ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুন্দরবনে পর্যটকবাহী নৌযানগুলোকে মানতে হবে বিভিন্ন নির্দেশনা


সুন্দরবনে পর্যটকবাহী নৌযানগুলোকে মানতে হবে বিভিন্ন নির্দেশনা

বাগেরহাট, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নদী দূষণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে পর্যটকবাহী নৌযানে ঢাকনাযুক্ত ডাস্টবিন রাখতে সহ বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ, আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় মোংলা ফরেস্ট ঘাটের ফুয়েল জেটিতে নৌযান মালিক এবং চালকদের নিয়ে একটি আলোচনা সভা আয়োজন করে। এই আলোচনা সভায় নির্দেশনাগুলি প্রদান করা হয়।

সভায় পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান বলেন, "প্রতিটি পর্যটকবাহী নৌযানে ঢাকনাযুক্ত প্যাডেল বিন রাখতে হবে।" তিনি আরো বলেন, "কোনো ধরনের বর্জ্য নদীতে ফেলা যাবে না।" ভ্রমণ শেষে ডাস্টবিনের জমা বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। একইসঙ্গে নৌযানে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন তিনি।

আরও পড়ুন: ভাঙ্গায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে হলে দিতে হবে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী উল্লেখ করেন, "সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে নদী দূষণ রোধে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।"

সভায় উপস্থিত নৌযান মালিক ও চালকরা মোংলা ফেরিঘাট এবং পিকনিক কর্নারে স্থায়ীভাবে তিনটি ডাস্টবিন স্থাপনের দাবি জানান। নদী দূষণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের অঙ্গীকারও করেন নিম্নোক্ত ব্যক্তিরা।

এই সময়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেলোয়ার হোসেন, জালি বোট মালিক সমিতির মোংলার সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, সভাপতি ইমাদুল হোসেন, মাঝিমাল্লা ইউনিয়ন সংঘের জয়েন্ট সেক্রেটারি সোহাগ হাওলাদার এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় নৌযান মালিক ও চালকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মোট ৫০ জন নৌযান মালিক ও চালক অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। সভা শেষে পর্যটকদের সচেতনতায় বিভিন্ন নৌযানে এসব লিফলেট লাগিয়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের ইনানী সৈকতে ১৩টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

উল্লেখ্য, সুন্দরবনের জন্য ঐতিহ্যগতভাবে বিখ্যাত বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবন অংশে বন বিভাগের সংরক্ষিত পর্যটন স্পট করমজল অবস্থিত। প্রতিদিন শত শত পর্যটক মোংলা ঘাট থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌযানে করমজল ভ্রমণে যান।

এসময় পর্যটকদের সঙ্গে করে নেওয়া চিপস, বিস্কুট, চকলেটসহ বিভিন্ন প্যাকেটজাত খাবার ও পানির বোতল নদীতে ফেলায় সুন্দরবন ও সংলগ্ন নদ-নদীর পানি দূষিত হচ্ছে, যা জীববৈচিত্র্যের জন্যেও হুমকির সৃষ্টি করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলের কালিয়ায় ৫ ভাইয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


নড়াইলের কালিয়ায় ৫ ভাইয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার হাচলা গ্রামে বিএনপি নেতা এনায়েত মোল্যাসহ আপন পাঁচ ভাইয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই গ্রামের মোতালেব হোসেন মোল্যা পাঁচ ভাইয়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের অপপ্রচার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর প্রতিবাদে ভুক্তভোগীদের আয়োজনে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বাবরা হাচলা ইউনিয়নের শুক্তগ্রাম বাজারে স্থানীয় বিএনপির অফিসে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে কালিয়া উপজেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক হাচলা গ্রামের এনায়েত মোল্যা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোতালেব হোসেন মোল্যা তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের অপপ্রচার করছেন। এমনকি নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের ছত্রছায়ায় এনায়েত মোল্যা চাঁদাবাজিসহ এলাকায় প্রভাব খাটাচ্ছেন বলে অপ্রচার করা হয়েছে। এতে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। তাদের সম্মানহানি হচ্ছে।

বিএনপি নেতা এনায়েত মোল্যা বলেন, এমপির ছত্রছায়ায় চাঁদাবাজি করছি, প্রমাণ দিতে পারলে জনগণ যে শাস্তি দিবেন; তা মাথা পেতে নিবো। অবিলম্বে মোতালেব হোসেন মোল্যার এসব অপপ্রচার বন্ধসহ নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।

এ সময় এনায়েত মোল্যাসহ তার আপন চার ভাই মোতাহের মোল্যা, মোকাদ্দেস মোল্যা, হেমায়েত মোল্যা ও বেলায়েত মোল্যা এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মরফুদ খান, আজাদ হুসাইন, মোহসিন শেখ,  মিরাজ খানসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন অর্থনৈতিক চাপে কি নতি স্বীকার করবে ইরান?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


মার্কিন অর্থনৈতিক চাপে কি নতি স্বীকার করবে ইরান?

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ৬০ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি বা ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’র মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। বর্তমানে মার্কিন প্রশাসন নতুন করে সর্বাত্মক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং নৌ অবরোধ জোরদার করার পরিকল্পনা করছে। এর মাধ্যমে তেহরানকে নতুন শর্তে দরকষাকষিতে বাধ্য করা মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ কয়েক দশকের অর্থনৈতিক চাপ, অস্থিতিশীল অর্থনীতি এবং ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে ইরানকে কেবল অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেই কোনো চুক্তিতে আনা সম্ভব হবে কি না।

গত ১৭ জুন পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ১৪ দফার এই নথিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ৬০ দিনের এই সাময়িক বিরতিকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধ, বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে দুই দেশের উপস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী চালুর মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর স্থায়ী সমাধান খোঁজা। যদিও চুক্তি অনুযায়ী মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, স্থগিত তহবিল ফেরত দেওয়া এবং ইরান উপকূল থেকে মার্কিন সেনা হ্রাসের প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত ছিল, দুই পক্ষের মতপার্থক্যের কারণে শেষ পর্যন্ত এই মেয়াদের মধ্যে স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায়নি। এরপরেই ট্রাম্প প্রশাসন পূর্বের ‘সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ’ নীতিতে ফিরে যাওয়ার সংকেত দিয়ে নতুন করে চরম অর্থনৈতিক অবরোধের হুমকি দিয়েছে।

নতুন এই অর্থনৈতিক অভিযানের মূল স্তম্ভ হলো ইরানের জ্বালানি ও তেল বাণিজ্যের পাশাপাশি তার সামুদ্রিক বিমা, বিমান পরিষেবা এবং ব্যাংকিং খাতের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনা। বিশেষ করে চীনা স্বাধীন তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্য করে মার্কিন অর্থ দফতর দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা ও শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে, কারণ ইরানের তেল রফতানির একটি বড় অংশই চীনে যায়। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান আর্থিক সংকটে জর্জরিত এবং তাদের অর্থনীতি প্রায় ধ্বংসের মুখে, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) অনুযায়ী, দেশটির বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি বর্তমানে প্রায় ৬৯ শতাংশে ঠেকেছে এবং চলতি বছর তাদের অর্থনীতি ৬.১ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। স্থানীয় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এক নাগাড়ে বেড়ে চলেছে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

তবে সাবেক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, কেবল নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তেহরানের ক্ষমতাসীন শাসনব্যবস্থা বা তাদের নীতি পুরোপুরি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ইতিহাসে দেখা গেছে, আশির দশক থেকে ইরান নিজস্ব বিকল্প অর্থনীতি এবং 'ছায়ানৌবহর' তৈরি করে টিকে থাকার পথ খুঁজে নিয়েছে হতাশাজনক নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়ে। অন্যদিকে, মার্কিন অর্থ দফতরের দাবি অনুযায়ী, এই ধরনের সর্বাত্মক অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা ইরানকে বিশ্ব বাজার থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্দরে শৌচাগার, সুপেয় পানি ও বসার ছাউনির সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


বন্দরে শৌচাগার, সুপেয় পানি ও বসার ছাউনির সংকট

কুড়িগ্রামের চিলমারী নদীবন্দর ঘাট ইজারা দেওয়া হলেও যাত্রীদের জন্য শৌচাগার, সুপেয় পানি ও বসার ছাউনি নেই। এটি সম্প্রতি তোলা ছবি। কালের কণ্ঠের সংবাদ।

কুড়িগ্রামের চিলমারী নদীবন্দর ঘাট চলতি অর্থবছরে এক কোটি ৯৪ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হলেও যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত সুবিধা নেই। শৌচাগার, সুপেয় পানি এবং বসার ছাউনি না থাকায় প্রতিদিন হাজারো যাত্রী ভোগান্তিতে পড়ছেন।

এ পরিস্থিতিতে নারী, শিশু এবং বয়স্কদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত এই ঘাটটি রৌমারী, রাজীবপুর, জামালপুর ও শেরপুরের যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত নৌকায় চার-পাঁচ হাজার যাত্রী ঘাটটি ব্যবহার করছে। অনেকের জন্য দূরবর্তী চরাঞ্চল থেকে নৌপথে আসতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লেগে যায়।

কিন্তু যাত্রীদের মাঝে শৌচাগারে যাওয়ার প্রয়োজন হলে তাদের আশপাশের বাড়িগুলোতে যেতে হয়।

রৌমারীর যাত্রী শাহ্ মোমেন বলেন, এত টাকা দিয়ে ঘাট ইজারা দেওয়ার পরেও যাত্রীদের জন্য একটি শৌচাগারও নেই।

নারী যাত্রী শামসুন্নাহার বেগম জানিয়েছেন, ‘টয়লেট না থাকায় নারীদের অনেক সমস্যা হয়। অপরিচিত বাড়িতে গিয়ে টয়লেটে যেতে চাইলে তা অস্বস্তিকর হয়ে যায়।’

রমনা ঘাটের মাস্টার মো. সিদ্দিক বলেন, ‘গণশৌচাগার স্থাপনের জন্য বিআইডাব্লিউটিএ-কে জানানো হয়েছে, কিন্তু এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘যেখানে জনসমাগম হয়, সেখানকার জন্য নিরাপদ শৌচাগার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা না থাকলে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে।’

এদিকে, বিআইডব্লিউটিএর চিলমারীর বন্দর কর্মকর্তা পুতুল চন্দ্র বলেন, ‘বন্দরের যাত্রী টার্মিনালের কাজ শেষ হয়েছে। সেখানে টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। জেটির কাজ শেষ হলে টার্মিনালটি চালু করা হবে।’ তবে জেটির কাজ শেষ হওয়ার নির্দিষ্ট সময় তিনি জানাতে পারেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ আগস্ট থেকে রেডিসনে শুরু ‘চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো ২০২৬’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


২০ আগস্ট থেকে রেডিসনে শুরু ‘চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো ২০২৬’

চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো ২০২৬’, যা তিন দিনব্যাপী হবে। বাংলাদেশ স্থপতি ইন্সটিটিউট (বাস্থই) চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের উদ্যোগে আগামী ২০, ২১ ও ২২ আগস্ট নগরীর পাঁচ তারকা হোটেল র‌্যাডিসন ব্লুতে এ এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে হোটেল র‌্যাডিসন ব্লু, চট্টগ্রামে- এই উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ‘চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো ২০২৬’ সাব-কমিটির আহ্বায়ক স্থপতি মো. মিজানুর রহমান।

এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামে রাশিয়ান ফেডারেশনের অনারি কনসাল জেনারেল ও সংগঠনের সাবেক চেয়ারম্যান স্থপতি আশিক ইমরান, চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো ২০২৬ সাব কমিটির উপদেষ্টা স্থপতি মেহেদী ইফতেখার, সদস্য স্থপতি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, স্থপতি অনিকেত চৌধুরী, স্থপতি আবদুল্লাহ রুম্মান, এন মোহাম্মদ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঞ্জুরুল হকসহ আরো অনেকে।

এবারের এক্সপোতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মোট ৩০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এদিকে, সেখানে থাকবে পণ্য প্রদর্শন, ব্র্যান্ড অ্যাক্টিভেশন, ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে সেমিনার ও আলোচনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%