হুমায়ুন কবির, বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:১০ পি.এম
বরিশালের বানারীপাড়া বন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাতে শ্রেণিকক্ষ থেকে ৫টি সিলিং ফ্যান চুরির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায় যে, গতকাল ৫ আগস্ট ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বেলা ২টার দিকে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক এবং দপ্তরি প্রতিদিনের মতো প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে তালা লাগিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন।
আজ ৬ আগস্ট সকাল ৮:৩০ মিনিটে শিক্ষক ও কর্মচারীরা বিদ্যালয়ে এসে গেট ও দরজার তালা ভাঙা এবং দরজা ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে ভেতরে ঢুকে শ্রেণিকক্ষ থেকে ৫টি ফ্যান গায়েব থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করেন। ঘটনার খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশের একাধিক টিম বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে যায়। পুলিশ পরিদর্শনের পাশাপাশি আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে। চুরির বিষয়ে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বায়েজিদুর রহমান প্রশাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, "বানারীপাড়া বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফ্যান চুরির খবর পেয়ে আমাদের পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চোর চক্রকে সনাক্ত করতে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন চৌকস কর্মকর্তা তদন্ত শুরু করেছেন।"
উল্লেখ্য, বিদ্যালয়টিতে বিগত কয়েক বছর ধরে কোনো সীমানা প্রাচীর নেই। উত্তর ও পূর্ব দিক খোলা থাকায় সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রাঙ্গণটিতে মাদকসেবীদের আড্ডা বসে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসী ও শিক্ষকদের মতে, পর্যাপ্ত নিরাপত্তাবেষ্টনী না থাকায় বিদ্যালয়টি চোর চক্র ও অসামাজিক কার্যকলাপের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রাম- ৯ আসনের সংসদ সদস্য এবং চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেছেন, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে সরকার যথেষ্ট আন্তরিক।
তিনি উল্লেখ করেন, শত বছরের পুরনো এই হাসপাতাল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হলেও এর চিকিৎসক, জনবল, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। হাসপাতাল আধুনিকায়ন এবং চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
আবু সুফিয়ান আরও বলেন, ইনডোর ও আউটডোরে রোগীরা যেন কাঙ্খিত সেবা পেতে পারেন সে বিষয়ে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রোগীদের সেবাদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। হাসপাতালের কারো বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসূতি সেবা উন্নত করার প্রস্তাব করে আবু সুফিয়ান বলেন, হাসপাতালের অবকাঠামোগুলো শত বছরের পুরনো হওয়ায় মেরামত করলেও কাজ টেকসই হচ্ছেনা। নতুন ভবন নির্মাণ এবং মেরামত কাজের প্রস্তাব পেয়েছি। অচিরেই অর্থমন্ত্রী মহোদয় হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন। নতুন ভবন নির্মাণসহ যাবতীয় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সভাকক্ষে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি ও সংসদ সদস্য ব্যরিস্টার শাকিলা ফারজানা বলেন, হাসপাতালের সমস্যা আছে বলেই আমরা আছি। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সকল সুযোগ সুবিধা সম্বলিত একটি আধুনিক ভবন নির্মাণ необходимо। যাতে এক ভবনেই সকল চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ডা. মোহাম্মদ একরাম হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. সাইফুদ্দিন মো. তারেক, সাংবাদিক মিঞা মো. আরিফ, অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, মো. আনামুল হক ইকবাল, আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান, ডা. হোসনা আরা বেগম, মিজ মঞ্জু রানী দাশ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জনবল বৃদ্ধি, নতুন ভবন নির্মাণ, এনআইসিউ স্থাপন, প্রসূতি সেবা বৃদ্ধি, মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা চিকিৎসা সেবা কর্ণার চালু করা এবং গরীব অসহায়দের জন্য এনআইসিইউ ওয়ার্ড করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিসহ সবার ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি সমানভাবে প্রয়োগ করতে হবে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশি থেকে কাউকে অব্যাহতি দেওয়া যাবে না।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাব) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএসসি) প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিষয়ক দেশের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ও সমন্বয়কারী সংস্থা এনসিএসসির ১৩তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
বাংলাদেশের আসন্ন আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নিরাপত্তা নিরীক্ষার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ নিরীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। যেসব ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ আসতে পারে, সেসব বিষয়ে আইসিএও’র মানদণ্ড শতভাগ অনুসরণ নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নির্দেশ দেন।
আফরোজা খানম আরও বলেন, যাত্রীদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশি যাত্রীদের সেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন প্রতিরোধে সরকার অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপন করবে।
তিনি বলেন, প্রায় তিন বছর পর এনসিএসসির সভা হয়েছে। তাই এর সিদ্ধান্তগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আন্তরিক হতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা কার্যক্রম নিশ্চিত করতে ন্যূনতম প্রয়োজনীয়তার চেয়ে বেশি সংখ্যায় স্ক্যানারসহ নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি বিমান চলাচল নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান জোরদার করা, জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন, আইসিএওর নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ।
কমিটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা, আন্ডার ভেহিকল স্ক্যানিং সিস্টেম (ইউভিএসএস)-এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং দেশের সব বেসামরিক বিমানবন্দরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সংকট ব্যবস্থাপনা জোরদারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করে।
এছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড এলাকায় যানজট, অননুমোদিত জনসমাগম, ভিক্ষাবৃত্তি এবং অবৈধ লাগেজ মোড়ানোর কার্যক্রম প্রতিরোধে ক্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার, বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের সুপারিশ করা হয়।
যাত্রীসেবা উন্নত করা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বিমানবন্দরের সামগ্রিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ করে কমিটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে, বাসার পাশেই খেলার সময় খালের পানিতে ডুবে জুনাইদ (৩) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার পূর্ব দাপুনিয়া এলাকার একটি খালে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জুনাইদের গ্রামের বাড়ি উপজেলার হিরনপুর গ্রামে। তার বাবা জাহাঙ্গীর আলম। পরিবারটি বর্তমানে পূর্ব দাপুনিয়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল।
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় জুনাইদ বাসার পাশে একা বল নিয়ে খেলছিল। খেলতে খেলতে একপর্যায়ে অজান্তেই তিনি পাশের পানিতে ভর্তি খালে পড়ে যায়। খালটির পাশে কোনো সীমানা বেড়া ছিল না এবং সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টির কারণে খালটি পানিতে সম্পূর্ণ ভরে গিয়েছিল।
কিছু সময় পরে শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে খালের পানিতে জুনাইদের বলটি ভাসতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। সেইজন্য পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় ৪০ মিনিট ধরে খোঁজাখুঁজির পর খাল থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় জুনাইদকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে দুপুর ১২টার দিকে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মুহতাসিম ফুয়াদ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিশুটির চাচা সোহাগ জানান, বল নিয়ে খেলতে খেলতেই জুনাইদ খালের পানিতে পড়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
তিন বছরের শিশুটির এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে পূর্ব দাপুনিয়া এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যেও গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের বিমানবন্দরগুলোতে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্তটি এসেছে অননুমোদিত ড্রোন পরিচালনা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে। এ কথা বলেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
তিনি আরও জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের সংবেদনশীল স্থানে ড্রোনের অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে, বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাব) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএসসি) প্রথম সভায় যোগ দিয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত।
এই সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের বিমান চলাচল নিরাপত্তা কাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন পদক্ষেপ পর্যালোচনা করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম বিমানবন্দর এলাকা এবং এর আশপাশে অবৈধ ড্রোন উড্ডয়ন প্রতিরোধে সহায়তা করবে। তাদের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম বিমান পরিচালনা, যাত্রী নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিমান চলাচল অবকাঠামোর জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে।
তিনি উল্লেখ করেন, বিমানবন্দরগুলোতে ন্যূনতম প্রয়োজনীয়তার বাইরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম, বিশেষ করে স্ক্যানার, সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা কার্যক্রম নিশ্চিত করা যায়।
একই সাথে কমিটির সিদ্ধান্তগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান।
বিমানবন্দরের আশপাশে অননুমোদিত ড্রোন পরিচালনার বিরুদ্ধে ক্যাবের চলমান কঠোর নজরদারির মধ্যে এই ঘোষণা এসেছে।
এর আগে ক্যাবের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় বারবার অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়নের ঘটনা ঘটায় এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
তিনি ড্রোন পরিচালনাকারীদের লক্ষ করে বলেন, সীমিত ও নিষিদ্ধ এলাকায় ড্রোন উড়ানোর আগে বিদ্যমান বিধিমালা সম্পর্কে সম্যক ধারণা নেওয়া এবং তা কঠোরভাবে অনুসরণের আহ্বান জানান।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন যে, অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন বিমান চলাচল নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। বিশেষ করে উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় এটি বিমানের চলাচলে বিঘ্ন ঘটাতে পারে, বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত করতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিমান চলাচল অবকাঠামোর নিরাপত্তায় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সভায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার কথা বলা হয়, পাশাপাশি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং আসন্ন আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নিরাপত্তা নিরীক্ষাকে সামনে রেখে আইসিএও’র নিরাপত্তা মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণের বিষয়েও আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ