ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাকৃবির ৬৬ তম প্রতিষ্ঠাদিবস উদযাপন


বাকৃবির ৬৬ তম প্রতিষ্ঠাদিবস উদযাপন

বর্ণাঢ্য র‌্যালি, কবুতর ও মাছের পোনা অবমুক্ত এবং বৃক্ষরোপণসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ৬৬তম প্রতিষ্ঠাদিবস উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিনব্যাপী এসব কর্মসূচির আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাদিবস উদযাপন কমিটি।

দিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও আবাসিক হলগুলোতে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন চত্বর থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে একটি আনন্দ র‌্যালি বের হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এলাকাবাসী অংশ নেন।

র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে হেলিপ্যাডে গিয়ে শেষ হয়। পরে প্রতিষ্ঠাদিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে হেলিপ্যাডে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এ সময় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি কবুতর অবমুক্ত ও বেলুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাদিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, বাউরেস পরিচালক ও সোনালী দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন এবং ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ১৯৬১ সালের ১৮ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ ৬৬তম প্রতিষ্ঠাদিবসে পৌঁছেছে। দীর্ঘ এই পথচলায় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় বাকৃবি দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থানের পেছনে যাঁদের অবদান রয়েছে, তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

উপাচার্য আরও বলেন, মাতৃসম এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম যেন খর্ব না হয়, বরং উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়—এ জন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা, নিষ্ঠা, নিয়মানুবর্তিতা ও ধৈর্যের সঙ্গে কাজ করতে হবে। শিক্ষা ও গবেষণায় আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

এদিকে প্রতিষ্ঠাদিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। হেলিপ্যাড সংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হয়। পরে উপাচার্যের বাসভবন সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদে মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের মৎস্য খামারের উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন উপাচার্য।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতেও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব মসজিদ ও উপাসনালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিষ্ঠাদিবস উপলক্ষে সকালে উপাচার্যের উপস্থিতিতে ‘বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : ৬৫ বছরের গৌরবোজ্জ্বল পথচলা’ শীর্ষক একটি ডকুমেন্টারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

আয়োজক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক বলেন, আগামী ১৫ থেকে ২০ বছর পর বাংলাদেশের প্রয়োজন হতে পারে—এমন প্রযুক্তি এখন থেকেই চিহ্নিত করে গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ করতে হবে। গত ৬৫ বছর ধরে বাকৃবি পুষ্টি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে আসছে। আগামী দিনে তরুণ প্রজন্মকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও নতুন জ্ঞান কাজে লাগিয়ে এ দায়িত্ব এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গবেষণার কোনো ফল পেতে দীর্ঘমেয়াদি কাজের প্রয়োজন হয়। তাই ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে এখন থেকেই গবেষণায় বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি উন্নয়নের দিকে নজর দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৫ পি.এম


ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী

সরকার একটি ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের পরিকল্পনা করছে বলে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার গুলশানের হোটেল লেকশোরে ‘খেলায় খেলায় শিখি’ তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা শীর্ষক কর্মশালায় এ বিষয়ে বক্তব্য দেন তিনি।

তিনি বলেন, অসামাজিক কার্যকলাপ যেমন ইভটিজিংয়ের মতো সমস্যা থেকে সন্তানদের দূরে রাখতে হলে শিশুদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে। বর্তমানের খেলাধুলার পাশাপাশি শেখার বিষয়গুলোও শিক্ষকরা শিশুদের অনুধাবন করাতে সাহায্য করবেন। এবার আমরা তাড়াহুড়ো করে ক্লাস ফোর থেকে ‘খেলায় খেলায় শিখি’ কার্যক্রম শুরু করছি। ভবিষ্যতে এটি ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। খেলাধুলার মধ্যে মাঠ পরিষ্কার করা এবং ডিসিপ্লিন রক্ষা করা উচিত। সেখান থেকেই লিডারশিপ কীভাবে তৈরি হয়, সেটা শেখানো হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরো জানান, স্পোর্টস বাচ্চাদের লিডারশিপ শেখাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, খেলাধুলায় সম্পৃক্ত না থাকলে তিনি কখনোই এখনকার অবস্থানে আসতেন না এবং স্পোর্টস মিনিস্টারও এই অবস্থানে আসতেন না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২৮ সালের কারিকুলামের জন্য আগামী সপ্তাহে একটি কমিটি গঠন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকার প্রাথমিক পর্যায় থেকেই একটি নতুন প্রজন্ম তৈরি করতে চাচ্ছে। তারই প্রেক্ষিতে ‘খেলায় খেলায় শিখি’ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার একটি ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের ব্যাপারে ভাবছে। ঢাকার অবস্থা যেমন ইটপাথরের চিড়িয়াখানা, সেখানে এত জায়গা কোথায় পাওয়া যাবে? পুর্বাচলে এটা করা সম্ভব কি না, সেটাও চিন্তা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, নৈতিকতা বৃদ্ধির জন্য কারিকুলামে বিভিন্ন পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে ট্রাক-বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


গোপালগঞ্জে ট্রাক-বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৩

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী এলাকায় ঘটে যাওয়া এক ঘটনায় ট্রাক ও লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়, নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। নিহতদের পরিচয় এখনও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর বেলা গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের বৌলতলী ব্রিজ এলাকার এই দুর্ঘটনা ঘটে। বৌলতলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. শফিউল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, টেকেরহাট থেকে গোপালগঞ্জগামী একটি লোকাল বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এই সংঘর্ষের ফলে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায় এবং ট্রাকটি সড়কের ওপর উল্টে পড়ে। এ দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত ও ২০ জনেরও বেশি ব্যক্তি আহত হন। আহতরা সবাই বাসের যাত্রী।

পরে গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় নিহত এবং আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সামরিক বিমানঘাঁটিতে হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ পি.এম


সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সামরিক বিমানঘাঁটিতে হামলা

সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি অচল সামরিক বিমানঘাঁটিতে মঙ্গলবার অজ্ঞাত একটি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। নিরাপত্তা সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে যে, সেখানে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

সূত্রটি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, ‘মঙ্গলবার ভোরে অজ্ঞাত বিমান ইদলিব প্রদেশের আবু দুহুর সামরিক বিমানবন্দরে বোমা হামলা চালিয়েছে।’

বার্তা সংস্থা এএফপি দামেস্ক থেকে এ খবর প্রকাশ করেছে। সূত্রটির তথ্যমতে, বিমানঘাঁটিটি ২০১২ সাল থেকে অচল হয়ে পড়ে রয়েছে। বর্তমানে সেখানে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাহিনী নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। তবে হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এ বিমানঘাঁটিটি সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং হামলা চালানোর দায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি। হামলার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এ বিষয়ে তাদের কোনো মন্তব্য নেই।

দীর্ঘদিনের শাসক বাশার আল-আসাদকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইসলামপন্থী বাহিনী ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে ইসরাইল সিরিয়ায় কয়েক শত হামলা চালিয়েছে, এবং ইসরাইল এসব বাহিনীকে জিহাদি হিসেবে বিবেচনা করে। ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটও এর আগে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জ্যেষ্ঠ জিহাদি নেতাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

দামেস্কের নতুন কর্তৃপক্ষ ক্ষমতা গ্রহণের পর আবু দুহুর বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। ২০১৮ সালের শেষ দিক থেকে এটি আসাদের বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। তার তিন বছর আগে বিদ্রোহী ও জিহাদি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইদলিব প্রদেশের বড় একটি অংশ দখল করে নেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বেড়েছে: ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ পি.এম


দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বেড়েছে: ত্রাণমন্ত্রী

দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা সম্প্রতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি।

তিনি জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সক্ষম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

বর্তমানে ৪ নম্বর বিপদ সংকেত জারির সময়েও কার্যকরভাবে উদ্ধার ও প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার সক্ষমতা দেশের রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ১২টি উপকূলীয় জেলার কাছে দুর্যোগকালীন উদ্ধার কাজে ব্যবহারের জন্য স্পিডবোট হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘দুর্যোগকালীন উদ্ধার সক্ষমতা আরো বাড়াতে জাইকার অর্থায়নে দেশের ১২টি উপকূলীয় জেলায় আধুনিক স্পিডবোট প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২৫টি জেলায় এসব উদ্ধারযান সরবরাহ করা হবে, যাতে বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় দুর্গম এলাকায় দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়।’

বিতরণ করা স্পিডবোটগুলো ডাবল ইঞ্জিনবিশিষ্ট হওয়ায় সমুদ্রে চার নম্বর বিপদ সংকেত চলাকালেও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হবে, বলে জানান মন্ত্রী।

দুর্যোগ মোকাবেলায় সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামে ব্যাপক অতিবৃষ্টির কারণে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছিল। জাইকার অর্থায়নে পাওয়া বোর্ড থেকে একটি বোর্ড আমরা তাৎক্ষণিকভাবে চট্টগ্রামে পাঠিয়েছিলাম উদ্ধার কাজ সম্পন্ন করার জন্য।’

তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের শুকনা ও রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হয়েছে এবং বর্তমানে অধিকাংশ মানুষ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকার নতুন ঘর নির্মাণ করছে এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কৃষকদের বীজ বিতরণ করছে।

ভূমিকম্প প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘সিলেট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এক লাখ ভলান্টিয়ারের মধ্যে ইতিমধ্যে প্রায় ৭০ হাজার ভলান্টিয়ার চিহ্নিত করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে, শিগ্‌গিরই তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।’

তিনি আরো জানান, ঢাকা মহানগরে বড় ধরনের দুর্যোগ হলে লোকজনকে জমায়েত করার জন্য ৪৪৫টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও হেলিকপ্টারের তালিকাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বক্তব্যের শেষে মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাসে প্রায় ১০ লাখ এবং ৯১ সালে প্রায় ১ লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরণ করেছিল। কিন্তু এখন সক্ষমতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে মৃত্যুর সংখ্যা অনেকখানি কমে গেছে। বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা, তাই আমাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%