ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

লোকসভা নির্বাচনেও কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয় হবে: অমিত শাহ


লোকসভা নির্বাচনেও কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয় হবে: অমিত শাহ

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগের জবাব দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, কংগ্রেসের উচিত নিজেদের ভুলত্রুটি নিয়ে আত্মবিশ্লেষণ করা, কারণ ভোটের রাজনীতিতে তারা বারবার ব্যর্থ হয়েছে। খবর ইন্ডিয়া টুডের।

অমিত শাহ ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও কংগ্রেস চতুর্বারের মতো শোচনীয় পরাজয়ের সম্মুখীন হবে। তিনি দিল্লিতে সাংবাদিকদের সামনে এই মন্তব্য করেন।

গুজরাটের গান্ধীনগর মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনসহ বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে বিজেপির বিশাল জয়ের পর এই রাজনৈতিক সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। বর্তমানে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ‘ইন্ডিয়া’ জোট প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: মোদির আত্মবিশ্বাসী ভাবমূর্তিতে চিড় ধরাচ্ছে তরুণদের বিক্ষোভ

বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনকে চাপ দিয়ে এবং তাদের সুরক্ষা দিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করা হচ্ছে। এর জবাবে অমিত শাহ দাবি করেন, এসআইআর প্রক্রিয়াটি ২০২৪ সালের পর কার্যকর হয়েছে। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধী দলের নেতৃত্বে আসার পর থেকেই কংগ্রেস ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে।

অমিত শাহ প্রশ্ন তোলেন, “রাহুলজিকে আমি জিজ্ঞেস করতে চাই—বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা কি এই এসআইআর-এর ফলেই তৈরি? আপনাদের আত্মবিশ্লেষণ করা দরকার।”

তিনি ইভিএম বা ভোটার তালিকাকে পরাজয়ের জন্য দায়ী করার সংস্কৃতিকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেন। অমিত শাহ বলেন, শুধু গুজরাট বা দিল্লি নয় বরং ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং তামিলনাড়ুর বিভিন্ন উপনির্বাচন বা স্থানীয় নির্বাচনেও কংগ্রেসের ভরাডুবি হয়েছে।

ত্রিপুরার স্থানীয় নির্বাচনে ব্যালট পেপারে ভোট হওয়ার পরেও বিজেপির জয় পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি জানান, বিজেপির জয় কোনো বিশেষ পদ্ধতি বা ইভিএমের ওপর নির্ভরশীল নয়। রাহুল গান্ধীর ছাত্র কর্মসূচি ‘ছাত্রোঁ কি গূঞ্জ’ এবং দিল্লিভিত্তিক আন্দোলনকে ‘মিডিয়া ইভেন্ট’ ও ভিত্তিহীন প্রচারণা বলে আখ্যায়িত করেন তিনি।

আরও পড়ুন: পাকিস্তান ৭৩ বছর পর আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক বোর্ডের চেয়ারপারসন নির্বাচিত

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চল ও গ্রামগঞ্জ থেকে কংগ্রেস সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তার ভাষায়, “দেশের প্রকৃত কণ্ঠস্বর লুকিয়ে রয়েছে খেতখামার, গ্রাম, পাহাড়ি অঞ্চল ও নদীতীরবর্তী জনপদে; কিন্তু সেখানে কংগ্রেসের কোনো পৌঁছানোর ক্ষমতা বা জনভিত্তি নেই।”

সবশেষে ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সুরে অমিত শাহ বলেন, ইন্ডিয়া জোট আবারও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করবে এবং কংগ্রেস হ্যাটট্রিকের পর চতুর্থ বারের মতো বড় পরাজয়ের স্বাদ পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যানথ্রপিকের সতর্কবার্তা: ইন্টারনেটে দখল নিতে পারে এআই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৬ এম


অ্যানথ্রপিকের সতর্কবার্তা: ইন্টারনেটে দখল নিতে পারে এআই

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেল শিগগিরই নিজেদের অনুলিপি তৈরি করে ইন্টারনেটজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকি এসব মডেল সাইবার হামলা চালানো, বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা ঠেকানো এবং ডেটা সেন্টারে অনুপ্রবেশের মতো কাজও করতে পারে। এ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক।

সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এআই মডেলগুলোর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেদের অনুলিপি তৈরি করে ছড়িয়ে পড়ার সক্ষমতা তৈরি হতে পারে। মঙ্গলবার বিষয়টি সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। তবে কেউ কেউ এ আশঙ্কার বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দারিও আমোদেই গত মাসে সতর্ক করে বলেছিলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে বা তারও আগে এআই পুরো ইন্টারনেটজুড়ে স্থায়ী বটনেট তৈরি করে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।

বটনেট হলো ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইসের সমষ্টি, যেগুলো আক্রান্ত হওয়ার পর কোনো ব্যক্তি বা ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণে থেকে একযোগে ক্ষতিকর কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।

অ্যানথ্রপিকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের পরীক্ষায় দেখা গেছে, ৩০ বিলিয়ন বা তার কম প্যারামিটারের মাঝারি আকারের এআই মডেল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেদের অনুলিপি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় অনেক কাজ করতে পারে। যদিও পুরো প্রক্রিয়াটি নির্ভরযোগ্যভাবে সম্পন্ন করতে এখনো এসব মডেল সমস্যায় পড়ে।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এআই মডেলগুলো কম খরচের ইন্টারনেট-সংযুক্ত ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং সক্ষমতা জোগাড় করতে পারে। একটি সরল পরীক্ষামূলক নেটওয়ার্কে মডেলগুলোকে নিজেদের অনুলিপি ছড়িয়ে দিতেও দেখা গেছে।

অ্যানথ্রপিক বলেছে, এ ধরনের স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিস্তারক্ষম এআইকে বন্ধ করা কঠিন হতে পারে। কারণ, পুরো ব্যবস্থাটি বন্ধ করে দেওয়ার মতো কোনো একক কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নাও থাকতে পারে।

এআইয়ের সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইবার হামলা স্বয়ংক্রিয় করা, মানুষের সীমিত তদারকিতে কাজ চালানো এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা এড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও কর্মীরা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া এআইয়ের ভয়াবহ, এমনকি মানবসভ্যতার অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ পরিণতি নিয়েও সতর্ক করে আসছেন।

তবে অ্যানথ্রপিকের আশঙ্কা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন কিছু বিশেষজ্ঞ।

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের সাবেক প্রধান সিয়ারান মার্টিন বলেন, ‘আমরা কম খরচের টেলিভিশনে একটি ছোট মডেল চালাতে পেরেছি’- এমন তথ্যই কোনো নিরাপত্তা সংকট প্রমাণ করে না। তার মতে, অ্যানথ্রপিকের প্রতিবেদনটি প্রযুক্তিগতভাবে আগ্রহোদ্দীপক হলেও এতে নিজেদের পণ্যের সক্ষমতা বাড়িয়ে দেখানোর প্রবণতা রয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো ডেনভারের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ঝেংশিয়ং লি বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পরীক্ষা চালানো হলেও এআই যদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়িয়ে পড়া কম্পিউটার ভাইরাসের মতো আচরণ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার উপায় খুঁজে বের করতে পারে, তাহলে তা উদ্বেগজনক।

লি বলেন, এআই যদি কোনো কেন্দ্রীয় সেবার ওপর নির্ভর না করে বহু ডিভাইসে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে সেটিকে বন্ধ করার মতো একক কোনো জায়গা নাও থাকতে পারে।

অ্যানথ্রপিকের ধারণা, ছোট আকারের এআই মডেলগুলোর সক্ষমতা অতীতের গতিতে বাড়তে থাকলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেদের অনুলিপি ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারে। এ ছাড়া আরও শক্তিশালী কম্পিউটিং সক্ষমতা পেতে ডেটা সেন্টারের প্রসেসর লক্ষ্যবস্তু করার উপায়ও মডেলগুলো খুঁজে বের করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড ইমার্জিং টেকনোলজির জ্যেষ্ঠ গবেষণা বিশ্লেষক জেসিকা জি মনে করেন, অ্যানথ্রপিকের বক্তব্যকে নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী না ধরে সম্ভাব্য পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া এআইয়ের কার্যক্রম নিয়ে যেসব তথ্য সামনে এসেছে, তাতে মডেলগুলোর স্বয়ংক্রিয় বিস্তারের সম্ভাবনা বিবেচনায় নেওয়া যুক্তিসংগত। তবে বাস্তবে এমন ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কতটা, তা এখনো জানা যায়নি। সম্ভাবনাটি একেবারে শূন্য নয়, আবার এটি ঘটবেই- এমন নিশ্চয়তাও নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের সব মাদ্রাসার জন্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিশেষ নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৬ এম


দেশের সব মাদ্রাসার জন্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিশেষ নির্দেশনা

নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দেশের সব ইবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেছে। এই নির্দেশনার উদ্দেশ্য হল জাতীয় পর্যায়ে নজরুল চর্চা বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করা।

সম্প্রতি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়, যেখানে দেশের সকল মাদ্রাসাপ্রধানদের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এছাড়া, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের তাদের আওতাধীন মাদ্রাসাগুলোতে বিষয়টির তদারকি এবং অনুসরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্মারক ও নির্দেশনা অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃজনশীলতার বিকাশ এবং জাতীয় পর্যায়ে একতা ও সম্প্রীতি জোরদার করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

পর্যায়ভিত্তিক প্রতিযোগিতার বিষয়সমূহ

মাদ্রাসার বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য স্তরভিত্তিক বিষয় ও বিভাগ নির্ধারণ করা হয়েছে:

ইবতেদায়ী পর্যায় (১ম থেকে ৫ম শ্রেণি): নজরুলের ইসলামিক সংগীত বা গজল, নির্ধারিত কবিতা (‘তোর হলো খোকাবাবুর স্বাদ’, ‘মা’, ‘সংকল্প’) আবৃত্তি, হামদ ও নাত এবং ৩য়-৫ম শ্রেণির জন্য ‘আমার চোখে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা ও নির্ধারিত বক্তৃতা।

দাখিল পর্যায় (৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি): নজরুলের ইসলামিক সংগীত/গজল, হামদ ও নাত, নির্ধারিত কবিতা (‘কিশো ফুল’, ‘কুলি মজুর’, ‘মানুষ’, ‘নারী’) আবৃত্তি, উপস্থিত বক্তৃতা এবং ‘নজরুলের দেশপ্রেম’ ও ‘নজরুল সাহিত্যে ও সংগীতে ইসলামের সাম্যের ধারণা’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা।

আলিম পর্যায়: নজরুলের ইসলামিক সংগীত/গজল, নজরুলের যেকোনো কবিতা আবৃত্তি, হামদ ও নাত, উপস্থিত বক্তৃতা এবং ‘ভাবুক ও নজরুল’ বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতা।

ফাজিল ও কামিল পর্যায়: যেকোনো নজরুল কবিতা আবৃত্তি, ইসলামিক সংগীত/গজল, হামদ ও নাত, উপস্থিত বক্তৃতা এবং ‘নজরুল ও মানুষের মুক্তি’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা।

রচনা প্রতিযোগিতার বিশেষ শর্তাবলী

নির্দেশনায় রচনা প্রতিযোগিতার জন্য বেশ কিছু বাধ্যতামূলক নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে:

১. রচনা অবশ্যই সম্পূর্ণ মৌলিক হতে হবে এবং হাতে লিখে জমা দিতে হবে।

২. লেখায় ব্যবহৃত তথ্যের জন্য বিভিন্ন বই, প্রবন্ধ বা লেখকের রেফারেন্স বা তথ্যসূত্র উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।

৩. শব্দের সীমারেখা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে— ইবতেদায়ী পর্যায়ে ৫০০ শব্দ, দাখিল পর্যায়ে ১,০০০ শব্দ, আলিম পর্যায়ে ১,৫০০ শব্দ এবং ফাজিল ও কামিল পর্যায়ে ২,০০০ শব্দের মধ্যে রচনা সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাস্ক-আম্বানি দ্বন্দ্বে স্টারলিংক নিষিদ্ধের দাবি স্বদেশী জাগরণ মঞ্চের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৭ এম


মাস্ক-আম্বানি দ্বন্দ্বে স্টারলিংক নিষিদ্ধের দাবি স্বদেশী জাগরণ মঞ্চের

ভারতে ইলন মাস্কের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপির ঘনিষ্ঠ একটি প্রভাবশালী হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) স্বদেশী জাগরণ মঞ্চ (এসজেএম) জাতীয় নিরাপত্তার উদ্বেগ তুলে ভারত সরকারের কাছে এই আহ্বান জানিয়েছে। এই দাবি উঠেছে যখন ভারতে স্টারলিংকের প্রবেশ নিয়ে মাস্ক ও ধনকুবের মুকেশ আম্বানির মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে।

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) অর্থনৈতিক শাখা হিসেবে পরিচিত এসজেএম সংগঠনটি দাবি করেছে, স্টারলিংকের প্রযুক্তির কারণে নিরাপত্তাজনিত জরুরি পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট সেবা সীমিত করা কঠিন হতে পারে। এ ছাড়া, ভারতের ইন্টারনেট ট্রাফিক দেশীয় অবকাঠামোর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করাও চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

সংগঠনটির জাতীয় যুগ্ম আহ্বায়ক অশ্বিনী মহাজন এক বিবৃতিতে বলেছেন, "যদি যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতীয় পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করে, তাহলে প্রকৃত নিরাপত্তা উদ্বেগের ভিত্তিতে স্টারলিংককে আটকে দেওয়ার অধিকার ভারতেরও রয়েছে।"

ভারতে স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহে মাস্ক অভিযোগ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার ও মুকেশ আম্বানি স্টারলিংকের প্রবেশে বাধা দিচ্ছেন, যাতে আম্বানির রিলায়েন্স জিও সুবিধা পায়। তবে ভারতের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্টারলিংকসহ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা যাচাই চলছে। অনুমোদন প্রক্রিয়ায় বৈষম্যের অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও ভুল ধারণাপ্রসূত বলেও উল্লেখ করেছে মন্ত্রণালয়। স্টারলিংকের মূল প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

ভারতে একশ কোটিরও বেশি ইন্টারনেট গ্রাহক রয়েছেন। স্টারলিংকের পাশাপাশি রিলায়েন্স জিও ও ভারতী এয়ারটেলের সমর্থিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেট উদ্যোগও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

স্টারলিংকের ভারতে প্রবেশ নিয়ে মাস্ক ও আম্বানির বিরোধও প্রকাশ্যে এসেছে। গত সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মাস্ক প্রশ্ন তোলেন, "ভারতের প্রকৃত ক্ষমতাধর ব্যক্তি কি আম্বানি?" স্টারলিংকের লাইসেন্স পেতে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় নিয়মকানুন মেনে চলার পরও অনুমোদন না পাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

ভারতের নীতিনির্ধারণে প্রভাব রাখার নজির রয়েছে স্বদেশী জাগরণ মঞ্চের। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন ও ওয়ালমার্টের মালিকানাধীন ফ্লিপকার্টের প্রতিযোগিতার মুখে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুরক্ষায় নীতিমালা প্রণয়নের দাবিও জানিয়েছিল সংগঠনটি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনে সংঘাতের মধ্যে বেড়েছে কলেরার প্রকোপ, সতর্কবার্তা ডব্লিউএইচওর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৭ এম


ইয়েমেনে সংঘাতের মধ্যে বেড়েছে কলেরার প্রকোপ, সতর্কবার্তা ডব্লিউএইচওর

ইয়েমেনে গত তিন সপ্তাহের মধ্যে কলেরায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন করে দেশটিতে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ফলে বাড়িঘর ছেড়ে পালানো মানুষ অস্বাস্থ্যকর আশ্রয়শিবিরে অবস্থান করছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করেছে যে, এতে তাদের মধ্যে কলেরাসহ প্রতিরোধযোগ্য রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে ডব্লিউএইচও এই সতর্কবার্তা প্রদান করেছে।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, সংঘাতের কারণে দুই লাখের বেশি মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন। ৬ থেকে ১২ সেপ্টেম্বরের সপ্তাহে ইয়েমেনে কলেরায় আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহভাজন ঘটনা ছিল ২১৭টি। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবরের সপ্তাহে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৪৭টিতে।

জাতিসংঘের সংস্থাটির আঞ্চলিক জরুরি কার্যক্রমের পরিচালক অ্যানেট হেইনজেলম্যান বলেন, “সংঘাত থেকে পালিয়ে আসা পরিবারগুলো এখন প্রতিরোধ ও চিকিৎসাযোগ্য রোগের আরেকটি হুমকির মুখে পড়েছে।”

তিনি আরও বলেন, জরুরি অর্থায়ন, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা, টিকাদান ও অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাধাহীন প্রবেশাধিকার না থাকলে আগে থেকেই ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর মধ্যে রোগের প্রাদুর্ভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ডব্লিউএইচওর তথ্যানুযায়ী, চলতি বছর ইয়েমেনে কলেরায় আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহভাজন আট হাজার ৩৪টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে এ রোগে ২৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গত চার সপ্তাহে ঘটেছে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের এক-চতুর্থাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচটি গভর্নরেট- আবিয়ান, লাহিজ, আল-দালেয়া, তাইজ ও এডেনে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের ৯২ শতাংশ ঘটেছে। এসব এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের বড় অংশ আশ্রয় নিয়েছেন। পূর্বাঞ্চলের হাদরামাউতের দুর্গম আশ্রয়শিবিরগুলোতেও কলেরার সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এসব এলাকায় চিকিৎসাকর্মীদের পৌঁছানো কঠিন।

ইয়েমেনে কয়েক বছর ধরে কলেরার প্রাদুর্ভাব বাড়া-কমার ঘটনা ঘটছে। ২০২৪ সালে ডব্লিউএইচও সতর্ক করে বলেছিল, বিশ্বব্যাপী কলেরার প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ইয়েমেন অন্যতম।

২০১৭ সালে দেশটিতে কলেরার ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবে কয়েক লাখ মানুষ আক্রান্ত হন এবং অন্তত দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

ইয়েমেন আগে থেকেই বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটে রয়েছে। গত জুলাইয়ে হুতি বিদ্রোহী ও সরকারের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার পর দেশটিতে খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা ও রোগব্যাধির প্রকোপ বেড়েছে। এর ফলে চার বছর ধরে চলা ভঙ্গুর শান্ত পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে।

কলেরা একটি তীব্র অন্ত্রের সংক্রমণজনিত রোগ। ভিব্রিও কলেরি ব্যাকটেরিয়ায় দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়। এতে তীব্র ডায়রিয়া, বমি ও পেশিতে খিঁচুনি হতে পারে। দ্রুত পানিশূন্যতা পূরণ করা না হলে রোগটি প্রাণঘাতী হতে পারে। চিকিৎসায় খাবার স্যালাইন গুরুত্বপূর্ণ; গুরুতর ক্ষেত্রে শিরায় তরল দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ইয়েমেনে ৯০ দিনের জরুরি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার প্রয়োজন। তবে সংস্থাটি এখন পর্যন্ত পেয়েছে ৩৭ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

এই অর্থ দিয়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়শিবিরে রোগ পর্যবেক্ষণ জোরদার, দ্রুত সাড়াদানকারী দল মোতায়েন, কলেরার চিকিৎসা সম্প্রসারণ এবং হাসপাতাল ও কলেরা চিকিৎসাকেন্দ্রে সংক্রমণ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%