ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুনামগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক


সুনামগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক

জেলায় এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান।

আজ শনিবার, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় তার সাথে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), মো. মতিউর রহমান খান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), সুনজিত কুমার চন্দ।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

সদর উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা কেন্দ্র সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ পরিদর্শন করে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠান নিশ্চিত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, সুনামগঞ্জ জেলায় মোট ১৫,৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ১৩,৬৮৮ জন সাধারণ এইচএসসিতে, ৯৫৩ জন আলিমে এবং ৭০০ জন ভোকেশনালে শিক্ষার্থী রয়েছে। মোট ৩১টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় পুড়ছে সিলেট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় পুড়ছে সিলেট

টানা কয়েকদিন ধরে খরতাপে বিধ্বস্ত সিলেটের জনজীবন। এবার সিলেটে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) সিলেটের তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ২ সেলসিয়াস। যা চলতি মৌসুমে সিলেটের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেট কার্যালয়ের আবহাওয়াবিদ রুদ্র তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘সিলেটে আজ (শনিবার) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

যা চলতি বছরের মানে ২০২৬ সালের আজকে পর্যন্ত সর্বোচ্চ।’

এদিকে তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা সিলেট অঞ্চলজুড়ে। সকাল থেকেই রোদ চড়া হতে থাকে। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা অসহনীয় হয়ে উঠে।

তীব্র গরম থেকে বাঁচতে অনেকে প্রয়োজন ছাড়া বের হননি। এতে করে নগর জীবনে কিছুটা স্থবিরতা নেমে এসেছে। নগরের সড়কগুলোতে যানবাহন সাধারণ দিনের তুলনায় কম দেখা গেছে।

খরতাপে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের ও খেতে খাওয়া মানুষ।

নগরের চৌহাট্টায় এলাকায় আলিয়া মাদরাসার বড় গাছের ছায়ায় নিচে রিকশা নিয়ে বসে ছিলেন রিকশাচালক হাবিব মিয়া।

ক্লান্ত যাত্রীরা একেকজন একেক গন্তব্যে যাবেন কিনা তাকে জিজ্ঞেস করছেন কিছুক্ষণ পরপর। তিনি সাফ না বলে দিচ্ছিলেন।

ঘামে নেয়ে যাওয়া হাবিব মিয়া বললেন, ‘যে গরম। অনেক কষ্ট হয় পেডেল রিকশা চালাইতে। রইদ একটু কমউক (কমুক)। তখন রিকশা চালানির কথা চিন্তা করমু। জীবন আগে বাঁচাই। পরে খাওনের চিন্তা।’

দিনমজুর রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই রোদে কাজ করতে গিয়ে মাথা ঝিমঝিম, শরীর খুব দুর্বল লাগে। কিন্তু পরিবারের কথা চিন্তা করে থামার সুযোগ নেই।’

সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, ‘উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নিলেই তাপমাত্রা নিম্নমুখী হতে পারে। পাশাপাশি সিলেটের বিভিন্ন স্থানে হঠাৎ দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেসরকারি খাতের বিকাশ : কিউবার অর্থনীতিতে বদলের নতুন অধ্যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


বেসরকারি খাতের বিকাশ : কিউবার অর্থনীতিতে বদলের নতুন অধ্যায়

মুদি দোকান, রেস্তোরাঁ, জ্বালানি থেকে শুরু করে গাড়ির যন্ত্রাংশ, কিউবার দ্রুত বিকাশমান বেসরকারি খাত এখন ধীরে ধীরে সেই শূন্যস্থান পূরণ করছে, যা দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত কমিউনিস্ট অর্থনীতি আর ধরে রাখতে পারছে না।

এক সময় কিউবানরা রাষ্ট্রীয় ‘বোদেগা’ (রেশন দোকান) থেকে রেশন কার্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্য কিনতেন। কিন্তু সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট এবং যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর জ্বালানি অবরোধের ফলে সেই ব্যবস্থা এখন দ্রুত বিলুপ্তির পথে। হাভানা থেকে এএফপি এ কথা জানায়।

হাভানার ভেদাদো এলাকার একটি রাষ্ট্রীয় মুদি দোকানের বারান্দায় বসে অবসরপ্রাপ্ত নিরাপত্তারক্ষী হোয়াকিন ভেলাসকেস পাশের ব্যক্তিমালিকানাধীন ক্ষুদ্র সুপারশপে মানুষের ভিড় দেখছিলেন।

পাশাপাশি থাকা দুটি দোকান যেন দুই ভিন্ন কিউবার প্রতিচ্ছবি। একদিকে দ্রুত হারিয়ে যাওয়া সেই কিউবা, যেখানে রাষ্ট্রই নাগরিকের সব প্রয়োজন মেটাত। অন্যদিকে নতুন কিউবা, যেখানে মানুষকে ক্রমেই নিজের প্রয়োজন নিজেকেই মেটাতে হচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় দোকানের তাক প্রায় খালি। কারণ, সরকার আর প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা জোগাড় করতে পারছে না, যার মাধ্যমে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করে বহু দশক ধরে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি করা হতো।

অন্যদিকে পাশের ‘মিপাইমে’, যা কিউবায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত নাম এবং সাধারণভাবে সব ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যবসাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সেখানে চাল, রাম, কেচাপসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা পণ্যের প্রাচুর্য দেখা যায়।

জুনে গৃহীত মুক্তবাজারভিত্তিক সংস্কারের ফলে এ ধরনের পণ্যের সরবরাহ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এর মূল্যও চড়া। এক লিটার ভোজ্যতেলের দাম তিন মার্কিন ডলার, যা রাষ্ট্রীয় বেতনে চলা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

শুধু ওই এক লিটার তেলের দামই ভেলাসকেসের মাসিক পেনশনের প্রায় অর্ধেকের সমান।

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, ‘মিপাইমে’ বলে কিছুই নেই।’

দুই কিউবার গল্প

হাভানাজুড়ে ব্যক্তিখাতের ব্যবসা দ্রুত নগরচিত্র বদলে দিচ্ছে। একের পর এক নতুন দোকানে ঠান্ডা বিয়ার, গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি, গাড়ির যন্ত্রাংশসহ নানা পণ্য বিক্রি হচ্ছে।

কিউবায় এখনো বাণিজ্যিক স্থাপনা ব্যবহারের পূর্ণ অনুমতি নেই। তবে সাম্প্রতিক সংস্কারের মাধ্যমে এ সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে অনেক ব্যবসা এখন বাড়ি, গ্যারেজ কিংবা রাষ্ট্রীয় দোকানের ভাড়া নেওয়া জায়গা থেকেই পরিচালিত হচ্ছে।

সোভিয়েত ধাঁচের যে রাষ্ট্রে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে শিল্প, কৃষি, রেস্তোরাঁসহ প্রায় সব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং যেখানে বিজ্ঞাপন প্রায় ছিলই না, সেখানে এটি এক আমূল পরিবর্তন।

বাজার অর্থনীতির পথে প্রথম বড় পদক্ষেপ আসে ২০২১ সালে, যখন সর্বোচ্চ ১০০ জন কর্মী নিয়ে ক্ষুদ্র ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বা ‘মিপাইমে’ পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়।

পাঁচ বছর পর সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশটির মোট খুচরা বিক্রির অর্ধেকেরও বেশি এখন এসব প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে। একই সঙ্গে আবাসন উন্নয়ন, ব্যাংকিং, কৃষিসহ নতুন নতুন খাতে বিনিয়োগের সুযোগও খুঁজছে তারা।

তবে ‘মিপাইমেরো’, অর্থাৎ উদ্যোক্তাদের উত্থান, একসময় তুলনামূলক শ্রেণিবৈষম্যহীন কিউবায় নতুন বৈষম্যেরও জন্ম দিয়েছে।

নতুন ধনীরা হাভানার বিখ্যাত সমুদ্রতীরবর্তী মালেকোন বুলেভার্ডে ভগ্নপ্রায় নব্য-ধ্রুপদি ভবনের পাশ দিয়ে এসইউভি গাড়িতে চলাফেরা করছেন।

অন্যদিকে বিদেশে আত্মীয়স্বজন না থাকায় যারা ডলার পান না কিংবা অনলাইনে খাবার আনানোর সুযোগ নেই, তাদের জীবন ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। তাদেরই একজন ৬২ বছর বয়সী রসায়নবিদ মারিৎসা গোমেস।

তিনি বলেন, ‘কোনো না কোনো সময়ে সাধারণ কিউবানদের জন্য আরও কার্যকর সমাধান বের করতেই হবে।’

‘টিকে থাকাই এখন লক্ষ্য’

যুক্তরাষ্ট্র জানুয়ারিতে কিউবার ওপর জ্বালানি অবরোধ আরোপ করার পাশাপাশি দীর্ঘ ছয় দশকের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে আরও নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্ত করেছে। একই সময়ে ওয়াশিংটন প্রকাশ্যে কিউবার ব্যক্তিখাতকে সমর্থনের কথাও বলছে।

গত পাঁচ বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিউবার ব্যক্তিখাতের আমদানি পাঁচ গুণ বেড়েছে।

তবে দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাট, কখনো টানা ৩০ ঘণ্টা পর্যন্ত, এবং প্রতি লিটার জ্বালানির দাম আট ডলার পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ায় ব্যবসাগুলোও চাপে পড়েছে।

পশ্চিম হাভানার কয়েকটি ব্যক্তিমালিকানাধীন মুদি দোকান ও ফাস্টফুড আউটলেটের ব্যবস্থাপক ৪১ বছর বয়সী হুয়ান কার্লোস ব্লেইন বলেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠান এখন কেবল টিকে থাকার চেষ্টা করছে।

বড় প্রতিষ্ঠান গঠনের সুযোগ তৈরি হলেও তিনি বলেন, ‘আমরা সম্প্রসারণের কথা ভাবছি না, শুধু টিকে থাকার কথাই ভাবছি।’

হাভানার ৩২ বছর বয়সী স্ক্রিন প্রিন্টিং ব্যবসায়ী কামিলা আরিয়েতা বলেন, একসময় তার প্রতিষ্ঠান প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার টি-শার্ট ও অন্যান্য পণ্য তৈরি করত। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, ব্যবসা করতে গিয়ে নানা বাধার সঙ্গে লড়াই করতে করতে তিনি অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। তবু এখন ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার কথাও ভাবছেন।

হাভানা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ কার্লোস এনরিকে গনসালেস মনে করেন, জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকারকে দ্রুত ঘোষিত সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘মানুষ যদি দেখে যে ঘোষিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে এবং ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, তাহলে তারা আবার আস্থা ফিরে পাবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিশোধের প্রশ্নে মা-ভাই একই উত্তর দিতেন : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


প্রতিশোধের প্রশ্নে মা-ভাই একই উত্তর দিতেন : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত প্রতিশোধের পরিবর্তে জাতীয় ঐক্যই এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। তিনি বলেন, তার ধারণা মতে, যদি তার মা ও ভাই জীবিত থাকতেন, তবে তারা সবাইকে একত্রিত করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিতেন, প্রতিশোধের পরিবর্তে।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা জানান।

তিনি আরও বলেন, জুলাই শহীদদের হত্যার বিচার এই দেশের মাটিতেই করা উচিত এবং বলেন, ‘কিন্তু বিচারের নামে কারোর প্রতি যেন অবিচার না হয়। এ বিষয়টি আমাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। কিছুটা বিলম্ব হলেও যেন অন্যায়কারীকে সঠিক বিচার দেওয়া হয়। আমরা সেই চেষ্টাই করবো।’

প্রধানমন্ত্রী কথায় বলেন, ‘এই আয়োজন চলাকালে আমি বারবার ভাবছিলাম, যদি এই মুহূর্তে আমি আমার মাকে প্রশ্ন করতে পারি যে, আপনার ওপর যে অবিচার ও অন্যায় হয়েছে, আপনি কি চান আমি এগুলোর প্রতিশোধ নিই? আমি বিশ্বাস করতে পারি, মা বলতেন, এই মুহূর্তে তোমার কাজ হলো সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে এগিয়ে নেওয়া। আমার ভাইকে জিজ্ঞেস করলে সেও একই উত্তর দেবে।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে জুলাই স্মৃতিস্মারক উপহার দেন। এ সময় শহীদ মিরাজের বাবা রব মিয়া, শহীদ সেলিমের ভাই উজ্জ্বল হোসেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আহত আল মিরাজ এবং জুলাই যোদ্ধা আমিনুল ইসলাম ঈমন প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে স্মারক গ্রহণ করেন। পরে উপস্থিত অন্যান্য পরিবারের কাছে স্মারক পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকেও প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি স্মৃতিস্মারক তুলে দেওয়া হয়।

সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির। এ সম্মেলনে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।

এ সম্মেলনে সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: এমপি লুনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


দেশের সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: এমপি লুনা

সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোন বিকৌশল নেই। একসময় বর্ষা মৌসুমে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়ে থাকলেও বর্তমানে পরিবেশগত কারণে সেই স্বাভাবিকতা অনেকটাই আগের মতো নেই। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। সরকারের লক্ষ্য উন্নয়নের পাশাপাশি একটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ তৈরি করা।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পর্যায়ে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি লুনা আরো বলেন, ‘এবারের বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডগুলো ধাপে ধাপে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে, যাতে সুবিধাভোগীরা সহজেই সরকারি সেবা লাভ করতে পারেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ বিন কাশেম সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী মো, গৌছ আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মো. মাহবুবুর রহমান, কৃষি কর্মকর্তা মো. বিল্লাল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লিলু মিয়া, বিশ্বনাথ পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী মো. আবদুল হাই, সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, বৃক্ষপ্রেমিক আবদুল গাফফার উমরা মিয়া, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান এবং স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%