসহ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, সুধীজন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
সভায় গুরুত্বারোপ করা হয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ প্রতিরোধ, ডাকাতি ও ছিনতাই দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অন্যান্য অংশীজনকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দ্বিতীয় দিনের সকালের সেশনে চোট পাওয়ার পরও ব্যাটিং চালিয়ে গেছেন লিটন দাস। তবে টাইগাররা ফিল্ডিংয়ে নামার সময় গ্লাভস হাতে তাকে আর দেখা যায়নি। বদলি উইকেটকিপার হিসেবে স্কোয়াডে থাকা জাকের আলী অনিক মাঠে নেমেছেন। তবে প্রশ্ন উঠছে, লিটনের চোট কি গুরুতর?
লিটন দাস বর্তমানে উইকেটের পেছনে বিশ্বসেরাদের মধ্যে একজন। ব্যাটিং ধ্বসের পর ফিল্ডিংয়ের সময় দলের উজ্জীবিত করতে লিটনের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই টেস্টের বাকি অংশে তার খেলা নিয়ে এখন শঙ্কা দেখা দিয়েছে। চোটের কারণে উইকেটকিপিং করছেন না লিটন। তার বদলে জাকের আলী উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন।
জাতীয় দলের ফিজিও বায়জেদুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সময় পাওয়া আঘাতে লিটনের কনুই থেঁতলে গেছে। ফলে তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৭২ রানে অলআউট হয়েছে। আগের দিন ৩ উইকেটে ২১৩ রান তোলার পর আজ এক সেশনে ৫৯ রান তুলতেই তারা হারিয়েছে বাকি ৭ উইকেট। সেঞ্চুরি হাঁকানো সাদমান ইসলাম (১০৫) ফিরে যাওয়ার পরই বাংলাদেশের ইনিংসে ধ্বস নামে। লিটন এক প্রান্তে টিকে থাকলেও তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ।
সাদমানের বিদায়ের পর ক্রিজে এসেছিলেন আগের দিন ৪২ রানে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়ার পর তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু আজ আর কোনো রান যোগ করার আগেই তিনি বিদায় নিয়েছেন। লিটন শেষ পর্যন্ত ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
জোমেল ওয়ারিক্যান একাই ৫ উইকেট শিকার করেছেন। ২টি করে উইকেট শিকার করেছেন শামর জোসেফ ও বিশপ। বাকি উইকেটটি যায় জেডন সিলসের দখলে।
লাঞ্চের পর ব্যাটিংয়ে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই প্রতিবেদন লেখার সময় ১ উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান তুলেছে। তারা এখনও ২২৭ রানে পিছিয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের বিষয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। দেশটির বিচার বিভাগের (ডিওজে) প্রকাশিত নথিতে শ্রেণিবদ্ধ তথ্যের উল্লেখ এবং বিপুলসংখ্যক পৃষ্ঠার মধ্যে অসংগতি লক্ষ্য করেছে সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত সিবিএস নিউজের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এপস্টেইন ফাইলসের অন্তত তিনটি নথিতে শ্রেণিবদ্ধ তথ্যের উল্লেখ রয়েছে। একটি নথি থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চে তৎকালীন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চের দপ্তরে এপস্টেইন-সংক্রান্ত শ্রেণিবদ্ধ উপকরণ পাঠানো হয়েছিল।
তবে ব্ল্যাঞ্চ পূর্বে দাবি করেছিলেন, জাতীয় নিরাপত্তার কারণে এপস্টেইন-সংক্রান্ত কোনো নথি আটকে রাখা বা সম্পাদনা করে প্রকাশ করা হয়নি। নতুন অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, ঠিক কী তথ্য শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছিল কিংবা সেগুলো প্রকাশিত নথির বাইরে রাখা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের দাবি, এপস্টেইন-সংক্রান্ত প্রায় ৬০ লাখ পৃষ্ঠার নথি সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেগুলো পর্যালোচনার পর তিন লাখ নয়, ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠা প্রকাশ করা হয়েছে। একই তথ্যের পুনরাবৃত্তি, আইনজীবী-মক্কেলের গোপনীয়তা এবং মামলার সঙ্গে প্রাসঙ্গিকতার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বাকি নথি বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভাগটি।
তবে সিবিএস নিউজের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আর্থিক নথি ও ইমেইলের ধারাবাহিকতায় বড় ধরনের গড়মিল রয়েছে। এপস্টেইনের ব্যাংক হিসাবের প্রায় ৪ হাজার ৫০০টি চেকের ছবির মধ্যে ৬৬টি ছবির অনুপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। কিছু নথির পুরোনো নম্বরের সঙ্গে প্রকাশিত পাতার নম্বরের অসংগতিও শনাক্ত হয়েছে।
সাবেক মার্কিন ফেডারেল প্রসিকিউটর বারবারা ম্যাককুয়েড সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন, আর্থিক নথি বাদ দেওয়া অনুমোদিত কোনো শ্রেণির মধ্যে পড়ে না। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইমেইলের নম্বরের ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করে বিপুলসংখ্যক পৃষ্ঠার সম্ভাব্য ঘাটতি শনাক্ত করা গেছে। তবে এগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করা হয়েছে, নাকি একই ইমেইলের পুনরাবৃত্তি বাদ দেওয়া কিংবা পর্যালোচনার সময় ভুলের কারণে অনুপস্থিত—তা নিশ্চিত নয়।
এদিকে, আরও নথি প্রকাশ এবং তথ্য গোপন বা বাদ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যার দাবিতে স্বাধীন সাংবাদিক কেটি ফ্যাং বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তার পক্ষে আদালতের কয়েকটি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছে বিভাগটি।
বিচার বিভাগ এর আগে এপস্টেইন ফাইল প্রকাশের প্রক্রিয়ায় কিছু ভুলের কথা স্বীকার করেছে। তবে সিবিএস নিউজের অনুসন্ধানে উঠে আসা নতুন তথ্যের বিষয়ে তাদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
নথির অসংগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, ঠিক কী তথ্য বাদ পড়েছে বা সেগুলো কেন গোপন রাখা হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের স্বচ্ছতা নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন, “আপনারা জনগণের সেবক হন। ব্রিটিশ আমলের পুলিশ আইন পরিবর্তন করে সময়োপযোগী আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। আপনারা অপরাধীর মনে ভয় আর নিরপরাধীর মনে প্রশান্তি জাগাবেন। বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।”
বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে ২৭তম সার্জেন্ট ও ৪৩তম সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ব্যাচের শিক্ষানবিশ পুলিশ সদস্যদের ছয় মাসব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবীন কর্মকর্তাদের ডিজিটাল ও সাইবার অপরাধ দমনে সর্বোচ্চ কারিগরি জ্ঞান অর্জনের জন্য তাগিদ দেন। তিনি পুলিশের নবীন কর্মকর্তাদের সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংবিধান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, চেইন অব কমান্ড, শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও সমন্বিত নেতৃত্বই একটি বাহিনীর শক্তির মূল ভিত্তি। বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে একটি জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থার স্বাদ দেশবাসীকে উপহার দিতে হবে। বর্তমান সময়ে আমরা একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, যেখানে নবীন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখা হবে। বর্তমান সরকার একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী ‘পুলিশ সংস্কার কমিশন’ গঠনের মাধ্যমে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা ও জ্যেষ্ঠতাকে একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করে যাচ্ছে।
নবীন কর্মকর্তাদের ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সৈনিক হিসেবে অভিহিত করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আইনের প্রতি অবিচল আস্থা এবং দেশের নাগরিকদের প্রতি দায়িত্ব ও জবাবদিহিতাই হবে আপনাদের কর্মের মূল ভিত্তি। তিনি উল্লেখ করেন, মাদক শুধু একজনকেই শেষ করে না বরং পুরো সমাজ ও দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। তাই কোনো অবস্থাতেই মাদকে ছাড় দেওয়া যাবে না; কঠোর হাতে মাদক দমন করতে হবে।
২৭তম সার্জেন্ট ব্যাচের ৮৪ জন (সবাই পুরুষ) এবং ৪৩তম এসআই ব্যাচে ১৬২ জন (৫ জন নারী ও ১৫৭ জন পুরুষ) প্রশিক্ষণার্থী কুচকাওয়াজে অংশ নেন। এর আগে প্রধান অতিথি অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং প্যারেড পরিদর্শন শেষে প্রশিক্ষণের বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী আটজন কর্মকর্তার হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ মাইনুল হাসানের (বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির, রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে তৎকালীন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পট পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে ১২০ জন সার্জেন্ট এবং ২০৭ জন সাব-ইন্সপেক্টরসহ মোট ৩২৭ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও পুনর্বাসন যাচাই কমিটির পর্যালোচনার পর অবশেষে ৮৪ জন সার্জেন্ট এবং ১৬২ জন সাব-ইন্সপেক্টরসহ (৫ জন নারী ও ১৫৭ জন পুরুষ) সর্বমোট ২৪৬ জন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। প্রশিক্ষণ শেষে তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মস্থলে যোগদানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ