বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:৪৯ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত অধিকাংশ মার্কিন নাগরিকের সমর্থন পাচ্ছে না। সর্বশেষ জনমত জরিপে প্রতিফলিত হয়েছে, প্রায় ৬০ শতাংশ আমেরিকান এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। সংবাদটি এসেছে আল জাজিরার পক্ষ থেকে।
প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে যুদ্ধ সম্পর্কিত জনমতের একটি স্পষ্ট প্রবণতা করা হয়েছে। যেখানে ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অধিকাংশ ভোটার।
এছাড়া জরিপে পাওয়া গেছে, নিজেদের রিপাবলিকান হিসেবে পরিচয় দেওয়া ভোটারদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ ট্রাম্পের যুদ্ধের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন। তবে, মার্কিন জনগণের অধিকাংশই সামগ্রিকভাবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।
জরিপের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছিল, যুদ্ধ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় কোন রাজনৈতিক দল বেশি কার্যকর? এর উত্তরে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে। ২০২৪ সালে একই প্রশ্নে রিপাবলিকান পার্টি ডেমোক্র্যাটদের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ এগিয়ে ছিল।
তবে, সর্বশেষ ৩ আগস্টের জরিপে ৩৮ শতাংশ উত্তরদাতা উল্লেখ করেছেন, এই ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটরা ভালো করবে। অপরদিকে ৩৭ শতাংশ ভোটদাতা বলেছেন, রিপাবলিকানরা বেশি সক্ষম।
বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা, যুদ্ধ এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা করার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর সম্পর্কে ভোটারদের দৃষ্টিভঙ্গির এই পরিবর্তন মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের বার্তা নিয়ে আসছে।
আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের পূর্বে, এই জরিপের ফলাফল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার রিপাবলিকান পার্টির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান খুব ভালোভাবে এগোচ্ছে। তিনি একই সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের প্রতি পূর্ণ সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এই তথ্যটি এসেছে আল জাজিরা থেকে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একটি পোস্টে জানান, প্রতিরক্ষা বিভাগের কার্যক্রম নিয়ে তিনি অত্যন্ত সন্তুষ্ট এবং সবকিছু অসাধারণভাবে এগোচ্ছে। তিনি তাঁর পোস্টে আরও দাবি করেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়ার লক্ষ্যেই এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
ট্রাম্পের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান খুব ভালোভাবে এগোচ্ছে এবং দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সক্ষমতা ধ্বংস করার লক্ষ্য সফল হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৪২তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মৌলভীবাজারে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ডা. জুবাইদা রহমানের বাবা ও সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খাঁনের জন্য।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাদ আসর শহরের চৌহমুনায় অবস্থিত দেওয়ানী জামে মসজিদে মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মনোয়ার আহমেদ রহমানের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন এবং কাতার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক সাজু।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বকশী মিছবাহ উর রহমান, ফখরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, মৌলভীবাজার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম সোহেল, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান মফিজ প্রমুখ।
এছাড়া মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ১ নম্বর ওয়ার্ডের মো. আলম মিয়া, মুন্না মিয়া, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি এইচ এম শফিকুর রহমান, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হেলাল আহমেদ, সুমন আহমেদ, মিনহাজ আহমেদ, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মিঠু তরফদার, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কমরু মিয়া, মিলাদ মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজান আহমেদ, আফছর আহমেদ, ফুয়াদ, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সালেহ আহমেদ শেখ কামাল, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মো. হান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের, সৈয়দ ইজাজ, এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মিজান সহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতারা।
মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খাঁনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার চরফ্যাশনে সহকারী শিক্ষককে মারধরের মামলায় ১৬৮ নম্বর দক্ষিণ চর আইচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম ইউছুফসহ তিনজনকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন জানানোর সময় চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আফজাল হোসেন তাদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অপর দুই আসামি হলেন মো. হামিম দেওয়ান ও মো. রাশেদ খান।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম ইউছুফের বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করায় সহকারী শিক্ষক আকতার হোসেনের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ২৭ জুন বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষ থেকে আকতার হোসেনকে শার্টের কলার ধরে টেনে মাঠে নিয়ে মারধর করা হয়। এতে তাকে গুরুতরভাবে আহত করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর, ২ জুলাই চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম ইউছুফসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সহকারী শিক্ষক আকতার হোসেন।
বৃহস্পতিবার মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে আসেন প্রধান শিক্ষকসহ তিনজন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তবে আদালত প্রাঙ্গণে প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম ইউছুফ দাবি করেন, মারধরের ঘটনায় তিনি জড়িত নন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তাকে অন্যায়ভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর সদর উপজেলায় প্রকাশ্যে সুমন মিয়া (৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যা বেলা উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের বাখরনগর বাজারে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমন মিয়া বাখরনগর গ্রামের আব্দুল বাতেন মিয়ার পুত্র।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুমন মিয়া বাখরনগর বাজারে গেলে ১০-১৫ জনের একটি দুষ্কৃতিকারী দল আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার গতিরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুমনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে তারা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন সুমনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের আত্মীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, পূর্ববিরোধের কারণে প্রতিপক্ষের লোকজন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে তারা মনে করছেন। তবে তারা কোনো নির্দিষ্ট নাম বা পরিচয় উল্লেখ করেননি।
স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আলোকবালী ইউনিয়নের স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসাও করা হয়েছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিরোধের জেরেই সুমনকে হত্যা করা হয়েছে।
নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. আশিকুর রহমান বলছেন, স্থানীয় বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত জানার পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ