বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৫১ পি.এম
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, পলাতক শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফিরে আসার কোনো রাজনৈতিক বাস্তবতা নেই এবং দেশের মানুষ তাকে আর কখনো গ্রহণ করবে না।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজ রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
‘আত্মোপলব্ধি ও আত্মপর্যালোচনায় অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের দীপ্ত শপথ’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আলতাফ হোসাইন। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংগঠকেরা উপস্থিত ছিলেন।
ড. রিপন বলেন, গণভবন দখলের মতো ঘটনা জনগণের চূড়ান্ত অনাস্থার বহিঃপ্রকাশ। তবে এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র ও রাজনীতির পরিবর্তন কখনো রাতারাতি আসে না; তা ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশও সেই পথেই এগোচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে লুটপাট ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে আপিল বিভাগকে ব্যবহার করে নির্দেশনা আনা হয়েছিল, যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে অন্তরায়। তাই ফ্যাসিবাদের হাতে আর কখনো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা বা কোনো ধরনের অস্ত্র তুলে দেওয়া যাবে না। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভায় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, জুলাই জাতির আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এবং অন্যায় ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিজয়ের নাম।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিবর্তন ছাড়া ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো সম্ভব নয় উল্লেখ করে বলেন, মানুষ এখনও জুলাইকে ভুলে যায়নি; প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যাহত রাখার মধ্য দিয়েই জুলাইয়ের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হবে।
সভাপতির বক্তৃতায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু একটি সরকার পতনের ঘটনা নয়; এটি রাষ্ট্র পুনর্গঠন, ন্যায়বিচার ও জনগণের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক অঙ্গীকার। তিনি বলেন, দুই বছর পরও জুলাইয়ের পরাজিত শক্তি পরিকল্পিতভাবে এ আন্দোলনকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। তবে জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করেই ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম এগিয়ে নেওয়া হবে।
শহীদ জননী রোকেয়া বেগম এমপি বলেন, সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকা না থাকলে জুলাই আন্দোলন সফল হতো না। তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের উদ্দেশ্য ছিল ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এমপি বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন জনগণের সর্বস্তরের অংশগ্রহণে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো থেকে মুক্তির জন্য জনগণের দেওয়া সংস্কারের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কেরানীগঞ্জ গার্লস স্কুলে আয়োজিত একটি অ্যাডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক রয়েছেন বললেন, শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট সচেতনতামূলক উদ্যোগই একটি পরিচ্ছন্ন সমাজ গঠনে বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে। তাই নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাসাবাড়ি এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সবারই দায়িত্বশীল হতে হবে। পরিচ্ছন্নতা একটি অভ্যাস, আর এই অভ্যাস গড়ে তুলতে বিদ্যালয়ই সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা কেবল সরকারের দায়িত্ব নয়, বরং এটি প্রতিটি নাগরিকের সামাজিক দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপান্তরিত করা সম্ভব। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। সেই কারণে বিদ্যালয় থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণে যে কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তথা, সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি সফল করতে সবারই নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
সভা শেষে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থীদের উৎসেই বর্জ্য পৃথক করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এবং লাল, নীল ও কালো রঙের বিনে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য আলাদাভাবে সংরক্ষণের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ সময় পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য আলাদা করা এবং বিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখার বিভিন্ন কৌশলও শেখানো হয়।
কেরানীগঞ্জ উপজেলার সব সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের জেলা প্রশাসক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ক্লিন স্কুল টিমের কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি, বর্জ্য পৃথকীকরণ ব্যবস্থা চালুর নির্দেশনা দিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার ফুলছড়ির ব্রহ্মপুত্র নদে প্রকাশ্য দিবালোকে ঘটে যাওয়া নৌ ডাকাতির ঘটনা সম্বন্ধে জানানো হয়েছে। নৌ ডাকাতদল যাত্রীদের পিস্তল ও ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিতে সক্ষম হয় বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও নারী যাত্রীর ব্যাগ।
এ ঘটনার সময় ব্র্যাক এনজিওর দুই কর্মকর্তা থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা লুট করে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে ডাকাতির এই তথ্য প্রকাশ পায়।
দুপুরের দিকে উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের কাঁটাতারা থেকে ফজলুপুর ইউনিয়নের কাবিলপুর ঘাটের খেয়া নৌকায় এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতের কবলে পড়া ব্র্যাক এনজিওর দুই কর্মকর্তার নাম হল সহকারী শাখা ব্যবস্থাপক নিরঞ্জন চন্দ্র রায় এবং কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার (সিডিও) রাকিবুল হাসান। সেই নৌকায় ১০/১২ জন যাত্রী উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র থেকে জানা যায়, দুপুরবেলা ফজলুপুর ইউনিয়নের কাবিলপুর চরের খেয়া ঘাট থেকে সাইদুর রহমান নামের একজন নৌকা চালক নৌকা ছাড়েন। নৌকা ছাড়ার আধা ঘণ্টার মধ্যেই ডাকাতরা হামলা চালায়। ডাকাতরা যাত্রীদের পিস্তল ও ধারালো অস্ত্র ধরে ব্র্যাকের দুই এনজিওকর্মীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা, তিন নারী যাত্রীর ব্যাগ, এবং দুটি মোবাইল ফোন লুট করে।
নৌকার চালক সাইদুর বলেন, একটি ছোট নৌকায় ৮-১০ জনের ডাকাত দল এ হামলা চালিয়েছে। তারা তার কাছ থেকেও নৌকা ভাড়া কালেকশনের টাকা এবং এক মহিলার হাতে থাকা ১০ হাজার টাকা লুট করে নেয়। তিনি বলেন, ডাকাতদের মুখ ঢাকা ছিল তাই তাদের চেনা যায়নি।
নৌকার যাত্রী এবং কাবিলপুর বাজারের কীটনাশক ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী বলেন, দুজন ডাকাত তাদের নৌকায় বসে পিস্তল তাক করে ছিল এবং তারা নৌকাযাত্রী তার মামাতো বোন জান্নাতির ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। এইচএসসি পরীক্ষার্থী জান্নাতির ব্যাগে তার বোনের অ্যাডমিট কার্ড ছিল।
ব্র্যাকের ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর (ক্ষুদ্র ঋণ) মোশাররফ হোসেন বলেন, ফজলুপুর ইউনিয়নে বৃহস্পতিবারের মাসিক কালেকশনে ব্র্যাকের ৬ জন স্টাফ অংশগ্রহণ করেছিল। তাদের মধ্যে সহকারী শাখা ব্যবস্থাপক নিরঞ্জন চন্দ্র রায় এবং কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার (সিডিও) রাকিব হাসান ছিলেন যারা সকালের কালেকশনের ৭ লাখ ৭৯ হাজার ৩০০ টাকা নিয়ে ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য রওনা হয়েছিলেন। বাকি সদস্যরা কালেকশন শেষ করে পরে আসতেন। কিন্তু নৌকায় সংঘবদ্ধ ডাকাতরা তাদের পুরো টাকা লুট করে নেয়। তিনি জানান যে, ব্র্যাকের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে ফুলছড়ি থানায় তারা উপস্থিত হয়েছেন।
ফজলুপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম খাঁ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হুদা রাত ১০টার দিকে জানান, ভুক্তভোগীরা থানায় এসেছেন এবং প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে, ডাকাতরা তাদের কাছ থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা লুটে নিয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশন ঠাকুরগাঁও শাখার উদ্যোগে বিনামূল্যে আজ ৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মসূচিতে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে নিজেদের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করায়। এ সময় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবকরা প্রায় দু’শতাধিক শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের পাশাপাশি নিরাপদ রক্তদান, রক্তের প্রয়োজনীয়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে রক্তদাতার ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতামূলক পরামর্শ দেন।
ঠাকুরগাঁও শাখার আহ্বায়ক মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, অনেক শিক্ষার্থীই নিজেদের রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে জানে না। ফলে জরুরি মুহূর্তে রক্তের প্রয়োজন হলে নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশন ঠাকুরগাঁও শাখার সদস্য সচিব রাসেল রানা মেহেদী, জানান একজন সচেতন শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে একজন নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদাতা হতে পারেন। তাই শিক্ষাজীবন থেকেই রক্তদানের গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। মানবিক সমাজ গঠনে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
এ ধরনের আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়ে স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশন ঠাকুরগাঁও শাখার একনিষ্ঠ সদস্য (যুগ্ন আহ্বায়ক) প্রবাসী মোঃ হারুন অর রশিদ জানান এ ধরনের সকল মানবিক কাজগুলো ঠাকুরগাঁও শাখার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ুক এবং সকল অবহেলিত মানুষের পাশে থাকুক। হারুন অর রশিদ সবসময় স্বপ্নযাত্রীর সাথে ও পাশে থেকে কাজ করে যাবেন,
তিনি আরও বলেন বিদেশে পাড়ি দিয়েও এমন কাজ দেখে তিনি সেখান থেকে প্রশান্তি খোজে পান।
কর্মসূচিতে ফাউন্ডেশনের ঠাকুরগাঁও আহ্বায়ক, সদস্য, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উল্লেখ করে নিয়মিত এ ধরনের আয়োজনের দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়াইর নেতানিয়াহু জন্মদাতা পিতার দেওয়া নাম পরিবর্তন করেছেন। বর্তমানে তিনি ‘ইয়নাথান হুন’ নাম গ্রহণ করেছেন। তিনি তিন ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয়। অতীতে তিনি ‘হুন’ পদবি ব্যবহার করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নিজেকে ‘ইয়াইর হুন’ নামেও পরিচয় দিতেন।
বুধবার (৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইস্যু করা কর-সংক্রান্ত নথিতে তার নাম ছিল ‘ইয়াইর নেতানিয়াহু’। তবে চলতি বছরের নথিতে একই পরিচয়সংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে নতুন নাম ‘ইয়োনাথান হুন’ ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে ঠিকানা হিসেবে আগের মতোই ‘বালফোর ০’ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঠিকানা ‘কাল্পনিক’ বলেই বেশি পরিচিত।
হারেৎজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এমন সময় ইয়াইর নেতানিয়াহুর এই নাম পরিবর্তনের তথ্য সামনে এলো, যখন নেতানিয়াহু পরিবার দেশ-বিদেশে রাজনৈতিক ও আইনি নানা বিতর্কের মুখে রয়েছে।
গাজায় যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পারিবারিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক ও ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে অতীতে ইয়াইরও বিতর্কের মুখে পড়েছেন।
২০১৮ সালে ইসরাইলি টেলিভিশনে প্রচারিত একটি অডিও রেকর্ডিংয়ে ইয়াইরকে একটি স্ট্রিপ ক্লাবের বাইরে বলতে শোনা যায়, তার বাবা এক ধনকুবেরের স্বার্থে বহু বিলিয়ন ডলারের একটি গ্যাস চুক্তি এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছিলেন। ওই রেকর্ডিং প্রকাশের পর ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এরপর থেকে ইয়াইর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন এবং বিভিন্ন রক্ষণশীল ও উগ্র-ডানপন্থি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এদিকে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজেও ইসরাইলের একাধিক দুর্নীতির মামলার বিচারপ্রক্রিয়ার মুখোমুখি রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ