বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৩১ পি.এম
ইসরাইলের পক্ষে মার্কিন রক্ষণশীল তরুণদের সমর্থন ধরে রাখার জন্য মাসে ১৫ লাখ ডলারের একটি প্রভাব বিস্তারকারী প্রচারণা চালানো হয়েছে, তবুও তাতে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। বরং মার্কিন রক্ষণশীল তরুণদের মধ্যে ইসরাইলের প্রতি সমর্থন আরও কমেছে। এই কারণে দেশটির কর্মকর্তারা খুবই ক্ষুব্ধ বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে টাইম ম্যাগাজিন।
প্রতিবেদন অনুসারে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক নির্বাচনী প্রচার ব্যবস্থাপক ব্র্যাড পার্সকেল এই প্রচারণার নেতৃত্ব দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্ণনা নিয়ন্ত্রণ, মাগা সমর্থকদের লক্ষ্য করে প্রচারণা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্ল্যাটফর্মে ইসরাইল-সম্পর্কিত তথ্য উপস্থাপনে প্রভাব বিস্তারের জন্য কোটি কোটি ডলার ব্যয় করা হয়েছে, তবে এটি জনমতের পরিবর্তন করতে পারেনি।
টাইমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের দিকে বৈশ্বিক বিজ্ঞাপন সংস্থা হাভাস ইসরাইলের পক্ষে ডিজিটাল প্রচারণা পরিচালনার জন্য পার্সকেলের প্রতিষ্ঠানের ক্লক টাওয়ার এক্স-কে নিয়োগ দেওয়া হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিকে প্রতি মাসে অন্তত ১০০টি মৌলিক কনটেন্ট তৈরি করতে হত, যাতে অন্তত ৮০ শতাংশ জেনারেশন জেডকে লক্ষ্য করে টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব এবং পডকাস্টে প্রকাশ করা হয়।
এছাড়া প্রতি মাসে অন্তত ৫ কোটি ডিজিটাল ইমপ্রেশন তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রচারণার অংশ হিসাবে মার্কিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই-এর চ্যাপজিপিটি, অ্যানথ্রোপিক-এর ক্লড এবং গুগল-এর জেমিনি-এর মতো এআই প্ল্যাটফর্মে ইসরাইল ও যুদ্ধসংক্রান্ত তথ্য কীভাবে উপস্থাপিত হয়, সেটা নিয়েও প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনা ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ইসরাইল পার্সকেলের প্রতিষ্ঠানে ৯০ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে এবং পরে চুক্তির মেয়াদও নবায়ন করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে অনলাইন বিজ্ঞাপন, মোবাইল ফোনে টেক্সট বার্তা পাঠানো এবং এআই সিস্টেম যে অনলাইন উৎস ব্যবহার করে, সেখানে ইসরাইলপন্থি তথ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে।
টাইম জানায়, প্রচারণার সাথে পরিচিত তিন ব্যক্তি জানিয়েছেন, রক্ষণশীল ইনফ্লুয়েন্সারদের ব্যক্তিগত গ্রুপ চ্যাটে নির্দিষ্ট ভাষা বা বার্তা পাঠানো হতো। তাদের পোস্টের ভিউ ও সম্পৃক্ততার (এনগেজমেন্ট) উপর ভিত্তি করে অর্থ প্রদান করা হতো। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অন্য একটি প্রচারণায় অংশ নেওয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের ২ হাজার ২৫০ ডলার থেকে শুরু করে সর্বাধিক ৪ হাজার ২৫০ ডলার পর্যন্ত পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল।
টাইমের প্রতিবেদনে একটি ইসরাইলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, 'আমরা ব্র্যাড পার্সকেলের ওপর গভীরভাবে ক্ষুব্ধ। তার কাজ ছিল পরিস্থিতির উন্নতি করা। আমরা তাকে অনেক অর্থ দিয়েছি। কিন্তু তার কৃতকর্মে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।'
পিউ রিসার্চ সেন্টারের এপ্রিলের জরিপ অনুযায়ী, বর্তমানে ৬০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইসরাইলকে নেতিবাচকভাবে দেখেন। ২০২৫ সালে এই হার ছিল ৫৩ শতাংশ, এবং ২০২২ সালে ছিল ৪২ শতাংশ। এছাড়া ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সী রিপাবলিকানদের মধ্যে ৫৭ শতাংশ ইসরাইল সম্পর্কে নেতিবাচক মত প্রকাশ করেছেন, যা এক বছর আগে ছিল ৫০ শতাংশ।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতির পর ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা লক্ষ্য করেছেন যে, অনেক মাগা-ঘনিষ্ঠ ইনফ্লুয়েন্সার একই ধরনের বার্তা দিয়ে যুদ্ধবিরতির সমালোচনা করছেন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস না করেই 'আত্মসমর্পণ' করার অভিযোগ করছেন।
এতে মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে যে, ইসরাইলের অর্থায়নে পরিচালিত রক্ষণশীল মিডিয়া নেটওয়ার্ক ট্রাম্পের যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টাকেই দুর্বল করে দিচ্ছে। একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা টাইমকে জানান, বিদেশি অর্থ নিয়ে মার্কিন ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রেসিডেন্টের নীতিতে প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টা 'অত্যন্ত, অত্যন্ত বিপজ্জনক' এবং এটি তুচ্ছ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে ইসরাইলের ডায়াসপোরা অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয় প্রায় ২০ লাখ ডলারের একটি প্রচারণা চালিয়েছিল, যেখানে শত শত ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমিডিয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে নিজেদের মার্কিন নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে কংগ্রেস সদস্যদের ওপর ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছিল।
টাইমের তথ্য অনুযায়ী, গাজা যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরাইলের ভাবমূর্তি সংকটে পড়ায় দেশটি জনসংযোগ কার্যক্রমে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৭৩ কোটি ডলার করেছে। তবে বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও তরুণ মার্কিন ভোটার, ডেমোক্র্যাট এবং কমবয়সি রিপাবলিকানদের মধ্যে ইসরাইলের প্রতি সমর্থন কমার প্রবণতা এখনো থামানো যায়নি।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্য নিয়ে প্রবাসে দলটির সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করতে সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন।
তিনি বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে রাজধানী মালের সি বিল্ডিংয়ে হলরুমে বিএনপি মালদ্বীপ শাখার উদ্যোগে আয়োজিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন। এ সময় তিনি দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে প্রবাসী নেতাকর্মীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাতে থাকেন।
সমাবেশে দলটির মালদ্বীপ শাখার সভাপতি মো. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা মো. ফারুক হোসেন, সহ সভাপতি মো. হোসেন সুমন, মো. সহ আলম, মো. ফারুক হোসেন, মো. এরশাদ মেল্লা, মো. আলমগীর মজুমদার, মো. বাবুল হোসেন, মো. অলতাফ হোসাইন এবং মো. মুক্তার হোসেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম।
ঘটনাটি সহ-সভাপতি ইমরান হোসেন তালুকদার ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল আলমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
বক্তারা বলেন, প্রবাসে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারণ, নতুন সদস্য সংগ্রহ, নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে সবার একযোগে কাজ করতে হবে।
এছাড়া কর্মী সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের কর্মসূচি বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সমাবেশের শেষে দেশ, জাতি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামীকাল শুক্রবার, রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জুমার খুতবার আগে প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক, এবং উপমহাদেশের বরেণ্য আলেম আল্লামা খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানী গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন।
এই তথ্য আজ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে। সংবাদে বলা হয়েছে যে, বর্তমানে দাওয়াতি ও শিক্ষাবিষয়ক সফরে বাংলাদেশে অবস্থানরত এই আলেম বিশ্ব ইসলামী চিন্তার পাশাপাশি সমকালীন বিশ্বে মুসলিম সমাজের সম্মুখীন চ্যালেঞ্জ, জ্ঞানচর্চা, দাওয়াহ, এবং উম্মাহর ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে আলোচনা করবেন।
বাংলাদেশ সফরকালীন, তিনি ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন দ্বীনি সেমিনার, শিক্ষাবিষয়ক মতবিনিময় সভা, তরুণদের উদ্দেশ্যে দাওয়াহভিত্তিক কর্মসূচি এবং আলেমদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
আগামী শনিবার সকালে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) আয়োজিত ‘ইমাম শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) কনফারেন্স’-এ তিনি প্রধান অতিথি এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এই অনুষ্ঠানে ইমাম শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হবে।
আল্লামা খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানী ভারতের মুসলিমদের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের খাস কমিটির সদস্য এবং মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি মুম্বইভিত্তিক ইমাম শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং জামিআ দারুল উলুম ইমামে রব্বানী, ভারতের পরিচালক হিসেবেও ইসলামী শিক্ষা ও গবেষণার খেদমতে নিয়োজিত রয়েছেন।
আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিশেষভাবে সমাদৃত। তিনি মুসলিম সমাজের অধিকার ও কল্যাণে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে ইসরায়েলের বরাদ্দকৃত কোটি কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ১০০ জনের বেশি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির আইনপ্রণেতা। এই ভোটটি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মধ্যে ইসরায়েল ইস্যুতে গভীর আদর্শিক মতপার্থক্য ও বিভক্তি পুনরায় সামনে এনেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) প্রতিনিধি পরিষদে একটি সংশোধনী প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে জানা গেছে।
এই সংশোধনী প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিলেন রিপাবলিকান পার্টির কট্টর সদস্য থমাস ম্যাসি। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচক এবং ইতোমধ্যে ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা বিপুল আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, ম্যাসির এই প্রস্তাবের পক্ষে ১০৩ জন ডেমোক্র্যাট সদস্য ভোট দিলে, তার দলের কোনো রিপাবলিকান সদস্য এতে সমর্থন দেননি।
তবে প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত ৩১৪টি বড় ব্যবধানের বিপক্ষে ভোটে বাতিল হয়ে যায়। ম্যাসির এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ৯৮ জন ডেমোক্র্যাট সদস্য ভোট করেছেন এবং ১০ জন আইনপ্রণেতা ‘উপস্থিত’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে কোনো পক্ষে অবস্থান নিতে বিরত ছিলেন।
এই সংবেদনশীল ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বও আড়াআড়িভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের প্রধান নেতা হাকিম জেফরিস এবং ডেমোক্র্যাটিক ককাসের চেয়ারম্যান পিট আগুইলার প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটিক হুইপ ক্যাথরিন ক্লার্ক প্রস্তাবের পক্ষে তথা ইসরায়েলের সামরিক সহায়তা বন্ধের পক্ষে নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করেছেন।
এই ভোটের ফলাফল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রগতিশীল অংশের নেতাদের কাছে একটি ঐতিহাসিক ও বড় ধরনের পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত বলে দেখছেন। তাদের দাবি, মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ইতিহাসে এটি প্রথমবারের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেমোক্র্যাট সদস্য এভাবে ইসরায়েলের জন্য বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা আটকে দেওয়ার পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরলেন। মাত্র দুই বছর আগে একই ধরনের একটি মার্কিন প্রস্তাবের পক্ষে ৩৭ জন ডেমোক্র্যাট সদস্য সমর্থন জানালে, এবার তা তিন গুণ বেড়ে গেছে।
দলীয় নেতৃত্ব পূর্বেই বুঝতে পেরেছিল যে এই বিশেষ ইস্যুতে সদস্যদের মধ্যে বড় ধরনের মতবিরোধ রয়েছে। তাই ভোটের আগে কোনও নির্দিষ্ট অবস্থান নিতে বা দলের সিদ্ধান্তের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়নি। দলের নেতা হাকিম জেফরিস সবাইকে নিজ নিজ বিবেক ও এলাকার মানুষের মনোভাব অনুযায়ী স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। ভোটের আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে ডেমোক্র্যাট সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগত বৈঠকও করেন।
ডেমোক্র্যাটিক হুইপ ক্যাথরিন ক্লার্ক প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর বলেন, তিনি মনে করেন মূলত সংশোধনিটি কিছুটা ত্রুটিপূর্ণ ছিল। কারণ, এতে সামরিক সহায়তার সঙ্গে গাজায় ফিলিস্তিনি শরণার্থী ও যুদ্ধবিধ্বস্ত বেসামরিক মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা বন্ধের বিষয়টিও যুক্ত ছিল।
অন্যদিকে, প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেওয়া ডেমোক্র্যাট সদস্য মার্ক পোকান জানান, ‘এটি এমন একটি প্রস্তাব ছিল, যা কখনোই পাস হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা ছিল না। তবে হাকিম জেফরিসের বড় কৃতিত্ব হলো, তিনি সবাইকে নিজের বিবেক অনুযায়ী ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। আগামী ২৩ জুলাই, তিনি ভাইস অ্যাডমিরাল পদে পদোন্নতি লাভের পর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানিয়েছে।
আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আগামী ২৩ জুলাই তিনি ভাইস অ্যাডমিরাল পদে উন্নীত হওয়ার পাশাপাশি নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।
অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এম জে আরিফ বেগের স্বাক্ষর করা আলাদা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে আগামী ২৩ জুলাই থেকে ২০২৯ সালের ২২ জুলাই পর্যন্ত তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ