বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫১ পি.এম
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন, অসাম্প্রদায়িকতা ও ঐক্যবোধ আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির অন্যতম শক্তি। তিনি জানান, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘকাল ধরে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম ও বিশ্বাস স্বাধীনভাবে পালন করে আসছে। সকল ধর্মের মূল বাণী মানবকল্যাণ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এই মানবকল্যাণে নিয়োজিত হতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার, শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। তিনি বাংলাদেশের সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি শুভ জন্মাষ্টমী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন একজন পরোপকারী, দক্ষ রাজনীতিক এবং সমাজ সংস্কারক। তিনি পৃথিবীতে এসেছিলেন সত্য, ন্যায়, মানবতা ও কল্যাণের প্রতীক হয়ে। যেখানে অন্যায়-অবিচার, সেখানেই শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়েছেন আপন মহিমায়।
শ্রীকৃষ্ণ সর্বদা মানবতা ও সত্যের পথ খুঁজেছেন। তাঁর ভাব ও দর্শন হিন্দু সমাজ ও সংস্কৃতিতে গভীরভাবে প্রোথিত, যা যুগ যুগ ধরে মানুষকে মানবিক, পরোপকারী ও অন্যের প্রতি সহমর্মী হতে অনুপ্রাণিত করে আসছে। রাষ্ট্রপতি জানান, বর্তমানে বিশ্বের নানা প্রান্তে ধর্মীয় কারণে মানুষে-মানুষে সংঘাত, হানাহানি ও বিভেদ বাড়ছে। এই সংকট মোকাবেলায় সকলকে ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে।
এ ক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণের দর্শন থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের একটি অসাম্প্রদায়িক ও ঐক্যবদ্ধ সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে। রাষ্ট্রপতি সকলের প্রতি আহ্বান জানান, পরোপকারের মহান ব্রত নিয়ে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসার জন্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি সবার অংশগ্রহণে আনন্দময় ও উৎসবমুখর হয়ে উঠবে।
রাষ্ট্রপতি আশা করেন, এ উৎসব সমাজে বিদ্যমান ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যকে আরো সুদৃঢ় করবে। তিনি বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে—শুভ জন্মাষ্টমীর এই ক্ষণে এ প্রত্যাশা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ভারতীয় ওষুধসহ এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে নেপা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাংগা গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে জাকারিয়া (২৯) এবং তাঁর স্ত্রী পারভীন খাতুন (১৯)।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে নেপা গ্রামের আব্দুল মালেকের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পালানোর চেষ্টা করার ফলে ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া জাকারিয়া ও তাঁর স্ত্রী পারভীন খাতুনকে আটক করা সম্ভব হয়।
পরে বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখা ৬ হাজার ৭০০ পিস ভারতীয় অবৈধ ও বিক্রয় নিষিদ্ধ ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলজাতীয় ওষুধ উদ্ধার করা হয়।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান এ বিষয়ে নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ মাদক ও মাদকজাতীয় বিক্রয় নিষিদ্ধ অবৈধ ওষুধের চোরাচালান দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সদর উপজেলার দলুগাজীর মোড় এলাকায় সিকদার পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এটি পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের একটি দুর্ঘটনা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. আতিক (৩২)। তিনি সদর উপজেলার লাউকাঠী ইউনিয়নের জামুরা এলাকার বাসিন্দা এবং মাওলানা আশরাফ হাওলাদারের ছেলে। স্থানীয়ভাবে ব্যবসা করার জন্য পরিচিত ছিলেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে আতিক মোটরসাইকেল নিয়ে মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা সিকদার পরিবহনের একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়।
এ ঘটনায় আতিক মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু ঘটে।
দুর্ঘটনার পর বাসটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে এবং দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটি জব্দ করে। এ সময় মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান বাসসকে জানান, দলুগাজীর মোড় এলাকায় বাসের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, "দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাস ও চালককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।"
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভাষা আন্দোলনের অগ্রপথিক ও প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং তার অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে কুমিল্লায় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে তার নামে একটি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বুক কর্নার’ স্থাপন, জন্মবার্ষিকী পালন, স্মরণিকা প্রকাশ এবং তার ঝাউতলাস্থ বাসভবন সংস্কারের পরিকল্পনা।
এ লক্ষ্যে গঠিত ‘শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি সংরক্ষণ ও পাঠাগার বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর পরিচিতি ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচি প্রণয়ন বিষয়ক সভা গত মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরের কান্দিরপাড় এলাকার দেশপ্রিয় কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।
পরিষদের আহ্বায়ক ড. শাহ মো. সেলিমের সভাপতিত্বে সভার শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। সভার পর মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন সময়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
সভায় বক্তারা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের রাজনৈতিক, সামাজিক ও ভাষা আন্দোলনে অবদানের কথা তুলে ধরেন এবং তার স্মৃতি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা তার জীবন ও কর্ম নিয়ে গবেষণা এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে তার অবদান তুলে ধরার জন্য দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন।
সভায় আগামী ২ নভেম্বর শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ উপলক্ষে স্মরণিকা প্রকাশ, পুস্তক প্রদর্শনী এবং ভারতে অবস্থানরত তার কন্যা মনীষা দত্তকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এছাড়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও কয়েকটি বিদ্যালয়ের পাঠাগারে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের নামে ‘বুক কর্নার’ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের কাছে ভাষা আন্দোলনে তার অবদান তুলে ধরার পাশাপাশি পাঠ্যপুস্তকে ভূমিকা অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
সভায় বর্তমানে অরক্ষিত ও পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ঝাউতলাস্থ বাসভবন সংস্কার ও সংরক্ষণে সরকারের উদ্যোগ কামনা করা হয়।
এছাড়া কুমিল্লায় ভাষা শহীদদের স্মরণে ভাষা ও ভাষা আন্দোলন বিষয়ক একটি গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়।
পরিষদের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে সভায় কয়েকটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়। স্মৃতি রক্ষা ও স্থাপনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মো. মুজাহিদ চৌধুরীকে মনোনীত করা হয়।
অর্থ উপ-কমিটির আহ্বায়ক ড. শাহ মো. সেলিম, জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা বশিরুল আনোয়ার, তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির আহ্বায়ক ড. জে.এন. লিলি এবং গঠনতন্ত্র বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক এবিএম আহসানুল কবিরকে করা হয়েছে। এসব উপ-কমিটিতে আরও সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক শ্যামল কৃষ্ণ সাহা, শেখ আবদুল মান্নান, অধ্যক্ষ তাপস বকসী, মাহবুবুল আলম চপল, অধ্যক্ষ বিধান চন্দ, আতিক সেলিম রুবেল, সুব্রত চৌধুরী তপুসহ নারী নেত্রী অনিমা মজুমদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহের হোসেন বাবুল, অধ্যক্ষ ইমদাদুল হক পলাশ, নারী নেত্রী শাহানা হক, শেখ ফরিদ আহমেদ, অচিন্ত দাস টিটু, অধ্যাপক রাহুল তারুনসহ পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সভাটি সঞ্চালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বশিরুল আনোয়ার।
সভায় জানানো হয়, এসব প্রাথমিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরীর সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ড. শাহ মো. সেলিম বলেন, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের মতো ভাষা আন্দোলনের অগ্রপথিক ও উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদের স্মৃতি সংরক্ষণ কেবল কুমিল্লার নয়, বরং একটি জাতীয় দায়িত্ব। তার জীবন, রাজনৈতিক ভূমিকা এবং ভাষা আন্দোলনে অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
তিনি বৃহত্তর কুমিল্লার বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্মৃতি সংরক্ষণের এই উদ্যোগে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে প্রায় দেড় লাখ পিস ভারতীয় নিষিদ্ধ ‘কোরাজু’ ট্যাবলেটসহ দুই নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একইদিন সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের চাপুর (দেব বাড়ি) এলাকার সুখেন দেবের ছেলে সঞ্জিত দেব (৪৫) এবং নারায়ণ দেবনাথের ছেলে বাবুল দেবনাথ (৪৭)।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানের সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করে সঞ্জিত দেব ও বাবুল দেবনাথের কাছ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ পিস ভারতীয় নিষিদ্ধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ওষুধের আনুমানিক মূল্য ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ