ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যশোর শহরের নিম্নাঞ্চল ভারী বৃ'ষ্টিতে তলিয়ে গেছে


যশোর শহরের নিম্নাঞ্চল ভারী বৃ

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে পুরো দেশে যেভাবে হচ্ছে সেভাবেই যশোরেও দফায় দফায় ভারী ও হালকা বর্ষণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। ২০ ঘণ্টায় ১৯০ মিলিমিটারের রেকর্ড বৃষ্টির ফলে শহরের নিচু এলাকাগুলোতে হাঁটু সমান পানি জমে গেছে। এর ফলে রাস্তা-ঘাটও তলিয়ে গেছে। জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় নাগরিকদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

যশোর বিমানবন্দরস্থ আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে আজ বেলা ২টা পর্যন্ত মোট ২০ ঘণ্টায় যশোরে ১৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টায় ১১০ মিলিমিটার এবং আজ সকাল ৬টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টির পরিমাণ ছিল। ছুটির দিনে এই মুষলধারে বৃষ্টির কারণে রাস্তাঘাটে লোকসমাগম কমে গেছে এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্ম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

শহরের খড়কি, বেজপাড়া, চাঁচড়া, শংকরপুর, আরবপুর, পালবাড়ি ও বকচর এলাকাগুলোতে বৃষ্টি নামলেই রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। ঘণ্টা ঘণ্টা ধরে পানি জমে থাকার ফলে স্কুলগামী শিশু, অফিসগামী মানুষ ও ছোট ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

খড়কি এলাকার বাসিন্দা আমিনুর রহমান ও রাশিদুল ইসলাম জানালেন, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। যদিও ড্রেন রয়েছে, কিন্তু পানি ঠিকভাবে নামছে না।

শংকরপুর এলাকার তাহমিনা খাতুন বললেন, ঘরের সামনে হাঁটুপানি জমে গেছে। বাইরে বের হওয়া খুবই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে বাইরে যাওয়া খুব কষ্টের।

পৌরসভার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, যশোর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ড্রেনের দৈর্ঘ্য ২৫১.৯৬ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৪৯.২২ কিলোমিটার আরসিসি ড্রেন, ৬৯.২৫ কিলোমিটার ইটের গাঁথুনির ড্রেন, পাঁচ কিলোমিটার পাইপ ড্রেন এবং ১২৮.৪৯ কিলোমিটার কাঁচা ড্রেন রয়েছে। অর্থাৎ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার অর্ধেকের বেশি অংশ কাঁচা অবস্থায় রয়েছে, যা বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশনে বাধার সৃষ্টি করছে।

এছাড়া, পৌরসভার তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে শুধু ড্রেন পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা বরাদ্দ রেখা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় সাত কিলোমিটার নতুন আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করতে ২০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা খরচ হবে।

আরও পড়ুন: শিবচরে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

জলাবদ্ধতার বিষয়ে পৌরসভার প্রকৌশলী (পানি ও পয় নিস্কাশন) এস এম কামাল হোসেন বললেন, বর্ষা মৌসুমের আগেই শহরের অধিকাংশ ড্রেন পরিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু জনগণের অসচেতনতার কারণে এসব ড্রেন আবার প্লাস্টিক, পলিথিন ও বর্জ্যে ভরে গেছে। তাছাড়া অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণেও পানি জমে যাচ্ছে এবং পানি নিষ্কাশনে সময় লাগছে। আশা করা যাচ্ছে নতুন করে বৃষ্টিপাত না হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শহরের রাস্তাঘাটের পানি নেমে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ ও প্রধান চালিকাশক্তি: রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ ও প্রধান চালিকাশক্তি: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ এবং প্রধান চালিকাশক্তি। নতুন প্রজন্মের চাওয়া রাষ্ট্রের কাছে হচ্ছে যে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে এবং নিশ্চিত হবে সকলের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক ভাগ্যোন্নয়নের সুযোগ।

রাষ্ট্রপতি আজ এক বাণীতে এসব কথা বলেছেন, যা আগামীকাল বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে, জেনে আমি আনন্দিত।

রাষ্ট্রপতি যোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্বের একটি অন্যতম জনবহুল দেশ, যার এক-তৃতীয়াংশ তরুণ প্রজন্ম। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হলে নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে। পাশাপাশি নিশ্চিত হবে সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ সময়োপযোগী এবং যথার্থ বলে আমি মনে করি।

বর্তমান সরকারের তরুণদের সুশিক্ষিত, দক্ষ এবং নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী করতে বহু পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, যুবসমাজের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের বিকাশ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে দক্ষ করে গড়ে তুলতে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক অবক্ষয় যেমন মাদক, বাল্যবিবাহ ও সহিংসতা রোধে সচেতনতা তৈরি এবং আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিশ্বাস করি, এসব উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের বিকাশ এবং জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে। দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, নাগরিক সুস্বাস্থ্য এবং পরিকল্পিত পরিবার একটি সুস্থ এবং কর্মক্ষম জাতির জন্য অপরিহার্য। এই প্রেক্ষাপটে সরকার দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নেও ব্যাপকভিত্তিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে প্রকৃত মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা, মা-শিশু স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য ও বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য সেবাকে কার্যকর এবং সর্বজনীন করে তুলতেই সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা ও সকলকে তরুণদের উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে মানসম্মত পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু স্বাস্থ্য ও কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবার প্রদানে সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমলনগরে ১৯ দিন ধরে নিখোঁজ মা'নসিক ভারসাম্যহীন নারী, খুঁজে পেতে পরিবারের আকুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রামগতি-কমলনগর লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


কমলনগরে ১৯ দিন ধরে নিখোঁজ মা

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ৫ নম্বর চর ফলকন ইউনিয়নের বিবি আয়েশা (৪৫) নামের একজন মানসিক ভারসাম্যহীন নারী গত ২০ জুন ২০২৬ থেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

নিখোঁজ বিবি আয়েশা মৃত নূর ইসলামের কন্যা এবং মৃত আবুল বাসারের পত্নী। তাঁর আবাসস্থল কমলনগর উপজেলার ৫ নম্বর চর ফলকন ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হাবিবুল্লাহ হাফেজ সাহেব পাজাল বাড়ি।

পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানা যায়, গত ২০ জুন অজ্ঞাত সময়ে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে যান এবং এরপর থেকে আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। গত ১৯ দিন ধরে সম্ভাব্য সব স্থানে তাঁর খোঁজ করা হচ্ছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো সন্ধান মেলেনি।

যদি কারো কাছে তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়, তাহলে ০১৮৮৭-০০৪৮৮২ নম্বরের মাধ্যমে পরিবারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে। সন্ধানদাতাকে পরিবারের পক্ষ থেকে উপযুক্ত সম্মাননা প্রদান করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

নিখোঁজ এই নারীর সন্ধান পাওয়ার জন্য পরিবারের সদস্যরা সকলের সহযোগিতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংবাদটি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্লোরিডার বিমানবন্দরের নাম হলো ‘ট্রাম্প’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


ফ্লোরিডার বিমানবন্দরের নাম হলো ‘ট্রাম্প’

 

ফ্লোরিডার একটি বিমানবন্দরের নাম বৃহস্পতিবার পরিবর্তন করে ট্রাম্পের নামে রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর সমর্থকদের উদ্যোগে জাতীয় স্থাপনা থেকে ব্যাংকনোট পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় তাঁর নাম ও ছবি যুক্ত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ পরিবর্তন করা হলো।

এ পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি শিগগিরই বিশ্বের সবচেয়ে সেরা ও দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দরগুলোর একটি হবে!’

ওয়েস্ট পাম বিচ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামে পরিচিত বিমানবন্দরে ট্রাম্প পরিবারের ব্যক্তিগত ‘ট্রাম্প ফোর্স ওয়ান’ নামে পরিচিত বোয়িং-৭৫৭ উড়োজাহাজ অবতরণ করে ট্রাম্পের ছেলে এরিক ট্রাম্প এ পরিবর্তন উদযাপন করেন।

নবনামকরণ করা ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে’ ফক্স নিউজকে তিনি হাসিমুখে বলেন, ‘আজ একটি সুন্দর দিন।’

বিমানবন্দরটি ট্রাম্প পরিবারের মার-আ-লাগো গলফ রিসোর্ট ও আবাসন থেকে অদূরে অবস্থিত।

ফ্লোরিডার রিপাবলিকান গভর্নর রন ডিস্যান্টিস এ নাম পরিবর্তনের আইনে স্বাক্ষর করেন।

এরিক ট্রাম্প বলেন, ‘পাম বিচের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো আর কেউ এতটা ওতপ্রোতভাবে জড়িত নন। সম্ভবত পুরো ফ্লোরিডাতেও নয়।’

তিনি বলেন, বিমানবন্দর থেকে বের হওয়া প্রধান সড়কের নাম আগেই ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প বুলেভার্ড’ রাখা হয়েছে।

এছাড়া তিনি আরও জানান, এখন থেকে পাম বিচে উড়ে আসা যাত্রীদের টিকিটে স্থায়ীভাবে ‘ডিজেটি’ দেখা যাবে।

বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরে থাকা যাত্রীদের মধ্যে এ নাম পরিবর্তন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৃপ্তি লাভ করে।

করপোরেট পাইলট ক্রিস বেইলি এ পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে এএফপিকে বলেন, ট্রাম্প ‘নিশ্চয়ই একটি বিমানবন্দরের নাম তাঁর নামে রাখার মতো যথেষ্ট কাজ করেছেন।’ তবে কিছু লোক এ নিয়ে বিরোধিতা করেছেন।

‘ব্যাংকনোট, ভবন ও সেতু’-

জীবিত ব্যক্তি, বিশেষ করে দায়িত্বে থাকা প্রেসিডেন্টের নামে মুদ্রা ও সরকারি ভবনের নামকরণ না করার যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে ট্রাম্পের নাম ও ছবি দ্রুত বিভিন্ন স্থানে যুক্ত করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টসহ কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার টেনেসিতে নতুন ‘ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ব্রিজ’-এর উদ্বোধন করেন।

এ ছাড়া ট্রাম্পের নামে ভিসা, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচিও চালু করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পাসপোর্টে তাঁর ছবি যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। জাতীয় উদ্যানের প্রবেশ পাসে ইতোমধ্যে তাঁর ছবি ব্যবহৃত হচ্ছে। ‘ট্রাম্প ক্লাস’ নামে একটি নৌযানের নতুন শ্রেণিও ঘোষণা করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ডলার নোটে প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের স্বাক্ষরও যুক্ত হবে।

বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনে কোনো সমস্যা দেখেন না এরিক ট্রাম্প।

ফ্লোরিডার বিমানবন্দরের নাম তাঁর বাবার নামে রাখায় প্রেসিডেন্টের অনুভূতি কী—এ প্রশ্নের জবাবে এরিক ট্রাম্প বলেন, “তিনি ‘সম্মানিত’ও ‘বিনীত’ বোধ করছেন।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় পড়ে আছে মরদেহ, শিশুদের কামড়াচ্ছে ইঁদুর!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


গাজায় পড়ে আছে মরদেহ, শিশুদের কামড়াচ্ছে ইঁদুর!

এক সময় ছিল যখন গাজার শিশুরা বিকেল হলেই রাস্তায় নেমে ফুটবল খেলত। পাড়া ছিল হাসির শব্দে মুখরিত। কিন্তু আজ সেই একই রাস্তায় পড়ে আছে ধ্বংস্তুপ। বাতাসে মিশে আছে পোড়া কংক্রিটের দুর্গন্ধ। আর রাত নামলেই শুরু হচ্ছে নতুন এক ভয়। এখন শুধু বোমা নয়, ঘুমন্ত শিশুদের ওপর হামলা করছে ইঁদুর। যুদ্ধবিরতির আট মাস পেরিয়ে গেলেও গাজার মানুষের জীবনে এখনও শান্তি আসেনি।

মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে ১৪ বছরের কারাম এখনো একটি পুরোনো ফুটবল আঁকড়ে ধরে হাঁটে। তার স্বপ্ন ছিল বড় ফুটবলার হওয়ার। প্রতিদিন বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে খেলা তার আনন্দের অংশ ছিল। কিন্তু এখন চারপাশে মাঠের ব্যবস্থা নেই, নেই সেই বন্ধুদের কোলাহল। ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়ি, পুড়ে যাওয়া জমি এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ছাড়া আর কিছুই নেই। সংবাদমাধ্যম সিএনএন এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।

যুদ্ধবিরতির পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তির কথা নানা বার বলা হয়েছে। এসেছে নতুন পরিকল্পনা, নতুন বৈঠক ও নতুন প্রতিশ্রুতির খবরও। কিন্তু গাজার মানুষের কাছে বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। তাদের ভাষায়, কাগজে যুদ্ধ থামলেও বাস্তবে যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি।

চুক্তি অনুযায়ী সেনা প্রত্যাহার, নতুন প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা থাকলেও সেগুলোর বেশির ভাগই বাস্তবায়িত হয়নি। বরং ইসরায়েল গাজার বিস্তীর্ণ এলাকায় সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর কাজ করেছে। অন্যদিকে হামাসও অস্ত্র সমর্পণ না করে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছিল। ফলে সাধারণ মানুষ আটকে পড়েছে দুই পক্ষের সংঘাতের মাঝে।

সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি এখন বাস্তুচ্যুত মানুষদের আশ্রয়শিবিরগুলোতে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৯ লাখ মানুষ তাদের ঘর হারিয়েছে। হাজার হাজার পরিবার এখনও অস্থায়ী তাঁবুর মধ্যে গাদাগাদি করে বসবাস করছে। সেখানে পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি নেই। স্বাস্থ্যকর পরিবেশও নেই। গরমে দম বন্ধ হয়ে আসে এবং চারপাশে ময়লা জমে থাকে। দুর্গন্ধে শ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে নতুন আতঙ্ক। ইঁদুর, তেলাপোকা এবং অন্যান্য প্রাণী সহজেই তাঁবুর কাপড় কেটে ভেতরে ঢুকে পড়ছে। মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর কর্মীরা জানিয়েছেন, অনেক শিশুকে ঘুমন্ত অবস্থায় কামড়িয়েছে ইঁদুর। বহু পরিবার রাতভর জেগে থাকে তাদের সন্তানদের নিরাপদ রাখার জন্য। অনেকেই খাবার ইঁদুরের হাত থেকে বাঁচাতে তাঁবুর ছাদে ঝুলিয়ে রাখছেন।

এছাড়া, নির্মম বাস্তবতা হলো, বহু এলাকায় এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে আছে মরদেহ। অনেক পরিবার জানে না তাদের স্বজন জীবিত নাকি মৃত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুর্গন্ধ বাড়ছে। রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও প্রতিদিন বাড়ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ অনুযায়ী, ত্রাণ পৌঁছাতে নানা বাধা থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সংকট কাটেনি। ফলে যুদ্ধবিরতির বহু মাস পরেও গাজার মানুষের কাছে শান্তি এখনও শুধু একটি শব্দ। বাস্তবে, তাদের প্রতিটি সকাল নতুন অনিশ্চয়তা, নতুন ভয় এবং বেঁচে থাকার কঠিন লড়াই নিয়ে শুরু হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%