মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর কিশোরগঞ্জ
০১:১৭ এম
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের লনাবাইদ গ্রামের বাসিন্দা, উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং ষোলো রশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মরহুম মো. জিল্লুর রহমান মাস্টার-এঁর স্মরণে একটি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সন্ধ্যায় ছয়সূতী ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে কুলিয়ারচর উপজেলা ও পৌরসভা প্রবাসী জিয়া পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান।
এ সময় ছয়সূতী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সালাউদ্দিন মোর্শেদ নিজামী বাবুল-এর সভাপতিত্বে বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহ্ আলম, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মো. এনায়েত উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম আলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. আরশ মিয়া, যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক জসীম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আজহার উদ্দিন লিটন, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বিপ্লব, ছয়সূতী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আলী হায়দার ভূঁইয়া এবং উপজেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. সোহেল প্রমুখ।
বক্তারা আলোচনাকালে বলেন, মরহুম মো. জিল্লুর রহমান মাস্টার শুধু একজন শিক্ষকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সৎ, আদর্শবান এবং জনকল্যাণে নিবেদিত মানুষ। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থীকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করেছেন।
এছাড়াও সামাজিক তথা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সততা, সৌহার্দ্য ও মানবিকতা তাঁকে সর্বমহলে শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। তাঁর মৃত্যুতে কুলিয়ারচরে একজন গুণী শিক্ষক, অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিত্ব এবং নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবককে হারিয়েছে, যার শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
আলোচনা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে একটি বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনার পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের তওফিক কামনা করা হয়।
দোয়া মাহফিলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, শিক্ষক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, মরহুমের আত্মীয়-স্বজন, শুভানুধ্যায়ী এবং এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, ছয়সূতী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আলী হায়দার ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানটির শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা পর্ব শুরু হয় এবং শেষে মরহুমের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক জাকিব আহমেদ ছিনতাইকারী চক্রের হামলায় রক্তাক্ত জখম হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে শহরের মদনখালী স্লুইসগেট এলাকার পৌরসভার ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ডাম্পিং সেন্টারের সামনে এই হামলা চালানো হয়েছে।
জাকিব আহমেদ স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক ফতেহাবাদ ও দৈনিক বাংলা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
আহত সাংবাদিক জাকিব জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ছিনতাইয়ের খবর সংগ্রহের উদ্দেশ্যে শহরের মদনখালী স্লুইসগেট এলাকায় পৌরসভার ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ডাম্পিং সেন্টারের সামনে যান। সেখানেই গত দিনের ছিনতাইয়ের সিসি ফুটেজ সংগ্রহ করার জন্য তার উপর হামলা চালানো হয়। দুর্বৃত্তরা লাঠি দিয়ে তার হাতে আঘাত করে, যার ফলে হাতে তীব্র যন্ত্রণা অনুভূত হয় এবং তার হাত থেকে মোবাইল পড়ে ভেঙে যায়। এরপর ধারালো কাঁচি দিয়ে জাকিবকে কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ ব্যাপারে শুক্রবার বিকেলে সাংবাদিক জাকিব আহমেদ জানান, কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুকান্ত দত্ত জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ আন্দোলনের নেতা সাইয়্যেদ আবদুল মালেক আল-হুথি বলেছেন, অনেক আরব শাসক ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠীর সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন।
ইরানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার এক ভাষণে সাইয়্যেদ আবদুল মালেক আল-হুথি ইরাকের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের আগ্রাসনের নিন্দা জানান এবং ইরাকের জনগণ, নিরাপত্তা বাহিনী, যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন।
আল-হুথি বলেন, শত্রুপক্ষ মুসলিম উম্মাহকে লক্ষ্যবস্তু করে ‘মধ্যপ্রাচ্য পুনর্গঠন’ এবং ‘বৃহত্তর ইসরাইল’ প্রতিষ্ঠার মতো পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, এসব পরিকল্পনার মাধ্যমে ঐশী মূল্যবোধকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। শত্রুরা বর্তমানে মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে অতীতের তুলনায় আরো কঠোর সামরিক ও নরম উভয় ধরনের সংঘাতে লিপ্ত এবং বহু আরব সরকার ইসরাইলপন্থী নীতির দিকে ঝুঁকে পড়েছে।
আনসারুল্লাহ নেতা আরো বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান, লেবানন, ফিলিস্তিন এবং অঞ্চলের অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসী পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো, সেই সব শক্তিকে দুর্বল বা নির্মূল করা, যাদেরকে তারা তাদের পরিকল্পনার পথে বাধা বলে মনে করে। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র একটি লোভী শত্রু, যা বিশ্বের অন্য প্রান্ত থেকে এ অঞ্চলে এসেছে দখল, হত্যা, লুটপাট, জনগণের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া এবং তাদের ওপর আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে।
আল-হুথি আরো দাবি করেন, সৌদি আরব সরকার ‘সর্বশক্তি দিয়ে’ ইসরাইলকে ইয়েমেন থেকে ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, ইয়েমেন রিয়াদকে জানিয়েছিল, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের উড্ডয়নপথ সৌদি আকাশসীমার বাইরে দিয়ে নির্ধারণ করা হবে। কিন্তু তারপরও সৌদি আরব সেগুলো প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে। তার দাবি, ইয়েমেনি ড্রোনগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে সৌদি আকাশসীমা এড়িয়ে চলেছিল, যাতে সৌদি আরব হামলার কোনো অজুহাত না পায়। তিনি আরো বলেন, সৌদি আরব ইসরাইলকে লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করা ইয়েমেনের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
সূত্র: প্রেসটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগাম জেলায় একটি ইটভাটায় কর্মরত শ্রমিকদের ওপর বন্দুকধারীদের গুলিতে ছত্তিশগড়ের এক পরিযায়ী শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন শ্রমিক।
শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম জেলার কেলাম এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ জানায়, হামলায় আহত দুই শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে একজনকে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেছেন। অপর আহত শ্রমিককে অনন্তনাগ সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পর জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, এ ঘটনায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (ডিজিপি) ও ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে নিরাপত্তা বাহিনীকে অভিযান জোরদারের নির্দেশও দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থল ঘিরে অভিযান শুরু করেছে। আহত শ্রমিকের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।
এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও। পিপলস কনফারেন্স এক বিবৃতিতে নিরীহ বেসামরিক মানুষের ওপর হামলাকে মানবতা ও শান্তির পরিপন্থী বলে উল্লেখ করে নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং আহত শ্রমিকের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।
পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির (পিডিপি) প্রধান মেহবুবা মুফতি হামলাকে ‘অকল্পনীয় নিষ্ঠুরতা’ আখ্যা দিয়ে বলেন, জীবিকার সন্ধানে দূর রাজ্য থেকে আসা শ্রমিকদের লক্ষ্য করে এ ধরনের সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আপনি পার্টির সভাপতি আলতাফ বুখারিও এ ঘটনাকে মর্মান্তিক ও অমানবিক উল্লেখ করে হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন ছিল ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান- উভয় দলেরই প্রায় অভিন্ন অবস্থান। সামরিক, কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থনের এই দ্বিদলীয় ঐকমত্যকে অনেকেই ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে দেখতেন। যদিও, আল জাজিরায় প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে ওয়াশিংটনভিত্তিক সাংবাদিক সাঈদ আরিকাত লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক কৌশলই সেই দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে দুর্বল করে দিয়েছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর সবচেয়ে বড় ভুল ছিল যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে রিপাবলিকানদের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা তৈরি করা। এর ফলে ইসরায়েল ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ে এবং ডেমোক্রেটদের বড় একটি অংশের সমর্থন হারাতে শুরু করে।
সাঈদ আরিকাতের মতে, এই পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে ২০১৫ সালে। সে সময় প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আপত্তি উপেক্ষা করে, রিপাবলিকানদের আমন্ত্রণে মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া নেতানিয়াহুর ভাষণ ডেমোক্রেটিক পার্টির অনেক নেতার কাছে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে ধরা পড়ে। এরপর থেকেই ওয়াশিংটনে ইসরায়েলকে ঘিরে আগের দ্বিদলীয় ঐকমত্যে ফাটল দেখা দিতে শুরু করে।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি এবং গোলান মালভূমি নিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তকে নেতানিয়াহু স্থায়ী কৌশলগত অর্জন হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। কিন্তু লেখকের মতে, এসব অর্জন ছিল নির্দিষ্ট প্রশাসননির্ভর এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় নীতির স্থায়ী পরিবর্তন নয়।
গাজা যুদ্ধের পর এই সংকট আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে বলে উল্লেখ করেছেন আরিকাত। তাঁর ভাষ্য, ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলকে ব্যাপক সামরিক ও কূটনৈতিক সহায়তা দিলেও, পরবর্তী সময়ে গাজায় যুদ্ধ পরিচালনা, মানবিক সংকট এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়তে থাকে।
বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, গাজায় সামরিক অভিযানের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ ইসরায়েলকে নতুন দৃষ্টিতে দেখতে শুরু করেছে। একসময় যেসব বিষয় ঐতিহাসিক মিত্রতার আলোকে মূল্যায়িত হতো, এখন অনেকের কাছে তা মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন ও দখলদারত্বের প্রশ্নে আলোচিত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক Economist ও YouGov-এর একটি জরিপের তথ্যও তুলে ধরেছেন লেখক। জরিপ অনুযায়ী, ৪৯ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের পরোয়ানা অনুযায়ী নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করা উচিত। আর ৪৭ শতাংশের মত, তিনি গাজায় যুদ্ধাপরাধ করেছেন। লেখকের মতে, একসময় যেখানে ইসরায়েলের সমালোচনা মার্কিন রাজনীতিতে অত্যন্ত স্পর্শকাতর ছিল, সেখানে এই পরিবর্তন তাৎপর্যপূর্ণ।
সাঈদ আরিকাত আরও লিখেছেন, নেতানিয়াহুর জোটে উগ্র ডানপন্থী দলগুলোর প্রভাব বৃদ্ধি এবং ফিলিস্তিন প্রশ্নে রাজনৈতিক সমাধানের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের নীতিও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
বিশ্লেষণের উপসংহারে তিনি বলেন, সামরিক শক্তি দিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হলেও, দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক বৈধতা ও আন্তর্জাতিক সমর্থন ধরে রাখা আরও কঠিন। ভবিষ্যতে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের প্রভাব কমার কারণ অনুসন্ধান করা হলে, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক কৌশলকেই দেখা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ