০৬:১৭ পি.এম
সংসদ সদস্য এবং জামায়াত নেতা আমির হামজার নারীঘটিত বিষয়টি নিয়ে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান পূর্বেই অবগত ছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তার বক্তব্য অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
আজ শুক্রবার, তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই দাবি তুলে ধরেন। ফেসবুকে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, ‘আমির হামজার নারীঘটিত বিষয়টি সম্পর্কে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও জানতেন। এটি নিয়ে জাতীয় নির্বাচনের আগে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ আলোচনাও করেছিলেন।’
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইসলামিক বক্তা তারেক মনোয়ার আমির হামজাকে স্মার্টফোন ব্যবহারে নিষেধ করেছেন বলে দাবি করেন রাশেদ খান। তিনি তাকে বাটনফোন ব্যবহারের পরামর্শও দেন।
আরও পড়ুন: তাসনিম জুমার বিএনপির উদ্দেশে বার্তা: ১৭ বছরের গুম-খুনের কথা স্মরণ
রাশেদ খান আরও বলেন, ‘মূলত কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতের কোনো যোগ্য প্রার্থী না থাকায় লম্পট আমির হামজাকেই নমিনেশন দেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।’
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে, রাশেদ খান দাবি করেন যে, আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও তার কাছে এসেছে। তিনি জানান, ফ্যাক্ট চেকে এগুলোর সত্যতাও মিলেছে।
এ প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, ‘আমার কাছে আমির হামজার নারীঘটিত তথ্যপ্রমাণগুলো এসেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে। কিছু অডিও ও স্ক্রিন রেকর্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমি দ্য ডিসেন্ট এবং রিউমার স্ক্যানারের সঙ্গেও যোগাযোগ করি। হয়তো তারা তাদের মতো করে অনুসন্ধান করছে। ডিসেন্ট আমির হামজার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু যোগাযোগ করতে পারেনি। তবে তাদের কাছ থেকে তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে দেরি হওয়ার প্রেক্ষিতে অন্য একটি মাধ্যম থেকে অডিও-ভিডিও-এর সত্যতা পাই।’
নারীঘটিত এই ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জামায়াত আমির হামজাকে দল থেকে বহিষ্কার ও এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাশেদ খান।
আরও পড়ুন: রাজশাহী মহানগর জামায়াতের নতুন আমির হিসেবে ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের শপথ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন