ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাঙ্গামাটিতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান


রাঙ্গামাটিতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

টানা কয়েক দিন ভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট পাহাড়ধস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাঙ্গামাটির সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী ও রাঙ্গামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে তিনি রাঙ্গামাটি পৌর এলাকার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তিনি দুর্গত মানুষের খোঁজ খবর নেন এবং তাদের হাতে ত্রাণসামগ্রী ও খাদ্য সহায়তা তুলে দেন।

পরিদর্শনকালে দীপেন দেওয়ান বলেন, সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পার্বত্য জেলার মানুষের জন্য সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, যে কোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার আন্তরিক এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছেন। তিনি আরো জানান, প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসহ সকল জাতিগোষ্ঠীর মানুষের কাছে সমানভাবে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ সময় জেলা প্রশাসন ও দীপেন দেওয়ানের উদ্যোগে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি শিশুদের জন্য দুধ, খেজুর ও বিস্কুট সরবরাহ করা হয়।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

দুর্গত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন দীপেন দেওয়ান। তিনি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষের প্রতি প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "প্রশাসন যখন আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলছে, তখন কেউ যেন সেই নির্দেশনা অবহেলা না করেন। অনেক সময় সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার কারণেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে।"

তিনি আরো বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে এগিয়ে আসতে হবে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব (পিপিএম), জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রিয়াদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও ছিলেন উপস্থিত।

এদিন দীপেন দেওয়ান রাঙ্গামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ওমদামিয়া হিল উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত কক্সবাজার, প্রস্তুত ৬৪৮ আশ্রয়কেন্দ্র ও কন্ট্রোল রুম খোলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১২ এম


টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত কক্সবাজার, প্রস্তুত ৬৪৮ আশ্রয়কেন্দ্র ও কন্ট্রোল রুম খোলা

কক্সবাজার জেলায় টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে অনন্ত ৩৫ ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। গত ৪ দিনে পাহাড় ধস ও পানিতে ডুবে রোহিঙ্গাসহ ২৪ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

কক্সবাজার জেলার অধিকাংশ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, এবং বন্ধ রয়েছে সব গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে, পাহাড়ের পাদদেশ, ঢালু এলাকা এবং বন্যাকবলিত নিচু স্থানে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করেছে। এই আশ্রয়কেন্দ্রগুলো ৬৪৮টি স্থানে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। খোলা হয়েছে একটি কন্ট্রোল রুম।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হান্নান জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত কক্সবাজারে ৪৮ ঘণ্টায় ২২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। বর্তমানে সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রয়েছে এবং বৃষ্টি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

ভারী বৃষ্টিতে বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের চকরিয়ায় আবারও পাহাড় ধসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং এ ঘটনায় আরও একটি নারী আহত হয়েছেন। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এখনও কার্যকর রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস মতে, আগামী কয়েকদিন ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে যেকোনো ধরনের প্রাণহানি প্রতিরোধের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিকটস্থ সাইক্লোন শেল্টার বা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমের ০১৮৭২৬১৫১৩২ নম্বরে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান নিশ্চিত করেছেন যে, জেলার ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং উদ্ধার, ত্রাণ ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম চালু হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া দূর না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সতর্ক থাকার এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের দেয়া তথ্যমতে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কক্সবাজার জেলার ১০ উপজেলার অন্তত ৩৫টি ইউনিয়নে দেড় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত পাঁচ লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় পড়েছে। কক্সবাজার সদর, উখিয়া, টেকনাফ, রামু, চকরিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরি এবং ঈদগাঁও উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় এখন দুর্যোগজনিত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের মাটি পানিসিক্ত হয়ে পড়েছে। তাই যেকোনো সময় নতুন করে বড় ধরনের পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটতে পারে। শহর ও গ্রামীণ এলাকার খাল-নালা উপচে পড়ায় দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, জেলার শতাধিক বাড়িতে পানি প্রবাহিত হয়েছে। বহু গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গেছে, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিভিন্ন স্থানে বিঘ্নিত হয়েছে। কক্সবাজার শহরের কলাতলী, সুগন্ধা, হোটেল-মোটেল জোন, বাজারঘাটা, তারাবনিয়াছড়া, আলীরজাহাল এবং বাস টার্মিনাল এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে গিয়ে শহরের অধিকাংশ সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে উত্তাল সাগরের কারণে টানা ৭ দিন ধরে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে যাত্রীবাহী ট্রলারসহ সকল নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। সেইসঙ্গে কক্সবাজার-মহেশখালী ও পেকুয়া-কুতুবদিয়া নৌপথেও নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশ্বের বৃহত্তম রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়েছে। টানা বর্ষণে সেখানে দুই শতাধিক পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে।

ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানি চকরিয়া, পেকুয়া এবং মাতামুহুরি উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করেছে। এতে বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গিয়ে জনজীবনে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটেছে। বিভিন্ন এলাকার লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সড়কের পানির কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজাখালী, মগনামা এবং উজানটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজাখালী ইউনিয়নের বামুলাপাড়া-উলুডিয়া পাড়া, সুন্দরীপাড়া এলাকায় পানি আটকে থাকার কারণে জলাবদ্ধতা আরও তীব্র হচ্ছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিপদ বাড়ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে অন্তত ২০টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মধ্যে রয়েছে টইটং ইউনিয়নের হাজীবাজার এবং সোনাইছড়ি, শিলখালীর হেদায়াতাবাদ, মাঝেরঘোনা, কাছারীমোড়া ও পেঠান মাতবরপাড়া, রাজাখালীর বামুলাপাড়া, মৌলভীপাড়া, উলুডিয়াপাড়া, মগনামার শরৎঘোনা, পশ্চিম বাজারপাড়া, ধারিয়াখালী, ধরদরীঘোনা, মটকাভাঙা, চেরাংঘোনা, মরিচ্যাদিয়া, রঙ্গিয়াখালী, মগঘোনা, মাঝিরপাড়া ও মৌলভীপাড়া, উজানটিয়ার মিয়াপাড়া, সাবখালীপাড়া, ঘোষলপাড়া, পেকুয়ারচর এবং পেরাসিংগাপাড়া, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মোরারপাড়া, সৈকতপাড়া, পূর্ব মেহেরনামা এবং পশ্চিম গোয়াঁখালী।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বহু পরিবারের ঘরে পানি ঢুকে যাচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। অন্যান্যের মধ্যে গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যাতায়াতও চরম দুর্ভোগের মুখে পড়ছে। অনেক পরিবার নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা খালেকুজ্জামান জানান, 'টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে। এই কারণে পাহাড়সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।'

পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ বলেন, 'নবগঠিত পেকুয়া পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে পেকুয়া বাজারের জেনারেল হাসপাতাল থেকে বাজারের পশ্চিম মাথা পর্যন্ত কহেলখালী খালের প্রয়োজনীয় জায়গায় ময়লা ও আবর্জনা অপসারণ করে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।'

এছাড়া খুলে দেয়া হয়েছে প্রবহমান খালের ওয়াপদা সংলগ্ন স্লুইস গেট। পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম বলেন, 'অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাগুলো পরিদর্শনসহ উপজেলা প্রশাসন সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের পাশাপাশি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নিম্নাঞ্চল ও পাহাড়সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকবার আহ্বান করা হয়েছে।'

অন্যদিকে চকরিয়া কাকারা ফাহাশিয়া খালী লক্ষেশ্বর করইয়া ঘোনা বমুবিল ছড়ি চকরিয়া পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড পানিতে তলিয়ে গেছে। এমনকি চকরিয়া সরকারি কলেজের মধ্যে হাঁটু পরিমাণ পানি প্রবাহিত হয়েছে, যা নিয়ে ক্লাস এবং দাপ্তরিক কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুত রয়েছে। অতিরিক্ত শুকনো খাবারের চাহিদাও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ঢেউটিন তার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে কন্ট্রোল রুমের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে এবং সব উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাশহাদে খামেনির দাফন সম্পন্ন, শেষ বিদায়ে জনতার ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ এম


মাশহাদে খামেনির দাফন সম্পন্ন, শেষ বিদায়ে জনতার ঢল

লাখো মানুষের অশ্রুসিক্ত বিদায় আর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মাশহাদের জন্মস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। সপ্তাহব্যাপী শোকানুষ্ঠান, ইরান ও ইরাকজুড়ে শোকযাত্রা ও জানাজার শেষেই তার দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। খামেনির শেষ বিদায় ঘিরে নগরী মাশহাদের রাস্তায় লাখো মানুষের ঢল ছিল। পুরো শহর প্রকম্পিত হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলবিরোধী স্লোগানে।

মাশহাদে শোক, আবেগ এবং ধর্মীয় অনুভূতি নিয়েই বিদায়ের শেষ অধ্যায় দেখা হলো। জন্মস্থানের মাটিতে ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন সম্পন্ন হয়। লাখো মানুষের অশ্রুসিক্ত উপস্থিতিতে তার শেষ জানাজার ইমামতি করেন ছেলে মোস্তফা খামেনি, যিনি ছিলেন পাশে মেইসাম ও মাসউদ। তবে নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে সেখানে দেখা যায়নি।

মাশহাদের রাজপথে প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে হাজার হাজার মানুষ এসেছে। কালো পোশাকে, হাতে ইরানের জাতীয় পতাকা, শোক ও প্রতিশোধের প্রতীক কালো ও লাল পতাকা, প্রয়াত নেতার প্রতিকৃতি এবং বিপ্লবী স্লোগানের ব্যানার হাতে লাখো মানুষ শেষ বিদায়ে অংশগ্রহণ করেন। তীব্র গরম উপেক্ষা করে অনেকেই প্রিয় নেতার কফিনবাহী গাড়ি স্পর্শ করার চেষ্টা করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলবিরোধী স্লোগান দেয়ারও দৃশ্য দেখা যায়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের শোকযাত্রা ছিল দেশের আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জনসমাগমগুলোর একটি। পাশাপাশি, ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস জানিয়েছে, নাজাফে শোকযাত্রায় অংশ নেয় ২৩ লাখের বেশি মানুষ। এর আগে, রাষ্ট্রীয় শোক ও বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করতে সপ্তাহজুড়ে ইরান বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নেয়, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে খামেনির মরদেহটি নিয়ে যাওয়া হয় তেহরান, কোম এবং ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফ ও কারবালায়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, পরিবারের কয়েকজন সদস্যসহ। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে জন্মভূমি মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুভেন্দুর সঙ্গে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের দুই ঘণ্টার বৈঠক, রাজনৈতিক মহলে চলছে গুঞ্জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ এম


শুভেন্দুর সঙ্গে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের দুই ঘণ্টার বৈঠক, রাজনৈতিক মহলে চলছে গুঞ্জন

 

টালিউড তারকা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেছেন। পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, শুভেন্দুর সঙ্গে তার অতি সাধারণ রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। এটি মোটেও কিছু কাজের জন্য সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। তবে, প্রসেনজিৎ অধিকারীর সঙ্গে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় কাটিয়েছেন। বিকেল পাঁচটা নাগাদ তিনি নবান্নের মুখ্যমন্ত্রীর কক্ষে প্রবেশ করেন এবং বের হন সন্ধ্যা ৭টায়।

প্রসেনজিৎ সাংবাদিকদের বলেন, ‘কফি খেলাম আর গল্প করলাম কিছুক্ষণ। বললাম, আমাদের এই চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক কিছুর প্রয়োজন আছে। এর উন্নয়ন আশু দরকার।’ এছাড়া, মহানায়ক উত্তম কুমারের মৃত্যুদিবস এবং বিশেষ সম্মাননা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল। প্রসেনজিৎ মন্তব্য করেন, ‘যদি আমি রাজনীতিতে যোগ দিই, তাহলে সবার আগে মানুষ জানতে পারবে।’

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় আরও বলেন, ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ১৫ মিনিটের জন্য তাদের বাড়িতে এসেছিলেন। কলকাতা সিনেমা নিয়ে কিছু কথাও হয়েছে।

শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে প্রসেনজিৎ উল্লেখ করেন, ‘আমি ৪০ বছর ধরে এই চলচ্চিত্র শিল্পে আছি। কিছু বিশেষ জিনিস আমাদের দরকার। প্রোটোকল মেনে সেসব কথা জানাতে এসেছিলাম। কিন্তু আমাদের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি।’

যদিও, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এই কথা বললেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, অদূর ভবিষ্যতে কি বিজেপি রাষ্ট্রপতির কোটায় এই অভিনেতাকে রাজ্যসভার সদস্য করবে।

এর পাশাপাশি, আরও খবর এসেছে যে বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূলের ৩ সাবেক সাংসদ। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনের পর বিজেপির নেতারা ঘোষণা দিয়েছিলেন, তৃণমূলের নেতাদের এই মুহূর্তে বিজেপিতে যোগদান করতে দেওয়া হবে না এবং দরজা বন্ধ থাকবে। এই সিদ্ধান্ত চলবে তিন মাস ধরে; কিন্তু তিন মাস শেষ হওয়ার আগেই বৃহস্পতিবার বিজেপির দরজা খুলে গেল। বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূলের সাবেক তিন রাজ্যসভার সদস্য (এমপি)। তারা হলেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশচিক বরাইক।

বিকেলে কলকাতার নিউটাউনে বিজেপির প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এই তিন নেতা বিজেপিতে যোগ দেন। এ সময় বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই তিন নেতার গলায় উত্তরীয় পরিয়ে দেন এবং হাতে তুলে দেন বিজেপির পতাকা। তারা জানিয়েছেন, বিজেপির উন্নয়নধারার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করার জন্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।

২৪ জুলাই রাজ্যসভার পশ্চিমবঙ্গের তিন শূন্য আসনে উপনির্বাচন হতে চলেছে। জল্পনা চলছে, সেই তিন আসনে কি বিজেপিতে যোগ দেওয়া তৃণমূলের সাবেক এই তিন সংসদ সদস্যকে মনোনয়ন দেওয়া হবে?

এবারের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের ২৯৪ আসনের মধ্যে তৃণমূল জিতেছিল ৮০টি আসনে। এই আসনের মধ্যে ৬৫ আসনের বিধায়কেরা মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে দল ছেড়ে নতুন জোট করেছে। আর লোকসভার ৪২ আসনের মধ্যে তৃণমূলের থাকা ২৮ আসনের মধ্যে তৃণমূলের সঙ্গে বিদ্রোহ করেছেন ২০ জন সংসদ সদস্য। রাজ্যের তৃণমূলের এই চরম দুর্দিনে এবার এই দলের সাবেক তিন সংসদ সদস্য বিজেপিতে যোগদান করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেমিফাইনালে ফ্রান্সের ম্যাচ কবে, প্রতিপক্ষ কে হবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ এম


সেমিফাইনালে ফ্রান্সের ম্যাচ কবে, প্রতিপক্ষ কে হবে?

মরক্কোকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে এবারের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। তবে সেমিফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ কে হবে তা নির্ধারিত হবে স্পেন-বেলজিয়াম ম্যাচের ফলাফলের ওপর।

 

কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দিবাগত রাত ২টায় যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে ফ্রান্স ও মরক্কো মুখোমুখি হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্স মরক্কোর ওপর বলের দখলে চাপ সৃষ্টি করে। এমবাপে ও ডেম্বেলেদের একের পর এক আক্রমণে মরক্কোর রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখতে হয়। ম্যাচের চার মিনিটের মধ্যে ফ্রান্স একটি গোল করার সুযোগ পায়। তবে দায়ো উপামেকানের হেড গোললাইন থেকে দুর্দান্তভাবে ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু।

২৫ মিনিটে ফ্রান্স পেনাল্টি পায়, যখন ডি-বক্সে কিলিয়ান এমবাপেকে ফাউল করেন নাসের মাজরাউই। কিন্তু ইয়াসিন বুনু দুর্দান্ত সেভ করে এমবাপের পেনাল্টি ঠেকিয়ে দিয়ে প্রথমার্ধে দলকে সমতায় রেখে দেন।

বিরতির পর মরক্কোর ডিফেন্ডারদের এমবাপেকে সামলাতে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। ৬০ মিনিটে, নিজের মিস করা পেনাল্টির আক্ষেপ ঘুচিয়ে ম্যাচের জট খুলে তিনি। দেজিরে দুয়ের পাস থেকে বাঁকানো শটে বল জালে পাঠিয়ে ফ্রান্সকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এমবাপে। এই গোল চলতি বিশ্বকাপে তার টানা তৃতীয় গোল। তার গোল সংখ্যা হয়ে দাঁড়ায় ৮টি, এর সাথে ৩টি অ্যাসিস্ট রয়েছে। এতে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে তিনি শক্ত অবস্থানেই রয়েছেন।

গোল হজম করার পর রক্ষণাত্মক কৌশল ছেড়ে মরক্কো আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে। তবে সেটাও ফ্রান্সের কাজে আসে। ৬৬ মিনিটে, এমবাপের পাস থেকে একক প্রচেষ্টায় গোল করেন উসমান ডেম্বেলে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেয়া তার শট জালে গিয়ে ২-০ ব্যবধানে লেস ব্লুকে এগিয়ে দেয়।

পুরো ম্যাচে ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মেনিয়াঁকে তেমন কোনো কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়নি। বরং শেষ সময়েও ডেম্বেলে ও মাটেতাদের আক্রমণে ব্যস্ত ছিল মরক্কোর রক্ষণভাগ। ফরাসি ফরোয়ার্ডরা আরও কিছু সহজ সুযোগ কাজে লাগালে ব্যবধান আরও বাড়াতে পারতেন।

শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। ফলে তারা টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়। ম্যাচে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে লিওনেল মেসির সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে চলেছেন এমবাপে।

আর ২০২২ বিশ্বকাপের পর এবারও ফ্রান্সের কাছে থেমে গেল মরক্কোর বিশ্বকাপ অভিযান। এতে তাদের টানা ৩৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ভেঙে যায়।

এদিকে, সেমিফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ কে হবে তা স্পেন-বেলজিয়াম ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় লস অ্যাঞ্জেলসে শুরু হবে এই বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচ। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে প্রায় এক দশক পর ইউরোপের শক্তিশালী দুই দল মাঠে নামছে।

১৯৮৬ বিশ্বকাপের স্মৃতি মাথায় রেখে সতর্ক স্পেন, আর শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে সমীহ করেও চমক দেখাতে আত্মবিশ্বাসী বেলজিয়াম। এই ম্যাচের বিজয়ী দল আগামী বুধবার (১৫ জুলাই) রাত ১টায় সেমিফাইনালে ফ্রান্সের সাথে মুখোমুখি হবে, যারা প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%