ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁদপুর পুলিশ লাইন্সের সামনে নিখোঁজ শিশু আরাফাত উদ্ধার


চাঁদপুর পুলিশ লাইন্সের সামনে নিখোঁজ শিশু আরাফাত উদ্ধার

চাঁদপুর পুলিশ লাইন্স গেইট সংলগ্ন এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া আনুমানিক ৮-৯ বছর বয়সী শিশু আরাফাতকে উদ্ধার করে চাঁদপুর জেলা পুলিশ মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শিশুটিকে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় তার মায়ের কাছে নিরাপদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ লাইন্স গেইট এলাকা থেকে শিশুটিকে একাকী ঘুরতে দেখে পুলিশ উদ্ধার করে। শিশুটির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চাঁদপুর জেলা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিবারের সন্ধানে অভিযান শুরু করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পুলিশের দ্রুত তৎপরতা ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যে শিশুটির মা ও পরিবারের সন্ধান মেলে।

সদর মডেল থানায় উপস্থিত হয়ে সঠিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশু আরাফাতকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সন্তানকে ফিরে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তার মা এবং জেলা পুলিশের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। চাঁদপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার ও পরিবার খুঁজে পেতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট শেয়ার করে সহযোগিতা করা সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। একই সাথে জননিরাপত্তা ও যেকোনো প্রয়োজনে জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে চাঁদপুর জেলা পুলিশ।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে লালন সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবসে সাধুসঙ্গ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরাইলে সারের মূল্য বৃদ্ধির অভিযোগে সিন্ডিকেটের সংশ্লিষ্টতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


সরাইলে সারের মূল্য বৃদ্ধির অভিযোগে সিন্ডিকেটের সংশ্লিষ্টতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে প্রকাশ্যে গোপনে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সার। অভিযোগ উঠেছে যে, কৌশলে গুদামবন্দির মাধ্যমে সারের সংকট দেখিয়ে প্রতি বস্তায় ৪০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে। ২০০৯ সালে তৈরি কাগজে ৩২ ডিলার এবং ৭৯ সাব ডিলারের (খুচরা) তালিকা থাকলেও, অধিকাংশের বাস্তবে অস্তিত্ব নেই। সরাইলের সার গুটিকয়েক প্রভাবশালী ব্যক্তির মুষ্টিতে বন্দি হয়ে আছে। কৃষকদের মুখে নকল সারের কথাও শোনা যাচ্ছে। মঙ্গলবার কালীকচ্ছ বাজারে সার ক্রয়ের সঠিক মূল্য বলায় কৃষক সিরাজুল ইসলামকে গালমন্দ করেন বিক্রেতা হেলাল মিয়া। গত ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার, অধিক মূল্যে সার বিক্রির সময় হাতেনাতে ধরে শাহবাজপুরে এক বিক্রেতাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী কর্মকর্তা মীর কামরুজ্জামান কবির। তথাপি, অধিক মূল্যের চাপে কাহিল স্থানীয় কৃষকরা। তারা বলছেন, এখানে সিন্ডিকেট করে কৌশলে শোষণ করছেন কৃষকদের রক্ত। চাহিদা বেশি থাকায় অনেক বিক্রেতা সার অন্যত্র সরিয়ে মজুদ করছেন। ‘সার নেই, মূল্য বেশি’ শুনে হতাশ হয়ে অনেক কৃষক ছুটছেন অন্য এলাকায়।

সরজমিন অনুসন্ধান, কৃষি অফিস, ভুক্তভোগী কৃষক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এবারে সরাইল উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার ৮৭০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষ হয়েছে। এই পরিমাণ জমির জন্য পর্যাপ্ত সার প্রদান করেছে কর্তৃপক্ষ। সরকার নির্ধারিত সারের মূল্য হলো- ইউরিয়া প্রতি কেজি ২৭ টাকা (৫০ কেজির বস্তা ১৩৫০ টাকা), টিএসপি কেজি ২৭ টাকা, এমওপি কেজি ২০ টাকা এবং ডিএপি কেজি ২১ টাকা (বস্তা ১০৫০ টাকা)। কৃষকের সার প্রাপ্তির জন্য সরাইলে ২০০৯ সালে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বিসিআইসি’র ১৬ জন ও বিএডিসি’র ১৬ জন ডিলার। কাগজে কলমে অস্তিত্ব আছে ৫-৭ জনের। অন্যদের সার কে উত্তোলন করছেন? কোথায় যাচ্ছে? এই প্রশ্ন কৃষকদের। চুন্টায়, কালীকচ্ছ ও শাহজাদাপুর ইউনিয়নে ট্যাগ করা হয়েছে আশুগঞ্জ উপজেলার মেসার্স আবীর পরিবহন সংস্থা, মেসার্স বাগদাদ পরিবহন সংস্থা, মেসার্স মলাই মিয়া, মেসার্স সবুজ বাংলা নামের সংস্থাগুলোকে। কাগজে পরিষ্কার লেখা এই ৪টির বাস্তব ঠিকানা একই জায়গায় আশুগঞ্জ ফেরিঘাট। সরাইলে তাদের কোন অফিস ঠিকানা বা অস্তিত্ব ছিল না, এখনো নেই। এছাড়া ৩২ জনের মধ্যে মাত্র ৫-৭ জন ডিলারের নড়াচড়া রয়েছে। আর সার উত্তোলন করেন ২/১ জন। একেক জন ৮-১০ জনের সার উত্তোলন করে মনগড়ামত সমগ্র উপজেলায় সাব ডিলারদের কাছে সার বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যেক ইউনিয়নে (প্রতি ওয়ার্ডে ১ জন করে) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৯ জন করে সাব-ডিলার (খুচরা)। চুন্টায় ১ জন কম থাকায় উপজেলায় রয়েছে কাগজে ৭৯ জন। বাস্তবে আরো কম। তাদের প্রত্যেকের জামানত ৩০ হাজার টাকা। নিয়ম মাফিক ৩২ জন ডিলারের কাছ থেকে সার নিয়ে কৃষকের কাছে বিক্রি করবেন ৭৯ জন সাব ডিলার। তবে সাব ডিলার নিয়োগেও নানা অনিয়ম তুলে ধরছেন কৃষকরা। অনেকেই নিস্ক্রিয়, এক পরিবারের একাধিক সদস্য, এক পয়েন্টে ২/৩/৪ জন, এক ওয়ার্ডের বাসিন্দা আরেক ওয়ার্ডের ডিলার হয়ে বসে আছেন বছরের পর বছর। আবার কেউ সার পাচ্ছেন, কেউ পাচ্ছেন না। কৃষকদের অভিযোগ, এবারে খুচরা ডিলারদের কাছে সার প্রাপ্তি ও মূল্যে চলছে নানা কারিশমা। সার কম বা আপাতত নেই বলে সংকট দেখিয়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য হাঁকাচ্ছেন। এতে করে নাভিশ্বাস উঠছে কৃষকদের। সরজমিনে গেলে কালিকচ্ছ ইউনিয়নের সূর্যকান্দি গ্রামের কৃষক নজির মৃধা বলেন, বর্ডার বাজারের সাত্তারের দোকান থেকে টিএসপি সার ৪০ টাকা কেজি (২ হাজার টাকা বস্তা) মূল্যে ক্রয় করেছি। সেখানে ইউরিয়া ৩৫ টাকা কেজি আর লাল সারটা ১৬০০ টাকা বস্তা। আরো দেড় মন সার লাগবে। চড়া মূল্যে মন খারাপ হয়ে গেল। তারা সারের অধিক মূল্য রেখে জঘন্য অন্যায় করছে। শুনেছি চানপুরসহ বিভিন্ন বাড়িঘরে সার মজুদ করে রেখেছেন। একই ইউনিয়নের বাসিন্দা অর্জুন চক্রবর্তী দৈনিক মানবজমিনে প্রকাশিত সারের মূল্য বিষয়ক নিউজে মন্তব্য করেছেন, “এদের চার্টে লেখা দর কেজি প্রতি সার ২১ টাকা কিন্তু বস্তা ১৬০০ তে কিনলাম। কেজি পড়লো ৩২ টাকা। দোকানিদের নাকি তারপরেও লস। ব্যবসায়ীদের লসের যোগান দিতে হয় প্রান্তিক কৃষককে। কি অবস্থা! ব্যানারে লেখা দরের কথা বললে বলে এই রেটে বিক্রি করলে নাকি তাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। জরিমানার পরও দাম কমেনি বাজারে।” গত মঙ্গলবার কালীকচ্ছ বাজারের বিক্রেতা হেলাল মিয়ার কাছ থেকে বিভিন্ন ধরণের ৫ বস্তা সার ক্রয় করেন নন্দীপাড়া গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম। ক্রয় মূল্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, টিএসপি ২ হাজার আর ইউরিয়া ১৬’শত টাকা রেখেছেন। ক্রয়ের সঠিক মূল্য বলে দেয়ায় ছটে গিয়ে সিরাজুল ইসলামকে গালমন্দ শুরু করেন বিক্রেতা হেলাল। চুন্টা ইউনিয়নের ঘাগড়াজোর গ্রামের বাসিন্দা সাব-ডিলার মো. আবুল মিয়া ক্ষোভের সাথে বলেন, এখানে আরমান ট্রেডার্স ও আবিরের প্রকৃত লোকজনের কোন অস্তিত্ব নেই। এদেরকে আমরা কখনো দেখিনি। সাজানো অন্য লোক দিয়ে চলছে। এরা সংশ্লিষ্ট ডিলারের যোগসাজশে ইচ্ছেমত দাম বাড়িয়ে প্রতি বস্তা সার ১৭-১৮’শত টাকায় বিক্রি করছে। ২০০৯ সালে থেকে সাব-ডিলার হলেও অজানা কারণে আমাকে এক বস্তা সারও দিচ্ছেন না। অপরাধ আমি কেন আগে কম মূল্যে কৃষককে সার দিতাম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কৃষক বলেন, তারা মূল রশিদ দেয় না। ক্রেতা থেকে রাখা টাকার প্রকৃত পরিমাণও উল্লেখ করেন না। তাদের প্রিন্ট করা অংশ বাদে একটি সাদা কাগজে একেবারে সরকারি মূল্যটা লিখে ক্রেতাকে দেন। শাহবাজপুর ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের প্রবোধ সরকার বলেন, প্রত্যেকটা সারের দামই বেশি। তবে ডেপটার (ডিএপি) দাম অনেক বেশি। সরাইল সদরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাহফুজ মিয়া বলেন, আমি এক বস্তা ডেপ স্যার ক্রয় করেছি ১৯’শত টাকায়। শাহজাদাপুর ইউনিয়নের মলাইশ গ্রামের রাখাল দাস বলেন, সারের দাম চড়া। সিন্ডিকেট হয়ে গেছে। ইউরিয়া ১৫’শত আর টিএসপি ২৪’শত টাকা বস্তা। সম্পর্কের কারণে অনেক সময় কথা বলতে পারি না। কৃষি কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট কেউ উপস্থিত থাকলে কৃষককে বলে পরে আসুন। মোড়াহাটি গ্রামের ফোর মিয়াসহ একাধিক কৃষক বলেন, মলাইশ বাজার থেকে গত বুধবার সার ক্রয় করেছি। তারা ইউরিয়া ১৫’শত, টিএসপি ১৮’শত ও বিএডিসি’র ডিএপি(ডেপ) ১৭’শত টাকা বস্তা রেখেছে। একই গ্রামের হেলাল মিয়া বলেন, মলাইশে সারের মূল্য বেশি হওয়ায় নরসিংদীর শিবপুরের বারিচা থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে এনেছি। গাড়িভাড়া দিয়েও এখান থেকে অনেক কম পড়েছে। কৃষি অফিসের লোকজন সার বিক্রেতার এখানে না বসে কৃষক বের করে জিজ্ঞেস করলেই সত্যটা পাবেন। উনাদের কেন জানি সেটা করছেন না। পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়ধরকান্দি গ্রামের কৃষক হাবিদ মিয়া বলেন, আমান উল্লাহ পাঠানের কাছ থেকে প্রতি বস্তা সার ১৬’শত ও ২১’শত টাকায় ক্রয় করেছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, সরাইলে সার উত্তোলন, বিক্রি, সিন্ডিকেট, মজুদ, বাণিজ্য দীর্ঘদিন ধরে ২/১ জন ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণ করছেন। কাগজপত্র, পছন্দের সাব-ডিলার, সারের পরিমাণ নির্ধারণ, উপর ম্যানেজে সহায়তা করছেন অফিসের কতিপয় ব্যক্তি। সকল খরচ হিসাব করে উনাদের ইচ্ছায়ই সারের মূল্য বাড়ে। খেসারত দিতে হয় কৃষককে।

সরাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও সার বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব মো. একরাম হোসেন কিছু সাব-ডিলার অধিক মূল্যে সার বিক্রির বিষয়টি শুনার কথা স্বীকার করে বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে বিক্রির কোন বিধান নেই। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়ে আমরা প্রস্তুত ও ঘুরে ফিরে মনিটরিং করছি। কৃষকরা অভিযোগ করলে ও সত্যতা পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব। সরাইলে অস্তিত্বহীন আশুগঞ্জের ৪ ডিলারের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখেছি। দ্রূতই ব্যবস্থা নিবেন। তবে শুধু কাগজে ২৬ ডিলারের মধ্যে অধিকাংশই বাস্তবে নেই। এদের সার কে উত্তোলন করেন? এমন প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান তিনি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি মীর কামরুজ্জামান কবির বলেন, একজনকে তো হাতেনাতে ধরে জরিমানা করেছি। এ ছাড়া জেলার কর্মকর্তা সহ আমরা সর্বক্ষণ গুরুত্বর সহকারে ঘুরেফিরে মনিটরিং করছি। ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত সকল উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদেরও বিষয়টি সর্বক্ষণ তদারকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ তারা সকল ডিলারকে ভালোভাবে চিনেন। এ বিষয়ে ছাড় দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। ধরা পড়লেই আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালাইয়ে প্রকৌশলীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও অর্ধদিবস কর্মবিরতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


কালাইয়ে প্রকৌশলীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও অর্ধদিবস কর্মবিরতি

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী জহীর দেহেদী হাসানের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, ভাংচুর এবং সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার অফিসকক্ষে তালাবদ্ধ করে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের প্রতিবাদে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্যোগে মানববন্ধন ও অর্ধদিবস কর্মবিরতি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

“উন্নত ও সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রকৌশলী সমাজের যথার্থ মূল্যায়ণ চাই” এই স্লোগান নিয়ে বুধবার সকালে কালাই উপজেলার এলজিইডির কার্যালয়ের সামনে এক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার এলজিইডির প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবু জাফর এবং মো. সাব্বির হোসেন। এ সময় কালাই উপজেলার এলজিইডির অফিসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ মানববন্ধন ও অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, "আমাদের গ্রাম-গঞ্জে এবং শহরে নির্মাণাধীন ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তা-ঘাট এবং স্কুল কলেজ, মাদ্রসা দেখতে যেতে হয় তাই আমাদের কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই এবং দিতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশের সকল প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাবো।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাংশা শিল্প বণিক সমিতির নবনির্বাচিত নেতাদের সংবর্ধনা প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


পাংশা শিল্প বণিক সমিতির নবনির্বাচিত নেতাদের সংবর্ধনা প্রদান

পাংশা কুন্ডু সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী বৃন্দ নবনির্বাচিত পাংশা শিল্প বণিক সমিতির সকল নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা প্রদান করেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কুন্ডু মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারি এম এ জিন্নাহর সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কমিটির সহসভাপতি মাস্টার আব্দুল খালেক, ইউসুফ আলী মন্ডল, নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার সরদার এবং সভাপতি বাহারাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। কুন্ডু সুপার মার্কেটের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিতদের ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানের শেষে সবাইকে মিষ্টিমুখ করানো হয়। ব্যবসায়ী বৃন্দ বিপদে-আপদে ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামইরহাটে পিকনিকের বাসে সংঘর্ষে ফটোস্ট্যাট ব্যবসায়ী কামাল হোসেনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


ধামইরহাটে পিকনিকের বাসে সংঘর্ষে ফটোস্ট্যাট ব্যবসায়ী কামাল হোসেনের মৃত্যু

নওগার ধামইরহাটে পিকনিকের বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন ফটোস্ট্যাট ব্যবসায়ী কামাল হোসেন। এই ঘটনা ঘটেছে ২৬ ফেব্রুয়ারী সকালে, উপজেলা আড়ানগর ইউনিয়নের বিহারিনগর মোড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কামাল হোসেন, যিনি উপজেলা পরিষদ মার্কেটের ফটোস্ট্যাট ব্যবসায়ী, নওগাঁর দিকে যাচ্ছিলেন। পথে, নওগাঁর ধামইরহাট-পত্নীতলা সড়কের বিহারীনগর মোড়ে জয়পুরহাটগামী হানিফ (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৫৫৯২) পরিবহনের পিকনিকের বাসের সঙ্গে তার গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়, যার ফলে কামাল হোসেনের মৃত্যু ঘটে। নিহত কামাল হোসেন ধামইরহাট উপজেলার উত্তর চকযদু গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াদ আলীর সন্তান।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, বিহারিনগরের এই মোড়ে পূর্বে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনায় অনেকের প্রাণহানি ঘটেছে। তাই, তারা এখানে একটি গতি রোধক স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ধামইরহাট থানার ওসি রাইসুল ইসলাম এবং পরে লাশটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। কামাল হোসেনের জন্মস্থান নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। তিনি ছোটবেলা থেকেই ধামইরহাটে ব্যবসা করে আসছিলেন। তার স্ত্রী এবং একটি ছেলে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%