০৯:৪৭ পি.এম
ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের দাবি থেকে সরছে না।
‘বোকা ট্রাম্পের জোর ফুরিয়ে গেছে!’ কিংবা ‘ট্রাম্প আবারও তার ফাঁকা বুলি থেকে পিছিয়ে এসেছেন।’— ঠিক এভাবেই রবিবার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উপহাস করেছে ইরানের গণমাধ্যমগুলো। বর্তমানে, বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ নিয়ে বাগ্যুদ্ধের পরিস্থিতি চরম নাটকীয় রূপ নিয়েছে।
ওমানের রাজধানী মাস্কাটের অদূরে অবস্থিত হরমুজ প্রণালির জলসীমায় অনেক বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙর করে আছে। সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তির ভিত্তি তৈরি হয়েছে; যার অন্যতম শর্ত হলো সব জাহাজের জন্য প্রণালিটি দ্রুত উন্মুক্ত করা। তিনি বারবার চ্যানেলটির ওপর থেকে ইরানের নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার জন্য জোর দাবি জানালেও, তাদের অবস্থান পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। যুদ্ধ শুরুর আগে, বিশ্বের মোট তেলের পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই নৌপথ দিয়েই পরিবাহিত হতো। তাই প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে মরিয়া ইরান।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
প্রযুক্তিগতভাবে এই প্রণালিতে ইরান ও ওমান উভয়েরই ‘এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন’ বা ইইজেড রয়েছে। জাতিসংঘের মতে, এই জোনের প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর রাষ্ট্রের ‘সার্বভৌম অধিকার’ থাকলেও তা জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা দেয় না।
‘সমুদ্র আইন বিষয়ক জাতিসংঘ সনদ’ (আনক্লস) অনুযায়ী, উপকূলীয় বা স্থলবেষ্টিত যেকোনো দেশের জাহাজের আঞ্চলিক সমুদ্রসীমায় স্বাধীন ও ‘নির্দোষ যাতায়াতের’ অধিকার রয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি ছাড়া উপকূলীয় রাষ্ট্র এতে বাধা দিতে পারবে না। যদিও যদি যাতায়াতটি ‘নির্দোষ’ না হয় তাও ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিধান আনক্লস-এ স্পষ্ট করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন