এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
০৮:৩৫ পি.এম
রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০। সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে পরিচালিত এ অভিযানের বিষয়ে বিকেলে ফরিদপুরে র্যাব-১০-এর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানানো হয়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ফরিদপুর ক্যাম্পের সিপিসি-৩-এর একটি আভিযানিক দল রাজবাড়ী সদর থানার রামকান্তপুরের কৈডাঙ্গা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে আলম সরদার ও মো. বাহাদুর বিশ্বাসের বসতবাড়ি থেকে একটি ব্রিটিশ কাটাওয়ে রাইফেল, একটি একনলা বন্দুক এবং তিনটি দেশীয় ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আলম সরদার (৪০), মো. ইব্রাহিম শেখ (৪৪), মো. বাহাদুর বিশ্বাস (৫৮), মো. ফয়সাল চৌধুরী ওরফে ফরিদ (৩৭) এবং রাজু আহমেদ টোকন (৪৫)।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার ইব্রাহিম শেখের বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র মামলা রয়েছে। ফয়সাল চৌধুরীর বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র ও একটি চাঁদাবাজির মামলা এবং রাজু আহমেদ টোকনের বিরুদ্ধে অপহরণ, চাঁদাবাজি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও ডাকাতিসহ তিনটি মামলা রয়েছে।
র্যাব-১০ আরও জানায়, অবৈধ অস্ত্র, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে তাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ফরিদপুরের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আগামী অক্টোবর বা নভেম্বরের মধ্যে চালু হতে পারে, এমনটি জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
তিনি জানান, সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে এ কথা বলেছেন।
মন্ত্রী বলেছেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।’
তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়বে এবং মানুষের জীবনযাত্রা আরও সহজ হবে।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, ‘আগের সরকারের রেখে যাওয়া ৫৬ হাজার কোটি টাকার বকেয়া বিল পরিশোধে সরকারকে বড় অঙ্কের ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় এবং নেপালি নাগরিকদের জন্য নেপাল সরকার ২০০ ও ৫০০ রুপির ভারতীয় নোট দেশে আনতে অথবা দেশ থেকে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি প্রদান করেছে। এই নির্দেশনা গত বৃহস্পতিবার নেপাল রাষ্ট্র ব্যাংক (এনআরবি) কর্তৃক জারি করা হয়েছে।
এটি দীর্ঘ এক দশক ধরার নিষেধাজ্ঞার অবসান ঘটালো, যা ২০০ ও ৫০০ রুপি নোটের ওপর ছিল। ২০১৬ সালে ভারতে নোট বাতিলের পর থেকে নেপালে শুধুমাত্র ১০০ রুপির নোট ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এই তথ্য এনডিটিভি থেকে পাওয়া গেছে।
ভারতীয় ও নেপালি নাগরিকরা এখন তাদের বহনযোগ্য রাশির মধ্যে ২০০ এবং ৫০০ রুপির নোট সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত রাখতে পারবেন, যেগুলি ৯ নভেম্বর, ২০১৬ বা তার পরে ইস্যু করা হয়েছে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন গত ১১ ফেব্রুয়ারি তৈরী করা হয়েছিল, যা পরে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়েছিল। নতুন নির্দেশিকার মাধ্যমে পুনরায় নিয়মগুলোর স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং কার্যকর করার পদ্ধতি স্পষ্ট করা হয়েছে।
এই নতুন নিয়ম সম্পর্কে নেপাল রাষ্ট্র ব্যাংকের মুখপাত্র গুরু প্রসাদ পৌডেল জানান, নেপালী নাগরিকরা ভারত ছাড়া কোনো দেশের কাছ থেকে নেপালে ভারতীয় মুদ্রা আনতে পারবেন না। তেমনিভাবে, ভারত ছাড়া অন্য কোনো তৃতীয় দেশে নেপাল থেকে ভারতীয় মুদ্রা নিয়ে যাওয়াও নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত।
তিনি উল্লেখ করেছেন, এই নতুন ব্যবস্থা ভারতীয় পর্যটক এবং নেপালি ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই সহায়ক হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নেপाली নাগরিক এবং বিদেশি পর্যটকরা শুল্ক ঘোষণা ছাড়াই ৫ হাজার মার্কিন ডলার অথবা এর সমপরিমাণ অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রা নেপাল নিয়ে আসতে পারেন। তবে এই সীমার অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে আসলে তা কাস্টমসে ঘোষণা করতে হবে।
গুরু প্রসাদ পৌডেল জানিয়েছেন, ভারতীয় মুদ্রার ক্ষেত্রে যদি ১০০ রুপি বা তার কম মূল্যমানের নোট হয়, তাহলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার মার্কিন ডলারের সমমূল্যের অর্থ কাস্টমসকে ঘোষণা ছাড়াই আনা যাবে। কিন্তু এর বেশি হলে কাস্টমসে ঘোষণা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
ভারত ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর ৫০০ ও ১ হাজার রুপির নোট বাতিল করে, এরপর নতুন ডিজাইনের ৫০০ রুপির নোট এবং ২ হাজার রুপির নতুন নোট বাজারে আসে। তবে পরবর্তীকালে ২ হাজার রুপির নোটও প্রত্যাহার করা হয়েছে। ভারত সরকারের এই পদক্ষেপের পর নেপাল ১০০ রুপির বেশি মূল্যমানের ভারতীয় নোটের প্রবেশ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণে ২৫ হাজার রুপি অবস্থান অপরিবর্তিত থাকলেও শুধুমাত্র ১০০ রুপি বা তার কম মূল্যমানের নোট বহন করার অনুমোদন ছিল।
এখন নতুন বিধিমালার আওতায় ভারতীয় এবং নেপালি নাগরিকরা ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বরের পরে ইস্যু করা নতুন ডিজাইনের ২০০ ও ৫০০ রুপির নোট বহন করতে পারবেন। তবে আগের মতোই সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার রুপি থাকবে। অন্যদিকে ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বরের আগে ইস্যু করা ৫০০ ও ১ হাজার রুপির ভারতীয় নোট এখনও নেপালে নিষিদ্ধ রয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আশাবাদী যে ভারত ও নেপালের মধ্যে ভ্রমণ এবং সীমান্তবর্তী লেনদেন হয়েছে সহজ। উল্লেখ্য, ভারত ও নেপালের মধ্যে উন্মুক্ত সীমান্ত এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। ভারত হচ্ছে নেপালের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার এবং এখানে পর্যটকদের প্রধান উৎস। পাশাপাশি হাজার হাজার নেপালি নাগরিক ভারতে বসবাস, চাকরি, পড়াশোনা ও ব্যবসা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আজকের শিশুরা যদি আগামী দিনে নিজেদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারে, তবেই ভবিষ্যতে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
আজ বিকেলে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত কিশোর-কিশোরীদের বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৫-২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত শিশু-কিশোর ও খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা দেশকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার কাজ করছি। কিন্তু এই কাজটি আমরা তখনই সফলভাবে করতে পারব, যখন তোমরা আজকে যারা গ্যালারিতে বসে আছো এবং যারা খেলার মাঠে পুরস্কার পেয়েছ, তোমরা নিজেদেরকে আগামী দিনের উপযোগী করে গড়ে তুলবে। এখন পড়ার সময় মন দিয়ে পড়তে হবে, একইভাবে মন দিয়ে খেলতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ছোট্ট বন্ধুরা সঠিকভাবে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে। তোমাদের দিকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ তাকিয়ে আছে, বাংলাদেশ তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। তোমরা যদি নিজেদের গড়ে তুলতে পারো, আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব। এই কাজ আমরা হয়তো শুরু করেছি। কিন্তু বাংলাদেশ গড়ার কাজ তোমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় বিশ্বাস রেখেছেন, ‘আজ প্যান্ডেল ও গ্যালারিতে উপস্থিত হাজার হাজার শিশুদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের সফল ডাক্তার, প্রকৌশলী, স্থপতি, আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটার, সাঁতারু ও টেনিস খেলোয়াড় বেরিয়ে আসবে, যারা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই ছোট্ট বন্ধুরা তোমরা শক্তভাবে নিজেদের আত্মগঠনে মনোযোগ দাও।’
ছোট্ট শিশুদের কাছে সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোট্ট বন্ধুরা, তোমাদের সকলের কাছে আমি একটি সহযোগিতা চাই। এই দেশটা আমাদের সকলের দেশ। এই দেশের আলো, এই দেশের বাতাস, এই দেশের পরিবেশ আমরা সকলে মিলে যদি ঠিক রাখি, তাহলে আমরা একটি সুন্দর পরিবেশ গড়তে পারব। তোমরা নিশ্চয়ই দেখেছো রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তোমার বাসার আশেপাশে অনেকে বিভিন্ন রকম ময়লা, প্লাস্টিকের বোতল ফেলে যায়। কেউ এগুলো ফেলছে, সেটি পুকুর হোক, নদীনালা হোক, বাসার আশেপাশে এখন থেকে যদি এরকম কোনো দৃশ্য তোমাদের চোখে পড়ে, প্লিজ তোমরা তাকে বারণ করবে। দরকার হলে সেই ময়লাটি তোমরা তুলে নিয়ে গিয়ে যেইখানে ময়লা ফেলার জায়গা, নির্দিষ্ট সেই জায়গায় ময়লা ফেলতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আরেকটি কাজ তোমাদের করতে হবে, কেউ যদি পুকুর নদীনালায় ময়লা ফেলে, যদি তুমি পারো বন্ধুরা, তাহলে সেই ময়লাটিকে পরিষ্কার করবে। যাতে আমাদের পরিবেশটি আমাদের নদীর পানি, পুকুরের পানি যাতে পরিষ্কার থাকে, যাতে সেখানে মানুষ সুন্দরভাবে হাঁটাচলা করতে পারে বা সেখানে বসতে পারে।’
শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘প্রতিবছর চেষ্টা করবে, তোমার বাড়ির আশেপাশে হোক, তোমার স্কুলের আশেপাশে হোক অথবা যেখানে তুমি সুবিধা মনে করো সেইখানে একটি করে গাছ লাগাতে হবে। গাছ যদি আমরা লাগাতে পারি, আমাদের পরিবেশটা সুন্দর হবে, পরিষ্কার হবে। আমরা সকলে মিলে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারব।’
কিছু কিছু মানুষ আছে, যারা প্রকৃতির প্রতি বিভিন্ন পশুপাখির প্রতি অত্যন্ত নির্দয় হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমার সকল ছোট বন্ধুদের আমি অনুরোধ করব, আসো আমাদের আশেপাশে যত কুকুর, বিড়াল, হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগল যত রকম পশুপাখি আছে, আমরা চেষ্টা করব, এই যে প্রকৃতির, আল্লাহ দেওয়া বিভিন্ন জীব, পশুপাখি এদের যত্ন নেওয়ার। যত্ন যদি নিতে না পারি, অন্তত আমরা চেষ্টা করব, তাদের যাতে কোনো প্রকার ক্ষতি হতে না পারে।’
বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত সমস্যার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘সরকার শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। শিশুরা যে ক্ষেত্রে নিজেদের বিকশিত করতে চায়, তা পড়ালেখা, খেলাধুলা, গান বা ছবি আঁকা যাই হোক না কেন সরকার তাতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’
উপস্থিত সাংবাদিক এবং সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বশীলদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রায়শই নানামুখী রাজনৈতিক ও সামাজিক খবর লিড নিউজ হিসেবে প্রাধান্য পায়। তবে শিশুরা এবং তাদের এই আয়োজনই হচ্ছে বাংলাদেশের প্রকৃত ভবিষ্যৎ। তাই আগামীকালের পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদে শিশুদের এই উদ্যোগ ও তাদের সাফল্যকে যেন অগ্রাধিকার দিয়ে প্রচার বা 'লিড নিউজ' করা হয়, এটা আপনাদের প্রতি আমার বিশেষ আহ্বান থাকলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) রাকসু ভবনে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাকসু ও শিবিরের দাবির মুখে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পাশাপাশি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের লক্ষ্যে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় উপাচার্যের সঙ্গে রাকসু, হল সংসদ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের বৈঠক শেষে এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বৈঠক শেষে রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ জানিয়েছেন, ভিসি স্যার এক ঘণ্টার সময় চেয়েছিলেন। সেই সময়ের মধ্যেই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এজন্য আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই। পুলিশ নিজ উদ্যোগে অভিযুক্ত দুজনকে মামলায় গ্রেপ্তার করেছে। তবে আমরা চাই, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে বিচারের আওতায় আনা হোক।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান এ সময় বলেন, শিক্ষার্থীদের অন্যতম দাবি ছিল ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। সে অনুযায়ী আনাস ও হাসান নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আরেকটি দাবি ছিল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে তদন্ত কমিটি গঠন। ভিসি স্যার খুব দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা দিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমরা খুব দ্রুত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এর আগে রাকসু ভবনে হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছিলেন রাকসু ও হল সংসদের নেতারা। পরে উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রশাসনের সিদ্ধান্তে কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ