বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০১ পি.এম
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নতুন স্টেডিয়ামের উদ্বোধন কবে হবে, সেই সময় তিনি সেখানে উপস্থিত থাকবেন কি না, এই প্রশ্নটি মাথায় আসতেই স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের মনে মৃত্যুর চিন্তা ভেসে ওঠে।
বর্তমানে তার বয়স ৮৪ বছর। নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণে পাঁচ থেকে ছয় বছর সময় লাগতে পারে। উদ্বোধনের দিন তিনি সশরীর সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন কি না, এ নিয়ে সংশয় থাকলেও, ফার্গুসন তার উপস্থিতি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী—“শরীরে না থাকলেও আত্মায় থাকবেন” তিনি।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি এই কোচ তার নতুন বই Games of My Life-এ এমন আবেগঘন কথাগুলি লিখেছেন। বইটি আজ ৮ অক্টোবর প্রকাশিত হয়েছে।
মৃত্যু সম্পর্কে নিজের ভাবনা তুলে ধরে ফার্গুসন লিখেছেন, “স্রষ্টা আমার জন্য কী ঠিক করে রেখেছেন, তা নিয়ে পড়ে থাকি না। মৃত্যুকেও ভয় পাই না। জীবনের সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত মুহূর্তেও মৃত্যু আমাদের সঙ্গেই থাকে। তবে আমি জীবন থেকে যতটা সম্ভব বেশি কিছু নেওয়ার ব্যাপারেই বেশি আগ্রহী। আমার অনেক কিছু করার আছে, অনেক মানুষের সঙ্গে সময় কাটাতে চাই।”
নতুন স্টেডিয়ামের প্রসঙ্গ আসার পর, ফার্গুসন বলেন, “তবু মাঝেমধ্যে মৃত্যুর কথা আমার মাথায় আসে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড যখন ওল্ড ট্রাফোর্ডের বদলে দারুণ একটি নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করল, তখন আমার মনে প্রশ্ন জাগল—উদ্বোধনী সময় আমি কি সেখানে থাকব?”
তিনি দ্রুত নির্মাণকাজ শুরুর প্রত্যাশা জানিয়ে লিখেছেন, “আমি আশা করি, তারা দ্রুত কাজ শুরু করবে। কারণ, এটি তৈরি করতে যদি পাঁচ বছর লেগে যায়, তাহলে আমার বয়স ৯০ ছুঁইছুঁই হবে। তবে আমি জানি, যেকোনোভাবেই হোক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমি থাকব—শরীরে হোক কিংবা আত্মার মাধ্যমে।”
২০২৫ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১ লাখ আসনের নতুন স্টেডিয়ামের নকশা প্রকাশ করে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে পাঁচ থেকে ছয় বছর সময় লাগতে পারে।
ফার্গুসনের সঙ্গে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সম্পর্ক দীর্ঘ সময়ের। ১৯৮৬ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি ক্লাবটির প্রধান কোচ ছিলেন। ১৩টি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, ২টি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, ১টি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপসহ তিনি দলকে ৩৮টি ট্রফি জিতিয়েছেন।
নতুন স্টেডিয়াম ফার্গুসনের দীর্ঘ ফুটবল জীবনের আরেকটি অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে উঠবে। সেটি তিনি দেখুন বা না দেখুন, ক্লাবটির সঙ্গে তার বন্ধন যে অটুট থাকবে, সেটি তার বইয়ে লেখা কথাগুলোতেই স্পষ্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর মনোহরদীতে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলায় এসআরবি কর্তৃক শরিফুল ইসলাম শাকিল নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে মনোহরদী থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া শাকিল উপজেলার চালাকচর ইউনিয়নের হাফিজপুর গ্রামের কাজী নজরুল ইসলাম বাদশাহর পুত্র।
মামলার সূত্রে জানা যায়, চালাকচর ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য রোকেয়া আক্তারের স্বামী জাকির হোসেন চালাকচর বাজারে একটি ভাড়া দোকানে ব্যবসা করতেন। দোকানের মালিক সাজ্জাদ আলী বাহার দোকানটি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত জানালে, জাকির হোসেন দোকানটি কেনার জন্য তাঁকে ১৮ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু পরবর্তীতে দোকান বুঝিয়ে না দেওয়া এবং টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণে দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এই বিরোধের মধ্যে শাকিল দোকান মালিকের পক্ষে দাঁড়িয়ে রোকেয়া আক্তার ও তাঁর স্বামীকে বিভিন্ন সময়ে হুমকি ও চাপ দিতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের আগস্টে শাকিল তাঁদের দোকানে গিয়ে সমস্যা সমাধানের কথা বলে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে, ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তাঁদের মানহানি করার হুমকি দেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে রোকেয়া আক্তারের নামে ফেসবুকে চাঁদাবাজির অভিযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন পোস্ট দেওয়ার অভিযোগ ওঠে শাকিলের বিরুদ্ধে। রোকেয়া অভিযোগ করেন, এসব পোস্ট স্থানীয় কয়েকটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় তিনি নরসিংদী জজ কোর্টে শাকিলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মানহানির মামলা করেন।
মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। পরে শাকিল আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। এর প্রেক্ষিতে এসআরবি অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
রোকেয়া আক্তার বলেন, "শাকিল বিভিন্ন মানুষের কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পোস্ট করে মানহানি করেন।" এসব কর্মকাণ্ডের বিচার দাবি করেন রোকেয়া।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শাকিল বিভিন্ন পেশার মানুষের কাছ থেকে নানা অজুহাতে অর্থ দাবি করেন। দাবি অনুযায়ী অর্থ না দিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দিয়ে হয়রানি করা হয় বলেও অভিযোগ তাঁদের। এ বিষয়ে শাকিলের ফেসবুক পোস্ট ও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে টাকা চাওয়ার অডিও রেকর্ড রয়েছে বলেও তাঁরা দাবি করেন।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, "শাকিলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আরো একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
Climate Resilient Campus Initiative-এর আওতায় জেলা প্রশসন ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কিশোরীদের স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি ও শিক্ষা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে “আজকের যত্ন, আগামীর সুস্থতা” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির এবং সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব এস এম ফয়েজ উদ্দিন। এ সময় কিশোরীদের স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সেবা নিশ্চিত করতে স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন বিতরণ করা হয়।
কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও মর্যাদা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী সদর উপজেলায় কাজ না করেই ঠিকাদারকে বিল দেওয়ার সুপারিশ এবং সম্পন্ন কাজের তুলনায় অতিরিক্ত বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলজিইডি (পটুয়াখালী) সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাশার ও সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে।
সম্প্রতি এলজিইডির পটুয়াখালী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়ালিয়ার রহমানের সই করা পৃথক নোটিশ জারি করা হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, পত্র পাওয়ার সাত কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দিতে হবে। পাশাপাশি বাস্তবে সম্পন্ন না হওয়া কাজের বিপরীতে দেওয়া প্রায় ৯১ লাখ টাকার বিল ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, পটুয়াখালী সদর উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে দুই প্রকৌশলী দুটি উন্নয়ন প্যাকেজের কাজ তদারকি ও বিল প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট কাজের বিল, পরিমাপ বই (এমবি) ও প্রকল্পের নথিপত্র পর্যালোচনার পর বাস্তব কাজের সঙ্গে বিলের অসংগতি পাওয়া গেছে।
নোটিশ অনুযায়ী, সিএএফডিআরআইআরপি/পটুয়াখালী/ভিআর/ইআর/ডব্লিউ-৩৫/২০২৩-২৪ প্যাকেজের আওতায় মরিচবুনিয়া চাটুয়া স্লুইস-পূর্ব মরিচবুনিয়া হয়ে উত্তর বিরাজলা কমিউনিটি স্কুল সড়কের ৫ কিলোমিটার পুনর্বাসন কাজ ছিল।
অন্যদিকে সিএএফডিআরআইআরপি/পটুয়াখালী/ইউএনআর/ইআর/ডব্লিউ-৩৬/২০২৩-২৪ প্যাকেজের আওতায় লোহালিয়া ইউপিসি-ভূরিয়া বাজার-দারান্দি লঞ্চঘাট হয়ে মিয়ারহাট সড়কের ৫ দশমিক ৫ কিলোমিটার এবং জৈনকাঠি ইউপিসি থেকে ভূরিয়া বাজার হয়ে এম. ধরান্দি কলেজ সড়কের ৭ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার পুনর্বাসন কাজ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এলজিইডির নোটিশে বলা হয়েছে, এসব প্যাকেজের কিছু কাজ বাস্তবে বাস্তবায়িত না হলেও ‘আনস্পেসিফাইড’ কাজের খাতে ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা হয়েছে।
নোটিশের তথ্য অনুযায়ী, ডব্লিউ-৩৫/২০২৩-২৪ প্যাকেজে প্রথম ও দ্বিতীয় চলতি বিল বাবদ মোট ৩ কোটি ৫৩ লাখ ১২ হাজার ৫২৭ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা অতিরিক্ত বিল দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। অপরদিকে ডব্লিউ-৩৬/২০২৩-২৪ প্যাকেজে প্রথম চলতি বিল বাবদ ৯৮ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪৪ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বিল দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অতিরিক্ত বিলের পাশাপাশি দুটি প্যাকেজে বাস্তবে সম্পন্ন না হওয়া কাজের বিপরীতে প্রায় ৯১ লাখ টাকার ‘ভূতুড়ে বিল’ দেওয়ার অভিযোগও করেছে এলজিইডি। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ডব্লিউ-৩৫/২০২৩-২৪ প্যাকেজে প্রায় ৪৭ লাখ টাকা এবং ডব্লিউ-৩৬/২০২৩-২৪ প্যাকেজে প্রায় ৪৪ লাখ টাকা কাজ না করেই বিল হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
মো. আতিকুর রহমানের নামে দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলায় উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ওই দুটি প্যাকেজের কাজ তদারকি ও বিল প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি মির্জাগঞ্জ উপজেলা এলজিইডিতে উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী (উপজেলা প্রকৌশলী অতিরিক্ত দায়িত্ব) হিসেবে কর্মরত।
নোটিশে সংশ্লিষ্ট বিল ও বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বাস্তবায়িত কাজের তুলনায় অতিরিক্ত বিল সুপারিশ করা হয়েছে। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে কাজটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে ‘প্রতীয়মান’ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
একইভাবে সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাশারের নামে দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, তিনি ওই দুটি প্যাকেজের কাজ তদারকি এবং ঠিকাদারের বিল পরিশোধের জন্য সুপারিশ করেন। পরবর্তী সময়ে বিল ও মাঠপর্যায়ের বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনায় কাজের একটি অংশ বাস্তবায়িত না হলেও বিল পরিশোধের বিষয়টি ধরা পড়ে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এলজিইডির নোটিশে আরো বলা হয়েছে, দুটি প্যাকেজে ইচ্ছাকৃত ভুলের মাধ্যমে নিজে ও ঠিকাদারকে আর্থিকভাবে লাভবান করার জন্য যথাক্রমে প্রায় ৪৭ লাখ ও ৪৪ লাখ টাকার ‘ভূতুড়ে বিল’ দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোন বিভাগীয় তদন্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা শাস্তির তথ্য নোটিশে উল্লেখ নাই।
দুই প্রকৌশলীর কাছেই জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন ঠিকাদারকে ‘আনস্পেসিফাইড’ ও অতিরিক্ত বিলের সুপারিশ করা হয়েছে এবং ইচ্ছাকৃত ভুলের মাধ্যমে ‘ভূতুড়ে বিল’ দেওয়ার অভিযোগে তাদের কর্তব্যে অবহেলার জন্য দায়ী করে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে না।
নোটিশে সাত কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৯১ লাখ টাকার ‘ভূতুড়ে বিল’ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশ দুটির অনুলিপি এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (প্রশাসন), পটুয়াখালী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাশার বলেন, ‘আপনাকে কাল-এর উত্তর লিখে (হোয়াটসঅ্যাপে) পাঠাব। আর কোনো কথা না বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।
অন্যদিকে সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কল রিসিভ করেননি তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিশু অধিকার দিবস ও বিশ্ব শিশু সপ্তাহ-২০২৬ এবং
বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষ্যে সমাপনী অনুষ্ঠান, আলোচনা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ পাঁচ আসনের , সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট আবুল কালাম, এবং নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট, মোঃ রায়হান কবির, নারায়নগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ - এনডিএ'র চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপি'র যুগ্ম আহবায়ক "মাসুকুল ইসলাম রাজিব"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ