০৫:৫৩ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ব্রহ্মপুত্র নদীর মাঝনদীতে চলন্ত নৌকায় এক নারী যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। প্রথমে তিনি ছেলে এবং পরে মেয়ে সন্তানের জন্ম দেন। পরে মা ও দুই নবজাতককে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, তারা সকলেই সুস্থ আছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের জিগাবাড়ীঘাট থেকে একটি নৌকা যাত্রা শুরু করে। নৌকাটি ব্রহ্মপুত্র নদ পার হওয়ার সময় সকাল ১০টার দিকে মাঝনদীতে পৌঁছালে ওই নারীর প্রসববেদনা শুরু হয়। নদীর মাঝখানে অবস্থান করার কারণে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ ছিল না। একপর্যায়ে নৌকার পাটাতনেই যমজ সন্তানের জন্ম দেন তিনি।
ওই নারীর স্বামী মনোয়ার হোসেন জানান, অসুস্থ স্ত্রীকে অস্ত্রোপচারের জন্য গাইবান্ধায় নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। পথে নৌকায় হঠাৎ তার প্রসববেদনা শুরু হয়। নদীর মাঝখানে অবস্থান করার কারণে তারা দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। পরে নৌকাতেই যমজ সন্তানের জন্ম হয়। আল্লাহর রহমতে সন্তানদের মুখ দেখতে পেয়ে তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
নৌকায় থাকা এরেন্ডাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা ফজলে রাব্বি বলেন, ওই নারীর হঠাৎ প্রসববেদনা শুরু হলে নৌকায় থাকা সবাই চিন্তিত হয়ে পড়েন। নদীর মাঝখানে অবস্থান করার কারণে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ ছিল না। পরে নৌকাতেই যমজ সন্তানের জন্ম হয়।
এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান আকন্দ জানান, মাঝনদীতে নৌকায় যমজ সন্তানের জন্মের বিষয়টি তিনি জেনেছেন। চরাঞ্চলের মানুষের জন্য জরুরি প্রসূতিসেবা পাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে মা ও নবজাতকদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা জরুরি।
চরাঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে জরুরি মুহূর্তে চিকিৎসাসেবা পাওয়া যে কতটা কঠিন, ব্রহ্মপুত্রের মাঝনদীতে এই যমজ সন্তানের জন্মের ঘটনা আবারও তা সামনে এনেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৯ সালে পুলওয়ামা সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। এই ঘটনার ফলস্বরূপ, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। পাকিস্তানের একটি ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রধান জানিয়েছেন, ভারতীয় বাণিজ্য বন্ধ থাকায় পাকিস্তানের প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে।
সোমবার ‘পাক-ভারত বিজনেস কাউন্সিল’-এর চেয়ারম্যান নূর মুহাম্মদ কাসুরি এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরায় চালুর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
কাসুরি উল্লেখ করেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আবার শুরু হলে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন। পাশাপাশি, বিনিয়োগ ও পর্যটন খাতের প্রসার ঘটবে এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
একটি বিবৃতিতে কাসুরি বলেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ থাকায় পাকিস্তানের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন দূরবর্তী দেশ থেকে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও অন্যান্য পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে। এতে পরিবহন ও পণ্য আনার খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে, পণ্য পৌঁছাতে অতিরিক্ত সময় লাগছে।
তিনি জানান, পাকিস্তানের ওষুধশিল্প ভারতের সহজলভ্য কাঁচামালের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। ভারত থেকে এসব কাঁচামাল আমদানি করতে পারলে বছরে ২ থেকে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সাশ্রয় সম্ভব হতো।
দেশে তুলার উৎপাদন কমে যাওয়ায় পাকিস্তানের বস্ত্রশিল্পেও বাড়তি খরচের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। বর্তমানে বস্ত্রকলগুলোকে ব্রাজিল, মিসর, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানি করতে হচ্ছে। এতে প্রায় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে বলে কাসুরি জানান।
কাসুরি আরো বলেন, ভারত এসব পণ্য উৎপাদনে সক্ষম হলেও পাকিস্তানকে চিনি, সার, সিমেন্ট, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, লোহা ও ইস্পাত, শাকসবজি এবং ভারী যন্ত্রপাতির মতো পণ্য দূরবর্তী দেশগুলো থেকে আমদানি করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আবার শুরু হলে পণ্য পরিবহনের খরচ কমবে এবং দ্রুত ও সময়মতো পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে ভারতের তেল শোধনাগারগুলো পাকিস্তানের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় সেখান থেকে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য আমদানি করলে সময় ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় হবে।
কাসুরির মতে, ভারতের কৃষি ও শিল্পপণ্য সহজলভ্য হলে পাকিস্তানের ব্যবসায়ীদের উৎপাদন খরচ কমে যাবে। ফলে দেশটির বিভিন্ন শিল্প খাত উপকৃত হতে পারে।
দেশে তুলা চাষের জমি কমে যাওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন কাসুরি। তিনি বলেন, ঐতিহ্যগতভাবে যেসব এলাকায় তুলা চাষ হতো, সেসব এলাকার কৃষকেরা এখন আখ চাষের দিকে ঝুঁকছেন। এতে পাকিস্তানের বস্ত্রশিল্পের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দেশে তুলার উৎপাদন বাড়াতে উন্নত কৃষিনীতি গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
কাসুরি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য পুনরায় চালু হলে দুই দেশের ব্যবসায়ীরাই লাভবান হবেন। এর ফলে বিনিয়োগ, পর্যটন ও আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি আরো বলেন, পাকিস্তান বেশি ভারতীয় পর্যটককে আকৃষ্ট করতে পারে। বিশেষ করে যারা দেশটির ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থান এবং নিজেদের পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি ও গ্রাম দেখতে আগ্রহী, তাদের জন্য পাকিস্তান হতে পারে আকর্ষণীয় গন্তব্য।
আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে কাসুরি শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সংকটের সময় ভারতের দেওয়া আর্থিক সহায়তার কথা উল্লেখ করেন। তার মতে, কঠিন সময়ে প্রতিবেশী দেশগুলো কীভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে পারে, এটি তার একটি উদাহরণ।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ নষ্ট করা উচিত নয়। অমীমাংসিত বিরোধগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। কাসুরির ভাষায়, ‘পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক বন্ধন রয়েছে। এই বন্ধন দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ভিত্তি হতে পারে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লি হাইকোর্টকে অবহিত করেছে যে, কৃষি ভবন চত্বরে অবস্থিত শতাব্দীপ্রাচীন একটি মসজিদ সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি দপ্তরের মতো স্থানে স্থায়ী কোনো ধর্মীয় কাঠামো রাখা বা তৈরি করা ‘আইনসম্মত নয় এবং এটি সরকারি সম্পত্তির ধর্মীয় নিরপেক্ষ (সেক্যুলার) চরিত্রের সাথে সাংঘর্ষিক।’
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্ন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষি ভবন ও পার্শ্ববর্তী শাস্ত্রী ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদী মোদি সরকারের এই বক্তব্যের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো স্পষ্টভাবে স্বীকার করা হলো যে প্রকল্প এলাকা থেকে উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে অবস্থিত এই 'কাদিমি মসজিদ'টি সরিয়ে নেওয়া হবে।
এর আগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের পক্ষ থেকে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন ছয়টি মসজিদ সুরক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল। তখন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানিয়েছিলেন, এসব সম্পত্তির কিছুই হচ্ছে না এবং প্রকল্পের কাজ অনেক দূরের বিষয়।
তবে সরকারের নতুন অবস্থানের প্রেক্ষাপটে সোমবার দিল্লি হাইকোর্ট জানতে চান—সরকারি অফিস চত্বরে ধর্মীয় কাঠামো নিষিদ্ধ করার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম বা নির্দেশিকা রয়েছে কি না।
বিচারপতি অনীশ দয়াল মন্তব্য করেন, ‘আমাদের বুঝতে হবে যে বিকল্প জায়গা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়মগুলো আসলে কী। আপনারা কি বলতে চাইছেন যে কোনো ধর্মের প্রার্থনার জন্যই বিকল্প স্থান দেওয়া যাবে না? সব সম্প্রদায়ের জন্যই কি এমন কোনো নিয়ম রয়েছে যে সরকারি কোনো জায়গায় প্রার্থনার সুযোগ থাকবে না? আমরা শুধু এই বিষয়টি জানার জন্য কৌতুহলী।’
আদালত এই বক্তব্যের আইনি ভিত্তি ও প্রভাব স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়ে মসজিদ কমিটিকে আগামী ২৩ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির আগে সরকারের বক্তব্যের জবাব দেওয়ার সময় দিয়েছেন।
ভেঙে ফেলার আশঙ্কায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ওয়াকফ-তালিকাভুক্ত এই মসজিদটির পরিচালনা কমিটি আদালতের দ্বারস্থ হয়। কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনস্থ কেন্দ্রীয় গণপূর্ত বিভাগ গত ১৯ জানুয়ারি কৃষি ভবন ও শাস্ত্রী ভবনের স্থানে কমন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েটের ৪ ও ৫ নম্বর ভবন নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করার পর এই উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, মসজিদটি অপসারণের তালিকায় সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও নতুন ভবনের নকশায় এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না।
গত ২৭ অক্টোবর নগর উন্নয়ন মন্ত্রকের ভূমি ও উন্নয়ন দপ্তর এক স্থিতিবস্থা প্রতিবেদনে জানায়, এটি একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রাঙ্গণে থাকা মসজিদটি অপসারণ করা আবশ্যক।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কৃষি ভবন ও কেন্দ্রীয় সচিবালয় প্রাঙ্গণ সম্পূর্ণভাবে প্রশাসনিক ও পাবলিক সার্ভিস কাজের জন্য নির্ধারিত নিরপেক্ষ সরকারি সম্পত্তি। এখানে কোনো স্থায়ী ধর্মীয় কাঠামো রাখা বা এর দাবি করা অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তাছাড়া সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্ন্নয়ন মাস্টার প্ল্যানের সাথেও এটি মেলানো সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, ১৯৪০ সালের এক চুক্তি অনুযায়ী জামা মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে এটি কেবল প্রার্থনার কাজে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
মসজিদ কমিটি আদালতে দাবি করেছে যে, পুনর্ন্নয়ন এড়ানো অসম্ভব হলে নিকটবর্তী কোনো সুবিধাজনক স্থানে বিকল্প প্রার্থনার ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক। স্বাধীনতা-উত্তর সময় থেকে কৃষি ভবন ও আশেপাশের সরকারি দপ্তরের কর্মচারীরা কাজের ফাঁকে এখানে প্রার্থনা করে আসছেন।
এর জবাবে কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমির মালিক হিসেবে সরকার কৃষি ভবন বা সচিবালয় চত্বরে মসজিদের জন্য বিকল্প জায়গা বরাদ্দ দিতে বাধ্য নয়। তাছাড়া নিকটবর্তী ইন্ডিয়া গেটের কাছেই 'শাহী মসজিদ জাবতা গঞ্জ' নামে আরেকটি সক্রিয় মসজিদ রয়েছে, যা নিকটস্থ দূরত্বে প্রার্থনার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের ডিগ্রি বটতলা-সংলগ্ন একটি ছাত্রীনিবাস থেকে সাইদা আক্তার রিলা (১৮) নামক এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে শহরের চাঁদের আলো ছাত্রীনিবাসের একটি কক্ষ থেকে ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সাইদা আখতার রিখা সাঁথিয়া উপজেলার দক্ষিণ বোয়ালমারী এলাকার মো. সাইফুল ইসলাম ও মোছা. মনিরা খাতুনের কন্যা। তিনি পাবনার শহীদ বুলবুল সরকারি কলেজের (ইন্টারমিডিয়েট) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ তদন্ত করছে, এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনা। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সঞ্জয় সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ছাত্রীনিবাস থেকে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য জানা যায়নি। তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ