১০:৪৮ এম
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। দীর্ঘ ২০ বছর পরে তাঁর এ যুক্তরাষ্ট্র সফর হতে চলেছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেয়ার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
সরকারের সংশ্লিষ্ট একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে যে জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দেয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী অন্য কোনো দেশ সফর করবেন না। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁর সফরসূচি ও অন্যান্য কর্মসূচি চূড়ান্ত করতে কাজ করে যাচ্ছেন।
আরও পড়ুন: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশ গঠনের লক্ষ্যে বিএনপি: প্রতিমন্ত্রী টুকু
গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের বিষয়ে জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে নোট ভার্বাল পাঠানো হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারপ্রধান হিসেবে এবারই প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান।
জাতিসংঘের কর্মসূচি সম্পন্ন করার পর ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকোতে দুদিনের একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে, তবে তাঁর যুক্তরাষ্ট্র সফর ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে হতে পারে। সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন।
এদিকে, এবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ফলে এই অধিবেশনে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান এবং সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের উপস্থিতি ৪০ বছরের পর একটি গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্ব পায়, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগে আইনের ব্যত্যয় হয়নি: অ্যাটর্নি জেনারেল
দীর্ঘ দুই দশক পর প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরকে ঘিরে দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তাঁকে স্বাগত জানাতে নিউইয়র্কে বড় ধরনের নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কর্মসূচি সফল করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নীতিনির্ধারক এবং স্থানীয় নেতারা অনলাইনে যৌথ প্রস্তুতি সভা করছেন।
বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে নেতা-কর্মীদের নিউইয়র্কে আসার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।
এছাড়া, এর আগে ২০০৬ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের সময় যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন তারেক রহমান। সরকার গঠনের পর গত ২১ থেকে ২৬ জুন প্রথম বিদেশ সফরে তিনি মালয়েশিয়া ও চীন যান। ওই সফরে দুই দেশের সঙ্গে জনশক্তি রপ্তানি, পণ্য আমদানি-রপ্তানি এবং করিডর স্থাপনসহ একাধিক বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও চুক্তি সই হয়।
পরবর্তীতে কিছু দেশ সফরের আমন্ত্রণ পেলে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়ার আগে আপাতত অন্য কোনো দেশ সফরে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ফুডপান্ডার পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা স্থগিত, হাইকোর্টে রুল জারি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন