ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল এন্ড কলেজের পুনর্মিলনীর জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু


ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল এন্ড কলেজের পুনর্মিলনীর জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু

ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী-২০২৬ উপলক্ষে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৫ ডিসেম্বর, দীর্ঘ ২১ বছর পর, সব ব্যাচের অংশগ্রহণে স্কুল প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় কলেজ প্রাঙ্গণে নিজে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক এবং স্কুলের ১৯৭৭ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী আবু ছাইদ। এ সময় শতাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

কমিটির সদস্য সচিব ও এপিএসসিএল-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ এনামুল হক জানিয়েছেন, বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এই ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১,৫০০ টাকা এবং পরিবারের সদস্য ও ড্রাইভারদের জন্য ১,২০০ টাকা। ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য কোনো ফি লাগবে না।

আরও পড়ুন: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট যেভাবে আপনাকে প্রতারকদের লক্ষ্য বানায়

তিনি আরো বলেন, এবারের অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের সম্মান জানানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আয়োজক কমিটি প্রাক্তন ও বর্তমান সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষককে অনুষ্ঠানে উপস্থিত করার জন্য নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

আবু ছাইদ সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে রেজিস্ট্রেশনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি শৈশব, বন্ধুত্ব ও স্মৃতির প্রতি ভালোবাসার মিলনমেলা। ‘শেকড়ের টানে, ফিরে আসি প্রিয় প্রাঙ্গণে’— এই স্লোগানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশ থেকে ব্যাপক অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ২০২৩ সালে ৫০ হাজার নারী হতাহত: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ এম


গাজায় ২০২৩ সালে ৫০ হাজার নারী হতাহত: জাতিসংঘ

২০২৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের ফলে গাজায় প্রায় ৫০ হাজার নারী ও তরুণী নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন। জাতিসংঘের নারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এটি উপত্যকার প্রতি ২১ জন নারী ও তরুণীর মধ্যে একজনের সমান।

সংস্থাটির মানবিক কার্যক্রমের প্রধান সোফিয়া কালটরপ জানিয়েছেন, এই সংঘাতে ৩৮ হাজারের বেশি নারী প্রাণ হারিয়েছেন এবং প্রায় ১২ হাজার নারী এমন গুরুতর আহত হয়েছেন যে তাদের আজীবন পঙ্গুত্ব নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি এক বছর আগে কার্যকর হলেও গাজায় সহিংসতা এখনো পুরোপুরি থামেনি। বিশেষ করে গত অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত সেখানে আরও ২৭৭ জন নারী ও তরুণী মারা গেছেন।

সোফিয়া কালটরপ আরও জানিয়েছেন, প্রায় ১০ লাখ নারী ও তরুণীকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে এবং প্রায় সবাই এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় তাঁবুতে বা নিজেদের বাড়ির ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

এছাড়া গাজায় নারীপ্রধান পরিবারের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে গেছে। বর্তমানে সেখানকার প্রতি চারটি পরিবারের একটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন নারীরা।

এদিকে, তহবিলের ঘাটতির কারণে নারী বিষয়ক সংস্থাগুলো মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। জরিপ চালোনো ১৪টি সংস্থার মধ্যে ১৩টিই জানিয়েছে যে, তারা এখন আর ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে পারছে না।

এসব সংস্থার সকলেই জানিয়েছেন যে, ২০২৫ সাল থেকে গাজায় লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, দারিদ্র্য এবং মানসিক স্বাস্থ্য সংকট তীব্রভাবে বেড়েছে এবং ১৩টি সংস্থা বাল্যবিয়ে বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে।

এ কারণে পরিস্থিতি মোকাবিলায় পূর্ণ যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং অপরাধীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘ নারী সংস্থা জোর দাবি জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোহাম্মদপুরে অটোরিকশাচালকদের সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার, যান চলাচল শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ এম


মোহাম্মদপুরে অটোরিকশাচালকদের সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার, যান চলাচল শুরু

মোহাম্মদপুর-বসিলা সড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার পর যান চলাচল শুরু হয়েছে। প্রায় দেড় ঘণ্টার এই অবরোধের পর পুলিশ কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অটোরিকশাচালকরা সড়ক ছেড়ে দেন।

রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় অটোরিকশাচালকরা অবরোধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা সড়ক অবরোধ করেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) তানিয়া সুলতানা জানান, "আমরা অটোরিকশা চালকের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের দাবিগুলো নিয়ে কথা বলেছি। তারা মেইন রোডের কথা বলেছে, আমরা বলেছি তারা যে সড়কে অনুমোদন আছে সেখানেই চলতে হবে। আমরা তাদের বুঝিয়েছি, তারা বুঝতে পেরে অবরোধ তুলে নিয়েছেন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে বন্ধ হলো সেভেন ইলেভেনের ৩১টি স্টোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ এম


ভারতে বন্ধ হলো সেভেন ইলেভেনের ৩১টি স্টোর

ভারতের বাজার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়েছে বিশ্বখ্যাত কনভেনিয়েন্স স্টোর ব্র্যান্ড সেভেন ইলেভেন। স্থানীয় অংশীদার রিলায়েন্স রিটেইল গত ৩০ সেপ্টেম্বর দেশটিতে তাদের সব ৩১টি স্টোর বন্ধ করে দিয়েছে, জানিয়েছে জাপানি মূল প্রতিষ্ঠান সেভেন অ্যান্ড আই হোল্ডিংস। তবে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে ভারতীয় বাজারে আবারও ব্যবসা শুরুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখবে।

গত ৬ অক্টোবর এক বিবৃতিতে সেভেন অ্যান্ড আই হোল্ডিংস স্টোর বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করে। প্রতিষ্ঠানটির অধীনে সেভেন ইলেভেন ভারতের মুম্বাই ও পুনে শহরে কার্যক্রম পরিচালনা করছিল।

ব্র্যান্ডটির যাত্রা শুরু হয় ২০২১ সালের অক্টোবরে। সে সময় রিলায়েন্স রিটেইলের সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তির ভিত্তিতে মুম্বাইয়ে প্রথম স্টোর চালু করা হয়। পরবর্তীতে দেশটিতে স্টোরের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৬০টিতে পৌঁছায়। কিন্তু ব্যবসা সম্প্রসারণের সেই গতি ধরে রাখতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি, এবং একপর্যায়ে স্টোরের সংখ্যা কমে ৩১টিতে নেমে আসে।

কেন পিছিয়ে পড়ল সেভেন ইলেভেন?

ভারতের বাজার থেকে সরে যাওয়ার নির্দিষ্ট কারণ জানায়নি সেভেন অ্যান্ড আই হোল্ডিংস। তবে জাপানের সংবাদমাধ্যম নিক্কেই ও ইয়োমিউরি শিমবুনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়েছিল।

ভারতের খুচরা বাজারের বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে ছোট ছোট পারিবারিক দোকান, যা স্থানীয়ভাবে ‘কিরানা স্টোর’ নামে পরিচিত। এসব দোকান দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন কেনাকাটার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। পণ্যের ধরন, দাম এবং ক্রেতাদের চাহিদার সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এসব দোকানের শক্ত অবস্থান রয়েছে।

অন্যদিকে, সেভেন ইলেভেনের ব্যবসায়িক মডেলে রয়েছে মানসম্মত পণ্য, প্রস্তুত খাবার, পানীয় এবং দ্রুত কেনাকাটার সুবিধা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সফল এই মডেল ভারতের বাজারে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশটির ভোক্তাদের কেনাকাটার অভ্যাস, সরবরাহব্যবস্থা এবং বাজারের বৈশিষ্ট্যও প্রতিষ্ঠানটির জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করে থাকতে পারে।

ভারত থেকে বিদায় কি স্থায়ী?

সব স্টোর বন্ধ হলেও ভারতের বাজারে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেনি সেভেন অ্যান্ড আই হোল্ডিংস। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদে দেশটিতে ব্যবসার উপস্থিতি বাড়ানোর বিভিন্ন বিকল্প তারা খতিয়ে দেখবে।

বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ভারতের গ্রাহকদের সেবা দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা তাদের রয়েছে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে দীর্ঘমেয়াদে বাজারটিতে নিজেদের উপস্থিতি এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন পথ অনুসন্ধান করা হবে।

এদিকে, কানাডাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অ্যালিমেন্টেশন কুশ-টার্ডের অধিগ্রহণের আগ্রহসহ বিভিন্ন করপোরেট চ্যালেঞ্জের মধ্যে সেভেন অ্যান্ড আই হোল্ডিংস নিজেদের বৈশ্বিক ব্যবসায়িক কৌশল পর্যালোচনা করছে। তবে ভারতের স্টোর বন্ধের সিদ্ধান্তের সঙ্গে এসব বিষয় সরাসরি সম্পর্কিত কি না, তা প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করেনি।

বিশ্বজুড়ে ৮০ হাজারের বেশি স্টোর পরিচালনাকারী সেভেন ইলেভেনের জন্য ভারত ছিল সম্ভাবনাময় একটি বাজার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফায়ার সার্ভিসে নতুন বদলি ও পদায়ন নীতিমালা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ এম


ফায়ার সার্ভিসে নতুন বদলি ও পদায়ন নীতিমালা জারি

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি ও পদায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন নীতিমালা জারি করেছে। নতুন নীতিমালার বিধান অনুযায়ী, একই কর্মস্থলে একটানা তিন বছরের বেশি চাকরি করলে কর্মচারীরা বদলিযোগ্য হবেন। তবে প্রশাসনিক কারণে বদলির ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য হবে না।

গত ৮ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অগ্নি-১ শাখা থেকে ‘অগ্নি নির্বাপণ ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা অধিদপ্তরের কর্মচারীদের বদলি ও পদায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ জারি করা হয়েছে। এই নীতিমালায় স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। নীতিমালাটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নতুন নীতিমালায় ২০২৩ সালের বদলি ও পদায়ন নীতিমালা (সংশোধিত ২০২৪) বাতিল করা হয়েছে। অধিদপ্তরের অস্থায়ী ও স্থায়ী পদে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি অন্যত্র প্রেষণ বা লিয়েনে নিয়োজিত কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও এর শর্ত প্রযোজ্য হবে। তবে উন্নয়ন প্রকল্পে চুক্তিভিত্তিক, আউটসোর্সিং বা দৈনিক হাজিরাভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে এই নীতিমালার শর্ত মানার বাধ্যবাধকতা থাকবে না।

নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, পঞ্চম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মচারীদের বদলি ও পদায়ন মন্ত্রণালয় নিষ্পত্তি করবে। ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই দায়িত্ব পালন করবে অধিদপ্তর। বদলির আবেদন বিবেচনায় জ্যেষ্ঠতা, শৃঙ্খলা ও দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

১২তম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কোনো কর্মচারীকে নিজ জেলায় বদলি বা পদায়ন করা যাবে না। তবে ১৩তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের নিজ উপজেলা বাদে নিজ জেলার মধ্যে স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি দপ্তর বা স্টেশনে পদায়ন করা যাবে।

নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে, নিজ বিভাগের অন্য জেলায় এবং সেখানে সম্ভব না হলে পার্শ্ববর্তী বিভাগের স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি দপ্তর বা স্টেশনে বদলি করা যাবে। একই কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি কর্মরত থাকলে সাধারণভাবে কর্মচারীরা বদলিযোগ্য হবেন। এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এবং হাওর, দ্বীপ ও চর উপজেলায় স্থায়ী অধিবাসী নন, এমন কর্মচারীদের ক্ষেত্রে চাকরির মেয়াদ দুই বছরের বেশি হলে বদলি বা পদায়নের বিধান রাখা হয়েছে। তবে প্রশাসনিক কারণে বদলির ক্ষেত্রে এসব মেয়াদসংক্রান্ত শর্ত প্রযোজ্য হবে না।

স্টেশন অফিসার বা সমমানের পদ থেকে তদূর্ধ্ব পদের কর্মচারীদের নিজ জেলায় বদলি বা পদায়ন করা যাবে না। তবে মহানগর বা সিটি করপোরেশন এলাকায় পদায়নের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য হবে না। এ ক্ষেত্রে সমগ্র চাকরিজীবনে একজন কর্মচারীকে সর্বোচ্চ দুইবার এ ধরনের বদলি বা পদায়ন করা যাবে।

জনস্বার্থে বদলির ক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় যেকোনো দপ্তর বা স্টেশনে কর্মচারীকে বদলি বা পদায়ন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ বদলির শর্ত প্রযোজ্য হবে না। তবে প্রশাসনিক কারণে বদলি করা হলে তিন বছরের মধ্যে বদলি বা পারস্পরিক বদলির জন্য আবেদন করা যাবে না।

নিজস্ব স্বার্থে বদলির ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ সুবিধাও রাখা হয়েছে। স্বামী-স্ত্রী দুজন চাকরিজীবী হলে তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একই কর্মস্থলে বা কাছাকাছি জেলা কিংবা উপজেলায় পদায়নের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করতে হবে।

কর্মচারী নিজে অথবা তার বাবা-মা, স্বামী-স্ত্রী কিংবা সন্তানের দুরারোগ্য ব্যাধির ক্ষেত্রে চিকিৎসার সুবিধার্থে উপযুক্ত স্থানে বদলি বা পদায়নেও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

অবসরোত্তর ছুটি শুরু হতে ১৩ মাসের কম সময় বাকি থাকলে জনস্বার্থ বা প্রশাসনিক প্রয়োজনে অত্যাবশ্যক না হলে কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্মচারী দায়িত্ব পালনে অনুপযুক্ত বা অক্ষম বিবেচিত না হলে আবেদন ছাড়া অন্য কর্মস্থলে বদলি করা যাবে না।

পেনশন-সংক্রান্ত সুবিধার জন্য অবসরোত্তর ছুটি শুরুর ১৩ মাস আগে নিজ জেলা বা আবেদিত জেলায় বদলির সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে জনস্বার্থ ব্যাহত হওয়ার বা প্রশাসনিক অসুবিধা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকলে এসব সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।

মানবিক বা অন্য কোনো কারণে বদলি বা পদায়নের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য মহাপরিচালকের কাছে সমগ্র চাকরিজীবনে অবসর ব্যতীত সর্বোচ্চ দুইবার আবেদন করা যাবে।

একই পদে কর্মরত দুজন কর্মচারীর সন্তোষজনক চাকরির রেকর্ড ও উভয়ের সম্মতিসূচক স্বাক্ষর থাকলে পারস্পরিক বদলির সুযোগ থাকবে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ বদলি ও পদায়নের শর্তও অনুসরণ করতে হবে।

নবনিযুক্ত কর্মচারীদের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে জনবলস্বল্পতাসম্পন্ন বিভাগে পদায়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান রয়েছে।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মচারীদের পদায়নের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে কর্মক্ষেত্র পরিবর্তন করতে হবে। অন্যদিকে, লিয়েন, প্রেষণ বা শিক্ষাছুটি শেষে অধিদপ্তরে যোগদান করলে পূর্বের কর্মস্থল ছাড়া অন্যত্র পদায়ন করতে হবে। শিক্ষাছুটি থেকে ফেরা কর্মচারীদের অর্জিত জ্ঞান ও প্রশিক্ষণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মস্থলে পদায়নে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

অধিদপ্তরের সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতা, বিশেষায়িত ইউনিট পরিচালনা এবং অপারেশনাল ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে কোনো কর্মচারীকে এক বছরের জন্য সংযুক্ত করা যাবে।

জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ এ মেয়াদ আরও সর্বোচ্চ এক বছর বাড়াতে পারবে। তবে প্রশাসনিক শৃঙ্খলাজনিত কারণে বদলি হওয়া কর্মচারীকে তিন বছরের মধ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ বা দক্ষতা উন্নয়নের উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোনো সংযুক্তি দেওয়া যাবে না।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, বদলি ও পদায়নের প্রস্তাব অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)-এর মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে উপস্থাপন করতে হবে।

নীতিমালা বাস্তবায়নে কোনো অসুবিধা দেখা দিলে বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%