ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইমনের পর এবার লাহোর কালান্দার্সে ডাক পেলেন শামীম


ইমনের পর এবার লাহোর কালান্দার্সে ডাক পেলেন শামীম

বাংলাদেশের অলরাউন্ডার শামীম হোসেন পাটোয়ারী গ্লোবাল সুপার লিগে (জিএসএল) খেলতে যাচ্ছেন। তিনি টুর্নামেন্টের দলের লাহোর কালান্দার্সে যোগ দিয়েছেন। সম্মানজনক বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন শামীম।

লাহোর কালান্দার্সে আগেই খেলছেন আরেক বাংলাদেশি ক্রিকেটার পারভেজ হোসেন ইমন। সর্বশেষ ম্যাচে তিনি অপরাজিত ৪৭ রানের একটি ইনিংস খেলেছেন। এবার শামীমকে দলে নেয়ায় একসাথে দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটার একই দলে খেলবেন।

এবারের জিএসএলে লাহোর কালান্দার্স দুইটি ম্যাচ খেলেই দুইটি জয় অর্জন করেছে। নেট রান রেটে এগিয়ে থেকে তারা বর্তমানে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। দলের নিয়মিত অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদির অনুপস্থিতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের মাইকেল ব্রেসওয়েল।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

লাহোর কালান্দার্সের পরবর্তী ম্যাচ হবে ২৭ জুলাই, গায়ানার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, ম্যাচটি শুরু হবে ভোর ৫টায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের ওপর বাড়ছে চাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৯ এম


পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের ওপর বাড়ছে চাপ

আরথিক সংকটের কারণে সরকারি কর্মচারীদের নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে জটিলতা ক্রমেই বাড়ছে। নতুন এই পে স্কেল বাস্তবায়ন অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সম্প্রতি সংস্থাটির একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরকালে অর্থ বিভাগের সঙ্গে বৈঠকের সময় এই পরামর্শ দেয়। তবে সরকার সংস্থাটির প্রস্তাব আমলে নিচ্ছে না। এজন্য সরকার আগামী অক্টোবরে আইএমএফের বার্ষিক সভার আগেই পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে চায়।

অন্যদিকে, আইএমএফ চায় এটিকে অক্টোবর পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখতে। তাহলে অক্টোবরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইএমএফের বার্ষিক সভায় এ বিষয়ে আলোচনা ও বিতর্কের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি নভেম্বরে একটি টিম বাংলাদেশ সফরে এসে নতুন ঋণ কর্মসূচি ও পে স্কেল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চাইছে। তবে সরকার আইএমএফকে সেই সুযোগ দিতে চায় না। এজন্য অক্টোবরের আগেই পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করে বাস্তবায়ন করতে চায়। অর্থ বিভাগের সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে নতুন পে স্কেলের প্রস্তাবনা মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে অর্থ বিভাগ। চলতি সপ্তাহের শেষ অথবা আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। তবে এর সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এর অংশ হিসেবে পে স্কেলের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে পে স্কেলের প্রস্তাবনা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও পে স্কেল সংক্রান্ত ফোকাল পারসনসহ আরো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ সময় পে স্কেল বাস্তবায়নের সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতার নানা দিক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রী বাস্তবায়নের ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখান থেকে পিছিয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়ে আরও ভাবতে বলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নতুন পে স্কেলের আর্থিক প্রভাব, বাজেট ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব সক্ষমতা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন। সেখানে আইএমএফের আপত্তির বিষয়গুলো সম্পর্কেও আলোচনা হয়েছে। চলতি বাজেটে নতুন পে স্কেলের জন্য যে বরাদ্দ রাখা হয়েছে সেটি অপ্রতুল কি না তাও বিশ্লেষণ করা হয়েছে বৈঠকে।

এর আগে বর্তমানে প্রচলিত অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হয় ২০১৫ সালে। এক দশকের বেশি সময় ধরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসেনি। এর মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয়, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা এবং নিত্যপণ্যের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর দাবি জোরালো হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, সরকারের অধীনে কর্মরত প্রায় ১৫ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কয়েক লাখ পেনশনভোগী নতুন পে স্কেলের আওতায় আসবেন। বেতন বাড়ার সঙ্গে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে পেনশন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন সংগঠন মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ, মহার্ঘ ভাতা সমন্বয় এবং মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নতুন বেতন কাঠামোর দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছে।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমান মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতি এবং সরকারি রাজস্ব সক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য রেখে বেতন কাঠামো নির্ধারণের চেষ্টা চলছে। এদিকে বাংলাদেশ বর্তমানে ৫.৫ বিলিয়ন ডলার আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। এরই মধ্যে নতুন সাড়ে ছয় বিলিয়ন ডলার ঋণ কর্মসূচির আলোচনা শুরু হয়েছে। সংস্থাটির আশঙ্কা, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন সরকারী বার্ষিক রাজস্ব ব্যয় বেড়ে যাবে। এতে বাজেট ঘাটতি আরও বাড়বে এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যা বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের ওপর বেশি চাপ তৈরি করবে। এ কারণে সংস্থাটি নতুন পে স্কেল কার্যকর করার সিদ্ধান্ত অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

অর্থনীতিবিদদের ধারণা, নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে সরকারের বার্ষিক অতিরিক্ত ব্যয় অন্তত ৮২ হাজার কোটি টাকা বেড়ে যেতে পারে। বেতন বৃদ্ধির সঙ্গে পেনশন, উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধাও বৃদ্ধি পাবে, ফলে প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।

বর্তমান অর্থবছরে সরকারের পরিচালন ব্যয়ের বড় অংশই বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে ব্যয়ে হচ্ছে। নতুন পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে রাজস্ব আয়ের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে। ফলে রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানো এবং ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় অধিক দক্ষতা প্রয়োজন হবে।

সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, দীর্ঘ সময় ধরে বেতন কাঠামো অপরিবর্তিত থাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের প্রকৃত আয় কমে গেছে। মূল্যস্ফীতির ফলে ক্রয়ক্ষমতাও হ্রাস পেয়েছে। প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি, মেধাবী জনবল আকর্ষণ ও কর্মীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য নতুন পে স্কেল প্রয়োজন।

নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য অর্থ বিভাগ বিকল্প কয়েকটি মডেল নিয়েও কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি, নির্দিষ্ট গ্রেডে অগ্রাধিকারভিত্তিক সুবিধা এবং কয়েক ধাপে আর্থিক প্রভাব সমন্বয়ের পরিকল্পনা। এই ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করলে এককালীন আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে বলেও মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত সরকারের জন্য অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে, অন্যদিকে আইএমএফের সঙ্গে চলমান সংস্কার কর্মসূচির ভারসাম্যও বজায় রাখতে হবে।

সবকিছু যদি ঠিক থাকে, তাহলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হতে পারে। অনুমোদন মিললে অক্টোবরে আইএমএফের বার্ষিক সভার আগে নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের পথ আরও উন্মুক্ত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টঙ্গীর বস্তিতে অভিযান, দেশীয় অস্ত্র-জাল টাকা ও মাদকসহ ২ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৩ এম


টঙ্গীর বস্তিতে অভিযান, দেশীয় অস্ত্র-জাল টাকা ও মাদকসহ ২ জন গ্রেপ্তার

গাজীপুরের টঙ্গীর মিলগেট এলাকায় অবস্থিত চুড়ি ফ্যাক্টরি বস্তিতে এক অভিযান চালানোর সময় বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র, জাল টাকা, মাদক এবং মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৬ জুলাই) গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) এই অভিযান পরিচালনা করে এবং তাদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের টঙ্গীর মিলগেট চুড়ি ফ্যাক্টরি বস্তিতে আকস্মিক একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই পরিসরে, কামাল ও আমেনা বেগমের দোতলার কক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা সদৃশ নোট, বিপুল পরিমাণ মাদক সেবনের সরঞ্জাম এবং দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পরে কামালের ছেলে আলমসহ মোট ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের অনুমান, এই দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতি ঘটতে পারে। একইসাথে, জাল টাকা এবং মাদকটির বাণিজ্যও চলছিল।

জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন কালের কণ্ঠকে এই সংবাদটি নিশ্চিত করে বলেন, জিএমপি কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদারের দিকনির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জব্দ করা আলামত এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমি কর্মকর্তা গুনে গুনে ঘুষ নিচ্ছিলেন, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৩ এম


ভূমি কর্মকর্তা গুনে গুনে ঘুষ নিচ্ছিলেন, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বরখাস্ত

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় একটি অফিসে বসে এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে গুনে গুনে ঘুষ নেবার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর একজন ভূমি কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের এক জরুরি আদেশের মাধ্যমে অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে রোববার রাতই তাকে বরখাস্ত করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি ইমরান শেখ সাতৈর (খ) ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

অফিসের ভেতরে বসে সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে গুনে গুনে ঘুষের টাকা নিচ্ছেন ভূমি কর্মকর্তা ইমরান শেখ। 

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুই মিনিট ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, উপ-সহকারী কর্মকর্তা ইমরান শেখ এক সেবাগ্রহীতার কাছে বসে টাকা গুনছেন। এই সময় তিনি টাকা দেয়া ব্যক্তির নাম ও পরিচয়ও নোট করে রাখছেন। তবে ভিডিওতে ওই ব্যক্তির পরিচয় অস্পষ্ট থাকায় তা নিশ্চিত করা যায়নি।

টাকা নেয়ার সময় অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, 'আজকে রাতে আবেদন হয়ে যাবে, সামনে রোববার জমা হয়ে যাবে। স্যার যত তাড়াতাড়ি শুনানি দিবে, ইনশাআল্লাহ দুই সপ্তাহের মধ্যে হয়ে যাবে।'

এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ইঙ্গিত করে তিনি আক্ষেপের সুরে বলেন, 'উনিও চল্লিশতম বিসিএস, আমিও চল্লিশতম বিসিএস। উনার কপাল ভালো উনি ক্যাডার হয়েছেন, আর আমি নন ক্যাডার হয়েছি।'

ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইমরান শেখ দাবি করেন, 'এটি ঘুষের টাকা নয়, এটি ধারের টাকা। অনেক মানুষ আমার কাছ থেকে টাকা ধার নেয়, আবার ফেরত দিয়ে যায়। এটি সেই ধারের টাকা ফেরত নেয়ার সময়কার ভিডিও।' তবে তিনি টাকাগুলো ফিরিয়ে দেয়া ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানাতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান জানান, এর আগে সরেজমিনে অফিসে গিয়ে তাকে না পেয়ে শোকজ করা হয়েছিল। তিনি জানিয়েছিলেন, টাকা নেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যদিকে, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিব্বির আহমেদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার ও সমালোচনার পর ওইদিন রাতেই ব্যবস্থা নেয় জেলা প্রশাসন। রোববার (২৬ জুলাই) রাত ১১টার দিকে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ইমরান শেখকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) ও ৩(ঘ) অনুযায়ী অসদাচরণ ও দুর্নীতির দায়ে একই বিধিমালার ১২(১) ধারা মোতাবেক ২৬ জুলাই থেকে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিধি মোতাবেক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি কেবল খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে ট্রাফিক সিগন্যালের কোনও অস্তিত্ব নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২১ এম


বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে ট্রাফিক সিগন্যালের কোনও অস্তিত্ব নেই

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কারণে বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ঢাকা বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল শহর। ঢাকায় বর্তমানে ৪ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস রয়েছে। এ কারণে ঢাকার রাস্তাগুলিতে সাধারণত ট্রাফিক সিগন্যাল পাওয়া যায়। লাল আলো জ্বললে গাড়ি থামে এবং সবুজ আলো জ্বললে গাড়ি চলতে শুরু করে। ব্যস্ত শহরের রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে তাই ট্রাফিক লাইটের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

কিন্তু এমন একটি দেশও রয়েছে, যেখানে কোনোরূপ ট্রাফিক সিগন্যাল নেই। তাও সেখানে যান চলাচল স্বাভাবিকভাবে চলে। সেই দেশটি হল ভুটান। হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এই ছোট্ট দেশটি তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, শান্ত পরিবেশ এবং ভিন্ন জীবনযাত্রার জন্য পরিচিত।

ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে টাফিক লাইটের কোনো অস্তিত্ব নেই। এখানে গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয় ট্রাফিক পুলিশের হাতের ইশারায়। থিম্পুর ব্যস্ত রাস্তাগুলিতে নির্দিষ্ট স্থানে তারা দাঁড়িয়ে থাকার মাধ্যমে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। পুলিশ বিশেষ ভঙ্গিতে হাত নেড়ে চালকদের নির্দেশ দেন।

কখন গাড়ি থামাতে হবে, কখন রাস্তা ছাড়তে হবে বা কখন একপাশে এগিয়ে যেতে হবে- সবকিছুই পুলিশকর্মীরা নিয়ন্ত্রণ করেন। স্থানীয়রা এই নিয়ম পালন করে। একসময় ভুটানে ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর পরিকল্পনা ছিল, তবে সাধারণ জনগণ এই ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহী ছিলেন না। তাদের মতামত ছিল, যন্ত্রের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার চেয়ে মানুষের উপস্থিতিতে ট্রাফিক পরিচালনা অনেক বেশি স্বাভাবিক ও সুবিধাজনক। তাই পুরনো ট্রাফিক পুলিশ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাটি আবার ফিরিয়ে আনা হয়।

ভুটানে ট্রাফিক সিগন্যাল না থাকার আরেকটি কারণ হলো, দেশের জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। বড় বড় শহরের তুলনায় এখানে রাস্তায় অতিরিক্ত যানজটের সৃষ্টি হয় না। এ ছাড়া, ভুটানের নাগরিকরা সাধারণত ট্রাফিক আইন মানেন এবং রাস্তায় ধৈর্যশীল হয়ে যান চলাচল করেন। এ কারণেই ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়ে ওঠে।

পর্যটকদের জন্য ভুটানের এই স্বতন্ত্র ব্যবস্থা একটি আকর্ষণ। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটকরা থিম্পুর রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাফিক পুলিশদের দেখে বিস্মিত হন। কারণ আধুনিক প্রযুক্তির যুগে যখন পৃথিবীর প্রায় সব দেশে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়, ঠিক তখনই ভুটান মানবিক পদ্ধতির উপর গুরুত্ব দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%