ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

আ.লীগ দিল্লী থেকে আর জামায়াত দেশে বসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন


আ.লীগ দিল্লী থেকে আর জামায়াত দেশে বসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ দিল্লীতে অবস্থান করছে এবং বাংলাদেশে জামায়াত ইসলাম দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

এই মন্তব্যটি তিনি রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আবায়ক মামুন মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে করেন।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, জনগণ ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এনেছে। জনগণের সমর্থন বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি। জনগণ যদি বিএনপি সরকারের পাশে থাকে, তাহলে কোনো অপশক্তি সফল হতে পারবে না। বরং জনগণকে সাথে নিয়ে বিএনপি সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে সফল হবে।

আরও পড়ুন: সৈয়দপুরে শ্রমিকদের বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ এবং জামায়াত অতীতে দেশের বিরুদ্ধে এবং বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত ছিল। বিএনপি তাদের মোকাবেলা করেছে। ইনশাআল্লাহ, এখন ওই পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ দিল্লীতে বসে এবং বাংলাদেশে জামায়াত ইসলাম যে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে, সেটিকে জনগণের সহযোগিতায় মোকাবেলা করতে বিএনপি সরকার সক্ষম। দেশের জনগণ যদি সরকারের পাশে থাকে, তাহলে যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করা সম্ভব, ইনশাআল্লাহ।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতের আমীর নিজেই জ্বালানি সংকটকে জাতীয় সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু বিরোধী দল যে লং মার্চ করেছে, তা জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে কোন গুরুত্ব পায়নি। দেশের জনগণও তাদের লং মার্চকে গ্রহণ করেনি। সদ্য ক্ষমতায় আসা সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত কর্মসূচি দেয়ার উদ্দেশ্যেই পতিত আওয়ামীলীগকে সুযোগ করে দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে।

বাংলাদেশকে আধিপত্যবাদের গ্রাস থেকে রক্ষা করতে হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সহযোগিতা করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই, এই কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলের প্রতি রাষ্ট্র পুন:গঠনে বিএনপি সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

তিনি বলেন, বিএনপি ব্যর্থ হলে দেশে পুনরায় ওয়ান ইলেভেনের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। কারণ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দেশি বিদেশী নানা ধরণের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে। জামায়াতে ইসলাম যদি সেই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দেয়, তবে দেশের জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না।

আরও পড়ুন: রাশেদ খানের দাবি, আমির হামজার কাছে নারীসংক্রান্ত অডিও ও ভিডিও আছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেনমার্কের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি দেওয়ার অনুমতি পেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


ডেনমার্কের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি দেওয়ার অনুমতি পেলেন

শ্রেণিকক্ষে ‘শারীরিক বলপ্রয়োগ’ বা শিক্ষার্থীদের ‘শাস্তি’ দেওয়ার অনুমতি ডেনমার্কের শিক্ষকদের দেওয়া হচ্ছে, সহিংসতা বৃদ্ধির অভিযোগের প্রেক্ষিতে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয়-বামপন্থি সরকারের প্রস্তাবিত একটি সংস্কারের আওতায়, আগামী বছরের আগস্ট মাস থেকে শিক্ষকরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী শিক্ষার্থীদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য ‘শারীরিক বলপ্রয়োগ বা নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা’ গ্রহণের অনুমতি পাবেন। এর ফলে শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধরে রাখা, নির্দিষ্ট স্থানে আটকে রাখা বা অন্য কোনো কক্ষে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

বর্তমানে, যদি কোনো শিক্ষার্থী নিজের, অন্যদের বা স্কুলের সম্পত্তির জন্য ‘বিপদ’ সৃষ্টি করে, কেবল তখনই শিক্ষকদের বলপ্রয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রণীত এই আইনটি জাতীয় শিক্ষক ইউনিয়নের আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে করা হয়েছে; ইউনিয়নটি দীর্ঘদিন ধরে বলছে যে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী শিক্ষার্থীদের সামলানো ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে।

তবে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে, কেবল ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতেই শারীরিক হস্তক্ষেপ করা যাবে এবং তা হতে হবে পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। শারীরিক বলপ্রয়োগের যেকোনো ঘটনায় অভিভাবক ও পৌর পরিষদকেও অবহিত করতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ম্যাগনাস হিউনিকে বলেছেন, ‘পরিস্থিতি জটিল বা উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শিক্ষকরা কী করতে পারবেন, সে বিষয়ে তাদের মনে কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকা উচিত নয়। কোনো শিক্ষকেরই উচিত নয় সহিংস পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে হস্তক্ষেপ করার কারণে চাকরি হারানোর ভয় পাওয়া।’

ডেনমার্কে প্রায় ৬০ বছর ধরে স্কুলে বলপ্রয়োগ কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। দেশটি ১৯৬৭ সালেই শারীরিক শাস্তি বেআইনি ঘোষণা করেছিল।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে হামের আতঙ্ক, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


সিলেটে হামের আতঙ্ক, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

সিলেট বিভাগের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। চলতি বছরের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত, বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১৯০ এ পৌঁছেছে। একই সময়ে, নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯৫ জন। হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম নিয়ে ভর্তি রয়েছেন আরও ৫১৫ জন।

রোববার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। নতুন করে মারা যাওয়া তিন শিশুর চিকিৎসা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলছিল। তাদের বয়স ছিল ছয় মাস, এক বছর দুই মাস এবং ১০ মাস। শিশুদের বাড়ি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জের দিরাই ও জগন্নাথপুর উপজেলায় অবস্থিত।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত সিলেট বিভাগে সন্দেহজনক হাম রোগে ১৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, নিশ্চিত হাম রোগে মারা গেছে ১০ জন। দুই শ্রেণি মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১৯০।

জেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্তের সংখ্যায় সিলেট জেলা এগিয়ে রয়েছে। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪২২। সুনামগঞ্জে ৩৫৭, হবিগঞ্জে ১৫৮ এবং মৌলভীবাজারে ১৫৮ জনের নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। হবিগঞ্জের সংখ্যার মধ্যে দুজন রুবেলা রোগী রয়েছেন। সব মিলিয়ে বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৯৫।

মৃত্যুর হিসাবেও সিলেট জেলা শীর্ষে অবস্থান করছে। জেলাটিতে সন্দেহজনক হাম রোগে ৭৪ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সুনামগঞ্জে সন্দেহজনক হাম রোগে ৬৮ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে একজন মারা গেছেন। হবিগঞ্জে সন্দেহজনক হাম রোগে ২৪ জন ও নিশ্চিত হাম রোগে চারজনের মৃত্যু ঘটেছে। মৌলভীবাজারে সন্দেহজনক হাম রোগে ১৪ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে বিমরাডের কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


ঢাকায় বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে বিমরাডের কর্মশালা

বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি (সুনীল অর্থনীতি) বিকাশ এবং সমুদ্র শাসনব্যবস্থার উন্নয়নে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের উদ্দেশ্যে ঢাকায় একটি আন্তর্জাতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিটাইম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিমরাড) সেমিনার হলে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস ফেলোশিপ ২০২৬-এর আওতায় ‘এনাবলিং আ সাসটেইনেবল ব্লু ইকোনমি ইন দ্য বে অব বেঙ্গল’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান ও বিমরাডের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌবাহিনী প্রধান জ্ঞান বিনিময় ও অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তবক্ষেত্রে প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই ফেলোশিপ বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচন করতে সক্ষম হতে পারে। ফেলোদের অর্জিত জ্ঞান ও পেশাগত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাস্তবসম্মত সামুদ্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে অবদান রাখতে হবে।

কর্মশালায় বিভিন্ন দেশের ১৫ জন ফেলো অংশগ্রহণ করেন। এতে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সমুদ্র শাসনব্যবস্থা, সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা এবং পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যবিষয়ক বিভাগের পরিচালিত এই ফেলোশিপটির আয়োজক হিসেবে কাজ করছে দেশটির ইউনিভার্সিটি অব উলংগংয়ের ‘অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান রিসোর্সেস অ্যান্ড সিকিউরিটি’। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাইকমিশনার। এছাড়া বিমরাডের চেয়ারম্যান এবং অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব উলংগংয়ের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ঢাকা, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।

আজ রবিবার ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-এর সভাপতি মানিক মুনতাসির এবং সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনটির ৪৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসসকে এই তথ্য জানান।

এসময় রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, গণমাধ্যমকর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন কাঠামো ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত না হলে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

তিনি সাংবাদিকদের কল্যাণ ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়াকে সমাজের জন্য দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেন এবং পেশাগত স্বার্থরক্ষায় সকল বিভাজন ভুলে গণমাধ্যমকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের কল্যাণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশে নির্ভীক ও দায়িত্বশীল হতে হবে এবং অনিয়ম, দুর্নীতি ও অন্যায় জনসমক্ষে তুলে ধরতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অপসাংবাদিকতা, অপতথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার প্রতিরোধে মূলধারার গণমাধ্যম ও পেশাদার সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মতবিনিময়কালে রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও মমত্বের কথা তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘আমি যে শিকড় থেকে এসেছি, যে শিকড় থেকে আমার বেড়ে ওঠা, সেই শিকড়কে আমি ধরে রাখতে চাই।’

ঠাকুরগাঁওকে সাম্প্রদায়িকতা ও মাদকমুক্ত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি সাংবাদিকদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি ফোরামের সদস্যদের অভিনন্দন জানান, যারা বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দেশ ও ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছেন। তিনি সাংবাদিকদের প্রতি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম এসময় সংগঠনটির সদস্যদেরকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানান এবং জেলার সাফল্য ও অর্জনগুলোকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার জন্য উৎসাহিত করেন।

সাক্ষাৎকালে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান।

তারা রাষ্ট্রপতিকে পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অবহিত করেন এবং সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

এছাড়া সংগঠনের স্থায়ী কার্যালয় এবং গুরুতর অসুস্থ সদস্যদের জরুরি চিকিৎসার বিষয়েও রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।

রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সংগঠনটির সমৃদ্ধি ও সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন।

এসময় ফোরামের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন- ঢাকা স্ট্রিমের সিইও সোহেল রানা, বাসসের প্রধান বার্তা সম্পাদক মো. মানিকুল আজাদ, প্রথম আলোর সাংবাদিক তুহিন সাইফুল্লাহ, বাসসের সাংবাদিক মাহাবুর আলম সোহাগ, স্টার নিউজের সিনিয়র প্রডিউসার মাহবুব আলম রাজ, কালবেলার সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম এবং চ্যানেল-২৪ এর সাংবাদিক মাসউদুর রহমান রানা।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%