ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড কৃষি ও খাদ্য বাণিজ্য সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা


বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড কৃষি ও খাদ্য বাণিজ্য সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা

কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রযুক্তি বিনিময় ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে মিনিস্ট্রি ফর প্রাইমারি ইন্ডাস্ট্রিজের (এমপিআই) সঙ্গে বাংলাদেশের একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সম্ভাবনার কথা উল্লিখিত হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে এমপিআইয়ের দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক প্রধান ডায়না রেইচ প্রতিনিধিত্ব করেন।

আরও পড়ুন: ‘জনপ্রতিনিধিদের সব সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়, নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে’

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে কৃষি ও খাদ্যপণ্যের বাণিজ্য বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি প্রযুক্তি, দুগ্ধ শিল্প, কোল্ড চেইন ব্যবস্থাপনা এবং কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্পে যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিউজিল্যান্ডের উন্নত বায়োসিকিউরিটি ব্যবস্থা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কৃষিপণ্য রপ্তানি ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও বৃহৎ ভোক্তা বাজারের বিষয়টি তুলে ধরে দুই দেশের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও বৃহৎ ভোক্তা বাজারকে কাজে লাগিয়ে নিউজিল্যান্ডের কৃষি ও খাদ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে কৃষিপণ্য, তাজা ফল ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের নিউজিল্যান্ডের বাজারে প্রবেশ সহজ করার বিষয়েও আলোচনা হযেছে। এ ক্ষেত্রে আমদানি স্বাস্থ্যমান (আইএইচএস), স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি (এসপিএস) ব্যবস্থা, পণ্যের মানের পারস্পরিক স্বীকৃতি এবং সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: মহাসচিবসহ দুই শীর্ষ নেতা বহিষ্কার, আমিনুল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান

বাংলাদেশে উন্নত খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পরীক্ষা, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ এবং ইলেকট্রনিক ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেশন (ই-ফাইটো) ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের কারিগরি সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনার প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও সুসংগঠিত করার বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

এ সময় বাংলাদেশ রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি)-এ যোগদানের ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের সমর্থন কামনা করে। পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে উত্তরণ-পরবর্তী ট্রানজিশন সময়সীমা আরও তিন বছর বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

দুই দেশের ব্যবসায়িক ফোরাম প্রতিষ্ঠা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন, যোগাযোগের জন্য নির্দিষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ এবং নিয়মিত তথ্য বিনিময়ের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজা সর্বোচ্চ বরাদ্দ ও নিরাপত্তার সঙ্গে উদযাপন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল আশা প্রকাশ করে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ পি.এম


তুরস্কে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইয়ালোভা প্রদেশে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান প্রশিক্ষণ চলাকালে বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে বিমানটির পাইলট নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতিতে জানায়, বিমানটি নিয়মিত প্রশিক্ষণ মিশনে অংশ নেয়ার সময় বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার আগে পাইলট নিরাপদে বিমান থেকে বের হয়ে আসেন।

বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিস্তারিত তদন্তের পর দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণ করা হবে।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম এনটিভি সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিওতে দুর্ঘটনাস্থল থেকে আগুনের গোলা ও ঘন কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক অ্যাম্বুলেন্স ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাঝ আকাশে তীব্র ঝাঁকুনি, এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ পি.এম


মাঝ আকাশে তীব্র ঝাঁকুনি, এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

দিল্লি থেকে থাইল্যান্ডের ফুকেট যাওয়া এবং ফেরার মাঝে ছিল মাত্র ২৪ ঘণ্টার বিরতি। এর মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট ক্রুদের সঙ্গে পার্টিতে অংশ নিয়েছিলেন।

গত ৪ তারিখে, মাঝ আকাশে বৈরী ঝাঁকুনিতে পড়া এয়ার ইন্ডিয়ার এই ফ্লাইটের পাইলটের বিরুদ্ধে পার্টি করার পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যাত্রী ও ফ্লাইটের ক্রু সদস্যদের কাছ থেকে।

এর আগে, অভিযুক্ত পাইলট দুবার ড্রাগ টেস্টে পজিটিভ হন। তার রক্তে মারিজুয়ানা ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাইলট দিল্লি থেকে ফুকেট যাওয়ার সময়ে একটি ওয়াশরুমে গিয়েছিলেন।

নিয়ম অনুযায়ী, তিনি তার জায়গায় একজন ক্রু মেম্বারকে ককপিটের জাম্প সিটে বসিয়ে রেখে যান। কিন্তু সেই নারী ক্রু ককপিটের কাজে অভ্যস্ত ছিলেন না। পাইলট ফিরে এসে তাকে তিরস্কার করেন। তবে ফুকেটে নামার পর সম্ভবত তিনি বুঝতে পারেন যে, বিষয়টি অতিরিক্ত হয়ে গেছে। তাই সমতা আনতে সবাইকে পার্টিতে নিয়ে যান।

তবে পার্টিতেও সেই ক্রু মেম্বারের মন গলেনি। ফেরার সময়, তিনি ইনচার্জের কাছে চেয়ে বিমানের পেছনের দিকে দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি ছিলেন বকার ভয়ে ককপিটের আশপাশে থাকতে চাননি।

ফ্লাইটের আগে, ভেতরে এবং নামার পরও পাইলটের আচরণ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। দিল্লিতে অবতরণের পর পাইলট সোজা হয়ে দাঁড়াতেও পারেননি। এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর একটি তদন্তকারী তাকে সতর্ক করে জানান যে, সিসিটিভি-র মাধ্যমে তার ওপর নজর রাখা হচ্ছে। এরপরও পাইলটকে বসানোর জন্য সাহায্য করতে হয়েছিল। এমনকি প্রস্রাবের নমুনা জমা দেওয়ার সময়ও পাইলটকে শারীরিকভাবে সাহায্য করতে হয়েছিল।

একটি সূত্র জানিয়েছে যে, অন্তত একজন কেবিন ক্রু পাইলটের বিরুদ্ধে মারিজুয়ানা সেবনের অভিযোগ এনে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

গত ৪ আগস্ট এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইট ১৩৭ জন যাত্রী ও ৮ জন ক্রু নিয়ে ফুকেট থেকে দিল্লি ফিরছিল। ওই সময় ওড়িশার আকাশসীমায় বিমানটি ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। ঘটনার সময় বিমানের প্রধান পাইলট তার আসনে ছিলেন না, এর দায়িত্বে ছিলেন কো-পাইলট।

বিমানটি তীব্র গতিতে নিচে নামার সময় ভেতরে ঋণাত্মক মাধ্যাকর্ষণ তৈরি হয়। ফলে ককপিটের জিনিসপত্র এবং সিটবেল্ট না বাঁধা যাত্রীরা শূন্যে ভেসে ওঠেন। এআই২৩৭৯ ফ্লাইটের সেই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ২০ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু আহত হয়েছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফ্লাইটের একজন যাত্রী পাইলটের সম্পর্কে বলেন, ‘আমার ভাই এবং আমি ফ্লাইটে ওঠার শেষ যাত্রী ছিলাম। পাইলটও আমাদের সঙ্গে ফ্লাইটে উঠেছিলেন। আমি তার সঙ্গে কথা বলেছিলাম এবং জিজ্ঞেস করেছিলাম ফ্লাইটটি সঠিক সময়ে আছে কি না। তিনি উত্তর দিতে অনেক সময় নিচ্ছিলেন এবং তার চোখ ছিল লাল। আমি আমার ভাইকে বললাম, তাকে নেশাগ্রস্ত মনে হচ্ছে। পরে যা ঘটেছিল, তা সবাই জানেন।’

যখন ফ্লাইটটি হঠাৎ উচ্চতা হারাচ্ছিল, সেই সময়গুলোর বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর দুই ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে। সকালের নাশতার পর সবাই বিশ্রামে ছিল। আমি ও আমার ভাই একসঙ্গে বসে ছিলাম। হঠাৎ একটা প্রচণ্ড শব্দ শুনলাম, যেন একটি ফাইটার জেটের মতো। অতঃপর, দেখলাম আমার ভাই তিন থেকে চারবার ছাদের সঙ্গে বাড়ি খেল। চারপাশে সব জিনিস উড়ে যাচ্ছে। যাত্রীরা রক্তাক্ত হচ্ছিল, চিৎকার করছিল, কান্নাকাটি করে সাহায্য চাইছিল এবং পাইলটকে থামাতে বলছিল।’

পাইলটের আচরণের ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এটা আমার জীবনের প্রথম কোনো পাইলটের বিষয় যেখানে ককপিট থেকে বের হয়ে গিয়ে যাত্রীদের নির্দেশ দিচ্ছেন যে ভিডিও রেকর্ড করা ঠিক হবে না। তার স্পষ্ট বক্তব্য ছিল- তিলকে তাল করবেন না। আমরা তখন জীবন-মরণের মাঝখানে ছিলাম; তার মাথায় এমন কিছু ভিডিও রেকর্ড করার বিষয় নিয়ে কত ভাবনা থাকবে? যাত্রীদের নিরাপত্তা কিংবা চিকিৎসা তার মাথায় ছিল না। তিনি শুধু দিল্লিতে ল্যান্ড করার বিষয়ে চিন্তা করেছিলেন, যাতে কোনো প্রশ্নের মুখোমুখি না হতে হয়।’

অবশ্য অভিযুক্ত পাইলট মাদক সেবনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তবে ঘুমের সমস্যায় ঔষধ সেবনের কথা জানিয়েছেন। এক ফ্লাইট সেফটি বিবৃতিতে পাইলট বলেছেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে আমি আগের কিছু সময় ধরে ঘুমের সমস্যায় ভুগছিলাম, যার জন্য ডাক্তার আমাকে ঔষধ দিয়েছিলেন।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ’আমি যাত্রাবিরতির সময় ঘুমানোর চেষ্টা করেছিলাম; কিন্তু সহজে ঘুম আসছিল না।’

তিনি জানান, ’ডিউটি রোস্টারটি আইনিভাবে নির্ধারিত বিশ্রামের সীমার মধ্যে থাকলেও, এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যা দিনের বেলার প্রাপ্য বিশ্রামের সময় কমিয়ে দিয়েছিল।’

ভারতের এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো এবং ফ্রান্সের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত সংস্থা মিলে এয়ারবাসের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনার তদন্ত করছে। তদন্ত চলাকালীন, পাইলট ও কো-পাইলটকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ইউসিবির সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ পি.এম


অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ইউসিবির সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

চট্টগ্রাম, ১২ আগস্ট, ২০২৬ : ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থপাচারের মামলায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বুধবার (১২ আগস্ট) চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. হাসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোসাইন আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলায় এম এ সবুর আদালতে সময়ের আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

এর আগে গত ১৭ মে হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চ এম এ সবুরকে আট সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ মহানগর বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। পরে গত ৯ জুলাই তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

দুদকের দাবি, হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করার সময় মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল হয়নি বলে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। তবে এর আগেই গত ৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মশিউর রহমান ৩৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে মামলায় অভিযোগ গঠন শেষে বিচারকাজ শুরু হয়।

দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন বলেন, অভিযোগপত্র দাখিলের তথ্য গোপন করে হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিনের আদেশ নেওয়া হয়েছিল। অভিযোগপত্র দাখিলের পর মামলায় অভিযোগও গঠন হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আরামিট গ্রুপের একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করে কর্মচারীদের মাধ্যমে তা উত্তোলন করা হয়।

পরে হুন্ডির মাধ্যমে ওই অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

মামলায় পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার স্ত্রী রুখমিলা জামান এবং ইউসিবির সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুরসহ মোট ৩৬ জন আসামি রয়েছেন। এ মামলায় মোট সাক্ষী ৯২ জন। এরই মধ্যে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


সিলেটে ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ১

সিলেট, ১২ আগস্ট ২০২৬ : নগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকায় সংঘটিত ট্রিপল মার্ডার মামলার রহস্য মাত্র সাত ঘণ্টায় উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বাবুল মিয়াকে (৪০) গ্রেফতার করা হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার দ্বিতলায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। বিকেল সাড়ে চারটায় রায়নগর আফতাব মিয়ার কলোনী থেকে তাকে আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার সরোয়ার মুর্শেদ শামীম।

তিনি জানান, বাসার কাজের মেয়ে তাহমিনার সঙ্গে বাবুল মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে মনোমালিন্য দেখা দিলে বুধবার সকালে মেয়েটির সঙ্গে কথা কাটাকাটি হলে সে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। এতে বাধা দেওয়ায় গৃহকর্ত্রী সুরাইয়াকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে। চিৎকার শোনে গৃহকর্তা এম আব্দুস সাত্তার এগিয়ে গেলে তাকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায় বাবুল। পরে পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।

আটক বাবুল মিয়ার বাড়ি চাঁদপুরে। সে ছোটবেলা থেকে সিলেট নগরে বসবাস করছে। পেশায় সে একজন কসাই।

আজ বুধবার সকালে রায়নগরের মিতালী ১১১ নম্বর বাসা থেকে তাহমিনাসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত অন্য দুইজন ওই বাসার বাসিন্দা এম আব্দুস সাত্তার ও তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম।

পুলিশ জানিয়েছে, তিনজনেরই গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

তাহমিনার বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতক দোয়ারাবাজার এলাকার বরইকান্দি গ্রামে। তার বাবা আপ্তাব মিয়া পেশায় একজন দিনমজুর, মা নাজমা বেগম একজন গৃহিনী ও দিনমজুর।

নিহত দম্পতি সিলেট চেম্বারের সদস্য এম আব্দুস সাত্তার, তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম। আব্দুস সাত্তারের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজারে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে রায়নগরের মিতালী ১১১, নিকুঞ্জ ভিলার দোতলায় নিজ বাসায় হত্যাকণ্ডের শিকার হন এম আব্দুস সাত্তার। হত্যাকাণ্ডের সময় এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। এ কারণে পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকলেও এবং বাসাটিতে নিজস্ব ক্যামেরা থাকা সত্ত্বেও কোনো ফুটেজ ধরা পড়েনি।

পুলিশ জানায়, আটক বাবুল মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আর কোনো মোটিভ ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%