বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৩৯ এম
উৎপাদনে বাড়তি খরচ, আর্থিক সংকট এবং বাজারের প্রতিযোগিতার কারণে খুলনা অঞ্চলের লবণ মিলগুলো একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এক সময় ৩২টি মিল সক্রিয় ছিল, বর্তমানে টিকে আছে মাত্র নয়টি। এই মিলগুলোতেও নিয়মিত উৎপাদন না হওয়ার ফলে শ্রমিকদের কাজ ও আয় কমে যাচ্ছে।
উদ্যোক্তারা শিল্পটি পুনরুজ্জীবিত করতে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর, সহজ শর্তে ঋণ এবং আধুনিকায়নে সহায়তা চাচ্ছেন। তাদের মতে, অপরিশোধিত লবণ আমদানির সুযোগ থাকলেও এই সুবিধা দীর্ঘমেয়াদী সংকট সমাধান করবে না। কাঁচামাল সংগ্রহ, পরিবহন, পরিশোধন এবং বাজারজাতকরণের ব্যয় কমানো প্রয়োজন। স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করা জরুরি।
ভৈরব নদীর তীরে গড়ে ওঠা লবণ কারখানাগুলো ভোজ্য এবং শিল্প লবণ উৎপাদন করে, যা নদীপথে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাজারে পৌঁছায়। তবে বাড়তি ব্যয়ের চাপের কারণে সেই বাজার ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
পুরবী সল্টের ম্যানেজার আখিল হোসেন জানিয়েছেন, কক্সবাজার থেকে কাঁচামাল আনতে বাড়তি পরিবহন খরচ বহন করতে হয়। অনিয়মিত সরবরাহ এবং পরিশোধনের ব্যয় যুক্ত হওয়ায়, যদিও সক্ষমতা রয়েছে, নিয়মিত উৎপাদন চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। কারখানাগুলো আধুনিকায়নেও পিছিয়ে রয়েছে।
উদ্যোক্তাদের মতে, ভ্যাকুয়াম পদ্ধতিতে লবণ উৎপাদনে বড় বিনিয়োগের প্রয়োজন, কিন্তু আর্থিক সংকটে থাকা স্থানীয় অনেক প্রতিষ্ঠানের সেই সামর্থ্য নেই। গ্যাসের অভাবও একটি বাধা হিসেবে কাজ করছে। ফলে বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে খুলনার মিলগুলো।
রমনা সল্টের স্বত্বাধিকারী সালাহ উদ্দিন আহমেদ কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ও আনুষঙ্গিক ব্যয় কমানোর দাবি জানিয়েছেন। তার মতে, সহজ শর্তে ঋণ এবং সাশ্রয়ী জ্বালানির ব্যবস্থা করা গেলে উদ্যোক্তাদের সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করা সম্ভব।
পুরবী সল্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কামরুল ইসলাম আধুনিকায়নে বিনিয়োগের সংকটের কথা তুলে ধরেন। তিনি মনে করেন, স্থানীয় মিলগুলোর উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নত করা প্রয়োজন, যাতে তারা বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।
শ্রমিকদের সংসারে এই শিল্পের সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়ছে। কারখানায় গুদাম থেকে কাঁচা লবণ বহন, পরিশোধনের যন্ত্রে দেয়া এবং প্যাকেটজাত করার কাজ চললেও আগের কর্মব্যস্ততা নেই। এক সময় যেখানে শতাধিক শ্রমিক কাজ করতেন, বর্তমানে সেখানে হাতে গোনা কয়েকজন কাজ করছেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ, মাসে ১৫ দিনও কাজ পাওয়া যায় না। কাজের সঙ্গে আয় কমে যাওয়ায় সংসারের খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। যদি চলমান মিলগুলোও বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তাদের জীবিকা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
রাজাপুর সল্ট কারখানার শ্রমিক আবুল হাসান জানিয়েছেন, আগে মাসে ২৫ দিন কাজ থাকতো, কিন্তু এখন মাসে ১৫ দিনও কাজ মেলে না। কাজ কমে যাওয়ায় আয়ও কমেছে এবং সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
একই মিলের আরেক শ্রমিক হারুনুর রশীদ বলেন, গত কয়েক বছরে ভৈরব নদীর তীরে বেশ কয়েকটি লবণ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আগে এসব মিলে তিন হাজারের বেশি শ্রমিক কাজ করতেন, কিন্তু কিছু মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকের সংখ্যা নেমে এসেছে কয়েকশ’তে। বর্তমানে চালু থাকা মিলগুলোতে নিয়মিত কাজ না থাকায় পরিবারের খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি আশা করেন, কারখানায় উৎপাদন বাড়লে কাজের সুযোগও বাড়বে।
গফুর হাওলাদার নামের আরেক শ্রমিক বলেন, ‘আমরা তো আর কোনো কাজ জানি না। ৮-১০ বছর ধরে লবণ ফ্যাক্টরিতেই কাজ করছি। এখন যদি কাজ বন্ধ হয়ে যায়, আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) খুলনা অঞ্চলের লবণ শিল্পের সংকট স্বীকার করছে। সংস্থাটির খুলনার উপ-মহাব্যবস্থাপক গোলাম সাকসায়েন জানান, উদ্যোক্তাদের সমস্যা সরকারের উচ্চপর্যায়ে তুলে ধরা হবে। তিনি সহায়তা ও সংকট সমাধানে উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দেন।
গোলাম সাকসায়েন বলেন, ‘আমরা নিয়মিত উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। তাদের সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা মাঝে মধ্যেই মতবিনিময় করি। তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। ঋণ বা অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বাড়াতে আমরাও চেষ্টা করছি। এজন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের উদ্যোগ নেব। আশা করছি খুলনা অঞ্চলের লবণ শিল্প আবারও হারানো দিনের ঐতিহ্য ফিরে পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হোবার্ট হারিকেন্স বিগ ব্যাশে রিশাদ হোসেনের অসাধারণ পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে তাকে আগামী আসরের জন্য দলে ধরে রেখেছে। অস্ট্রেলিয়ার এই ফ্র্যাঞ্চাইজির দলের হাই পারফরম্যান্স মহাব্যবস্থাপক স্যালিয়ান বিমস জানিয়েছেন, হোবার্ট রিশাদকে ফেরাতে আগ্রহী ছিল।
বিগ ব্যাশের ১৬তম আসর আগামী ১২ ডিসেম্বর শুরু হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে ২৪ বছর বয়সী রিশাদের অস্ট্রেলিয়ায় যোগ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
গত মৌসুমে বিগ ব্যাশে অভিষেকেই রিশাদ তার সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। তিনি ১২ ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে হোবার্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে মৌসুম শেষে তিনি দলের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার অর্জন করেন।
হোবার্টের দলে ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার অ্যাডাম জ্যাম্পা রয়েছেন। দু'জন বিশেষজ্ঞ লেগ স্পিনারকে একসঙ্গে খেলানোর পরিকল্পনা নিয়ে কিছু প্রশ্ন থাকলেও, রিশাদের সামর্থ্যে দলের আস্থা রয়েছে।
বিমসের মতে, রিশাদের ফিরে আসার দৃঢ় ইচ্ছা নতুন চুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি মনে করেন, দু'জনের বোলিংয়ের ধরন আলাদা হওয়ায় প্রতিপক্ষ ও কন্ডিশনের ভিত্তিতে দল বাড়তি বিকল্প পাবে।
এবার হোবার্টে রিশাদের সতীর্থ হিসেবে থাকবেন শাই হোপ, টিম ডেভিড, ন্যাথান এলিস ও রাইলি মেরেডিথের মতো ক্রিকেটাররা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা তীব্র আকার ধারণ করেছে। দেশটির সেনাবাহিনী দাবি করেছে, এই সংঘর্ষে অন্তত ২০০-এর বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত ও আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিনভর তাইজ প্রদেশের বিভিন্ন রণাঙ্গনে সংঘর্ষের পাশাপাশি একাধিক বিমান হামলা পরিচালিত হয়। এই হামলাগুলোর ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবরটি আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে।
তাইজ সামরিক কমান্ডের একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রদেশটির রাজধানী তাইজ শহরের পশ্চিমে দুবাব ফ্রন্ট এবং দক্ষিণে আল-আকরুদ ও আল-শাকাব ফ্রন্টে বুধবার সকাল থেকে তীব্র লড়াই শুরু হয়। বিকালের দিকে সংঘর্ষের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পায়।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, আল-মিসরাখ জেলার রাস আল-নাজদ এলাকায় হুথিদের ট্যাংক ও সামরিক যানবাহনের একটি বহর লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এ ছাড়া, বুধবার ভোরে তাইজ শহরের পূর্বাঞ্চলে সোফিতেল পাহাড়ের কাছে হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে দুটি বিমান হামলা করা হয়।
ইয়েমেনের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, বুধবার রাতে শহরের পশ্চিমে দুবাব ফ্রন্টে একটি ট্যাংক ও একটি সামরিক যান লক্ষ্য করে আরও দুটি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। দিনভর সংঘর্ষ ও হামলায় ২০০-এর বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত ও আহত হয়েছেন। এ সময় একটি সামরিক যান ধ্বংস, দুটি ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত, একটি ড্রোন ভূপাতিত এবং সশস্ত্র যানবাহনের একটি বহর ধ্বংস করার কথাও জানায় সরকারি বাহিনী।
তবে, নিহত ও আহতের সংখ্যা এবং সামরিক ক্ষতির এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে হুথিদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে, চলতি মাসের শুরুতে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকা পুনর্দখলের লক্ষ্যে ‘ডন অব ইয়েমেন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার। রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন এলাকা পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত এই অভিযানে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থন প্রদান করছে।
অভিযান শুরুর পর থেকে দেশটির বিভিন্ন রণাঙ্গনে সংঘর্ষ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে তাইজে কৌশলগত অবস্থান ও সরবরাহপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকারি বাহিনী এবং হুথিদের মধ্যে লড়াই তীব্র আকার ধারণ করেছে।
২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়ার পর থেকে ইয়েমেনে সংঘাত চলমান রয়েছে। ২০১৫ সালে সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেতা ও তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে আইনি জটিলতায় পড়েছেন। মামলাটির প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট তার আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি শেষে জামিন আবেদনটি সরাসরি খারিজ করা হয়। আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে সোহমের গ্রেফতার এড়ানোর পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এর আগে, গত জুন মাসে বালুরঘাট জেলা আদালতও এই একই মামলায় তার আগাম জামিন আবেদন খারিজ করেছিল।
আইনজীবীদের মতে, কলকাতা হাইকোর্ট থেকে কোনো ধরনের অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা না পাওয়ায় সোহম চক্রবর্তীর আইনি লড়াই এখন আরও কঠিন ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রো রেল এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের চারটি স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ চলতি মাসেই শুরু হতে যাচ্ছে। এই কাজটি চুক্তি প্যাকেজ-৩-এর আওতায় কমলাপুর, রাজারবাগ, মালিবাগ ও রামপুরা ভূগর্ভস্থ স্টেশনে শুরু হবে।
ঢাকা মাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের (এমআরটি লাইন-১) প্রকল্প পরিচালক মো. সারওয়ার উদ্দিন খান এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, চুক্তি প্যাকেজ-৪-এর আওতায় নতুনবাজার, উত্তর বাড্ডা, বাড্ডা ও আফতাবনগর স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ চলমান রয়েছে। উল্লেখ্য, উত্তর বাড্ডা, বাড্ডা ও আফতাবনগর স্টেশনে এই কাজ শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি।
প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, প্যাকেজ-৬-এর আওতায় বিমানবন্দর, টার্মিনাল-৩ ও খিলক্ষেত স্টেশনে এবং প্যাকেজ-৫-এর আওতায় নর্দা স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ১২টি ভূগর্ভস্থ স্টেশনের আশপাশে ছড়িয়ে থাকা ইউটিলিটি লাইন ও সেবা স্থানান্তর করে একটি ‘ইউটিলিটি কমন করিডরে’ নেওয়া হচ্ছে। এই কাজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড যুক্ত রয়েছে। নির্মাণকাজ চলাকালে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
প্রকল্প কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কিছু কার্যক্রম আগামী বছরের অক্টোবর বা নভেম্বর পর্যন্ত চলতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন।
২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এমআরটি লাইন-১-এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পের আওতায় দুটি রুট নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ১৯ দশমিক ৮৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ বিমানবন্দর রুটে ১২টি স্টেশন থাকবে। এই রুটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের সঙ্গে সংযুক্ত করবে।
অন্যদিকে, ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পূর্বাচল রুটে সাতটি উড়াল ও দুটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন থাকবে। এটি নতুনবাজারকে পূর্বাচলের সঙ্গে যুক্ত করবে।
প্রকল্পের ডিপো নির্মাণের জন্য নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পিতলগঞ্জ মৌজায় ৩৫ দশমিক ৯০ হেক্টর জমির ভূমি উন্নয়নকাজ ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট শেষ হয়েছে। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটি চালু হলে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়বে এবং যানজট কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ