বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১১ পি.এম
চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুম শুরু হওয়ার আগে বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল। ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলির বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে যাওয়ার পথে যুক্তরাজ্যের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দেওয়ার কারণে দলের ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে আর্সেনালের ইতালির ন্যাপলসে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু যুক্তরাজ্যের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সেবাদাতা ন্যাটসের (NATS) সিস্টেমে কারিগরি সমস্যা দেখা দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ে লন্ডন থেকে উড়তে পারেনি তাদের বিমান। কয়েক ঘণ্টা বিলম্বের পর রাতে তারা ইতালির উদ্দেশে রওনা দেয়।
ফ্লাইটের জটিলতার কারণে আর্সেনালের পূর্বনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন ও মিডিয়া কার্যক্রমেও প্রভাব পড়েছে। নাপোলির স্তাদিও দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনায় অনুষ্ঠেয় সংবাদ সম্মেলন এবং অন্যান্য গণমাধ্যম কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে। ইউয়েফার নিয়ম মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে জানা গেছে, এই বিলম্ব দলের ম্যাচ প্রস্তুতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেনি। ফ্লাইটের সময় নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় লন্ডন লুটন বিমানবন্দরের কাছাকাছি নিজেদের অনুশীলন মাঠে ছিলেন আর্সেনালের খেলোয়াড়, কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফরা।
নাপোলির বিপক্ষে ম্যাচে চোটের কারণে ক্রিস্তিয়ান মস্কেরা খেলতে পারবেন না। ৩১ আগস্ট অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে পেশিতে চোট পাওয়ার পর তিনি এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি।
অন্যদিকে, আর্সেনালের জন্য একটি স্বস্তির খবর হলো জুরিয়েন টিম্বার দলের সঙ্গে রয়েছেন। গত মে মাসের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের পর থেকে মাঠের বাইরে থাকা এই ডিফেন্ডার নাপোলির বিপক্ষে ফিরতে পারেন।
গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল আর্সেনাল। এবার তাদের লক্ষ্য হলো আরও এক ধাপ এগিয়ে প্রথমবারের মতো ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জয় করা।
নাপোলির পর চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে আর্সেনালের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে লিল, বায়ার্ন মিউনিখ, স্লাভিয়া প্রাগ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড এবং রিয়াল মাদ্রিদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিত্র দেশগুলোর সহায়তা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অধীনে একটি ঋণের ভিত্তিতে মার্কিন প্রযুক্তিতে নির্মিত প্রায় ১,০০০টি প্যাট্রিয়ট বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ের চুক্তি সম্পন্ন করছে ইউক্রেন। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ‘ইউক্রেন ডিফেন্স কনট্যাক্ট গ্রুপ’-এর বৈঠকে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়েভহেন খমারা এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তবে, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর একটি বড় অংশ আগামী বছরগুলোতে হস্তান্তরিত হবে বলে উল্লেখ করে তিনি সাময়িক ঘাটতি পূরণে জরুরি সামরিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, খমারা পশ্চিমাদের কাছে চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের আবেদন করেছেন, যার বিনিময়ে ইউক্রেন পরবর্তীতে উন্নত কর্মক্ষমতার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে।
বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী খমারা জানান, ড্রোন সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি ইউক্রেনের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বৈঠকে ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিচালনার একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়, যা ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ে কার্যকর হচ্ছে। একই সঙ্গে কিয়েভের দৃষ্টিতে মস্কো থেকে আসা সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। খমারা স্পষ্ট করেন যে, রাশিয়ার বাহিনী ১,২০০ কিলোমিটার বা ৭৫০ মাইল দীর্ঘ যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো কৌশলগত অগ্রগতি অর্জন করতে পারছে না, ফলে তারা সাধারণ ইউক্রেনীয়দের ওপর বিমান হামলা চালিয়ে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ চালাচ্ছে।
মার্কিন শান্তি মধ্যস্থতাকারীদের সফর শেষে সাময়িক বিরতির পর মঙ্গলবার থেকে কিয়েভে আবারও প্রায় নিরবচ্ছিন্ন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে রাশিয়া। রাজধানী কিয়েভে এই হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন এবং অন্যান্য অঞ্চলে ব্যাপক প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা।
এই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সামরিক সহায়তা আরও বৃদ্ধি করা ছাড়া ইউক্রেনের মিত্রদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে। বৈঠকের সময় তিনি মিত্রদের আহ্বান জানান, যেন ইউক্রেন সব রণক্ষেত্রে প্রাপ্ত সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে পারে এবং নিজেদের আকাশসীমা সফলভাবে রক্ষা করতে সক্ষম হয়।
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার সিটি চ্যাম্পিয়নস লিগে এফসি পোর্তোর বিরুদ্ধে বিতর্কিত পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে জয় অর্জন করেছে। প্রথমার্ধে গোলের অভাব থাকলেও, শেষ মুহূর্তে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। শেষে, হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
ম্যাচের সময় মার্ক গুয়েহি, পোর্তোর খেলোয়াড় গ্যাব্রিয়েল ভেইগারকে হেড করার সময় কনুই দিয়ে আঘাত করেন। এই আঘাতে ভেইগা মুখে আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত হয়ে মাঠে পড়ে যান। মারাত্মক কনুইয়ের আঘাত সত্ত্বেও, রেফারি গুয়েহিকে কোনো কার্ড না দেওয়ায় পোর্তোর খেলোয়াড় ও সমর্থকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
প্রথমার্ধের বাঁশি বাজার সাথে সাথেই উত্তেজনা মাঠের টানেলে ছড়িয়ে পড়ে। হাফ-টাইমে ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় দুই দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি এবং বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরবর্তীতে, দুই দলের নিরাপত্তাকর্মীরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
প্রথমার্ধে গোলশূন্য ড্র থাকলেও, দ্বিতীয়ার্ধে এনজো ফার্নান্দেজের ভেসে আসা ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে সিটি এগিয়ে যায় আর্লিং হালান্ডের মাধ্যমে। ম্যাচের শেষের দিকে, হালান্ড নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে সিটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় তিন নম্বরে পৌঁছে যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা শিরোপা জিতে ইউরোপের সেরাদের কাতারে উঠে এসেছে পিএসজি। এবার দলটির লক্ষ্য নিজেদের আরও ওপরে নিয়ে যাওয়া; চ্যাম্পিয়নস লিগের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়।
মৌসুম শুরুর আগেই এই লক্ষ্যের কথা একটু ঘুরিয়ে এভাবে জানিয়েছিলেন পিএসজি অধিনায়ক মার্কিনিওস, “ট্রেবল জেতাই আমাদের লক্ষ্য। তবে আমরা জানি, এটা খুব কঠিন হবে এবং পথে অনেক বাধা আসবে।” আজ মাঠে নামছে পিএসজি, তাদের লক্ষ্য ইউরোপসেরা হওয়া।
এই লক্ষ্যপূরণে সফল হলে পিএসজি একটি জায়গায় রিয়ালের পাশে চলে আসবে। ১৯৯২ সালে নাম বদলে প্রতিযোগিতাটি চ্যাম্পিয়নস লিগ হওয়ার পর এখন পর্যন্ত টানা তিনটি শিরোপা জিতেছে শুধু রিয়াল মাদ্রিদই। ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ মৌসুমে টানা তিন শিরোপা জয়ের রিয়ালের কীর্তি ছুঁয়ে ফেলবে লুইস এনরিকের দল, যদি তারা এবারও শিরোপা জিততে পারে। গতকাল শুরু হওয়া নতুন মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগে চ্যাম্পিয়ন পিএসজির প্রথম ম্যাচ আজ স্লোভান ব্রাতিস্লাভার বিপক্ষে।
স্লোভাকিয়ার দলটির বিপক্ষে নিরংকুশ ফেবারিট পিএসজি। তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগে কোচ লুইস এনরিকে নিশ্চয়ই এই তথ্য শিষ্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দেবেন—উয়েফার প্রতিযোগিতায় সর্বশেষ সাত ম্যাচের একটিতেও হারেনি ব্রাতিস্লাভা; জিতেছে ৫টি, ২টিতে ড্র। যদিও দলটি ইউরোপীয় শক্তিধর দলগুলোর মতো ধারাবাহিক নয়, তার প্রমাণ আগের মৌসুমে প্রতিযোগিতার লিগ পর্বে ৮ ম্যাচের সবকটিতে হার। গোল খেয়েছে ২৭টি।
তবে পিএসজির লক্ষ্য যখন বড়, তখন দলটির জন্য শুধুমাত্র এই ম্যাচ নিয়েই পড়ে থাকার কথা নয়। চার মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে লুইস এনরিকের দল। সর্বশেষ তিন ম্যাচে তারা একটি গোলও হজম করেনি।
পিএসজি দলের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের আক্রমণভাগের গতি। উসমান দেম্বেলে ও খাবিচা কাভারেস্কেলিয়ার নেতৃত্বে তাদের আক্রমণভাগ প্রতিপক্ষের জন্য আতঙ্কের কারণ। দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে আসা আশরাফ হাকিমি ও নুনো মেন্দেসও যোগ করেন বাড়তি গতি ও ধার। মাঝমাঠে ভিতিনিয়ার নেতৃত্বে তিনজনের সমন্বয় পিএসজিকে দিয়েছে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা। শারীরিকভাবে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও বল দখল ও ম্যাচের গতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে তারা।
গত দুই মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দলগুলোর বিপক্ষে ১৮ ম্যাচ খেললেও দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও দুটি উয়েফা সুপার কাপ জিতেছে পিএসজি। তবে এবার তাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হতে পারে ক্লান্তি। গত দুই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১২১টি ম্যাচ খেলেছে পিএসজি। এর মধ্যে ক্লাব বিশ্বকাপের কারণে দুই মৌসুমের মধ্যে বিশ্রাম পেয়েছে মাত্র তিন সপ্তাহ। ২০২৪ সালে দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলেছেন। এবারও বিশ্বকাপের কারণে তাদের গ্রীষ্মের ছুটি স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম হয়েছে।
পিএসজির মাঠে নামার দিন মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুল, আর্সেনাল। তাদের প্রতিপক্ষ ফেইনুর্ড, আতলেতিকো মাদ্রিদ ও নাপোলি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক ম্যাচে ছয় গোল এবং টানা চারটি জয় নিয়ে বাংলাদেশ নারী দল চীনের মাটিতে অনূর্ধ্ব-২১ জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করেছে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী হংকং চায়নাকে ৬-০ গোলে পরাজিত করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা চ্যালেঞ্জার্স গ্রুপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
মোকি শহরের মরিন দাওয়া স্টেডিয়ামে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার কৌশল গ্রহণ করে। একের পর এক আক্রমণে হংকংয়ের রক্ষণভাগকে চাপের মধ্যে রাখে বাঘিনীরা। এর ফলাফলও দ্রুত আসে।
ম্যাচের ৯ মিনিটে অধিনায়ক শারিকা রিমন পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন। এরপর দলটি আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ১৯ মিনিটে আইরিন আক্তার রিয়া দুর্দান্ত একটি ফিল্ড গোল থেকে ব্যবধান ২-০ করেন। মাত্র সাত মিনিট পর, ২৬ মিনিটে কনা আক্তার বাংলাদেশের তৃতীয় গোলটি করেন। প্রথমার্ধের শেষের আগে আর গোল না হলেও বাংলাদেশ ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে বাংলাদেশ আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। ৩১ মিনিটে মোসাম্মত লিমার গোলে স্কোরলাইন ৪-০ হয়। এর দুই মিনিট পর আইরিন আক্তার রিয়া আবারও গোল করেন এবং ৩৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বাংলাদেশকে ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
হংকংয়ের ওপর চাপ কমাতে বাংলাদেশি মেয়েরা থেমে থাকেনি। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে মোসাম্মত লিমা নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ৬-০ ব্যবধানে বড় জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জার্স গ্রুপে বাংলাদেশ চার ম্যাচের চারটিতেই জয়লাভ করে। পুরো গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্বও অর্জন করেছে লাল-সবুজের দল।
চীনের মাটিতে এমন দাপুটে পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের নারী হকির জন্য একটি বড় অর্জন। টানা চার ম্যাচে জয় এবং শেষ ম্যাচে ছয় গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিয়েছে বাঘিনীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ