ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নতুন পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নির্ধারণ কার্যক্রম শুরু কাল


নতুন পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নির্ধারণ কার্যক্রম শুরু কাল

নতুন পে স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন নির্ধারণের (পে ফিক্সেশন) কার্যক্রম আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এই কার্যক্রম চলবে আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। নতুন বেতন নির্ধারণের পর প্রায় তিন মাসের বকেয়া বেতন একসঙ্গে প্রদান করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সূত্রে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণ আইবাস প্লাস প্লাসের পে ফিক্সেশন মডিউলে করা হবে। চাকরিজীবীরা এই পোর্টালে প্রবেশ করে নিজেদের চাকরির তথ্য প্রদান করবেন। প্রথমে তাদের পরিচয় দিতে হবে। এতে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, জন্মতারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পূর্বের বেতন নির্ধারণের তথ্যও মিলিয়ে দেখতে হবে।

নতুন কাঠামো অনুযায়ী কার মূল বেতন কত হবে, তা বেতন নির্ধারণের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া সরকারি চাকরিজীবীদের কাছে পে ফিক্সেশন নামে পরিচিত। নতুন ও পুরনো বেতনের পার্থক্য এবং কার্যকর তারিখ বিবেচনায় নিয়ে বকেয়া হিসাব করতে হবে।

আরও পড়ুন: স্থানীয় নির্বাচনে মুনাফেকি করলে ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী

অর্থ বিভাগের সূত্র জানাচ্ছে, বেতন নির্ধারণের কাজ শেষ হলে তিন মাসের এরিয়ার বা বকেয়া একসঙ্গে প্রদান করবে সরকার। তবে সবার বকেয়া সমান হবে না। গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, নতুন কাঠামোতে নির্ধারিত বেতন এবং বেতন কার্যকর হওয়ার তারিখের ওপর বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে।

যদি কারও পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড হয়ে থাকে, তাহলে সেসব তথ্যও প্রদান করতে হবে। এসব তথ্যের পক্ষে অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখা আবশ্যক। বিশেষ করে নাম, এনআইডি, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড ও বেতন সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে মিলিয়ে দেখা জরুরি। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য থাকলে বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় জটিলতা দেখা দিতে পারে। আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরের প্রয়োজন হবে। যদি কারও এনআইডি না থাকে, তাহলে চাকরির নথিতে থাকা জন্মতারিখ ও অন্যান্য তথ্য হালনাগাদ করে আবেদন করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘এভাবে চললে বিপদ বাড়বে’— ওপেনএআই থেকে পদত্যাগী নিরাপত্তা প্রধানের সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ এম


‘এভাবে চললে বিপদ বাড়বে’— ওপেনএআই থেকে পদত্যাগী নিরাপত্তা প্রধানের সতর্কবার্তা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির উন্নয়নে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে না- এমন অভিযোগ তুলে ওপেনএআই থেকে পদত্যাগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ডেভিড রবিনসন। তিনি একই সঙ্গে অভিযোগ করেছেন যে, এআই প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ সংস্কৃতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন।

চ্যাটজিপিটির নির্মাতা ওপেনএআইয়ের বিভিন্ন পণ্য উন্মোচনের সঙ্গে প্রকাশিত নিরাপত্তা প্রতিবেদন তৈরির নেতৃত্বে ছিলেন রবিনসন। পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে ‘আই কুইট ওপেনএআই বিকজ ইটস কালচার ইজ ব্রোকেন’ শিরোনামে দ্য আটলান্টিকে একটি নিবন্ধ লিখেছেন তিনি।

রবিনসন জানিয়েছেন, নতুন আইন বা নির্দিষ্ট কিছু নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়ন করলেই এআইয়ের ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সাংস্কৃতিক পরিবর্তন জরুরি। দ্রুতগতিতে একের পর এক এআই মডেল ও পণ্য বাজারে আনতে গিয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতার মাত্রা বজায় রাখা হচ্ছে না।

তিনি ওপেনএআইয়ের এআই এজেন্টদের একটি ঘটনার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মানুষের সরাসরি তত্ত্বাবধান ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করা ওপেনএআইয়ের কয়েকটি এজেন্টের একটি ‘ঝাঁক’ এআই স্টার্টআপ হাগিং ফেসকে আক্রমণ করেছিল। দ্রুতগতিতে কাজ করার বর্তমান সংস্কৃতির কারণে এ ধরনের ঘটনা এআই শিল্পে অস্বাভাবিক নয়।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে ওপেনএআইকে কিছু ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নিতে দেখা গেছে। হাগিং ফেসের ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানটি শতাধিক সংস্থাকে এআই এজেন্টের অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম সম্পর্কে সতর্ক করেছে। নিরাপত্তা নিয়ে অভ্যন্তরীণ গবেষকদের উদ্বেগের পর চলতি সপ্তাহে পরবর্তী প্রজন্মের একটি এআই মডেল প্রকাশের পরিকল্পনাও বাতিল করেছে প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি সবচেয়ে উন্নত মডেলগুলোর প্রশিক্ষণ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কথাও জানিয়েছে।

এদিকে ওপেনএআইয়ের সাবেক কর্মী ও ডিপমাইন্ডের সাবেক কর্মকর্তা জিওফ্রি আরভিংও এআইয়ের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন। টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক লেখায় তিনি দাবি করেছেন, মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান এআই ব্যবস্থা তৈরির কারণে মানবজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকি রয়েছে। আগামী দুই থেকে ১০ বছরের মধ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর আগে ওপেনএআইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের গবেষক জ্যাকব কক্সন পদত্যাগ করে সতর্ক করেছিলেন, এআই চলতি দশকের শেষ নাগাদ মানবজাতির জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠতে পারে। পরে অ্যানথ্রপিকও আগামী এক দশকের মধ্যে এআইয়ের কারণে মানবজাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ১০ শতাংশের বেশি বলে জানিয়েছিল। তবে সমালোচকেরা এসব পূর্বাভাসের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

রবিনসন জানিয়েছেন, বিপজ্জনক প্রযুক্তি কীভাবে পরিচালনা করতে হয় এবং মানুষের নিরাপত্তাকে কীভাবে অগ্রাধিকার দিতে হয়- এ বিষয়ে সিলিকন ভ্যালিতে যথেষ্ট সচেতনতা নেই। তার মতে, সমস্যা তৈরি হলে পরে সমাধান করা যাবে- এমন অতিরিক্ত আশাবাদ এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কাজ করছে। এ সংস্কৃতি বজায় থাকলে এআই ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যর্থতার ঝুঁকিও বাড়বে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে স্বয়ংক্রিয় এআই এজেন্টগুলো ঘুমহীন হ্যাকার দলের মতো কাজ করতে পারে, যারা হাসপাতালের কম্পিউটার ব্যবস্থা জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি করার মতো কর্মকাণ্ড চালাতে সক্ষম হবে।

ঝুঁকি মোকাবিলায় রবিনসন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিমান চলাচল খাতের মতো অন্যান্য উচ্চঝুঁকির শিল্পের নিরাপত্তা কাঠামো থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত শক্তিশালী এআই ব্যবস্থাকে প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য নতুন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি উদ্ভাবনেরও দাবি করেছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান ঝুঁকির কথা বিবেচনায় এআইয়ের অগ্রণী প্রতিষ্ঠানগুলোকে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বা ব্যস্ত বিমানবন্দরের মতো একাধিক স্তরের নিরাপত্তা, বিকল্প ব্যবস্থা এবং ধীরস্থির পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া উচিত।

ওপেনএআইয়ের এক মুখপাত্র জানান, বর্তমান ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানটি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এআইয়ের সক্ষমতা বাড়ার ফলে তৈরি হতে পারে- এমন ঝুঁকি মোকাবিলাতেও কাজ চলছে।

মুখপাত্র আরও বলেন, মডেলগুলো যাতে নিরাপদভাবে নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা দেওয়ার সক্ষমতার চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়ে না ওঠে, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে প্রশিক্ষণ বন্ধ রাখা বা কোনো মডেল প্রকাশ স্থগিত করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়াউলের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ এম


জিয়াউলের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি আজ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে আজ দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দেবেন মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে আজ তার অসম্পন্ন জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার ১৫তম সাক্ষী হিসেবে রফিকুল ইসলামের জবানবন্দি শুরু হয়। সেদিন আংশিক সাক্ষ্য দেওয়ার পর তা শেষ না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল আজকের দিন ধার্য করেন। তদন্ত কর্মকর্তা তার জবানবন্দিতে তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে পরিদর্শন করা স্থান, সাক্ষীদের জবানবন্দি, সংগ্রহ করা তথ্য-উপাত্ত ও আলামত এবং সেগুলোর সঙ্গে মামলার অভিযোগের সম্পর্ক তুলে ধরছেন।

প্রসিকিউশন জানিয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি শেষ হলেই রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হবে। এরপর আসামিপক্ষ চাইলে সাফাই সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে পারবে। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য ট্রাইব্যুনালের বিবেচনায় যাবে।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম দাবি করেছেন, ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম পূর্বে জানিয়েছিলেন, সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্কের কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে চললে অক্টোবরের মধ্যেই মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হতে পারে। তবে রায় ঘোষণার সময় নির্ধারণের এখতিয়ার ট্রাইব্যুনালের।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর মামলার ১৩তম সাক্ষী র‍্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমানের জেরা শেষ হয়। তিনি বরিশালে র‍্যাব-৮-এর তৎকালীন ডেপুটি কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সাক্ষ্যে তিনি ওই অঞ্চলে কথিত ‘গোলফ অপারেশন’-এর নামে সংঘটিত একাধিক অভিযান ও হত্যাকাণ্ড দেখার দাবি করেন। একই দিনে আরেক সাক্ষী কামরুল ইসলাম তদন্তকালে বিভিন্ন স্থান থেকে জব্দ করা আলামতের তথ্য ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন।

মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম অভিযোগে ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সজলসহ তিনজনকে হত্যার কথা বলা হয়েছে। প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে জিয়াউল আহসানের সরাসরি উপস্থিতি ছিল।

দ্বিতীয় অভিযোগে ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালসংলগ্ন বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

তৃতীয় অভিযোগে একই সময়কালে বরগুনার বলেশ্বর নদী এবং বাগেরহাটের শরণখোলাসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় তথাকথিত বনদস্যু দমনের অভিযানের আড়ালে মাসুদসহ আরও ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ করেছে প্রসিকিউশন। সব মিলিয়ে মামলায় ১০৪ জনকে গুম ও হত্যার অভিযোগে জিয়াউল আহসানের বিচার চলছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসামিপক্ষ বলেছে, রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণের মতো সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। সর্বশেষ সাক্ষ্যগ্রহণের পরও আসামিপক্ষ দাবি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম কোনো সাক্ষী রাষ্ট্রপক্ষ হাজির করতে পারেনি।

এ মামলায় গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আমলে নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরে ২৩ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। বর্তমানে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের শেষ ধাপে রয়েছে মামলাটি। তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি ও পরবর্তী আইনি ধাপ শেষ হলে রায়ের দিকে এগোবে বিচারিক কার্যক্রম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর হামলায় ৭০০ হুথি যোদ্ধা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ এম


ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর হামলায় ৭০০ হুথি যোদ্ধা নিহত

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী দাবি করেছে, গত কয়েক দিনে হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে তারা শত শত হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় অন্তত ৭০০ হুথি যোদ্ধার নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই দাবি করা হয়েছে সরকারপন্থি বাহিনীর পক্ষ থেকে।

সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি শনিবার জানান, হুথিদের অবস্থান, সামরিক তৎপরতা ও সক্ষমতার উপর লক্ষ্য রেখে ২৫৭টি সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

আল-নাজিলি বলেন, এসব অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট লঞ্চার ব্যবহার করা হয়েছে। তার মতে, হামলায় অন্তত ৭০০ হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছে এবং ১৭০টি সামরিক যান ও ভারী সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে।

তবে সরকারি বাহিনীর কতজন সদস্য হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য তিনি প্রদান করেননি। অন্যদিকে, হুথিরাও এই হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করেনি।

আল-নাজিলি আরও জানান, সানা, মিদি ও বাকিমসহ আল-জাওফ, মারিব, আল-বায়দা ও লাহিজের বিভিন্ন ফ্রন্টে এসব অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তবে সবচেয়ে তীব্র লড়াই চলছে তাইজ এলাকায়।

এক দিন আগে সরকারি বাহিনী দাবি করেছিল, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ৫০০টি সামরিক অভিযানে ১ হাজার ৫৪০ হুথি যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছে।

তাইজে তীব্র লড়াই

সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর তাইজ গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শহরের আশপাশে সরকারি বাহিনী ও হুথি যোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক গোলাবর্ষণ চলছে। বিভিন্ন ফ্রন্টেও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব সংঘাতে বেসামরিক মানুষও নিহত হয়েছেন। ধুবাব এলাকায় একটি আবাসিক এলাকায় গোলার আঘাতে ছড়িয়ে পড়া ধাতব টুকরার আঘাতে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সরকারি বাহিনী আরও জানিয়েছে, তীব্র লড়াইয়ের পর তাইজের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সামা দুর্গের নিয়ন্ত্রণ তারা নিয়েছে। নিরাপত্তার কারণে তাইজের আল-হুবান ক্রসিংও বন্ধ করে দিয়েছে ইয়েমেনি কর্তৃপক্ষ। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি হুথিদের নিয়ন্ত্রিত আল-হুবান এলাকার সঙ্গে সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন তাইজ শহরকে সংযুক্ত করে।

সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, তাইজে হুথি যোদ্ধাদের ঢোকার একটি চেষ্টা, ওই এলাকায় হামলা এবং সামরিক তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার পর নিরাপত্তার কারণে ক্রসিংটি বন্ধ করা হয়েছে। মানবিক কারণে ২০২৪ সালে বেসামরিক মানুষের জন্য খুলে দেওয়ার আগে ক্রসিংটি টানা নয় বছর বন্ধ ছিল।

তথ্যসূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের পরমাণু অস্ত্র পরিকল্পনা ছাড়ার দাবি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ এম


ইরানের পরমাণু অস্ত্র পরিকল্পনা ছাড়ার দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা প্রায় ছেড়ে দিয়েছে। তবে তেহরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং তাদের শান্তিপূর্ণ বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচির ব্যাপারে কোনো আপস করার ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছে।

বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানায়, শনিবার (৩ অক্টোবর) স্থানীয় সময় ওহাইও অঙ্গরাজ্যে একটি সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। এই সময় তিনি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান, আপনারা জানেন, পরমাণু অস্ত্র তৈরির সব পরিকল্পনাই প্রায় ছেড়ে দিয়েছে।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সমালোচনা করে বলেন, ইরান যাতে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে আগের প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইরান দীর্ঘদিন ধরে অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, পরমাণু কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং বেসামরিক ব্যবহারের জন্য পরিচালিত হচ্ছে।

গত মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে নিউইয়র্ক সফরের সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে চায় না।

পেজেশকিয়ান আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের অধীনে ইরানের মজুত করা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের পরিমাণ কমিয়ে আনার প্রস্তাব দেন। তবে তেহরান তাদের শান্তিপূর্ণ বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কোনো আপস করা হবে না বলে জানিয়েছে।

ইরান আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তাদের পরমাণু কর্মসূচির কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন হবে না।

এদিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প তেলের দাম কমার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা শুরুর পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

তবে ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে—এ বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%