১২:১৯ পি.এম
পানামায় ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ২০০টিরও বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে শত শত ঘরবাড়ি ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।
জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সূত্রে রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া, প্রায় ৯০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে ক্ষয়ক্ষতি ও উদ্ধার কাজ অব্যাহত থাকায় ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনকালে, রাষ্ট্রপতি হোসে রাউল মুলিনো ত্রাণ কার্যক্রমকে দ্রুত ও সহজতর করতে সড়ক ও সেতু জরুরি ভিত্তিতে মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন। সুরক্ষার খাতিরে সোমবার (১২ অক্টোবর) দেশব্যাপী সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ট্রাম্পের সঙ্গে টানাপোড়েন, ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে উদ্বেগ
পানামা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক নেস্তর লুকে জানিয়েছেন, মূল ভূমিকম্পের পর ২০০টিরও বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে এবং কম্পন এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, আফটারশকগুলোর মাত্রা ধীরে ধীরে কমে আসছে এবং দুটি কম্পনের মধ্যবর্তী সময় দীর্ঘতর হচ্ছে। অন্যদিকে, পানামা খাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে ভূমিকম্পের কারণে খালের মূল নৌচলাচল কার্যক্রমে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।
জরুরি অবস্থা ঘোষণার ফলে সরকার অর্থনীতিতে চাপ না ফেলেই ক্ষতি সামলাতে ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ডলার পর্যন্ত ত্রাণ তহবিল বরাদ্দ করতে পারবে বলে জানিয়েছে পানামার অর্থনীতি মন্ত্রণালয়। আন্তর্জাতিক সহায়তা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ৫০ লাখ ডলার আর্থিক অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পাশাপাশি, উদ্ধার অভিযান পরিচালনা ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নে সহায়তার জন্য ২০ সদস্যের একটি বিশেষ দল পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেভিন মারিনো ক্যাব্রেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন