ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৩৭ মাসের কারাবন্দি ইমরানকে মুক্ত করতে পারবেন আফ্রিদি?


৩৭ মাসের কারাবন্দি ইমরানকে মুক্ত করতে পারবেন আফ্রিদি?

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতা এবং খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি বর্তমানে দলের ও জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ইসলামাবাদমুখী আন্দোলনে দলের কর্মী-সমর্থকদের সংগঠিত করার গুরুদায়িত্ব ৩৭ বছর বয়সী এই নেতার ওপর বর্তিয়েছে, যিনি প্রায় ৩৭ মাস ধরে কারাবন্দি রয়েছেন।

আফ্রিদি আগামী ৪ অক্টোবরের ইসলামাবাদমুখী দীর্ঘ মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচি এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে প্রকাশ্য বিরোধেও জড়িয়ে পড়েছেন। তবে আফ্রিদি এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন যে, কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়া আত্মসমর্পণ নয়, বরং এটি রাজনৈতিক কৌশলের অংশ। তিনি ঘোষণা করেছেন, ৪ অক্টোবর যেকোনো পরিস্থিতিতে মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা জানাচ্ছে, ইমরান খান কারাগারে থাকায় পিটিআইয়ের আন্দোলন সংগঠনের ক্ষেত্রে আফ্রিদির ভূমিকা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে থাকা ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পিটিআইয়ের এটি হবে দ্বিতীয় বড় ইসলামাবাদমুখী মিছিল। দলের দাবি, ইমরানকে মুক্তি দিতে হবে এবং তার রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকেই আসতে পারে জ্বালানি তেলের পরবর্তী বড় ধাক্কা

সোহেল আফ্রিদির জন্ম ১৯৮৯ সালের ১২ জুলাই খাইবার পাখতুনখোয়ার বারায়। তিনি পেশোয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং পিটিআইয়ের ছাত্রসংগঠন ইনসাফ স্টুডেন্টস ফেডারেশনের মাধ্যমে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি বারার একটি আসন থেকে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পিটিআইকে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ না দেওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। ২০২৫ সালের অক্টোবরে আলী আমিন গান্দাপুরের পদত্যাগের পর ইমরান খানের সমর্থনে তিনি খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

আফ্রিদি প্রদেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী মুখ্যমন্ত্রী এবং সাবেক উপজাতীয় অঞ্চল থেকে উঠে আসা প্রথম ব্যক্তি যিনি এ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।

আগস্টে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ইমরান খানকে শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দিলেও সরকার তাকে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে নেয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে আফ্রিদি আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগ তোলেন এবং বলেন, "যদি বিচারকদের আদেশ কার্যকর না হয়, তবে পাকিস্তান ‘কলা প্রজাতন্ত্রে’ পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।"

এরপর তার বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর তার বৈধতা নিয়ে আদালতে আবেদন করা হয়। একই দিনে সন্ত্রাসবিরোধী আদালত তার পাসপোর্ট আটকের নির্দেশ দেয়। পরবর্তীতে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ৪ অক্টোবরের মার্চে প্রাদেশিক সরকারের সম্পদ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেয়। পাশাপাশি, প্রাদেশিক সরকারের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করে মিছিল আয়োজনের বিষয়ে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট সতর্ক করেছে।

আরও পড়ুন: রাজপরিবারের সঙ্গে দূরত্ব ঘোচাতে চান প্রিন্স হ্যারি

তবে আলজাজিরা জানাচ্ছে, ইমরান খানের মুক্তির জন্য আইনি পথের বিভিন্ন উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর আগস্টে আফ্রিদি ইসলামাবাদমুখী মিছিলের ঘোষণা দেন। পরে ইমরানের বোনদের আটক, মিছিল ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং খাইবার পাখতুনখোয়া থেকে রাজধানীতে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

ইমরানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ না পেলেও আফ্রিদি তার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। ইমরানের বোন উজমা খান জানিয়েছিলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমরান তাকে আফ্রিদিকে আন্দোলন আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দিতে বলেছিলেন।

এদিকে আফ্রিদির নেতৃত্ব ও পিটিআইয়ের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় নিয়ে দলের ভেতরেও বিভিন্ন মত রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইমরান খানের অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্বে একটি শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তবে সাবেক পিটিআই নেতা আসাদ উমর এ ধরনের সংকটের ধারণা নাকচ করে দিয়ে দাবি করেছেন যে, দলীয় নেতৃত্বে ধারাবাহিকতা রয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নরের শাসন জারির সম্ভাবনাও নাকচ করেননি। তবে পিটিআই নেতারা এ ধরনের পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছেন। এর মধ্যেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আফ্রিদি। তার বক্তব্য, মিছিলের দিন পরিস্থিতি যাই হোক, তিনি নিজেই এর নেতৃত্ব দেবেন। ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ৪ অক্টোবরের কর্মসূচি তার রাজনৈতিক ভূমিকার বড় পরীক্ষা হবে।

আরও পড়ুন: মোদি: ভারত ভাঙার চক্রান্ত ব্যর্থ করতে হবে

ইসলামাবাদমুখী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় সরকার ও পিটিআইয়ের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ফলে আফ্রিদির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আন্দোলনে বিপুলসংখ্যক সমর্থককে শান্তিপূর্ণভাবে মাঠে নামানো। দলের নেতারাও মার্চের সাফল্য কীভাবে মাপা হবে, তা নিয়ে একমত নন। কেউ বড় জমায়েত ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে সাফল্যের মানদণ্ড বলছেন, আবার কেউ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়াকেই সাফল্য হিসেবে দেখছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আন্দোলনের অংশ হিসেবে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আন্দোলনের অংশ হিসেবে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তির দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছে। তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক কার্যক্রমও বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছেন। আন্দোলন চলাকালীন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও কার্যকর প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত তারা তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটায় কলেজ ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থীরা তাদের এই ঘোষণা দেন। আন্দোলনের তৃতীয় দিনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কলেজের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহাদ ফয়সল ও তানভীর মাহমুদ।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত হওয়ায় তাদের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির স্বকীয়তা, একাডেমিক পরিবেশ ও পেশাগত মানোন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তারা বলেন, উচ্চশিক্ষায় বিদ্যমান দ্বৈত প্রশাসন এবং দীর্ঘদিনের বৈষম্যের কারণে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোতে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে।

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে মুক্ত করার দাবি তাদের মূল লক্ষ্য। শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘ আন্দোলন, আমরণ অনশন এবং ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের পর ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট শিক্ষা উপদেষ্টার নির্দেশে একটি পাঁচ সদস্যের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা, ক্যাম্পাস পরিদর্শন এবং বিভিন্ন মতামতের ভিত্তিতে একটি সুপারিশভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরি করে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি ওই সুপারিশ নিয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের সভায় সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ‘ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, সাস্ট’ বা আইইটি সাস্ট হিসেবে গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে যে, এখনও সেই সিদ্ধান্তের দৃশ্যমান বাস্তবায়ন হয়নি।

এদিকে, সম্প্রতি কলেজের একটি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদে দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েও শিক্ষার্থীরা আপত্তি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের একাডেমিক ও গবেষণা পটভূমি ওই পদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তবে এ অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

শিক্ষার্থীরা জানান, এর প্রতিবাদে গত রবিবার তারা ক্যাম্পাসে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় প্রশাসনিক ভবনে অবস্থানরত শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তানভীর মাহমুদ বলেন, মানবিক দিক বিবেচনায় শিক্ষকদের প্রশাসনিক ভবন থেকে মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। তবে তারা ক্যাম্পাসেই অবস্থান করছেন।

শিক্ষার্থীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১৪ জন শিক্ষক ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন। তাদের কেউ লাইব্রেরিতে, কেউ গেস্ট হাউসে আছেন।

তানভীর মাহমুদ আরো বলেন, প্রতিষ্ঠার তিন বছর পর কলেজটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। গত ১৬-১৭ বছরে তারা নানা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করলেও তাদের সেই অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা নেই বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, ‘আমাদের এখানে সান্ধ্যকালীন প্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা করা একজনকে এনে বিভাগীয় প্রধান করা হয়েছে। আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে।’

আমি

এর আগে আন্দোলনের দ্বিতীয় দিনে সোমবার শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধিদল জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে। পরে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ক্যাম্পাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ভবিষ্যতে কলেজটিকে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের বিষয়ে ইতিবাচক মত দিয়েছেন। তবে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে আগে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ থেকে কলেজটিকে মুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ইনস্টিটিউট কাঠামোয় নেওয়ার দাবি তাদের।

শিক্ষার্থীরা বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও কার্যকর প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। আন্দোলন চলাকালে মন্ত্রণালয় থেকে কোনো প্রশাসনিক রদবদল বা সংশ্লিষ্ট আদেশ দেওয়া হলেও তা মেনে নেবেন না বলে জানান তারা।

এ বিষয়ে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাঈদা পারভীন বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, জেলা প্রশাসকসহ কর্মকর্তারা ক্যাম্পাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বক্তব্য শুনেছেন। তবে কোনো সমাধান হয়নি। শিক্ষার্থীরা একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন, সেটি মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসার আড়ালে মাদক কারবারের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো. ফারুক হোসেন টঙ্গী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসার আড়ালে মাদক কারবারের অভিযোগ

 

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী এলাকার ব্যাংকের মাঠ বস্তিতে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসাকে সামনে রেখে মাদক কারবার পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাঝেমধ্যে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হলেও কথিত মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত মূল ব্যক্তিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। এতে মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগে আরফিনা বেগম ওরফে ‘বড় আপা’র নাম উঠে এসেছে। তাদের দাবি, গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে একটি মাদকচক্র সক্রিয় রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, কোনো কোনো মাদকবিরোধী অভিযান সম্পর্কে আগেই সংশ্লিষ্টদের কাছে তথ্য পৌঁছে যায়। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান শুরুর আগেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান বলে দাবি স্থানীয়দের। এ ধরনের অভিযোগ সত্য হলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিভিন্ন সময় বিরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। এর প্রভাব পড়ছে স্থানীয় পরিবেশ ও জননিরাপত্তার ওপর। তবে এসব ঘটনার সঙ্গে মাদক কারবারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মাদক বিস্তারের কারণে শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিই নয়, পরিবার ও সামাজিক পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, মাদককে কেন্দ্র করে চুরি, ছিনতাই, মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

এদিকে মাদক কারবারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টরা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন—এমন অভিযোগও রয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। বাড়ি, গাড়িসহ বিভিন্ন সম্পদের বিষয়ে এলাকায় আলোচনা থাকলেও এসব সম্পদের প্রকৃত উৎস সম্পর্কে স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছোট পর্যায়ের ব্যক্তিদের আটক করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। মাদকের সরবরাহব্যবস্থা, পৃষ্ঠপোষকতা ও অর্থের উৎস শনাক্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযান সম্পর্কে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ থাকলে সেটিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আরফিনা বেগমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ব্যাংকের মাঠ বস্তিতে মাদকের বিস্তার রোধে নিয়মিত নজরদারি, কার্যকর মাদকবিরোধী অভিযান এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তাদের প্রত্যাশা, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরলেন চরমোনাই পীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরলেন চরমোনাই পীর

চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটতরাজ, গুম-খুন এবং অন্যান্য সামাজিক অনাচার বৃদ্ধি পেলেও, এসব বন্ধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর)। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে মানুষ মুক্তির প্রত্যাশা করেছে। কিন্তু প্রচলিত নীতির কারণে দেশের পরিচালনায় জনগণের ভাগ্যের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি এভাবে চলতে থাকে, তাহলে স্বাধীনতার হীরকজয়ন্তী বা শতবর্ষ উদযাপন করলেও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে না।

মঙ্গলবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চরমোনাই পীর আরও বলেন, জনগণ বিভিন্ন দলকে ক্ষমতায় বসিয়ে পরীক্ষা করেছে। কিন্তু বিদ্যমান নীতির মাধ্যমে কেউই সমাজ ও রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়নি। তিনি নির্বাচনী ইশতেহার ভুলে গিয়ে মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার অভিযোগও করেন।

তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নীতির প্রশ্নে কখনো আপস করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। মানুষের প্রত্যাশা, ইসলামী আন্দোলনের হাত ধরেই দেশে নীতির পরিবর্তন আসবে।

সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, দলের শীর্ষ নেতারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ৫ আগস্টের পর রাজনীতিতে চাঁদাবাজি ও ধোঁকাবাজির ধারা থাকবে না বলে তারা আশা করেছিলেন, তবে বাস্তবে তা দেখা যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপি সরকার এখনো তালবাহানা করছে। এভাবে চলতে থাকলে জনবিস্ফোরণ ঘটতে সময় লাগবে না। গাজী আতাউর রহমান জানান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো গোপন এজেন্ডা নেই। দলটি প্রকাশ্যেই জানিয়েছে, তারা দেশে ইসলামী শরিয়াহ বাস্তবায়ন করতে চায়।

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান যে, প্রতিটি ওয়ার্ডে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, শরিয়াহর পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে হবে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ওয়ার্ডগুলো থেকেই শরিয়াহর বিজয় শুরু হবে।

ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, তারা ভিশন ও মিশন নির্ধারণ করেই এগিয়ে যাচ্ছেন। জনগণ যদি তাদের নির্বাচিত করে, তাহলে ঢাকা মহানগরকে স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আরিফুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি জি এম রুহুল আমীন, আলহাজ্ব এম এইচ মোস্তফা, আলহাজ্ব আবদুর রাজ্জাক, মহানগর উত্তর সহসভাপতি মাওলানা তাজুল ইসলাম, অধ্যক্ষ জিল্লুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল ইসলাম নাঈম এবং মাওলানা ফরিদুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একনেকে ১৩ উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ১৬ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


একনেকে ১৩ উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ১৬ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে, যার মোট ব্যয় ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এই অনুমোদন প্রদান করা হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ১১৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ৫ হাজার ২৫২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৮২ কোটি ২৮ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৮টি নতুন, ৩টি সংশোধিত এবং ২টি মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; মহিলা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন; ভূমি মন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু; শিল্প, বস্ত্র ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন; সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি; বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

একনেক সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প হলো “Integrated Health System Response to Fight Against TB, HIV/AIDS and Malaria In Bangladesh” এবং “পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন, পটুয়াখালী (১ম সংশোধিত)”। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প হলো “ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২ (এফএসএসপি-২)”। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প হলো “চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে বিদ্যমান শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ এবং মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতিষ্ঠান রৌফাবাদ, চট্টগ্রাম-এ হোস্টেল ভবন সম্প্রসারণ ও সক্ষমতা”।

পানি মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প হলো “মুসাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী এবং বামনী নদী অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন (অংশ-১)” এবং “মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলাধীন শিবপুর, ধনিয়া ও মেদুয়া এলাকা রক্ষা”। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প হলো “ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপের মাধ্যমে ৩টি সিটি কর্পোরেশন, ১টি পৌরসভা এবং ২টি গ্রামীণ উপজেলায় ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি স্থাপন প্রকল্প (২য় সংশোধিত)”。

স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প হলো “রংপুর বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্প” এবং “মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (৩য় সংশোধন)”। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প হলো “হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম পর্যায়) (৩য় সংশোধন)”। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প হলো “র‍্যাব (এসআরবি)-এর কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (২য় সংশোধিত)”। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প হলো “ফেনী জেলার সোনাগাজীতে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে ভূমি অধিগ্রহণ” এবং “তিনটি পার্বত্য জেলায় বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ”।

একনেক সভায় পরিকল্পনামন্ত্রীর নিজস্ব ক্ষমতাবলে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত ১৫টি প্রকল্প সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। এই প্রকল্পগুলো অন্তর্ভুক্ত হলো- বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নির্ঝর ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বিদ্যমান ৩ তলা ভবনের উপর ৪র্থ, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলার ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ (৬ তলার ভিত) প্রকল্প; বিমান বাহিনী ঘাঁটি কুর্মিটোলা ঢাকায় বিদ্যমান বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষাদান সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প; আলীকদম সেনানিবাসে আলীকদম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন (২য় পর্ব) প্রকল্প; ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দনকরণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প; ১০ জেলায় বিএসটিআইর আঞ্চলিক কার্যলয় স্থাপন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প; রূপসা ৮০০ মে. ওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প (১ম সংশোধিত); মিরপুর ইউসেপ-শ্রম ও কর্মসংস্থান ইনস্টিটিউট স্থাপন এবং মানসম্পদ উন্নয়ন (১ম সংশোধিত); ক্লাইমেট-স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়ার্টার ম্যানেজমেন্ট (সিএসএডাব্লিউএম) (বাপাউবো অংশ) প্রকল্প (১ম সংশোধিত); কুড়িগ্রাম জেলার কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ী উপজেলাধীণ ধরলা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণসহ বাম ও ডান তীর সংরক্ষণ (২য় সংশোধন); হবিগঞ্জ জেলার বিবিয়ানী বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহের সম্মুখে কুশিয়ারা নদীর উভয় তীর প্রতিরক্ষা (২য় সংশোধন) প্রকল্প; ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সড়ক উন্নয়ন ও ড্রেনেজ নেটওয়ার্কসহ নাগরিক সেবা উন্নতকরণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প; সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প (২য় সংশোধিত) প্রকল্প; বাংলাদেশের ২৩টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প (জিওবি আইডিবি) (২য় সংশোধিত) প্রকল্প; ভূয়াপুর-তারাকান্দি জেলা মহাসড়ক (জেড-৪৮০১) যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ভূপৃষ্ঠস্থ পানি পরিশোধপূর্বক পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ ও নিরাপদ স্যানিটেশন প্রকল্প।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%