ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিনা খরচে মালয়েশিয়া যেতে আবেদন করবেন যেভাবে


বিনা খরচে মালয়েশিয়া যেতে আবেদন করবেন যেভাবে

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য খুলতে যাচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। এবার স্বচ্ছ ও নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে বা জিরো কস্টে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম দফায় নির্বাচিত কর্মীদের সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)-এর মাধ্যমে বিশেষ ব্যবস্থায় মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

আবেদন করবেন যেভাবে

আরও পড়ুন: আমি খুবই চিন্তিত: নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনে জয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন

মালয়েশিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সরকারি অনুমোদিত নিয়োগ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির দিকে নজর রাখতে হবে। আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করা যাবে।

আবেদনের ক্ষেত্রে সাধারণত যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে, বৈধ পাসপোর্ট, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতার তথ্য, নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ ও কর্মসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। 

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কর্মী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। এজন্য কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে আবেদন না করে শুধুমাত্র সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

টাকা দেওয়ার আগে সতর্কতা

আরও পড়ুন: ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন

আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে টাকা দেওয়া, মেডিকেল পরীক্ষা করানো কিংবা পাসপোর্ট জমা না দেওয়ার জন্য আগ্রহী কর্মীদের সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।

কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধ, নিয়মিত বেতন-ভাতা, আবাসন ও চিকিৎসাসেবার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কর্মীদের যেকোনো অভিযোগ দ্রুত সমাধানে ২৪ ঘণ্টার মনিটরিং সেল ও হেল্পডেস্ক চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ হলে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিস্তারিত নির্দেশনা এবং আবেদন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন: আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, ৪৭.৪২% পরিবার ঋণের চাপের মধ্যে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজেপি চুরি করে বাংলা দখল করেছে: মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৭ পি.এম


বিজেপি চুরি করে বাংলা দখল করেছে: মমতা

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বলেছেন, বিজেপি ‘চুরি করে বাংলা দখল করেছে। তিনি দাবি করেছেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। বাংলায় আবার পরিবর্তন আসবে এবং খুব শিগগিরই তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের ক্ষমতায় ফিরবে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাখিবন্ধন ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মমতা। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আরেকটি ‘পরিবর্তন’ আসন্ন।

মমতা বলেন, চুরি করে বাংলা দখল করেছে। কিন্তু চিন্তা করবেন না। বাংলায় আবার পরিবর্তন আসবে। খুব শিগগিরই তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় ফিরবে। আর বিজেপির লোকেরাই বিজেপির জবাব দেবে।

বিজেপির বিরুদ্ধে পেশিশক্তির ওপর নির্ভর করার অভিযোগও করেন তিনি। মমতার দাবি, দলটির সঙ্গে যুক্ত ‘লুম্পেন’ বা উচ্ছৃঙ্খল লোকজন পশ্চিমবঙ্গজুড়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রভাব বিস্তার করছে।

তিনি বলেন, ঈশ্বর বলে একটা জিনিসও আছে। ওরা বলেছিল, আমাকে বের হতে দেওয়া হবে না। দেখি ওদের কতটা সাহস আছে। শুধু পেশিশক্তি দিয়ে সবকিছু চালানো যায় না।

মধ্য কলকাতায় টিএমসিপির প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি কর্মসূচির আয়োজনকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই মমতার এসব মন্তব্য আসে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, সড়কের এক পাশে সভা আয়োজনের কথা ছিল এবং পাশের লেন দিয়ে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে জনসমাগমের কারণে যান চলাচলের লেনে যানজট তৈরি হলে মমতা ব্যানার্জী তার সভা থামিয়ে পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশের ব্যবস্থাপনা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। মমতার অভিযোগ, অনুষ্ঠানটি ব্যাহত করার জন্য একটি ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল।

টিএমসিপির কালিঘাটপন্থি অংশের মূল কর্মসূচি আয়োজন করা হয় ক্যাথেড্রাল রোডে। অন্যদিকে, ঋতব্রত ব্যানার্জীর নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী অংশ তাদের কর্মসূচি করে এসপ্ল্যানেডের রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে।

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে, দুই পক্ষের কাউকেই মায়ো রোডে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

রাজনৈতিক নেতাদের যাতায়াতকে কেন্দ্র করে পুলিশের নেওয়া ব্যবস্থাপনা নিয়েও কটাক্ষ করেন মমতা ব্যানার্জী। তিনি বলেন, তার এলাকার সড়কগুলো একটি গাড়িবহরের চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি। মূল প্রতিবেদনে ওই গাড়িবহরকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর চলাচলের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মমতা বলেন, বাবু বের হয়েছেন, তাই রাস্তা বন্ধ। ৪০টি গাড়ির কনভয় চলছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে আমার পাড়ার সব রাস্তা বন্ধ করে রেখেছে। বাবু কখন যাবেন? আমরা কি তাকে স্যালুট করবো? স্যালুট করতে হলে নবান্নে গিয়ে করুন।

তিনি আরও বলেন, নবান্ন তার সরকারের আমলেই তৈরি করা হয়েছিল। রাইটার্স বিল্ডিংয়ের কাজও তাদের সরকারের সময়ে শুরু হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

এদিকে, গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়া নেতাদের বিরুদ্ধে দেওয়া সতর্কবার্তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সংসদ সদস্য অভিষেক ব্যানার্জী।

কুণাল ঘোষের করা মন্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে অভিষেক বলেন, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মমতা।

অভিষেক ব্যানার্জী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সুবিধা নিয়েছেন ও শেষ সময়ে নিজেদের রক্ষা করতে বিজেপি নেতৃত্বাধীন ‘বিসি’ বা ‘বালিশ-চাটা’ গোষ্ঠীতে যোগ দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদের ভবিষ্যতে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

সূত্র: দ্য স্টেটসম্যান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের পাশে আছে ঢাকাবাসী : আব্দুস সালাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৩ পি.এম


তারেক রহমানের পাশে আছে ঢাকাবাসী : আব্দুস সালাম

ঢাকা, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, অতীতে ঢাকা শহর যেভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার পাশে ছিল, তেমনি আজ ঢাকাবাসী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশে রয়েছে।

আজ শুক্রবার বিকেলে নগরভবনে ‘৪১৬ হৃদয়ে ঢাকা’ উৎসবের অংশ হিসেবে আয়োজিত ঢাকা শোভাযাত্রা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকার ঐতিহাসিক স্থানগুলোর রেপ্লিকা শোভাযাত্রায় প্রদর্শনের মাধ্যমে এসব স্থাপনা এবং রাজধানীর সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা ঢাকার গর্ব, একইসঙ্গে দেশেরও গর্ব। নতুন প্রজন্মের কাছে ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, ‘এই ঢাকা আমার’-এই অনুভূতি নিয়ে সবাইকে ঢাকাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। ঢাকাকে হৃদয়ে ধারণ করতে পারলে শহরকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও মশামুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

রাজধানীর বায়ুদূষণের প্রসঙ্গ তুলে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বায়ুদূষণের কারণে ঢাকা প্রায়ই বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় থাকে। ঢাকাকে হৃদয়ে ধারণ করে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এ দূষণ কমিয়ে আনা সম্ভব। জনগণকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই ‘৪১৬ হৃদয়ে ঢাকা’ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামীতে প্রধানমন্ত্রী সময় দিলে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে লালবাগ কেল্লায় চূড়ান্ত অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। এতে ঢাকা মহানগরের সর্বস্তরের মানুষ, বিশেষ করে আদি ঢাকার বাসিন্দাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

‘হৃদয়ে ঢাকা’ উৎসবের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে আব্দুস সালাম বলেন, ইতোমধ্যে সাইকেল র‌্যালি, ম্যারাথন, নৌকাবাইচ ও চিত্রাঙ্কন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী বছর আরও সুন্দর ও বড় পরিসরে এ উৎসব আয়োজন করা হবে।

তিনি জানান, আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগরের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের আজীবন শিক্ষার দায়িত্ব ঢাকা সিটি করপোরেশন নেবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘এই সিটি করপোরেশন ঢাকার জনগণের করপোরেশন। জনগণের সহযোগিতা নিয়েই এই সিটি করপোরেশন কাজ করবে।’ এ কাজে তিনি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

ঢাকার ঐতিহাসিক স্থানগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করে তুলতে আগামী মাস থেকে প্রতি শনিবার স্কুলশিক্ষার্থীদের এসব স্থান পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি। সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা সিটি করপোরেশন দুটি করে বাসের ব্যবস্থা করবে বলে জানান তিনি।

আব্দুস সালাম বলেন, ঐতিহাসিক স্থানগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে নিজেদের শহর ও ইতিহাস নিয়ে গর্ববোধ তৈরি হবে। শহীদ মিনারসহ ঢাকার ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো মানুষের আত্মত্যাগ ও ইতিহাসের স্মৃতি বহন করছে। ঢাকা সব ধর্মের মানুষের শহর। ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষের ঐতিহ্য ও স্মৃতি এ শহরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

নগর পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যত্রতত্র ময়লা ফেলা যাবে না। ডাস্টবিন ছাড়া ময়লা না ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। মানুষ যেমন নিজের শয়নকক্ষ ও বসার ঘর সুন্দর রাখে, তেমনি ঢাকা শহরের রাজপথকেও সুন্দর রাখার চেষ্টা করতে হবে।

পুরান ঢাকা ও আদি ঢাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, তারা পুরান ঢাকাকে আরও সুন্দরভাবে সাজাতে চান। রাস্তাঘাট উন্নয়নের পাশাপাশি আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হবে। এমন পরিবেশ তৈরি করা হবে, যাতে পুরান ঢাকার যেসব বাসিন্দা বর্তমানে গুলশান-বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করছেন, তারা আবার পুরান ঢাকায় ফিরে আসতে আগ্রহী হন।

হাজার হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শোভাযাত্রাটি পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরভবনে এসে শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বশান্তি কল্যাণ কামনায় টাঙ্গাইলের বড় কালীবাড়িতে গীতা যজ্ঞানুষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৫ পি.এম


বিশ্বশান্তি কল্যাণ কামনায় টাঙ্গাইলের বড় কালীবাড়িতে গীতা যজ্ঞানুষ্ঠান

বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে টাঙ্গাইল বড় কালীবাড়িতে গীতা যজ্ঞানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা বিশ্বশান্তি, মানবজাতির কল্যাণ এবং দেশ ও জাতির সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (২৮ আগষ্ট) সকাল থেকে টাঙ্গাইল বড় কালীবাড়ি প্রাঙ্গণে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ যজ্ঞানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন টাঙ্গাইল জেলা ব্রাহ্মণ সংসদসহ টাঙ্গাইল জেলার সকল উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বী সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল শ্রেণি-পেশার ভক্তবৃন্দের সমন্বয়ে একটি বিশাল র‍্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এরপর শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ, চন্ডীপাঠ, ধর্মীয় আলোচনা ও গীতাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। গীতা যজ্ঞে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা, সকল ধর্মের মানুষের সুখ-সমৃদ্ধি, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং সবার মঙ্গল কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ টাঙ্গাইল জেলা কমিটিসহ টাঙ্গাইল জেলার প্রতিটি উপজেলার সভাপতি, সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ ও সকল ভক্তবৃন্দের মাঝে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্য (বিপ্র শিরোমণী)।

গীতা যজ্ঞানুষ্ঠানে প্রার্থনারত অবস্থায় বিভিন্ন বক্তা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার মূল শিক্ষা হলো মানবকল্যাণ, ন্যায়, সত্য ও শান্তির পথে চলা। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে হিংসা, সংঘাত ও অস্থিরতা বিরাজ করছে। শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে আমরা শান্তি চাই। এই পরিস্থিতিতে সকলের মানবিকতায় ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। সেইসাথে সকল জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের মানুষের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে একটি অসাম্প্রদায়িক সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানে সকলকেই একতাবদ্ধ হয়ে দেশের কল্যাণের জন্য কাজ করে যেতে হবে। বক্তারা বিশেষ প্রার্থনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল মানুষের সম অধিকার ও তাদের নিরাপত্তার জন্য রাষ্ট্রের বিশেষ সুদৃষ্টি কামনা করেন।

তারা আরও বলেন, গীতা যজ্ঞানুষ্ঠানের মাধ্যমে শুধু ধর্মীয় আচার পালন নয়, বরং মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন মন্দিরের পুরোহিত, সনাতন ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি, হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ, সংবাদ কর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ী উপস্থিত ছিলেন।

শেষে আবারও দেশ, জাতি ও বিশ্ববাসীর শান্তি, সুস্বাস্থ্য, সমৃদ্ধি এবং সকলের কল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে গীতা যজ্ঞানুষ্ঠান শেষ হয় এবং ভক্তবৃন্দদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংকট কাটাতে আমাদের ধৈর্য ধারণ করতে হবে: চিফ হুইপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৮ পি.এম


সংকট কাটাতে আমাদের ধৈর্য ধারণ করতে হবে: চিফ হুইপ

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, বিগত সরকার দেশ থেকে ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে। ভঙ্গুর অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করাতে তারেক রহমান অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। সংকটের সময়ে আমাদের ধৈর্য ধারণ করতে হবে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ ম্যাজিক ফেস্টিভ্যাল-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন।

মো. নূরুল ইসলাম বলেন, বিগত সরকারের একজন মন্ত্রী বিদেশে ৩৫৬টি বাড়ি করেছেন। আরেকজন একাই দুই লাখ কোটি টাকা লুট করেছেন। বিদ্যুৎ খাতে লক্ষাধিক কোটি টাকা লুট করে তাদের আবার ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এমন একটি ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য তারেক রহমান অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। অনাড়ম্বর জীবনযাপন করে তিনি সবার জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আমাদের অনর্থক সমালোচনা বন্ধ করে সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত।

সম্মিলিত যাদুশিল্পী সংস্থার সভাপতি মিনহাজুর রহমান যুবরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জি. নুর আজিজুর রহমান এবং ম্যাজিক আইকন আলী রাজ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%