মোঃ শাহিন (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:৫২ পি.এম
অভাবের কারণে মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালাতে না পেরে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী লিমা খাতুনের বিয়ের আয়োজন করেছিল পরিবার। তবে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় ইচ্ছা আর উপজেলা প্রশাসনের সময়োপযোগী পদক্ষেপে শেষ পর্যন্ত বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল সে।
লিমা খাতুন গোমস্তাপুর উপজেলার কয়লাদিয়াড় এলাকার বাসিন্দা ও রাজমিস্ত্রী লিটনের বড় মেয়ে। সে স্থানীয় গোমস্তাপুর গার্লস একাডেমির বিজ্ঞান বিভাগের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। দুই বোনের মধ্যে ছোট বোন পড়ে তৃতীয় শ্রেণিতে।
পারিবারিক চরম আর্থিক সংকটের কারণে লিমার পড়াশোনা বন্ধ করে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অদম্য লিমার ইচ্ছা ছিল পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার। বিষয়টি সে তার স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শরিফা খাতুন চৌধুরীকে জানায় এবং স্পষ্ট বলে দেয় যে সে এখন বিয়ে করতে চায় না।
পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষিকা বিষয়টি গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির মুন্সির নজরে আনেন। খবর পেয়েই ইউএনও তাৎক্ষণিকভাবে লিমার শিক্ষার সহায়তায় ৫ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে যেকোনো ধরণের সহায়তার আশ্বাস দেন।
সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত লিমা খাতুন বলে, “আমি এখনই বিয়ে করতে চাই না। আমার স্বপ্ন লেখাপড়া শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়ানো। স্যার যেভাবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাতে আমি আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছি।”
স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শরিফা খাতুন চৌধুরী বলেন, “লিমা একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। শুধু আর্থিক সংকটের কারণে তার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাক, তা আমরা চাইনি। ইউএনও স্যারকে জানালে তিনি দ্রুত সাড়া দেন। এতে লিমার পাশাপাশি অন্য শিক্ষার্থীরাও অনুপ্রাণিত হবে।”
লিমার মা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “অভাবের সংসারে মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালানো খুব কঠিন হয়ে পড়েছিল, তাই বাধ্য হয়ে বিয়ের কথা ভেবেছিলাম। ইউএনও স্যারের সহযোগিতায় এখন মেয়েকে আবার পড়াশোনা করাতে পারব।”
এ বিষয়ে গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির মুন্সি জানান, “কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যেন কেবল দারিদ্র্যের কারণে থেমে না যায়, সেটাই আমাদের মূল চেষ্টা। বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক অপরাধ এবং প্রতিটি শিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। লিমার মতো যেকোনো শিক্ষার্থী বিপদে পড়লে প্রশাসন সর্বোচ্চ পাশে থাকবে।”
ইউএনওর এই সময়োপযোগী ও মানবিক উদ্যোগে লিমা ও তার পরিবার স্বস্তি ফিরে পেয়েছে। স্থানীয় অধিবাসীরা প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে অত্যন্ত সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিক্ষাবান্ধব সমাজ গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড বৃহস্পতিবার দাবি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের চেষ্টা করা দুটি তেলবাহী ট্যাংকারের একটি আগুনে পুড়ে যাওয়ার পর উভয় জাহাজই ফিরে গেছে।
রেভল্যুশনারি গার্ড এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘গত রাতে মার্কিন যুদ্ধবিমানের উৎসাহে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালীর অনিরাপদ দক্ষিণাঞ্চলীয় পথ দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করেছিল।’ তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘এর মধ্যে একটি জাহাজে বড় ধরনের আগুন লাগার পর দুটি জাহাজই দ্রুত ফিরে যায়।’ মধ্যপ্রাচ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ইরান।
এরপর থেকে জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে ইরান নির্ধারিত রুট ব্যবহার করতে হবে বলে তেহরান জানিয়ে আসছে। পাশাপাশি, চলাচলের আগে অনুমতি নেওয়া ও সেবামূল্য পরিশোধেরও শর্ত দিয়েছে তারা।
বৃহস্পতিবার রেভল্যুশনারি গার্ড আবারও বলেছে, হরমুজ প্রণালী আমাদের ভূখণ্ড। যতদিন মার্কিন কর্মকর্তাদের ‘অতিরিক্ত উসকানিমূলক বক্তব্য ও হুমকি’ এবং এ অঞ্চলে নৌ চলাচলে তাদের হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকবে, ততদিন এই প্রণালী ‘পুনরায় খুলে দেওয়া যাবে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল বলেছেন, মৌলিক ক্রিকেট জ্ঞান না থাকলে কাউকে জেলা বা বিভাগীয় পর্যায়ের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে না। তামিম স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, কোচ নিয়োগে কোনো ধরনের সুপারিশও গ্রহণ করা হবে না।
বুধবার বিসিবির বোর্ড সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জেলা ও বিভাগীয় কোচ নিয়োগ পরীক্ষায় ১৭০ জন অংশ নিলেও উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ৩৮ জন। তার মতে, অতীতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কিছু ত্রুটি ছিল, তাই এবার পুরো প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও মানসম্মত করা হচ্ছে।
তামিম বলেন, আগের বিজ্ঞপ্তিতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার বা লেভেল-ওয়ান কোচদের আবেদন করার কথা থাকলেও পরে সেই শর্ত শিথিল করা হয়েছিল, যা ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক—এই তিন ধাপের মূল্যায়নের মাধ্যমে যোগ্যদের নির্বাচন করা হবে।
তিনটি পরীক্ষার খাতা দেখে হতাশার কথাও তুলে ধরেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, একটি প্রশ্ন ছিল—‘ওয়াইড বলে কীভাবে আউট হওয়া যায়?’ সেখানে কেউ উত্তর দিয়েছেন ‘বোল্ড’ ও ‘এলবিডব্লিউ’। আবার অফসাইডের পাঁচটি পজিশনের নাম লিখতে গিয়ে কেউ ‘মিড উইকেট’ লিখেছেন। এসব দেখে তিনি মন্তব্য করেন, “যারা ‘ওয়াইড বলে বোল্ড হয়’ লেখে, তাদের কোচিংয়ে না আসাই ভালো।”
তামিম আরও জানান, কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রে কাউকে ব্যক্তিগত, বোর্ড কর্মকর্তা বা প্রভাবশালী মহলের সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে না। তিনি বলেন, ‘কেউ লিখিত, ব্যবহারিক বা ভাইভায় উত্তীর্ণ না হলে শুধু সুপারিশের ভিত্তিতে তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যতের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) ৪ হাজার ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ডিএসসিসির নগর ভবন অডিটোরিয়াম এই বাজেট ঘোষণা করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
গত ২৬ জুলাই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পরিচালনা কমিটির ১৪তম কর্পোরেশন সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪০০৪.৬০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদিত হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বাজেটের পরিমাণ ছিলো ৩৮৪১.৩৮ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের পরিমাণ ছিলো ৩১৩৮.৭৭ কোটি টাকা।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রারম্ভিক স্থিতিসহ সর্বমোট প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০০৪.৬০ কোটি টাকা। যেখানে প্রারম্ভিক স্থিতির পরিমাণ ৭৩০.৯৩ কোটি টাকা, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৮১৫.৭৪ কোটি টাকা ও উন্নয়ন বাবদ আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৪৫৭.৯৩ কোটি টাকা।
এছাড়া ব্যয়ের ক্ষেত্রে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিচালন ও মূলধন ব্যয়সহ উন্নয়ন ব্যয় এবং সমাপনি স্থিতিসহ মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪০০৪.৬০ কোটি টাকা। যেখানে সমাপনী স্থিতি ৫৪০.৫০ কোটি টাকা, পরিচালন ও মূলধন ব্যয় বাবদ বরাদ্দ ১৫৫৯.৬৮ কোটি টাকা ও উন্নয়ন ব্যয় বাবদ বরাদ্দ ১৯০৪.৪২ কোটি টাকা।
বাজেট উপস্থাপনায় ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, "আমরা চেষ্টা করেছি উচ্চাভিলাষী বড় অঙ্কের বাজেট প্রণয়ন না করে বাস্তবায়নযোগ্য যৌক্তিক বাজেট প্রণয়ন করতে।" ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সম্মানিত নগরবাসীর উপর অতিরিক্ত করারোপ বা কর হার বৃদ্ধি না করে বরং সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্য নতুন নতুন রাজস্ব খাত সৃষ্টি করা হয়েছে। ক্ষেত্রমতে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় ব্যয় সংকোচন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, "সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নাগরিক সুবিধাদি ও সেবার মানোন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে 'ক্লিন সিটি-গ্রিন সিটি' বাস্তবায়নের ধাপ হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।"
তিনি নাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, "ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এই বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের একটি হিসাব নয়; এটি সম্মানিত করদাতাদের অর্পিত পবিত্র দায়িত্ব ও আস্থার প্রতিফলন।" এই বাজেটের প্রতিটি টাকা জনগণের কল্যাণে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতার সঙ্গে ব্যয় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ জুলাই, ২০২৬ : ডিমের পরিবর্তে নিরামিষ খাবার পরিবেশন করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনার পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিনামূল্যে স্কুলের খাবারে আবারও ডিম অন্তর্ভুক্ত করা হবে। কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।
শিক্ষক, পুষ্টিবিদ এবং অভিভাবকদের সমালোচনার পর সরকার তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। তাদের মতে, স্কুলের খাবার থেকে ডিম বাদ দিলে দরিদ্র পরিবারের শিশুরা প্রোটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস থেকে বঞ্চিত হবে। কলকাতা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।
গত মাসে এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। মে মাসে প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় আসা ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র সরকার কিছু সরকারি স্কুলের খাবার থেকে ডিম বাদ দেয়। এরপর একটি হিন্দু ধর্মীয় দাতব্য সংস্থার মাধ্যমে নিরামিষ খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়।
এই সিদ্ধান্ত বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে খাদ্য ও ধর্ম নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে আবারও উসকে দিয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, সরকার স্কুলশিক্ষার্থীদের নিরামিষভোজী করে তোলার চেষ্টা করছে।
বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আগস্ট মাস থেকে স্কুলশিক্ষার্থীদের আবারও ডিম দেওয়া হবে।
নতুন ব্যবস্থায় নারীদের কল্যাণমূলক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে আলাদাভাবে ডিম সরবরাহ করা হবে। একই সঙ্গে ওই দাতব্য সংস্থা ‘বিশুদ্ধ’ নিরামিষ খাবার সরবরাহ অব্যাহত রাখবে।
অধিকারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগস্টের ১ তারিখ থেকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোকে যুক্ত করে রাজ্য সরকার এসব স্কুলে আলাদাভাবে সেদ্ধ ডিম সরবরাহ করবে।’
তিনি জানান, ‘কিছু অভিভাবক সরকারের কাছে খাবারে ডিম অন্তর্ভুক্ত রাখার অনুরোধ জানান।’
বিজেপি তাদের বৃহত্তর জাতীয়তাবাদী কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রায়ই নিরামিষভোজনকে উৎসাহিত করে। যদিও অধিকাংশ হিন্দুই মাংস ও মাছ খেয়ে থাকেন।
হিন্দুদের কাছে ডিম আমিষ হিসেবে বিবেচিত এবং ব্যাপকভাবে খাওয়া হয়।
শিক্ষক ও পুষ্টিবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা খাবারের তালিকা থেকে ডিম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। তাদের মতে, এটি নিম্ন আয়ের পরিবারের শিশুদের পুষ্টির উন্নতি এবং স্কুলে উপস্থিতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ভারতে এ ধরণের কর্মসূচি বিনামূল্যের কর্মসূচির মধ্যে স্কুল মধ্যাহ্নভোজ কর্মসূচিটি বিশ্বের সবচেয়ে বড়। শিশুদের স্কুলে ভর্তি বাড়ানো এবং অপুষ্টি ও খর্বাকৃতি সমস্যা কমাতে এ কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ