ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ: মাহদী আমিন


দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ: মাহদী আমিন

ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষাখাতের গুণগত মানোন্নয়ন এবং আধুনিক ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য সরকারের অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

তিনি আজ রাজধানীর বারিধারাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ বিষয়টি তুলে ধরেন।

বৈঠকটি শিক্ষাখাতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় পরিচালিত ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’ (হিট) প্রকল্পের প্রভাব ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করার জন্য অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: ডিএনসিসি প্রশাসক: ফুটপাতে ব্যবসার পক্ষে কেউ নেই, সড়ক দখল উচ্ছেদে জনগণের সহযোগিতা জরুরি

বৈঠকে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ পেলে মাহদী আমিন জানান, সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে যদি বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে কোনো প্রতিষ্ঠান বা বিনিয়োগকারী আগ্রহী হয়।

সরকার উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ তৈরিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সভায় দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এছাড়া শিক্ষার সার্বিক মান ধরে রাখা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক’ বাস্তবায়নের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

আরও পড়ুন: সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু স্থানীয় নির্বাচন উপহার দেবে: মীর শাহে আলম

মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষাখাত বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের সুযোগ সম্প্রসারণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

তিনি সরকারের উন্নয়নমূলক পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে জানান, শিক্ষাখাতে গৃহীত উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু, সবার জন্য কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, বাধ্যতামূলক কারিগরি ল্যাব চালু, পরীক্ষাগার সুবিধার আধুনিকায়ন, মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করা।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ইকোসিস্টেম অফিস স্থাপন, স্টার্টআপ ফান্ড গঠন, উদ্ভাবন কার্যক্রম জোরদার, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং অফিস চালু এবং জব ফেয়ার আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও নিয়োগদাতাদের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য 'শিক্ষার্থী ঋণ কর্মসূচি' চালুর উদ্যোগের কথাও তিনি বৈঠকে পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলাম: আইজিপির দায়িত্ব থেকে দ্রুত সরে যাওয়া উচিত

বৈঠকে হিট প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকদের অভিজ্ঞতা, প্রকল্পটির প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক, ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী স্কট ম্যাকডোনাল্ড, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, হিট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট টি এম আসাদুজ্জামান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সভা শেষে মাহদী আমিনের সঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী স্কট ম্যাকডোনাল্ডের একটি পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে শিক্ষাখাতে বাংলাদেশ সরকার ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের বিদ্যমান অংশীদারিত্ব আরো জোরদার, সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষাখাতে সরকারের নেওয়া নানা সংস্কারমূলক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রধান অতিথি এম আকবর আলী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিটি উপজেলা-ইউনিয়নে স্টেডিয়াম ও খেলার মাঠ তৈরি করবে সরকার: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


প্রতিটি উপজেলা-ইউনিয়নে স্টেডিয়াম ও খেলার মাঠ তৈরি করবে সরকার: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক উল্লেখ করেছেন, "আমরা ডিভাইসের হাত থেকে আমাদের সন্তানদের দূরে রাখতে চাই। আমরা একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে চাই। মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে খেলাধুলা।"

তিনি আরও জানান, "খেলাধুলার জন্য মাঠের প্রয়োজন, ইতোমধ্যে সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে স্টেডিয়াম এবং প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।" পরিকল্পনার বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসক ও ইউএনওদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আজ দুপুরে ভোলা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "আমাদের খেলোয়াড়দের পেশাগত যে স্বীকৃতি, সেই স্বীকৃতি বাবদ আমরা ক্রীড়া ভাতা, ক্রীড়া কার্ড প্রদান করছি।" তিনি উল্লেখ করেন, "পড়াশোনা করে শুধু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার হবে না, পড়াশোনা করে যাতে খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি।" ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টসের মাধ্যমে তৃণমূলের খেলোয়াড়দের প্রতিভা অন্বেষণ করে বিকেএসপিতে ভর্তি করানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, "যারা ট্যালেন্ট তাদের মধ্যে কেউ যদি ফুটবলের হয়, কেউ যদি ক্রিকেটের হয়, কেউ যদি ভলিবলের হয়, কেউ যদি সাঁতারের হয় তাদেরকে জাতীয় খেলোয়াড় বানিয়ে তাদেরকে মাঠে নামাব, এটি হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য।"

তিনি জানান, "চতুর্থ শ্রেণি থেকেই আমাদের আগামী যে শিক্ষাক্রম সেখানে ‘খেলাধুলা’ নামক একটি বই সংযোজন হচ্ছে।" পাঠ্যপুস্তকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, "গত ১৭ বছর স্বৈরাচারী সরকার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে। তাদের নিজেদের পকেট ভারী করেছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের কোনো উন্নয়ন করেনি।"

আমাদের বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী মাত্র সাত মাসের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড দিয়েছেন। শিক্ষার ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

আমিনুল হক বলেন, "ভোলা এবং বরিশাল জেলার প্রতিটি উপজেলায় ল্যাব তৈরি করা হবে।" তিনি বিশ্বাস করেন, "কম্পিউটার ল্যাব তৈরির মাধ্যমে আজকের কার্যক্রমে আরও অনেক বেশি অংশগ্রহণ বাড়বে।"

ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মো. জোবায়েদ হোসেন, ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।

অনুষ্ঠান শেষে ১৮ জন সফল ফ্রিল্যান্সারকে স্বীকৃত স্বরূপ ল্যাপটপ ও স্মার্ট ফোন প্রদান করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ভোলার ইলিশায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন বায়োগ্যাস পল্লী ও শহরের পুরাতন যুগীরঘোল এলাকায় জেলা ক্রীড়া দলের অফিস উদ্বোধন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উদ্বোধন করলেন নতুন সাইবার পুলিশ ইউনিট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


উদ্বোধন করলেন নতুন সাইবার পুলিশ ইউনিট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত পরিবর্তনশীল যুগের প্রেক্ষাপটে পুলিশি ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার এবং তদন্ত সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশের একটি স্বতন্ত্র সাইবার ইউনিট উদ্বোধন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশকে দেশ ও বিদেশে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আজকের দিন থেকে পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটের কার্যক্রম শুরু হলো, যা অনলাইন ভিত্তিক অপরাধ দমনে কাজ করবে।

বাংলাদেশ পুলিশের স্বতন্ত্র ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’-এর উদ্বোধন উপলক্ষে আজ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধের পরিবর্তনশীল প্রকৃতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির কারণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে প্রচলিত পুলিশি পদ্ধতির বাইরে গিয়ে প্রযুক্তি-চালিত ও জ্ঞান-ভিত্তিক পন্থা অবলম্বন করতে হবে।

“কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে অপরাধের ধরণ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। আমাদের পুলিশি ব্যবস্থাকেও সেই অনুযায়ী বিকশিত হতে হবে। সাইবার পুলিশ ইউনিট বাংলাদেশ পুলিশকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তি-চালিত ও জ্ঞান-ভিত্তিক বাহিনীতে রূপান্তরিত করার পথে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।”

নতুন এই ইউনিটটির পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি)-এর হাতে। প্রাথমিকভাবে, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনকে এই ইউনিটের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। তিনি জানান, বিভাগীয় পর্যায়ে উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এবং অতিরিক্ত ডিআইজিরা সাইবার পুলিশি কার্যক্রম তদারকি করবেন, আর জেলা পর্যায়ে পুলিশ সুপার (এসপি) বা মনোনীত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

সাইবার-সম্পর্কিত সেবা প্রদান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য থানাগুলোতে বিশেষায়িত উপ-পরিদর্শক, সহকারী উপ-পরিদর্শক এবং কনস্টেবলও মোতায়েন করা হবে। অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, এই ইউনিটে মোট ৪ হাজার ৫৯২ জন সদস্য থাকবে। প্রাথমিকভাবে, বিদ্যমান পুলিশ বাহিনীর অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত সদস্যদের মোতায়েন করা হবে এবং জনবল কাঠামো সম্পূর্ণ করার জন্য অতিরিক্ত নিয়োগ দেওয়া হবে।

সরকার সাইবার নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল তদন্তের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ পেশাদারদের চুক্তিভিত্তিক ও আউটসোর্সড নিয়োগের মাধ্যমে এই ইউনিটের মধ্যে একটি বিশেষায়িত কারিগরি কর্মী বাহিনীও গঠন করছে।

মন্ত্রী বলেন, সিস্টেম অ্যানালিস্ট, ফিনান্সিয়াল ডেটা অ্যানালিস্ট, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, ডার্ক-ওয়েব অ্যানালিস্ট, ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট, ম্যালওয়্যার অ্যানালিস্ট, সোশ্যাল-মিডিয়া অ্যানালিস্ট, জরুরি-প্রতিক্রিয়া পরামর্শক এবং দুর্যোগ-পুনরুদ্ধার বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞকে পৃথক ও প্রতিযোগিতামূলক পারিশ্রমিক ব্যবস্থার অধীনে নিয়োগ করা হবে।

নিয়মিত পুলিশ বাহিনীর তথ্যপ্রযুক্তি-প্রশিক্ষিত সদস্যরাও এই ইউনিটে মোতায়েনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা দেশে ও বিদেশে উন্নত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। সাইবার পুলিশ ইউনিটের অধীনে একটি আধুনিক ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরিও স্থাপন করা হচ্ছে, যা উন্নত প্রযুক্তি এবং বিশেষায়িত সাইবার-তদন্ত সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত থাকবে।

এই ব্যবস্থা আর্থিক অপরাধ, অর্থ পাচার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম-ভিত্তিক অপরাধ, অপতথ্য, মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম-সম্পর্কিত চরমপন্থী কার্যকলাপের তদন্তে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন এই কাঠামোটি সাইবার-তদন্ত কার্যক্রমকে একত্রিত করবে, যা পূর্বে বিভিন্ন পুলিশ ইউনিট দ্বারা পৃথকভাবে পরিচালিত হতো। তিনি বলেন, “সাইবার তদন্ত পূর্বে বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে খণ্ডিতভাবে পরিচালিত হতো। নতুন সাইবার পুলিশ ইউনিট এই কার্যক্রমগুলোকে একটি একক, সমন্বিত কাঠামোর অধীনে নিয়ে আসবে, যা আমাদের তদন্তের কার্যকারিতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় উন্নত করতে সাহায্য করবে।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই বিশেষায়িত ইউনিটটি সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও তদন্ত এবং সাইবার স্পেসের অপব্যবহার মোকাবেলায় দেশের সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে। মন্ত্রী বলেন, সিআরপিসির মাধ্যমে এভিডেন্সের মাধ্যমে আমরা যেই বিচারকার্য পরিচালনা করতাম তার মধ্যে এখন অনেক বেশি পরিবর্তন এসেছে। সাক্ষ্য কম আইনে পরিবর্তন আসছে। আমাদের ফরেন্সিক ল্যাবরেটরি প্রয়োজন হয়ে যাচ্ছে প্রায় সকল ক্ষেত্রে। আগে কেমিক্যাল ল্যাবের প্রচলন বেশি ছিল। এখন কেমিক্যাল ল্যাবের পাশাপাশি ফরেন্সিক ল্যাব আমাদের প্রয়োজন হচ্ছে প্রায় সর্বক্ষেত্রে।

মন্ত্রী বলেন, মাদক, জুয়া, অন্যান্য অপরাধ, সন্ত্রাস, মানি লন্ডারিং, ফিনান্সিয়াল বিভিন্ন ক্রাইম ও সোশাল সিকিউরিটির ক্ষেত্রেসহ সাইবার রিলেটেড বিভিন্ন অফেন্সের ক্ষেত্রে আমাদের এই ফরেন্সিক ল্যাবের প্রয়োজন হচ্ছে এবং ডিজিটাল ল্যাবের প্রয়োজন হচ্ছে। আশা করি ইনশাআল্লাহ সকলের সহযোগিতায় আমরা সফলকাম হব এবং সাইবার রিলেটেড সমস্ত অপরাধ সাইবার স্পেস ব্যবহার করে সমস্ত অপরাধকে দমন করতে পারবো।

ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোরশেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কার্ড বিতরণে অনিয়ম হলে ফৌজদারি মামলা: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া,নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


কার্ড বিতরণে অনিয়ম হলে ফৌজদারি মামলা: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম, বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির পাশাপাশি প্রয়োজনে ফৌজদারি মামলা করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দুর্গাপুরের সুসং সরকারি কলেজ মাঠে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে বিকেলে উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের উপকারভোগীদের মধ্যে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা দেশে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না জানিয়ে কায়সার কামাল বলেন, দল, মত, পথ, জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে স্বচ্ছভাবে কার্ড বিতরণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে।

আগের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কিছু ভুল ও অনিয়ম ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেসব ত্রুটি সংশোধন করে নতুনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের ভুল না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি নিয়েও কথা বলেন ডেপুটি স্পিকার। জনগণের জন্য বরাদ্দ হওয়া বিভিন্ন অনুদান ও সরকারি কার্যক্রম সম্পর্কে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের অবহিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

কার্ড বিতরণে অনিয়মের বিষয়ে সতর্ক করে কায়সার কামাল বলেন, কেউ নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটালে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও করা হবে।

কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে। অতীতকে ক্ষমা করা হলেও সেখান থেকে শিক্ষা না নিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১,১৭০ কৃষকের তথ্য সংগ্রহ

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই থেকে কৃষক কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপজেলা কৃষি অফিসের আটজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ করেন।

প্রাথমিকভাবে বিরিশিরি ইউনিয়নের তিনটি ব্লকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে কাপাসাটিয়া ব্লকে ১ হাজার ১৭০ জন কৃষকের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৮৫ জন নারী ও ১ হাজার ৮৫ জন পুরুষ কৃষক।

কৃষকদের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, ভূমিহীন বা বর্গাচাষি ২৩ জন, প্রান্তিক কৃষক ৩৫৩ জন, ক্ষুদ্র কৃষক ৬৭০ জন, মাঝারি কৃষক ১১৩ জন এবং বড় কৃষক ১১ জন রয়েছেন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ইউনিয়নেও কৃষক কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে শুরু হলো মাসব্যাপী স্তন ক্যান্সার সচেতনতা কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


চট্টগ্রামে শুরু হলো মাসব্যাপী স্তন ক্যান্সার সচেতনতা কর্মসূচি

চট্টগ্রাম, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : মাসব্যাপী স্তন ক্যান্সার সচেতনতা কর্মসূচি শুরু হয়েছে চট্টগ্রামে। এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান সিএসসিআর এবং পোস্টগ্র্যাজুয়েট সার্জিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট পিজিএস একাডেমিয়ার যৌথ উদ্যোগে।

আজ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে স্তন ক্যান্সার সচেতনতামূলক একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, "স্তন ক্যান্সার একটি প্রাণঘাতী রোগ হলেও সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং সময়মতো চিকিৎসার মাধ্যমে এর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।"

তিনি আরও বলেন, "এ রোগের বিষয়ে নারীদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদেরও সচেতন হতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। স্তন ক্যানসারের ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ে দেরি হলে চিকিৎসা জটিল হয়ে যেতে পারে এবং মৃত্যুঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা বা উপসর্গ দেখা দিলে সংকোচ না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো জরুরি।"

মেয়র পিংক অক্টোবর উপলক্ষে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দৃশ্যমান স্থানে একটি গোলাপি আলো জ্বালানোর অনুরোধ জানান।" তিনি উল্লেখ করেন, "এই ছোট্ট আলো মা, বোন, স্ত্রী ও কন্যাসহ প্রতিটি নারীর সুস্বাস্থ্য এবং স্তন ক্যানসার সচেতনতার প্রতি আমাদের সংহতির প্রতীক হয়ে দাঁড়াবে।"

শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক ইউসুফ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, দৈনিক পূর্বকোণের সম্পাদক ডা. ম. রমিজ উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক আনিসুল হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বী, জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাজেদুর রহমান, সিএসসিআরের চেয়ারম্যান ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মোরশেদুল করিম চৌধুরী এবং অধ্যাপক ডা. গোফরানুল হক ও অধ্যাপক ডা. সাজ্জাদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টরা।

শোভাযাত্রার শেষ প্রান্তে বিআরটিএ’র একটি দ্বিতল গোলাপি বাস অংশগ্রহণকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এই বাসের মাধ্যমে অক্টোবর মাসের প্রতি শনিবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ ব্রেস্ট ক্যানসার স্ক্রিনিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সার্জারি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নেতৃত্বে পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন এলাকার নারীদের স্তন ক্যানসার বিষয়ে সচেতন করা এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণে সহায়তা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%