ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে : চিফ হুইপ


রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে : চিফ হুইপ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে, এই কথা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি।

আজ সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদীয় প্রতিনিধিদের সাথে নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

চিফ হুইপ আরো বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিল ও বাছাই শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য শেষ সময় ১৮ আগস্ট রাত নির্ধারিত। সরকারি দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী এখনও চূড়ান্ত হয়নি; প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী মনোনয়ন দেবেন এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।

আরও পড়ুন: জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাশেদ খান

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্যে আজকের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ সদস্যরা তাঁদের আসন ও বিভক্তি নম্বর অনুযায়ী ভোট দেবেন।

নূরুল ইসলাম মণি বলেন, রাষ্ট্রপতি, সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও স্পিকারের ভোট প্রদানের দৃশ্য গণমাধ্যমকে সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট গণনা ও ফলাফল প্রস্তুতির কার্যক্রমও ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে।

তিনি আরও জানান, সংসদে মোট ৩৪৯ জন ভোটার রয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের আগেই যদি ভোটগ্রহণ শেষ হয় তবে গণনা শেষে দ্রুত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। কিন্তু কোনো ভোট বাকি থাকলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে এবং তারপর ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

চিফ হুইপ জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বাচনী কার্যক্রমে তাঁদের দায়িত্ব পালন করবেন এবং সংসদ সচিবালয় তাঁদের প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে।

আরও পড়ুন: বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিনে তিস্তাপাড়ের ১০০ নারীর জীবনযাত্রার পরিবর্তন

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, 'সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ যেহেতু সংশোধন হয়নি, তাই এটি কার্যকর থাকবে।'

নিজ দলের পছন্দের প্রার্থীর বাইরে কোনো সংসদ সদস্য ভোট দিতে পারবেন কী না—এ সম্পর্কে তিনি জানান, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হবে।

এদিকে, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রায় ৩৫ বছর ধরে দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়নি। গণতন্ত্রের স্বার্থে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রয়োজন বলেই বিরোধী দল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

তিনি জানান, বিরোধী দল নির্বাচনী প্রক্রিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হতে দিতে চায়নি। সেহেতু প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

পরে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি বলেন, জুলাই সনদে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে চারটি ক্ষেত্রে ঐকমত্য রয়েছে; এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও অন্তর্ভুক্ত। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও গণতান্ত্রিক যাত্রা অব্যাহত রাখা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। যাতে দেশের মানুষ ভবিষ্যতে নির্বাচনমুখী হয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে, সে লক্ষ্যেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়ে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, এ ধরনের পরিষদ গঠনের প্রয়োজন নেই। বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশের মতো বাংলাদেশেও সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।

আরও পড়ুন: তানজিন তিশার মামলার অধিকতর তদন্তের নির্দেশ সিআইডিকে

ভারতের সংবিধানের উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, ১৯৫০ সালে ভারতের সংবিধান গ্রহণ করার পর ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১০৬ বার সংশোধন করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রতিবারই সংশোধনের মাধ্যমে পরিবর্তন আনা হয়েছে; নতুন করে সংবিধান রচনা করা বা সংবিধান সংশোধন পরিষদ গঠন করা হয়নি।

তিনি বলেন, জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি দাঁড়ি, কমা ও সেমিকোলন যেভাবে আছে, সেভাবেই আমরা বাস্তবায়ন করবো। সবাই মিলে যে সনদে স্বাক্ষর করেছি, সেটিই বাস্তবায়ন করা আমাদের কমিটমেন্ট।

চিফ হুইপ জানান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী সংসদ অধিবেশনে একটি নতুন বিল আনা হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম সরকার করবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন চারটি পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ১৫ কোটি ডলারের সহায়তা ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ১৫ কোটি ডলারের সহায়তা ঘোষণা

শক্তিশালী ভূমিকম্পের কারণে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ায় এক শতাধিক মানুষের মৃত্যুর পর যুক্তরাষ্ট্র সোমবার ১ কোটি ৫৫ লাখ ডলারের জরুরি সহায়তা প্যাকেজের ঘোষণা দিয়েছে।

ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এর মাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক্সে দেওয়া এক পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আমরা কলম্বিয়ার জনগণের সঙ্গে প্রার্থনায় একাত্ম এবং প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এস্প্রিয়েলাকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত।’

ওয়াশিংটনের সমর্থনপুষ্ট এই নেতার কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের তিন দিন পরই যুক্তরাষ্ট্র এই সহায়তার ঘোষণা করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলে বিপর্যয়, পাসের হার নিয়ে হতাশ অভিভাবকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ পি.এম


কাউখালীতে দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলে বিপর্যয়, পাসের হার নিয়ে হতাশ অভিভাবকরা

পিরোজপুরের কাউখালীতে ২০২৬ সালের দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসা ও ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিবর্তে শিক্ষকদের একটি অংশ ব্যক্তিগত কোচিংয়ের দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় শিক্ষার মান কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।
এ বছর উপজেলার ১২টি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় ২৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করেছে মাত্র ১৩০ জন। পাশের হার ৪৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উপজেলার বেতকা মাহমুদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করেছে মাত্র ৬ জন। সপ্তগ্রাম দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১২ জনের মধ্যে পাস করেছে ২ জন। পঞ্চগ্রাম দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে মাত্র ৩ জন। ওই মাদ্রাসায় পাশের হার মাত্র ১৪ শতাংশ।
এ ছাড়া শাপলেজা জয়তুনিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪ জন। বিজয়নগর আলিম মাদ্রাসা থেকে ১০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৬ জন। কাউখালী কেন্দ্রীয় ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে মাত্র ৮ জন।
অন্যদিকে, উপজেলার এসএসসি পরীক্ষায় ৬১০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৪৩৯ জন। ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১৪৫ জন অংশগ্রহণ করে পাস করেছে মাত্র ৭২ জন।
সার্বিক ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, মাদ্রাসা ও ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফলাফল বিপর্যয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কিছু শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদানের চেয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত কোচিং সেন্টারের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পাঠদান না হওয়ায় তারা কোচিংনির্ভর হয়ে পড়ছে। এতে কোচিংয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের একটি অংশ কোনোভাবে পাস করলেও অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল করতে পারছে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অভিভাবক বলেন, “শিক্ষকদের মূল দায়িত্ব শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের ভালোভাবে পড়ানো। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষে পড়ানোর চেয়ে কোচিংয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে অভিভাবকদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরাও প্রকৃত শিক্ষার পরিবর্তে কোচিংনির্ভর হয়ে পড়ছে। ফলাফলের এই চিত্র তারই প্রতিফলন।
এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান বলেন, “ফলাফল বিশ্লেষণ করে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। শিক্ষার্থীদের কোথায় দুর্বলতা রয়েছে এবং শিক্ষকদের পাঠদানের ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও কাউন্সেলিং করা হবে।
তিনি আরও বলেন, “শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করার বিষয়ে শিক্ষকদের নির্দেশনা দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল উন্নত করতে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল ভালো না হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানকে আলাদাভাবে কাউন্সেলিং করা হবে। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের গুরুত্ব বাড়াতে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সম্পৃক্ত করতে হবে। এজন্য বিভিন্ন সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষা কার্যক্রমে নজরদারি আরও বাড়ানো হবে, যাতে আগামীতে ফলাফলের উন্নতি ঘটে।
অভিভাবকদের প্রত্যাশা, শুধু পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর নয়, সারা বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষকদের উপস্থিতি, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মান এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মূল্যায়নের বিষয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তর কার্যকর নজরদারি করবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কোচিংনির্ভরতা কমিয়ে শ্রেণিকক্ষেই শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পাঠদান নিশ্চিত করা হলে আগামীতে কাউখালীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যান্ত্রিক ত্রুটিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর হেলিকপ্টারের জরুরি অবতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


যান্ত্রিক ত্রুটিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর হেলিকপ্টারের জরুরি অবতরণ

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে বহনকারী হেলিকপ্টার জরুরি অবতরণ করেছে। মঙ্গলবার কলকাতা থেকে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চের মাঠে হেলিকপ্টারটি জরুরি অবতরণ করে।

হেলিকপ্টারটি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি হেলিপ্যাডে অবতরণের কথা ছিল। কিন্তু সেখানে নামার আগেই যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে, তাই ঝুঁকি না নিয়ে কোলাঘাটে হেলিকপ্টারটি নিরাপদে নামানো হয়। পরে সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রী গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

মঙ্গলবার শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর মৃত্যুদিন। তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে কেশপুরের মোহবনিতে ক্ষুদিরামের জন্মভিটে ও বাড়িতে যাওয়ার কর্মসূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেই কর্মসূচিতে অংশ নিতে কলকাতা থেকে হেলিকপ্টার নিয়ে রওনা হয়েছিল তিনি।

তবে আচমকা কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার জরুরি অবতরণ করায় প্রশাসনিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়। ঘটনাটি ঘিরে রাজ্যবাসীর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণিত শিক্ষকহীন বিদ্যালয়ে একমাত্র পরীক্ষার্থীও ফেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


গণিত শিক্ষকহীন বিদ্যালয়ে একমাত্র পরীক্ষার্থীও ফেল

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীন খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাশ করেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাতটি প্রতিষ্ঠানই যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় অবস্থিত।

এ উপজেলার শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দুটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এবং পাঁচটি দাখিল মাদ্রাসা রয়েছে। গতকাল সোমবার প্রকাশিত ফলাফল থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি বালিকা বিদ্যালয়, চান্দুয়া-সমসকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, নেংগুড়াহাট মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, পাড়দিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, শ্যামকুড় যমযমিয়া দাখিল মাদ্রাসা, নেহালপুর দাখিল মাদ্রাসা এবং ইত্যা স্লুইসগেট দাখিল মাদ্রাসা।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি বালিকা বিদ্যালয় থেকে একজন ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল এবং সেই শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। সাতটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিল নেংগুড়াহাট মহিলা দাখিল মাদ্রাসায়, যেখানে ১৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল এবং তাঁদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।

এছাড়া চান্দুয়া-সমসকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৩জন, পাড়দিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ও ইত্যা স্লুইস গেট দাখিল মাদ্রাসা থেকে চারজন করে এবং শ্যামকুড় যমযমিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও নেহালপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ছয়জন করে পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।

হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান জানিয়েছেন যে, তাদের স্কুল থেকে এবার নিয়মিত কোনো এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল না। তিনি বলেন, নবম শ্রেণিতে একজন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছিল, কিন্তু গত বছর সে পরীক্ষা দেয়নি। এবার পরীক্ষা দিয়ে গণিতে ফেল করেছে।

তিনি আরো বলেন, এর আগে যিনি প্রধান শিক্ষক ছিলেন তিনি গণিত পড়াতেন। তিনি চলে যাওয়ার পর গত ৮/৯ মাস ধরে স্কুলে গণিতের শিক্ষকের অভাব থাকছে।

চান্দুয়া-সমসকাটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুজিত বালা বলেন, বছরের বেশিরভাগ সময় স্কুলের মাঠ এমনকি শ্রেণিকক্ষে পানি জমে থাকে। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে আসতে চায় না। স্কুলটিতে ১৪ জন শিক্ষক এবং ছয়জন কর্মচারী রয়েছেন। এবার এ স্কুল থেকে তিনজন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।

মণিরামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুজাফফার হোসেন বলেন, সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইত্যা, পাড়দিয়া এবং নেহালপুর মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত নয়। বাকি চারটি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%