ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং
পেটে গজ রেখে সেলাই

৫৫ হাজার টাকায় আপসের পর ৫ মাস পর প্রসূতির মৃত্যু


৫৫ হাজার টাকায় আপসের পর ৫ মাস পর প্রসূতির মৃত্যু

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় পেটে গজ রেখে সেলাইয়ের অভিযোগের পাঁচ মাস পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিথি আক্তারের মৃত্যু ঘটেছে। মৃত্যুর পূর্বে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার স্বামী রাকিবুল ইসলামের সঙ্গে ৫৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার বিনিময়ে আপস করার একটি নথি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। উক্ত নথিতে ভবিষ্যতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা বা আর্থিক দাবি না করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

বিথি আক্তার রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের জামতলার হাট জ্যেতিনবর্দিপাড়া গ্রামের রাকিবুল ইসলামের স্ত্রী ছিলেন। তিনি ফরিদপুর শহরের একটি নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ফমেক হাসপাতালে প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে কাজ করতেন।

গত ৬ মে ফমেক হাসপাতালে বিথির সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসক তামান্না আক্তার ও ইন্টার্ন চিকিৎসক অরবিন্দু। এ সময় বিথি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। অভিযোগ রয়েছে যে, ওই সময় পেটে গজ রেখে সেলাই করা হয়। পরে তার শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসকের কাছে গেলে গুরুতর কোনো সমস্যা নেই বলে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির ওপর গুরুত্ব

প্রায় দেড় মাস পর দুটি বেসরকারি হাসপাতালে দুই দফা আল্ট্রাসনোগ্রামে বিথির পেটে গজ কাপড় থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে। গত ১২ জুলাই তাকে ফমেক হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। অসুস্থতার দুই মাস নয় দিন পর গত ১৫ জুলাই বিথির দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার করা হয়। সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফজলুল হক শোভন ও সঞ্জয় সাহা তার পেট থেকে গজ বের করেন। তবে দীর্ঘদিন পেটের ভেতর গজ থাকায় পেটের নাড়ি পচে সংক্রমণ দেখা দেয়।

দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারের পরই সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসককে বিষয়টি জানানো হয়। ওই রাতেই পরিবারের সঙ্গে আপস-মীমাংসা করা হয়। পরে ২২ জুলাই বিথিকে ছাড়পত্র দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পেটের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি আবার ফমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সংকটাপন্ন অবস্থায় ৪ অক্টোবর বিথিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে ৮ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টায় সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে করা চুক্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ৫৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। চুক্তিতে ভবিষ্যতে রোগীর পরিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা বা আর্থিক দাবি করবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিরোধীদল ‘বেহেশতের লোভ দেখিয়ে’ দায়িত্বহীন আচরণ করছে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

নথিতে বিথির স্বামী রাকিবুল ইসলামের স্বাক্ষর রয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সাক্ষীদের স্বাক্ষর ঝাপসা করে দেওয়া হয়েছে।

আপস-মীমাংসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাকিবুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমার স্ত্রী মেডিকেলেই কাজ করতেন। ভবিষ্যতে এই হাসপাতালেই ইন্টার্নিসহ চাকরি করতে হতো। এ ছাড়া ওই মুহূর্তে আমার আর্থিক সংকটও ছিল। সব মিলিয়ে আমার স্ত্রীর জীবন বাঁচানোর প্রয়োজনে এবং ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে মীমাংসা করি। তখন তো জানতাম না, আমার স্ত্রী মারা যাবে। এখন আমাকে সবাই ব্লেম দিচ্ছে, যেটি আমিও মেনে নিতে পারছি না। তবে আইনি জটিলতা এড়িয়ে আমি ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চাই।

ফমেক হাসপাতালের উপপরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মানস কৃষ্ণ কুণ্ডু জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের টাকা দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই। তবে বিষয়টি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার কথা শুনেছি।

তিনি বলেন, বিথির চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু ঘটে। বিথির চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা হয়েছে কি না, তা তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালটির সার্জারি বিভাগের প্রধান স্বপন কুমার বিশ্বাসকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপপরিচালক।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র মেজর নিদালের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিবুতি থেকে ইয়েমেন যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে ১৩৯ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ এম


জিবুতি থেকে ইয়েমেন যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে ১৩৯ জন নিহত

আফ্রিকার দেশ জিবুতি থেকে ইয়েমেনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১৩৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনার সাথে যুক্ত হয়ে আরও ৮৪ জন নিখোঁজ রয়েছে। নৌকাটিতে মোট ৩০৫ জন যাত্রী ছিলেন।

রোববার (১১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ অক্টোবর রাতের কোনো এক সময় অথবা ৯ অক্টোবরের প্রথম প্রহরে জিবুতির ওবক বন্দরের উত্তরে গুহেরে এলাকার কাছে নৌকাটি ডুবে যায়। এই ঘটনায় অন্তত ১৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বেঁচে ফিরেছেন ৮২ জন।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে জিবুতি কর্তৃপক্ষ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। জীবিতদের চিকিৎসা ও জরুরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

আফ্রিকার হর্ন অঞ্চল থেকে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক অভিবাসী ইয়েমেন হয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোতে উন্নত জীবনের আশায় বিপজ্জনক সমুদ্রপথ পাড়ি দেয়। এই পথে নৌকাডুবি, মানব পাচার এবং আটকের ঝুঁকি বিদ্যমান।

আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এই অভিবাসন পথে ৯০০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছে অথবা নিখোঁজ হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সনদে ভুল তথ্য সংশোধনের উপায় কী, জানুন সহজে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ এম


সনদে ভুল তথ্য সংশোধনের উপায় কী, জানুন সহজে

আকরাম আলী (ছদ্মনাম) মাগুরা সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেছেন। কিছুদিন পর নম্বরপত্র হাতে পেয়ে তার চোখ কপালে ওঠে।

কারণ, নম্বরপত্রে তার নাম আকরাম আলীর পরিবর্তে ছাদ্দাম আলী লেখা হয়েছে। এ নিয়ে তিনি বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েন। এখন তিনি কী করবেন? যদি নম্বরপত্রে নিজের নামই ভুল থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে নানা সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

আকরামের মতো অনেকেই এমন বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। নিজের নামের পাশাপাশি অনেক সময় বাবা বা মায়ের নামও সনদে ভুল লেখা হয়ে থাকে। কখনো কখনো জন্মতারিখ কিংবা অন্যান্য তথ্যেও ভুল থাকে। কিন্তু এসব ভুল সংশোধনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানেন না বলেই অনেকে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান।

তবে সনদে নামের বানান, জন্মতারিখ বা অন্য কোনো তথ্য ভুল থাকলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুসরণ করে এসব তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করা সম্ভব। তবে জন্মতারিখসহ বিভিন্ন তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে বোর্ডের নিয়ম ও নির্ধারিত সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভুল ধরা পড়লে দেরি না করে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।

যেভাবে সংশোধন করবেন

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করুন

নাম বা জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য প্রথমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম জেনে নিতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী হলফনামা (এফিডেভিট) এবং পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রয়োজন হতে পারে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর সনদে থাকা নাম, বাবা-মায়ের নাম, শিক্ষার শাখা, পরীক্ষার সাল, পরীক্ষাকেন্দ্র, রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম ও জন্মতারিখ উল্লেখ করতে হবে। পাশাপাশি কোন তথ্যটি সংশোধন করতে চান, তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।

শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করুন

যে শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দেওয়া হয়েছে, সেই বোর্ডে সংশোধনের আবেদন করতে হবে। বোর্ডের নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদনপত্র সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে তা পূরণ করতে হবে। আবেদন করার আগে সংশোধনের ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত ফি, জমা দেওয়ার পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে জেনে নেওয়া জরুরি।

যেসব কাগজপত্র লাগতে পারে

সংশোধনের আবেদনের সঙ্গে সাধারণত প্রয়োজন হতে পারে—

আবেদনের ধরন ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী কাগজপত্রের তালিকায় পরিবর্তন হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে বোর্ডের সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করে নেওয়া উচিত।

আবেদন যাচাই ও সিদ্ধান্ত

আবেদন জমা দেওয়ার পর শিক্ষা বোর্ড প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে শুনানি বা সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে হতে পারে। প্রয়োজন হলে আবেদনকারীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিকেও ডাকা হতে পারে। যাচাই-বাছাই শেষে বোর্ড সংশোধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়।

জন্মতারিখ সংশোধনে সতর্কতা

জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত নিয়ম ও সময়সীমা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে আবেদনের সুযোগ বোর্ডভেদে বা প্রযোজ্য বিধি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। তাই পাশের সাল থেকে কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট বোর্ডের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত।

সনদে ভুল তথ্য থাকলে তা ফেলে না রেখে দ্রুত সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র ও অন্যান্য শিক্ষাগত নথিতে থাকা তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে আবেদন করা প্রয়োজন। এতে পরবর্তী সময়ে চাকরি, উচ্চশিক্ষা কিংবা সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে জটিলতা এড়ানো সহজ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২ অক্টোবর: ইতিহাসে এই দিনে আলোচিত ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ এম


১২ অক্টোবর:  ইতিহাসে এই দিনে আলোচিত ঘটনা

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো কালক্রমে ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে। ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকে ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন কিংবা মানবসভ্যতার অভিশাপ ও আশীর্বাদ। ইতিহাস আমাদের নতুন দিগন্তের দিকে পথ দেখায়।

আজ ১২ অক্টোবর (সোমবার), ২০২৬। ইতিহাসের দৃষ্টিকোণ থেকে এই দিনটি নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। চলুন, একনজরে দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ঘটনাবলি

৫৩৯ খ্রিষ্টপূর্ব - পারস্যের সাইরাস দ্য গ্রেটের বাহিনী ব্যাবিলন জয় করে, যার ফলে ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের অবসান ঘটে।

৬৩৩ - হ্যাটফিল্ড চেজের যুদ্ধে নর্থামব্রিয়ার রাজা এডউইন মার্সিয়ার পেন্ডা ও গুইনেডের ক্যাডওয়ালন-এর জোটের কাছে পরাজিত হয়ে নিহত হন।

১২৭৯ - জাপানে নিচিরেন শোশু বৌদ্ধ সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৩৯৮ - সালিনাস চুক্তির মাধ্যমে লিথুয়ানিয়া সামোগিশিয়া টিউটনিক নাইটদের কাছে হস্তান্তরিত হয়।

১৪০৬ - ইন্দোনেশিয়া থেকে আগত একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত চেন ইয়ানশিয়াং চার মাস আগে জাভা থেকে যাত্রা শুরু করে সিউলে পৌঁছান।

১৪৯২ - পর্তুগিজ নাবিক কলম্বাস পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জে (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) পৌঁছান, যা আমেরিকা মহাদেশের আবিষ্কার হিসেবে পরিচিত।

১৫৩২ - ফ্রাসোয়া পিজারোর নেতৃত্বে স্প্যানিশ বাহিনী পেরুর উপর হামলা চালায়।

১৬৫৪ - নেদারল্যান্ডসের ডেলফ্টে ভয়াবহ বিস্ফোরণে শহরটি ধ্বংস হয় এবং শতাধিক মানুষ নিহত হন।

১৬৯২ - ম্যাসাচুসেটস বে প্রদেশের গভর্নর উইলিয়াম ফিপসের চিঠির মাধ্যমে সালেম ডাইনি বিচার সমাপ্ত হয়।

১৭৪৮ - জেনকিন্সের কানের যুদ্ধে একটি ব্রিটিশ নৌবহর হাভানার কাছে স্প্যানিশ নৌবহরের বিরুদ্ধে কৌশলগত বিজয় অর্জন করে।

১৭৭৩ - আমেরিকার প্রথম উন্মাদ আশ্রয়কেন্দ্র ইস্টার্ন স্টেট হাসপাতাল চালু হয়।

১৭৮১ - ব্রিটিশ সেনাবাহিনী দক্ষিণ ভারতের নাগাপট্টম অধিকার করে।

১৭৯২ - নিউ ইয়র্ক সিটিতে প্রথম কলম্বাস দিবস উদযাপন করা হয়।

১৭৯৩ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাচীনতম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ভবন ওল্ড ইস্টের ভিত্তিপ্রস্তর নর্থ ক্যারোলাইনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যাপেল হিলে স্থাপন করা হয়।

১৭৯৮ - ফ্লেমিশ ও লুক্সেমবার্গীয় কৃষকরা ফরাসি শাসনের বিরুদ্ধে কৃষক যুদ্ধ নামে বিদ্রোহ শুরু করেন।

১৭৯৯ - জিন জেনেভিয়েভ লাব্রোস প্রথম নারী হিসেবে বেলুন থেকে প্যারাসুট সহ লাফ দেন।

১৮১০ - মিউনিখের নাগরিকরা যুবরাজ বাভারিয়ার লুই ও রাজকুমারী থেরেসের বিবাহ উপলক্ষে প্রথম অক্টোবরফেস্ট উদযাপন করেন।

১৮২২ - ব্রাজিলের প্রথম পেদ্রো সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

১৮৪৯ - কলম্বিয়ার মানিজালেস শহর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৮৫৬ - গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের কাছে ৭.৭-৮.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে মিশর ও মাল্টা পর্যন্ত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

১৮৭১ - ব্রিটিশ ভারতে ক্রিমিনাল ট্রাইবস অ্যাক্ট কার্যকর করা হয়, যার ফলে বহু স্থানীয় সম্প্রদায়কে "অপরাধী উপজাতি" হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

১৮৯০ - উডেভালা ভোটাধিকার সমিতি গঠিত হয়।

১৮৯২ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহু সরকারি বিদ্যালয়ে প্রথমবার আনুগত্যের শপথ পাঠ করা হয়।

১৯০১ - রাষ্ট্রপতি থিওডোর রুজভেল্ট "এক্সিকিউটিভ ম্যানশন" এর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে হোয়াইট হাউস রাখেন।

১৯০৯ - কলকাতায় অনুশীলন সমিতি নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়।

১৯০৯ - কোরিতিবা ফুট বল ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯১৫ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ নার্স এডিথ ক্যাভেলকে অধিকৃত বেলজিয়াম থেকে মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের পালাতে সাহায্য করার অভিযোগে জার্মান ফায়ারিং স্কোয়াড মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে।

১৯১৭ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পাসচেনডেলের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যাতে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানি ঘটে।

১৯১৮ - মিনেসোটায় ভয়াবহ বনাগ্নিতে ৪৫৩ জন নিহত হন।

১৯২৮ - বস্টন চিলড্রেন'স হাসপাতালে প্রথমবার আয়রন লাং শ্বাসযন্ত্র ব্যবহার করা হয়।

১৯৩৩ - সামরিক আলকাট্রাজ সিটাডেল বেসামরিক আলকাট্রাজ ফেডারেল কারাগারে রূপান্তরিত হয়।

১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অ্যাথেন্সে অক্ষশক্তির দখলদারির অবসান ঘটে।

১৯৪৫ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ডেসমন্ড ডস প্রথম বিবেকবান আপত্তিকারী হিসেবে মেডেল অব অনার লাভ করেন।

১৯৪৫ - লাও ইসারা লাওসের সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং দেশটির স্বাধীনতা পুনরায় ঘোষণা করে।

১৯৫৯ - পেরুতে আমেরিকান পপুলার রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের জাতীয় কংগ্রেসে বামপন্থী উগ্রপন্থিদের একটি দলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়, যারা পরে এপিআরএ রেবেলদে গঠন করে।

১৯৬০ - সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী নিকিতা ক্রুশ্চেভ জাতিসংঘে ফিলিপাইনের বক্তব্যের প্রতিবাদে টেবিলে জুতা ঠুকে প্রতিবাদ জানান।

১৯৬২ - কলম্বাস ডে ঝড় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে আঘাত হানে, এতে অন্তত ২৩ কোটি ডলারের ক্ষতি হয় এবং ৪৬ জন নিহত হন।

১৯৬৩ - প্রায় ২৩ বছর কারাভোগের পর জেসুইট ধর্মপ্রচারক রেভারেন্ড ওয়াল্টার সিজেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে মুক্তি পান।

১৯৬৪ - তিন রুশ নভোচারী ভ্লাদিমির কোমারভ, কনস্তান্তিন ফিওক্তিস্তভ ও বোরিস ইয়েগোরভ নভোযান ভস্তক-২৪ এ করে মহাশূন্যে পাড়ি দেন। তারা ২৪ ঘণ্টা ১৭ মিনিট মহাশূন্যে ভ্রমণ শেষে ভূপৃষ্ঠে অবতরণ করেন।

১৯৬৭ - ভূমধ্যসাগরের উপর দিয়ে উড্ডয়নকালে সাইপ্রাস এয়ারওয়েজ ফ্লাইট ২৮৪-এ বোমা বিস্ফোরণে ৬৬ জন নিহত হন।

১৯৬৮ - ঘানা, স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করতে সক্ষম হয়।

১৯৬৮ - বিষুবীয় গিনি স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭০ - ভিয়েতনাম যুদ্ধে ভিয়েতনামিকরণ নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সন বড়দিনের আগে আরও ৪০,০০০ মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।

১৯৭১ - পারস্য সাম্রাজ্যের ২,৫০০ বছর পূর্তি উদযাপন শুরু হয়।

১৯৭২ - বাংলাদেশের সংবিধান সর্বপ্রথম গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।

১৯৭৩ - রাষ্ট্রপতি নিক্সন প্রতিনিধি পরিষদের সংখ্যালঘু দলীয় নেতা জেরাল্ড আর. ফোর্ডকে উপরাষ্ট্রপতি স্পিরো টি. অ্যাগনিউর উত্তরসূরি হিসেবে মনোনীত করেন।

১৯৭৬ - বিশ্বের বৃহত্তম মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হয়। সৌদি আরব এই মসজিদ নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ করে, তাই এই অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সৌদি আরবের বাদশাহ খালেদ।

১৯৭৬ - বোম্বের সান্তাক্রুজ বিমানবন্দরে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ১৭১ বিধ্বস্ত হয়ে ৯৫ জন নিহত হন।

১৯৭৭ - হুয়া গুওফেং মাও সেতুংয়ের স্থলাভিষিক্ত হয়ে চীনের সর্বোচ্চ নেতা হন।

১৯৭৯ - টাইফুন টিপ রেকর্ডকৃত ইতিহাসের বৃহত্তম ও সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়।

১৯৮৩ - জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাকুই তানাকা লকহিড কর্পোরেশনের কাছ থেকে ২০ লাখ ডলার ঘুষ নেওয়ার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন এবং চার বছরের কারাদণ্ড পান।

১৯৮৪ - অস্থায়ী আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি ব্রাইটনে প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার ও তার মন্ত্রিসভাকে হত্যার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। বোমা হামলায় পাঁচজন নিহত ও কমপক্ষে ৩১ জন আহত হন।

১৯৮৬ - এল সালভেদারে ভূমিকম্পে ১৮০০ জন লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৮৮ - অস্ট্রেলিয়ার ওয়ালশ স্ট্রিটে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ভিক্টোরিয়া পুলিশের দুই কর্মকর্তা নিহত হন।

১৯৯২ - কলকাতায় প্রথম দক্ষিণ এশীয় উৎসব শুরু হয়।

১৯৯২ - মিশরের কায়রোতে ৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কমপক্ষে ৫১০ জন নিহত হন।

১৯৯৪ - ম্যাগেলান মহাকাশযান শুক্রের বায়ুমণ্ডলে ধ্বংস হয়।

১৯৯৪ - ইরান আসেমান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৭৪৬ ইরানের নাতাঞ্জের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে ৬৬ জন নিহত হন।

১৯৯৬ - নিউজিল্যান্ড নতুন মিশ্র-সদস্য আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে, যার ফলে জিম বোলগারের ন্যাশনাল পার্টি উইনস্টন পিটার্সের নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট-এর সঙ্গে জোট সরকার গঠন করে।

১৯৯৭ - আলজেরিয়ায় সিদি দাউদ গণহত্যায় ভুয়া তল্লাশি চৌকিতে ৪৩ জন নিহত হন।

১৯৯৯ - পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল পারভেজ মোশাররফ এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে অপসারণ করে রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন।

১৯৯৯ - হলো জাতিসংঘের ধার্য করা "বিশ্বের ৬০০ কোটি লোকসংখ্যা দিবস"। চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের বিভিন্ন মহলের লোকেরা যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে এক বিরাট সমাবেশ অনুষ্ঠিত করে লোকসংখ্যা ও উন্নয়নের এই অভিন্ন বিশ্বজনীন সমস্যার ওপর মনোযোগ দিয়েছেন।

১৯৯৯ - টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি স্থাপন করা হয়।

১৯৯৯ - সাবেক স্বায়ত্তশাসিত সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র আবখাজিয়া জর্জিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

২০০০ - আল-কায়েদার দুই আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী মার্কিন নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস কোল-এ হামলা চালায়, এতে ১৭ জন নাবিক নিহত ও কমপক্ষে ৩৯ জন আহত হন।

২০০২ - ইন্দোনেশিয়ার বালির কুটা-তে দুটি নাইটক্লাবে সন্ত্রাসী বোমা হামলায় ২০২ জন নিহত ও ২০০ জনের বেশি আহত হন।

২০০৫ - চীনের দ্বিতীয় মানব মহাকাশ অভিযান শেনঝো ৬ উৎক্ষেপণ করা হয়, যাতে দুইজন নভোচারী পাঁচ দিন কক্ষপথে অবস্থান করেন।

২০০৮ - বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

২০১০ - ফিনল্যান্ডের ওয়াইএলই টিভি২ চ্যানেলের আইয়ানকোহতাইনেন কাক্কোনেন অনুষ্ঠানে বিতর্কিত হোমোইলতা (সমকামী রাত) পর্ব প্রচারের পর প্রায় ৫০,০০০ ফিনীয় ইভানজেলিকাল লুথেরান চার্চ থেকে পদত্যাগ করেন।

২০১২ - ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০১২ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

২০১৩ - কলম্বিয়ার মেডেলিনে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ধসে ১২ জন নিহত হন।

২০১৭ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউনেস্কো থেকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। ইসরায়েল অবিলম্বে একই পদক্ষেপ নেয়।

২০১৮ - প্রিন্সেস ইউজেনি উইন্ডসর ক্যাসলের সেন্ট জর্জ'স চ্যাপেলে জ্যাক ব্রুকসব্যাংককে বিবাহ করেন।

২০১৯ - টাইফুন হাগিবিস জাপানে আঘাত হানে, এতে ১০ জন নিহত হন এবং ১০ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

২০১৯ - কেনিয়ার এলিউড কিপচোগে ভিয়েনায় ১:৫৯:৪০ সময়ে ম্যারাথন দৌড়ে প্রথমবার দুই ঘণ্টার কম সময়ে ম্যারাথন সম্পন্ন করেন।

২০১৯ - নিউ অরলিন্সে নির্মাণাধীন হার্ড রক হোটেল ধসে তিনজন শ্রমিক নিহত ও ৩০ জন আহত হন।

২০২২ - স্লোভাকিয়ার ব্রাতিস্লাভায় সমকামী বারের বাইরে গুলিতে ৩ জন নিহত (হামলাকারী সহ) ও একজন আহত হন।

জন্ম

১৮৬৪ - কামিনী রায়, বাঙালি কবি।

১৮৬৫ - আর্থার হার্ডেন, নোবেলজয়ী ইংরেজ জীবরসায়নবিদ।

১৮৯৬ - নোবেলজয়ী [১৯৭৫] ইতালীয় কবি ও গল্পকার ইউজেনিয়ো মন্তালে।

১৯০২ - উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, পর্বতপ্রেমিক, অক্লান্ত পরিব্রাজক ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণ কাহিনিকার।

১৯২৪ - কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী।

১৯২৭ - এহতেশাম হায়দার চৌধুরী, পাকিস্তানি এবং বাংলাদেশি চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক।

১৯৩১ - উলাহ্‌-ইয়োহান ডাল, নরওয়েজীয় কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

১৯৪০ - প্রখ্যাত বাঙালি প্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানী, অভিনেতা বিকাশ রায়ের পুত্র সুমিত রায়।

১৯৪৪ - কারী আব্দুল গণী, বাংলাদেশি ইসলামি পণ্ডিত ও কারী।

১৯৫৫ - হরিশংকর জলদাস, বাংলাদেশি লেখক।

১৯৬০ - হ্যাপী আখন্দ, বাংলাদেশি পপ রক গায়ক।

১৯৮১ - দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সুহাসিনী রাজারাম নাইডু (চলচ্চিত্র নাম স্নেহা)।

১৯৯৭ - ভারতীয় ক্রিকেটার রিংকু সিং।

২০০০ - সরদার মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ সর্বকনিষ্ঠ বিশিষ্ট মহাকাশ চিন্তাবিদ ও গবেষক।

মৃত্যু

১৫৭৬ - দ্বিতীয় ম্যাক্সিমিলিয়ান, পবিত্র রোমান সম্রাট।

১৯২৪ - ফরাসি কথাশিল্পী আনাতোল ফ্রাঁস।

১৯৬৮- ইরানের মিনিয়েচার শিল্পের অন্যতম স্থপতি হোসেইন বেহজাদ।

১৯৭৮- প্রখ্যাত সমাজসেবী ও সর্বোদয় সেবক শিশিরকুমার সেন।

১৯৮১- ভারতের পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ ড. গুরুপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়।

১৯৮৬ - চীনে কোটনিসের নেতৃত্বে ভারতের মেডিক্যাল মিশনের অন্যতম সদস্য ডাঃ বিজয় কুমার বসু, ভারতে আকুপাংচার চিকিৎসার সূচনাকারী।

১৯৯৭ - উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, পর্বত প্রেমিক, অক্লান্ত পরিব্রাজক ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণ কাহিনিকার।

অন্যান্য

বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস ৷

বিশ্ব দৃষ্টি দিবস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজায় ২০-২২ অক্টোবর ব্যাংক বন্ধ, ১৭ অক্টোবর খোলা থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ এম


দুর্গাপূজায় ২০-২২ অক্টোবর ব্যাংক বন্ধ, ১৭ অক্টোবর খোলা থাকবে

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে ১৭ অক্টোবর শনিবার ব্যাংকগুলো স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে।

রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভিশন ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৭ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর সরকারি ছুটি থাকবে। এই কারণে ওই তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ১৭ অক্টোবর শনিবার ব্যাংকগুলো স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে।

এছাড়া সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলো সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আগের নির্দেশনা বহাল থাকবে। তবে আগামী ২০ হতে ২২ অক্টোবর সরকারি ছুটির দিন এবং আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এসব শাখা ও উপশাখায় আমদানি-রফতানি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সীমিত আকারে চালু রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন এবং বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%