০৯:৫৬ এম
জ্বালানি নিরাপত্তা সহযোগিতা ও বড় অঙ্কের বিনিয়োগের বিনিময়ে কুয়েতের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে পাকিস্তান।
এই চুক্তির আওতায়, কুয়েতকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিপরীতে পাকিস্তান তাদের কাছ থেকে জ্বালানি তেল এবং বড় অঙ্কের অর্থনৈতিক বিনিয়োগ চাইছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এই তথ্য দিয়েছে। তবে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে এটি কিছুটা জটিল হয়ে উঠতে পারে।
আরও পড়ুন: মুম্বাইয়ে বাংলাদেশি স্ত্রী সোনিয়া খাতুনকে হত্যা: স্বামী রঞ্জিত গ্রেপ্তার
২০২৩ সাল থেকে পাকিস্তান ও কুয়েতের মধ্যে ছোট পরিসরে একটি সামরিক চুক্তি রয়েছে, যার আওতায় দুই দেশ মিলে যৌথ মহড়া ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। কিন্তু এখন কুয়েত পাকিস্তানের সঙ্গে সউদি আরবের মতো একটি বড় চুক্তি করতে চাচ্ছে।
কুয়েতের চাহিদা হলো—পাকিস্তানি সৈন্য, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কুয়েতে মোতায়েন করা হোক। যদিও পাকিস্তান বর্তমানে কুয়েতে সৈন্য পাঠাতে রাজি নয় বলে একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
পাকিস্তান এই চুক্তিকে তাদের দেশের অর্থনৈতিক সংকট দূর করার একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে। চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান কুয়েতের কাছ থেকে জ্বালানি তেলের নিশ্চয়তা চাইছে, যাতে দেশে তেলের মজুদ বাড়ানো যায়।
কুয়েতও পাকিস্তানে তেল সংরক্ষণের একটি বড় ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে ভাবছে। পাকিস্তান মনে করছে, কুয়েতের কাছ থেকে এই সুবিধাসমূহ পাওয়া গেলে চুক্তিটি তাদের জন্য লাভজনক হবে।
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অব্যাহতি
নিরাপত্তার বিষয়ে আমেরিকার ওপর উপসাগরীয় দেশগুলোর ভরসা দিন দিন কমছে। তাই তারা বিকল্প হিসেবে পাকিস্তানের বিশাল সামরিক বাহিনীকে বেছে নিতে চাইছে। কুয়েত ছাড়াও বাহরাইন পাকিস্তানের সঙ্গে এমন চুক্তি করতে আগ্রহী এবং জর্দান অস্ত্র ও প্রশিক্ষণের বিষয়ে আলোচনা করছে।
এমনকি তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব মিলে আরেকটি নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তির খসড়াও তৈরি করছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, অন্য দেশের জন্য পাকিস্তানের এই অতিরিক্ত সামরিক দায়িত্ব নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন