শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২১ পি.এম
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১০ তরুণ উদ্যোক্তাকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রণোদনা প্রদান করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, তরুণদের জন্য অর্থনৈতিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আয়োজিত ‘মিট দ্য গভর্নর’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
গভর্নর বলেন, প্রত্যেক উপজেলা থেকে ১০ জন উদ্যোক্তা নির্বাচন করা হবে। প্রত্যেক উদ্যোক্তাকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রণোদনা দেওয়া হবে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ অনুদান (গ্র্যান্ট) হিসেবে এবং বাকি ৫০ শতাংশ ঋণ হিসেবে প্রদান করা হবে।
মোস্তাকুর রহমান আরও জানান, লোনের পরিমাণ প্রচলিত কাঠামোর তুলনায় কম থাকবে। উদ্যোক্তার ধরন অনুযায়ী ঋণের সুদের হার নির্ধারণ করা হবে। স্টার্ট-আপ উদ্যোক্তাদের জন্য লোনের পরিমাণ হবে ৪ শতাংশ, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য পাঁচ শতাংশ এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ৭ শতাংশ হারে লোন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘কোর কমিটি’ সভার রেকর্ড অব ডিসকাশনস অনুযায়ী এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
এই বিষয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের নিরাপত্তা শাখা-২ থেকে সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি পাঠানো হয়। পরবর্তীতে, ওই নির্দেশনার বাস্তবায়নের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তর থেকেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি প্রদান করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত ‘কোর কমিটি’ সভার রেকর্ড অব ডিসকাশনস অনুযায়ী, দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের এই বিষয়ে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো চিঠিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে।
ডিএমপির চিঠিতে বিষয়টি উল্লেখ করে বলা হয়েছে, কোর কমিটির সভার রেকর্ড অব ডিসকাশনস অনুযায়ী, দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি। ভাঙচুর ও গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার পর এই পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মিরপুর-১ রাড্ডা টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তুলি।
এই সময় তুলি উল্লেখ করেন, "রাড্ডা টিকাদান কেন্দ্রে হামলা, দখল ও লুটপাটের ঘটনায় প্রশাসন তদন্ত করছে। তদন্তের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
তিনি আরও বলেন, "তবে কোনোভাবেই চলমান টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হতে দেওয়া যাবে না। জনস্বার্থে টিকাদান কার্যক্রম যাতে নির্বিঘ্নে অব্যাহত থাকে, সে লক্ষ্যে আমার রাজনৈতিক কার্যালয় (রুহানি টাওয়ারের ৩-য় তালা, মিরপুর-১, ঢাকা) অস্থায়ীভাবে ব্যবহার করার জন্য রাড্ডা টিকাদান কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাচ্ছি।"
তুলি জানান, টিকাদান কেন্দ্রের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই নিয়মিত টিকাদান সেবা গ্রহণ করতে পারেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে ঢুকে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে। পরে মূল্যবান যন্ত্রপাতি, ওষুধ, টিকা, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালপত্র লুট করে নেওয়া হয়। এরপর ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধা পাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের জাতীয় দলের সর্বশেষ ইংল্যান্ড সফরের পর দলের তারকা ক্রিকেটাররা ভীষণ চাপের মধ্যে রয়েছেন। মোহাম্মদ রিজওয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইমস ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ) ডেকেছে।
৩০ আগস্ট লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ শেষ হওয়ার পর রাত ১টার দিকে পিসিবির অ্যান্টি করাপশন কর্মকর্তা কর্নেল আখতার রিজওয়ানকে হোটেল থেকে নিচে ডেকে পাঠান। তাকে নিজের মোবাইল ফোন নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়।
হোটেলের নিচে রিজওয়ানের সঙ্গে পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির একজন কর্মকর্তার সাক্ষাৎ ঘটে। এরপর বাজি ও অনলাইন জুয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হন তিনি। এক পর্যায়ে তার মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়।
রিজওয়ান অভিযোগ করেছেন যে, ফোনটি নেওয়ার আগে তাকে কোনো লিখিত নোটিশ, অভিযোগ, কিংবা জব্দের অনুমতিপত্র দেখানো হয়নি। আদালতে করা আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন যে, তাকে জানানো হয়েছিল ফোনটি পরীক্ষা করে তিন ঘণ্টার মধ্যে ফেরত দেওয়া হবে। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও ফোনটি ফেরত পাননি। বর্তমানে ফোনটি তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে রয়েছে এবং ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে।
রিজওয়ান আরও জানিয়েছেন যে, তাকে কী অপরাধের সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, কোন ঘটনার তদন্ত চলছে কিংবা কোন আইনি ক্ষমতাবলে তার ফোন নেওয়া হয়েছে, এসব বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। তদন্তের অংশ হিসেবে তার ব্যাংক একাউন্ট ও আর্থিক বিষয়েও তথ্য চাওয়া হয়েছে।
আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেওয়া মানে তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। পিসিবির সাবেক আইনপ্রধান তাফাজ্জুল রিজভিও বলেছেন, বর্তমানে রিজওয়ানের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের প্রমাণ বা স্বীকারোক্তি নেই; নোটিশের উদ্দেশ্য তথ্য সংগ্রহ করা। তবে পিসিবি অভ্যন্তরীণ তদন্তের বিষয়ে নীরবতা বজায় রেখেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অধিকৃত পশ্চিম তীরে রামাল্লাহর উত্তরে বিরজেইত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অভিযান পরিচালনা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। শনিবার, শিক্ষার্থীরা গ্রীষ্মকালীন সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা দেওয়ার সময় এই অভিযান সংঘটিত হয়।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার সূত্রে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এই তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অভিযানের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। তবে, এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করার খবর পাওয়া যায়নি।
বিরজেইত বিশ্ববিদ্যালয় অভিযানের নিন্দা জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অভিযান বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্রতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক আইন ও বিধিবিধানের লঙ্ঘন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, অভিযানের সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করা হয়েছে। তারা সতর্ক করেছে যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ