মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
১১:২৬ এম
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আগমন উপলক্ষে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
আজ (বুধবার) জেলায় পৌঁছেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট জননেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি প্রতিমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং জেলায় তাঁকে স্বাগতম জানান।
এ সময় জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস সহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
কুশল বিনিময়কালে মাননীয় এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল জেলার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং স্থানীয় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর সাথে সংক্ষেপে আলোচনা করেন। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জেলার শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রযাত্রায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
প্রতিমন্ত্রীর এই আগমনকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ- উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক মন্তব্য করেছেন, খেলাধূলার মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার জন্য, নীতি নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।
গতকাল মঙ্গলবার মুন্সীগঞ্জে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে খেলাধূলাকে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের ভোটে নির্বাচিত। পেশাগত স্বীকৃতি হিসেবে ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে।
নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা ক্ষুদে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের প্রশিক্ষণ এবং লেখাপড়ার ব্যবস্থা সরকারিভাবে করা হবে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জেলা স্টেডিয়ামকে আধুনিকায়ন করা হবে। তিনি বলেন, "প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, দলমত নির্বিশেষে সকলে মিলে সমৃদ্ধশালী মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। সবার আগে বাংলাদেশ" এই মন্ত্রে সকলে মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম এরাদত, সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম।
প্রধান অতিথি বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। টুর্নামেন্টে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং লৌহজং উপজেলা রানারআপ হিসেবে স্থান পায়। প্রতিযোগিতায় মোট ৬টি উপজেলা এবং ২টি পৌরসভা অংশগ্রহণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামীম রেজাকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে। তিনি যশোর সদর উপজেলার মাহিদিয়া এলাকার মৃত আব্দুল আজিজ বিশ্বাসের পুত্র।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে তপসীডাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে উপপরিদর্শক কামাল হোসেন তাকে গ্রেপ্তার করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে নেওয়ার পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কামাল হোসেন বাসস’কে জানিয়েছেন, গত ৩১ জুলাই রাতে রাজারহাট রামনগর পিকনিক কর্নার-সংলগ্ন একটি গরুর খামারের সামনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের প্রায় ১৮০-২০০ নেতা-কর্মী মশাল মিছিল বের করে সরকার বিরোধী স্লোগান দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা মামলায় শামীম রেজাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শামীম রেজা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তিনি গত ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ে জেলা শ্রমিক লীগ নেতা সেলিম রেজা পান্নুকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আত্মহত্যার চেষ্টা করা এক নারীকে বাঁচানোর জন্য জীবন বাজি রেখে এগিয়ে এসেছেন এক পুলিশ সদস্য। ওই নারী নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর, তাকে উদ্ধার করতে পুলিশ সদস্যটি নিজেও ঝাঁপ দেন এবং সাঁতরে তার জীবন রক্ষা করেন।
পরে ওই নারীকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
তথ্য অনুসারে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে পৌর এলাকার শিমরাইল সেতুর নিকটবর্তী স্থানে এই ঘটনা ঘটে। ২৪ বছর বয়সী ওই নারী বিবাহিত ছিলেন এবং অভিমান থেকে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
পুলিশ সদস্য অমিত, যিনি ঘুরতে বের হয়েছিলেন, ওই নারীকে ঝাঁপ দিতে দেখে তার প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ান। স্থানীয়রা কনস্টেবল অমিত হাসানের সাহসিকতা, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত এবং মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। মেয়েটির পরিবারের সদস্যরাও পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, যিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে একজনের জীবন রক্ষা করেছেন।
পুলিশ এবং হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ওই নারী শিমরাইল কান্দি এলাকার প্রথম সেতু থেকে তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেন।
এটি দেখতে পেয়ে, পুলিশ লাইন্সের কনস্টেবল অমিত হাসান, তার এক ব্যাচমেটকে সঙ্গে নিয়ে ঝাঁপ দেন। সাঁতরে তিনি ওই নারীকে উদ্ধার করেন এবং পরে একটি নৌকার সাহায্যে তাকে নদীর পারে এনে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের পুলিশ বক্সে দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল মঞ্জুর আলম ফারাবী জানান, এক নারী সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর কনস্টেবল অমিত হাসান সঙ্গে সঙ্গে পানিতে লাফিয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন হাসপাতালে ছুটে যান। তিনি ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানান এবং তার চিকিৎসার খোঁজ নেন।
ওই নারীর মা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে সদর উপজেলার রাধিকা-জগতসার গ্রামে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় প্রায় তিন মাস আগে তিনি বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন বলেন, ‘মেয়েটি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আমাদের এক পুলিশ সদস্য পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে রাত ১২টায় তাকে তার মা ও বোনের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি ছুটির দিনের অলস সময়কে একপাশে ঠেলে কর্মনিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জিল্লুর রহমান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘সবুজ বাংলাদেশ’ গড়ার প্রতিশ্রুতি এবং দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তিনি নিজ উদ্যোগে উপজেলা ক্যাম্পাসে এক ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বর্তমান সরকারের বৃক্ষরোপণ নীতিকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতেই তাঁর এই উদ্যোগ। ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও নিজে উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রম তদারকি করেন তিনি। দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে প্রশাসনিক ভবনের চারপাশ ও চত্বরের বিভিন্ন ফাঁকা জায়গায় সারিবদ্ধভাবে বহু প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।
নিজের হাতে চারা রোপণ শেষে ইউএনও জিল্লুর রহমান বলেন:
"মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প বাস্তবায়ন ও দেশকে সবুজে ছেয়ে দিতে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। ছুটির দিন মানেই দায়িত্ব শেষ নয়; বরং এই সময়কে পরিবেশের কল্যাণে কাজে লাগানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য সুন্দর পৃথিবী রেখে যেতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।"
উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তার এমন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও পরিবেশপ্রেম দেখে মুগ্ধ স্থানীয় সচেতন মহল ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ছুটির দিনেও তাঁর এমন নিরলস কর্মনিষ্ঠা এলাকায় সর্বত্র প্রশংসিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মতে, প্রশাসনিক দায়িত্বের বাইরে এসে প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় ইউএনও জিল্লুর রহমানের এই উদ্যোগ সবার জন্যই একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ