বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৪৩ এম
বাংলাদেশ ও কিরগিজস্তান, ইউরেশিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে প্রবেশের সুযোগ বৃদ্ধি করতে জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্সেস (জিএসপি) সুবিধা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শ্রমবাজার, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে, দেশটির সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তিনজন প্রতিনিধির সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম। এই বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয় দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ (এফওসি) বৈঠকের ফাঁকে।
কিরগিজস্তানের অর্থনীতি ও বাণিজ্য উপমন্ত্রী মেদার তুমানভের সঙ্গে বৈঠকে, দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। তুলা উৎপাদন, বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতে দুই দেশের পারস্পরিক পরিপূরক সক্ষমতা, ইউরেশিয়ার বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এবং ওষুধশিল্পে অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
এছাড়া, বেসরকারি খাতের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বিনিময়, বাণিজ্য প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ এবং ইউরেশিয়া ও ইইউর বাজারে প্রবেশের সুযোগ বৃদ্ধির জন্য জিএসপি সুবিধা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন দুই পক্ষ।
বৈঠকে দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি ও বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি সম্পাদন, যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন গঠন এবং দুই দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের শ্রম, সামাজিক নিরাপত্তা ও অভিবাসনবিষয়ক প্রথম উপমন্ত্রী আরলেন আলিয়াসভের সঙ্গে বৈঠকে, বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং শ্রমিক চলাচল নিয়ে আলোচনা করেন পররাষ্ট্রসচিব।
বৈঠকে জানানো হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিরগিজস্তানে ব্যাপক উন্নয়নকাজ চলায় দেশটি বিদেশ থেকে আরো কর্মী নিয়োগ করতে চায়। নির্মাণ, বস্ত্র, ওষুধশিল্প, ডিজিটাল সেবা, কৃষি ও শিক্ষকতার মতো খাতে বিদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।
এ ক্ষেত্রে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে (জি-টু-জি) সহযোগিতা আরো গভীর করা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়েও আলোচনা হয়। সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন কিরগিজস্তানের শ্রমবিষয়ক উপমন্ত্রী।
অন্যদিকে, কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের বিজ্ঞান, উচ্চশিক্ষা ও উদ্ভাবনবিষয়ক মন্ত্রী গুলজাত ইসামাতোভার সঙ্গে বৈঠকে, শিক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদার, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, যৌথ গবেষণা ও প্রকাশনা, বৃত্তি এবং ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কিরগিজস্তানের শিক্ষামন্ত্রী। এ ছাড়া, অননুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের কিরগিজস্তান ছাড়তে হবে না বলেও তিনি জানান।
পররাষ্ট্রসচিবের আমন্ত্রণে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের ব্যাপারেও আগ্রহ প্রকাশ করেন গুলজাত ইসামাতোভা।
বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের তাসখন্দে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ড. এম. মনিরুল ইসলাম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব ইউরোপ ও সিআইএস অনুবিভাগের মহাপরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় দেশীয় অস্ত্রসহ দুজনকে আটক করেছে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের কোরপাই–আবিদপুর সড়কের মনঘাটা এলাকার নাগিনী জলায় এই ঘটনা ঘটে।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন—বুড়িচং উপজেলার বাজেবাহেরচর এলাকার মো. খলিল এবং রিয়াদ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুরেজিত বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাতে মনঘাটা এলাকার নাগিনী জলায় ১৫ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ডাকাতদলের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করলে দুজনকে আটক করা হয়, অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।
দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুরেজিত বড়ুয়া জানান, আটককৃত দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্ট্রিমিং জায়ান্ট নেটফ্লিক্স, ইউটিউবসহ ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বী প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে, বড় ধরনের কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি তাদের মোট জনবলের প্রায় ৬ শতাংশ বা ১,০০০ কর্মী ছাঁটাই করতে যাচ্ছে, যা ২০২২ সালের পর তাদের সবচেয়ে বড় ছাঁটাইয়ের ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইলে নেটফ্লিক্সের কো-সিইও গ্রেগ পিটার্স ও টেড সারান্ডোস জানিয়েছেন, প্রোডাক্ট, টেকনোলজি, লিগ্যাল ও হিউম্যান-রিসোর্সেস বিভাগে সবচেয়ে বেশি কর্মী ছাঁটাই করা হবে। তারা উল্লেখ করেছেন যে, ব্যবসার লক্ষ্য পূরণে জনবল ও সম্পদের সঠিক ব্যবহারে সুশৃঙ্খল হওয়ার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বিনামূল্যে কনটেন্ট দেখার সুযোগ থাকায় ইউটিউব ও টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর দিকে দর্শকরা বেশি ঝুঁকে পড়ছেন। এই পরিবর্তন নেটফ্লিক্সের ব্যবহারকারীদের সময় দেওয়ার হার (এনগেজমেন্ট) কমিয়ে দিচ্ছে। ফলে বিজ্ঞাপনী সুবিধা ও দর্শক ধরে রাখার লড়াইয়ে নেটফ্লিক্স পিছিয়ে পড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক আয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার কারণে নেটফ্লিক্স এক ধরণের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছে। তবে কোম্পানিটি বর্তমানে বিজ্ঞাপনযুক্ত সেবা, লাইভ স্ট্রিম প্রোগ্রামিং ও গেমিং বিভাগে নতুন করে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে বিকল্প আয়ের চেষ্টা করছে।
গত বছরের শেষ হিসাব অনুযায়ী, নেটফ্লিক্সে প্রায় ১৬,০০০ কর্মী কর্মরত ছিল। ২০২২ সালে গ্রাহক সংখ্যা হঠাৎ কমে যাওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটি দুই দফায় প্রায় ৪৫০ জন কর্মী ছাঁটাই করেছিল। চলতি বছরে তাদের শেয়ারের দর প্রায় ২৫% কমলেও, ছাঁটাইয়ের খবরের পর তা ০.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর গণপরিবহনে যাত্রী ওঠানামার জন্য সড়কে যেখানে-সেখানে বাস থামানোর ঘটনা ঘটে। এক বাসকে আটকাতে অন্য বাসের চালকের রাস্তা অবরোধ এবং আগে যাওয়ার প্রতিযোগিতা এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অংশ। এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে সরকার বাস রুট পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। রাজধানীর ৯৮টি বাস রুটকে কমিয়ে ৩২টি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রতিটি রুটে একটি কোম্পানি থাকবে, যা সব বাস পরিচালনা করবে।
ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানার ধ্রুব আলম জানিয়েছেন, সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ছয় মাসের মধ্যে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের একটি পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব। তবে পুরো ব্যবস্থাটি গতিশীল হওয়ায় বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনও আসতে পারে।
ডিটিসিএর দাবি, পূর্বে ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে একক কম্পানির অধীনে বাস চালানোর উদ্যোগ সফল হয়নি। তবে এবার সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সম্মতি থাকায় উদ্যোগটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহেই দুটি রুটে একক কম্পানির অধীনে বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর একটি রুট আজিমপুর থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে বিমানবন্দর দিয়ে গাজীপুর পর্যন্ত। অন্য রুট হিসেবে মোহাম্মদপুর-চট্টগ্রাম রোড এবং মিরপুর-মাওয়া করিডর নিয়ে আলোচনা চলছে।
উদ্যোগ বাস্তবায়নে পরিবহন মালিক সমিতিও কাজ শুরু করেছে। সরকারি নির্দেশনার পর পুরোনো ও জরাজীর্ণ বাস শনাক্ত করা হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট স্টপেজে যাত্রী ওঠানামা নিশ্চিত করতে রাজধানীর ২০টি পয়েন্টে কাজ চলছে। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন মালিকরা।
ঢাকা পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মন্তব্য করেছেন, ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক পরিবহনব্যবস্থা চালু করা সম্ভব। তবে এ জন্য সরকারের নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেকসই ব্যবসায়িক মডেল, মালিকদের লোকসান এড়ানোর নিশ্চয়তা এবং কার্যকর নজরদারি ছাড়া উদ্যোগটি সফল করা কঠিন।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ শামসুল হক জানিয়েছেন, বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট করিডরে লেগুনাসহ ছোট যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞ হাদিউজ্জামানের মতে, মালিকদের আর্থিক স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা গেলে দীর্ঘ মেয়াদে এ ব্যবস্থা চালু রাখা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনের সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত ‘স্টারলিংক’ ইন্টারনেটের গতির হ্রাসের জন্য মার্কিন সরকার ও তাদের সামরিক বাহিনীকে দায়ী করেছেন স্পেসএক্স-এর প্রধান ইলন মাস্ক। নতুন গতিসীমা আরোপের ফলে ইউক্রেনের বেশ কিছু দ্রুতগামী অস্ত্রের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, যা যুদ্ধক্ষেত্রের সামরিক অভিযানকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) স্পেসএক্স-এর পক্ষ থেকে স্টারলিংকের গতি ঘণ্টায় ১০০ মাইল (১৬০ কিমি/ঘণ্টা)-এ সীমাবদ্ধ করা হয়। এই সীমাবদ্ধতার কারণে, এই গতির চেয়ে দ্রুতগামী অস্ত্র ও ড্রোনগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিবিসি জানিয়েছে, ইউক্রেনের আকাশসীমা রক্ষা এবং সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন পরিচালনার জন্য এই ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইলন মাস্ক স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ‘স্টারশিল্ড’ সেবাটির মূল নিয়ন্ত্রণ মার্কিন সরকারের হাতে রয়েছে। তাই এর গতির বা ব্যবহারের যেকোনো বিধিনিষেধ মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং প্রেসিডেন্টের নির্দেশে নির্ধারিত হয়। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এটি প্রযুক্তিগত সমস্যা হিসেবে দেখে দ্রুত সংযোগ চালুর অনুরোধ জানালেও, ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা মনে করছেন—কিয়েভ ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় ইউক্রেনের অব্যাহত হামলার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। এছাড়াও, রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ডিজেল চুক্তির পর জেলেনস্কি নিজেকে ‘বিশ্বাসঘাতকতার শিকার’ বলে মন্তব্য করেন। চলমান এই রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই লন্ডনে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম এবং রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জেলেনস্কি। সেখানে যুক্তরাজ্য স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা ড্রোন ধ্বংসে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ ত্বরান্বিত করবে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের পাশে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ