রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১৫ পি.এম
সাংবাদিক শহিদুল আলম মন্তব্য করেছেন যে, তিনি দেশে থাকলে সাহসের জন্য কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরকে জড়িয়ে ধরতেন। এই মন্তব্যটি তিনি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে প্রকাশ করেন।
শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে ব্যাপক হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা সিসি ক্যামেরাসহ স্টুডিওর সব যন্ত্রাংশ এবং রুমের যাবতীয় জিনিসপত্র লুট করে নেয় এবং অন্যান্য জিনিসপত্র ভেঙে তছনছ করে ফেলে।
ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। মুক্তাদির বলেন, ‘এই রকম কোনও স্টুডিও বাংলাদেশে ছিল না। এটা ভাঙার পরও আমি কেন ভেঙে পড়ছি না, কারণ বাংলাদেশে যারা নতুন কিছু করতে চান, তাদের জন্য নতুন কিছু শেখাতে চাই। যদি আপনি কারও তোষামোদি না করেন, আপনার যদি কোনও ব্যাকআপ না থাকে, আপনি যদি কোনও পলিটিক্স না করেন, সিকিউরিটি টাকা পয়সা দিয়ে কিনতে না পারেন, তাদের সঙ্গে বাংলাদেশে এমনটাই ঘটবে। সে জন্য আমরা বলি পায়ের নিচে মাটি শক্ত না থাকলে আমাদের কিছু করা উচিত না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এভাবে কথা বলছি কারণ আমি স্ট্রেং; কিন্তু অনেকে এটা নিতে পারবে না, কারণ বেশিরভাগ মানুষ স্ট্রং না।’ সালমান মুক্তাদির বলেন, ‘গত ১২ বছরে আমি একটা ছোট্ট রুম থেকে এ পর্যায়ে এসেছি। তোমরা যদি বাংলাদেশে কোনও স্বপ্ন দেখো, তাহলে তোমাদের ক্ষেত্রেও এটাই (ভাঙচুরের চিত্র দেখিয়ে) হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমার যে স্বপ্ন ছিল, তা আমি পূরণ করছি। বিএনপির যারা এটা করেছো, তোমরা এর থেকে বড় আর হতে পারবা না। এটাই তোমাদের নেচার।’
সহকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই অফিসের খেটে খাওয়া মানুষগুলো কান্না করছে।’ তাদের সান্ত্বনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি এর থেকে বড় কিছু করবো। তোমরা চিন্তা করো না।’
তার ভিডিও বার্তার পর শহিদুল আলম নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘বাংলাদেশে থাকলে আমি সোজা এই স্টুডিওতে চলে যেতাম এবং এই তরুণকে তার সাহস ও সংযমের জন্য জড়িয়ে ধরতাম। শক্ত থাকো ভাই।’
শহিদুল আলম আরও লেখেন, ‘তার সাহসিকতার প্রশংসা করেই যেন বিষয়টি শেষ না হয়। আমি বিচার চাই, চাঁদাবাজির সংস্কৃতির অবসান চাই। যারা এর বিরুদ্ধে দাঁড়ান, তাদের সুরক্ষা দিতে হবে এবং যারা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিল্লি থেকে মুম্বাইয়ে এসে অভিনয়ের স্বপ্ন পূরণের যাত্রা সহজ ছিল না বলিউড অভিনেতা রাজকুমার রাওয়ের। ক্যারিয়ারের শুরুতে তাকে নানা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল। সেই সময়ের স্মৃতি শেয়ার করতে গিয়ে তিনি জানিয়েছেন, এক সময় প্রিয় তারকা শাহরুখ খানের এক ঝলক দেখার আশায় মান্নাতের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেন তিনি।
সম্প্রতি ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র ১৮তম মৌসুমে রাজকুমার রাও উপস্থিত ছিলেন। তার সঙ্গে অনুষ্ঠানে ছিলেন অভিনেত্রী ওয়ামিকা গাব্বি ও সাবেক বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি উজ্জ্বল নিকম। তারা আসন্ন সিনেমা ‘প্রহার: দ্য আনটোল্ড স্টোরি অব উজ্জ্বল নিকম’-এর প্রচারের জন্য সেখানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অমিতাভ বচ্চন।
২৫ সেপ্টেম্বরের পর্বে অমিতাভের সঙ্গে কথোপকথনের সময় রাজকুমার তার শুরুর দিনের কথা তুলে ধরেন। দিল্লির সঙ্গে অমিতাভ ও নিজের যোগসূত্রের প্রসঙ্গ থেকেই আলোচনা শুরু হয়।
রাজকুমার জানান, ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ ছিল। অল্প বয়সে অভিনয়কে পেশা হিসেবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তার মায়ের ঘরে অমিতাভ বচ্চনের একটি পোস্টারও ছিল। তিনি বলেন, অমিতাভ সবসময় তাদের কাছে অনুপ্রেরণার অন্যতম বড় নাম।
শাহরুখ খানের ক্যারিয়ারও রাজকুমারের ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলেছিল। দিল্লির একটি মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসে থিয়েটারের মাধ্যমে অভিনয় শুরু করেছিলেন শাহরুখ। এরপর টেলিভিশনে কাজ করে ধীরে ধীরে বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করেন। রাজকুমারের কাছে শাহরুখের এই পথচলা ছিল অনুপ্রেরণার উৎস।
মুম্বাইয়ে নিজের শুরুর সময়ের একটি ঘটনা অনুষ্ঠানে জানান রাজকুমার। তিনি বলেন, প্রথমবার একটি শোয়ের জন্য মুম্বাইয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে নির্বাচিত হননি। সেই সময় শাহরুখ খানের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা ছিল তার। তাই তিনি শাহরুখের বাড়ি মান্নাতের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেন, যদি প্রিয় অভিনেতাকে একবার দেখা যায়।
রাজকুমারের কথায়, দিল্লির একটি মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসে শাহরুখ যেভাবে থিয়েটার ও টেলিভিশনের পথ পেরিয়ে বলিউডের অন্যতম বড় তারকা হয়ে উঠেছেন, সেই যাত্রা তাকে অনুপ্রাণিত করেছে।
অনুষ্ঠানে শাহরুখ খান সম্পর্কে নিজের অভিজ্ঞতাও জানান অমিতাভ বচ্চন। শাহরুখের সঙ্গে কাজ করার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, কোনো পরিস্থিতিতেই সহজে হাল ছেড়ে দেন না এই অভিনেতা। সমস্যার মুখোমুখি হয়েও তিনি নিজের আত্মবিশ্বাস ধরে রাখেন এবং আশপাশের মানুষের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে দিতে পারেন—এমনটাই জানান অমিতাভ।
থেকে
এদিকে রাজকুমার রাও বর্তমানে ব্যস্ত তার নতুন সিনেমা ‘প্রহার: দ্য আনটোল্ড স্টোরি অব উজ্জ্বল নিকম’-এর প্রচারে। অবিনাশ অরুণ পরিচালিত এই সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে ভারতের বিশিষ্ট সরকারি কৌঁসুলি উজ্জ্বল নিকমের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ আইনি লড়াইকে কেন্দ্র করে।
সিনেমার গল্পে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ২৬/১১ মুম্বাই সন্ত্রাসী হামলার মামলা এবং ওই ঘটনায় অভিযুক্ত আজমল কাসাবের বিচারপ্রক্রিয়া। সিনেমায় উজ্জ্বল নিকমের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাজকুমার রাও। তার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ওয়ামিকা গাব্বি, জয়দীপ আহলাওয়াত ও সিকান্দার খের।
সিনেমাটি আগামী ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। মুক্তির আগে ২৯ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাসে সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশ করা হবে। ২৬/১১ হামলার সময় এই স্টেশনটিও হামলার অন্যতম লক্ষ্যবস্তু ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর শহরে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধের জন্য সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ করি, নিজেকে ও পরিবারকে নিরাপদ রাখি’—এই মূল স্লোগানকে সামনে রেখে সামাজিক সংগঠন জনউদ্যোগ, শেরপুর জেলা শাখা এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
শনিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট—আইইডি এবং বাংলাদেশ স্কাউটস, শেরপুর জেলা রোভার সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি কবি রফিক মজিদ এবং শেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম।
পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের খরমপুর মোড়, রঘুনাথ বাজার বাসস্ট্যান্ড হয়ে চকবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। ক্যাম্পেইনে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধের জন্য পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠিতে কেক কেটে আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ব্যাংকের ঝালকাঠি শাখায় এ উপলক্ষে কেক কাটার আয়োজন করা হয়। শাখা ব্যবস্থাপক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং আইন উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ঝালকাঠি শাখার ব্যবস্থাপক মো. নেয়ামত উল্লাহ, দ্বিতীয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, বিনিয়োগ বিভাগের প্রধান মো. খায়রুল আলম, কর্মকর্তা মোহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ ও মাইন উদ্দিন মাহমুদ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে ব্যাংকের আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া ঝন্টু এবং ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি, অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার উপস্থিত ছিলেন।
পরে অতিথি ও ব্যাংকের কর্মকর্তারা কেক কেটে আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন। এ সময় তারা ব্যাংকের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জে অবৈধভাবে মাটিকাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে একটি পল্টন ও একটি ভেকু জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ৫ জনকে আটক করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অভ্রজ্যোতি বড়াল।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের দুবাই ব্রিকস থেকে অবৈধ মাটি বহনকারী একটি পল্টন জব্দ করা হয়। এছাড়া পান্ডব নদী থেকে মাটিকাটার অভিযোগে একটি ভেকু জব্দ করা হয়। অবৈধ মাটি কাটার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে আটক করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অভ্রজ্যোতি বড়াল জানান, মাটি ও বালু ব্যবস্থাপনা আইনে আটককৃত পাঁচজনের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অবৈধ মাটিকাটার বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান চলমান থাকবে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ